সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয়

অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক

খেলা

রাজনীতি

আইটি বিশ্ব

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

টিপস এন্ড ট্রিকস

বিনোদন

লাইফস্টাইল

Recent Posts

  • চোখ জ্বালাপোড়ায় করণীয়

    মে ০৮, ২০১৭
    নানা কারণে চোখে জ্বালাপোড়া হতে পারে। অতিরিক্ত গরম, ঠাণ্ডা, ধুলাবালি চোখে ঢোকা, শরীরে পানির ঘাটতি ইত্যাদি কারণে আমাদের চোখ জ্বালাপোড়া করতে পারে। এ সময় অনেকেই চোখ চুলকান। এতে জ্বালাপোড়া আরও বেড়ে যায়। চলুন জেনে নিই এমন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত-

    *যেসকল পরিবেশে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া করে সেসব এড়িয়ে চলুন।

    *চোখকে ধুলাবালি ও রোদ থেকে রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

    *নিয়মিত সুষম খাবার গ্রহণ করুন।

    *কখনো চোখে ঘষাঘষি করবেন না।

    *দুই হাত সব সময় পরিষ্কার রাখুন।

    *বরফ ঠাণ্ডা পানিতে চোখ মুখ ধুয়ে ফেলুন। কয়েক টুকরা বরফ একটি নরম কাপড়ে পেঁচিয়ে নিন। এবার এটি চোখের উপর দিয়ে রাখুন। আরাম পাবেন।

    *গোল করে শসা কাটুন দুই টুকরা। বরফ ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা শসা চোখের উপর দিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখুন কিছুক্ষণ। দেখবেন, চোখ জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে এসেছে।

    *টি ব্যাগে উপস্থিত বায়োফ্লেভোনয়েডস বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে। দুই চোখে দুইটি ব্যবহৃত টি ব্যাগ দিয়ে রাখুন। চোখ জ্বালাপোড়া হ্রাস পাবে।

    *প্রচুর পানি পান করুন।

    *একটি বাটিতে কিছু অ্যালোভেরার রস নিন। ফ্রিজে রাখুন বেশ কিছুক্ষণ। ঠাণ্ডা হয়ে এলে বের করে একটু ঠাণ্ডা পানি মেশান। দুই টুকরা নরম পাতলা কাপড় ওই রসে ভিজিয়ে চোখে লাগিয়ে রাখুন। চোখ জ্বালাপোড়া কমে আসবে।

    *অবাক করা হলেও সত্যি, পাউরুটি ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে চোখে লাগিয়ে রাখলে চোখ জ্বালাপোড়া, চুলকানি ইত্যাদি অনেকটা কমে আসে।

    *নিয়মিত চোখের ডাক্তার দেখান। চোখে কোন ধরণের অস্বস্তিবোধ হলে ডাক্তারকে তৎক্ষণাৎ জানান।

    সূত্র:bd-pratidin
  • মন্ত্রিসভায় রদবদলের আভাস কাদেরের

    বর্তমান মন্ত্রিসভা অনেকদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছে জানিয়ে সরকারে রদবদলের আভাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়তো হবে। কারণ অনেক দিন হয়ে গেছে। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার।’

    সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান, মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আসছে কি না। এর জবাবেই তিনি এ কথা বলেন।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট নিয়েও সাংবাদিকরা জানতে চান ওবায়দুল কাদেরের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, রবিবার ঘোষিত এরশাদের জোটকে তিনি চমক হিসেবেই দেখছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এই চমকের রেশ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সেটার জন্য আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি কয়েক বছর ধরেই মহাজোটে নেই। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগেই এরশাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের জোট ভেস্তে গেছে। তারা এখন বিরোধী দলে, আবার সরকারেও আছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আগে অনেক ভাঙাগড়া হবে। জোট ভাঙবে। জোট গড়বে। রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কথা নেই।

    বর্তমান মন্ত্রিসভা অনেকদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছে জানিয়ে চতুর্থবারের মত সরকারে রদবদলের আভাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়তো হবে। কারণ অনেক দিন হয়ে গেছে। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার।’

    সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান, মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আসছে কি না। এর জবাবেই তিনি এ কথা বলেন।

    ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা টানা দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত সরকারে নতুন মুখ বা দপ্তর পরিবর্তন হয়েছে তিন দফা।

    ২০১৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।

    প্রায় দেড় বছর পর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় যোগ হয় নতুন পাঁচ মুখ। প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হন একজন।

    সেদিন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি তার আগের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই দায়িত্ব পালন করছেন।

    একই দিন মন্ত্রী হিসেবে আরও শপথ নেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারানা হালিম (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) এবং নুরুজ্জামান আহমেদ (খাদ্য)।

    এরপর মন্ত্রিসভায় আরও একটি রদবদল হয়। সেটি চমকের তৈরি করে দেশজুড়ে। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। একই দিন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বদলে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এক সপ্তাহ পর সৈয়দ আশরাফ পান তার নতুন মন্ত্রণালয় জনপ্রশাসন।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট নিয়েও সাংবাদিকরা জানতে চান ওবায়দুল কাদেরের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, রবিবার ঘোষিত এরশাদের জোটকে তিনি চমক হিসেবেই দেখছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এই চমকের রেশ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সেটার জন্য আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি কয়েক বছর ধরেই মহাজোটে নেই। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগেই এরশাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের জোট ভেস্তে গেছে। তারা এখন বিরোধী দলে, আবার সরকারেও আছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আগে অনেক ভাঙাগড়া হবে। জোট ভাঙবে। জোট গড়বে। রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কথা নেই।

    সূত্র:dhakatimes24
  • চমকহীন দল ঘোষণায় 'বড় চমক' দিল ভারত!

    নানা টালবাহানার পর অবশেষে ইংল্যান্ডে আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য দল ঘোষণা করল ভারত। সোমবার ঘোষিত ১৫ জনের এই স্কোয়াডে অধিনায়ক হিসেবে আছেন বিরাট কোহলি। আছেন ধোনি, যুবরাজ, অশ্বিন, জাদেজারা।

    তবে আইপিএলে দুর্দান্ত খেলেও জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন না কলকাতা নাইট রাইড রাইডার্সের অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। এ ছাড়া এই দলে তেমন কোনো নতুন মুখ কিংবা চমক নেই। তবে চলতি আইপিএলে বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা ছিল। কেবল ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার মোহাম্মদ শামি।

    নির্বাচনী বৈঠকে সিনিয়র খেলোয়াড়দের ওপরই আস্থার কারণেই দল জায়গা পেয়েছেন যুবরাজ, মহেন্দ্র সিং ধোনিরা। তবে বৈঠকে সুরেশ রায়না, শার্দুল ঠাকুর, দীনেশ কার্তিক, কুলদীপ যাদব এবং ঋষভ পান্থের নাম নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

     তবে কেন এ দলে গম্ভীরের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের কোনো জায়গা নেই, তার অবশ্য উত্তর নেই। আইপিএলে দুর্দান্ত খেলার পরও সুযোগ পাননি ঋষভ পান্থ।  এদিকে চলতি আইপিএলে ঋষভ পান্থ, সঞ্জু স্যামসনের মতো তরুণরা যেভাবে পারফর্ম করেছেন, তাতে তাদের স্কোয়াডে না থাকা বেশ আশ্চর্যজনক। আর ইনজুরি শেষে শামি যে দলে ফিরবেন তা আশ্চর্যের কিছু নয়।  সব মিলিয়ে পুরনোদের ওপরই ভরসা রাখল বিসিসিআইয়ের নির্বাচক প্যানেল।

    এর আগে রবিবার ইংল্যান্ডে আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে ভারতীয় দলকে ছাড়পত্র দিয়েছিল বিসিসিআই। রবিবার নয়াদিল্লিতে বিশেষ সাধারণ সভার ডাক দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়, আগামী মাস থেকে শুরু হতে চলা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলবে ভারত। তবে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে আইসিসিকে আইনি নোটিশও পাঠাতে চলেছে ভারতীয় বোর্ড।

     চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দল ঘোষণা নিয়ে টালবাহানা কম হয়নি। দল ঘোষণা নিয়ে বোর্ড যদি এ ভাবে 'নাটক' চালাতে থাকে তা হলে কপালে দুঃখ আছে বলে সতর্ক করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্যানেল।

    শনিবারই বিনোদ রাইয়ের নেতৃত্বাধীন প্রশাসক প্যানেল বোর্ড কর্মকর্তাদের পরিষ্কার বলে দেয়, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সঙ্গে কোনো আপস করা চলবে না। টাকা-পয়সা নিয়ে আইসিসির সঙ্গে যাবতীয় ঝামেলা, সেটা আলোচনা করে মেটাতে হবে। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের খেলা নিয়ে রাজনীতি চলবে না।

    চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য ভারতীয় স্কোয়াড :
    বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, রোহিত শর্মা, আজিঙ্কা রাহানে, মহেন্দ্র সিং ধোনি, যুবরাজ সিং, কেদার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি, উমেশ যাদব, ভুবনেশ্বর কুমার, জসপ্রিত বুমরাহ এবং মনীশ পাণ্ডে।

    সূত্র:kalerkantho
  • রমজানে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা

    রমজান মাসে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সচিবালয়ে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। শফিউল আলম বলেন, রমজানে বেলা সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে যথারীতি শুক্র ও শনিবার। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ বা ২৮ মে থেকে মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান শুরু হবে। বর্তমানে অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

    মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, হিজরি ১৪৩৮ সালের পবিত্র রমজান মাসে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এই সময় ধরে চলবে। তবে ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল ও রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এ সময়সূচির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

    এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে। সুপ্রিম কোর্ট ও এর আওতাধীন সকল কোর্টের সময়সূচি সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব।

    সূত্র:kalerkantho
  • অবশেষে জানা গেল কুমিল্লা বোর্ডে খারাপ ফলাফলের মূল কারণ

    সারাদেশে গড় পাসের হার ৮০ শতাংশ অতিক্রম করলেও কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হার ৫৯.০৩ শতাংশ। বিগত ১০ বছরের তুলনায় এ বছর কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফল তুলনামূলক বিপর্যয় ঘটেছে।  অবশেষে জানা গেল কুমিল্লা বোর্ডে খারাপ ফলাফলের মূল কারণ।

    কারণ হিসেবে পরীক্ষকরা দুষছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে। অন্যদিকে বোর্ড কর্তৃপক্ষেরও সোজা-সাপটা জবাব মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা তারা বাস্তবায়ন করতে পরীক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন মাত্র।

    মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষকদের অভিমত শুধুমাত্র বোর্ডের কঠোর নির্দেশনার কিছুটা অনুকম্পা দেখালেই পাসের হার অন্তত ৭৫ অতিক্রম সম্ভব হতো। কিন্তু সর্বনাশ যা-ই হবাব তা হয়ে গেছে। তাই বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লাসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন।

    মন্ত্রণালয়ের কথিত মডেল উত্তরপত্র পরীক্ষকদের কাছে সরবরাহ করে ভয় দেখিয়ে দফায় দফায় খাতার নম্বর কমানোর নির্দেশ দাতা হিসেবে জড়িত বোর্ডের কর্মকর্তাদের অপসারণেরও দাবি উঠেছে।

    এদিকে ফল পরিবর্তন ও ফেল করা শিক্ষার্থীদের শেষ ভরসা হিসেবে ফলাফল পুন:নিরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদনের হিড়িক পড়েছে বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, এ বছর বোর্ডের অধীনে

    কুমিল্লা, বি-বাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও লহ্মীপুর জেলা থেকে এক লাখ ৮২ হাজার ৯৭৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৮ হাজার ১১ জন। প্রায় ৮০ হাজার পরীক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখেনি। এর মধ্যে ৬০ সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী ফেল করেছে গণিত ও ইংরেজিসহ আরও একাধিক বিষয়ে।

    বোর্ড কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের উপর দোষ চাপাতে ব্যস্ত থাকলেও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন। এসএসসিতে ২০১০ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ০৩ শতাংশ, ২০১১ সালে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৫, ২০১২ সালে ৮৫ দশমিক ৬৪, ২০১৩ সালে ৯০ দশমিক ৪১, ২০১৪ সালে ৮৯ দশমিক ৯২ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশ ও ২০১৬ সালে ৮৪ শতাংশ।

    এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ০৩ শতাংশে নেমে আসায় এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধি মহল থেকে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

    কাঙ্খিত পয়েন্ট না পাওয়া ও ফেল করা একাধিক শিক্ষার্থীদের অভিমত ‘যে নিয়মে এ বোর্ডে খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে সেই নিয়মে অন্য বোর্ডের খাতা মূল্যায়ন করা হলে সেখানে পাসের হার ৪০ এর নীচে নেমে আসতো।’ ফল বিপর্যয়ের কারণে দেশের অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিকসহ পরবর্তীতে প্রতিযোগিতামূলক অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষায় পিছিয়ে পড়বে বলে হতাশা ও উৎকণ্ঠায় রয়েছে কুমিল্লা বোর্ডের অধীন ৬ জেলার শিক্ষার্থীরা।

    বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া হলে উচ্চ মাধ্যমিকেও ফল বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন অভিভাবকরা।

    বোর্ডের নির্দেশনাই সর্বনাশ ঘটিয়েছে পরীক্ষার্থীদের : একাধিক প্রধান পরীক্ষক জানান, কথিত মডেল উত্তর পত্র সরবরাহ করে পরীক্ষকদের মন্ত্রণালয়ের ভয় দেখিয়ে নির্দেশনা দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করতে বাধ্য করায় পাসের হার সকল বোর্ডের তলানীতে স্থান পায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগরীর একাধিক স্কুলের পরীক্ষক জানান, খাতা মূল্যায়নে এ বছর তাদের কঠোর থাকতে বাধ্য করা হয়, এমনকি খাতায় নম্বর প্রদানে কোনো অনুকম্পা ধরা পড়লে সন্মানী কর্তনসহ ভবিষ্যতে আর খাতা না দেয়ার হুমকি দেয়া হয় বোর্ড থেকে।

    ছাড়াও এসব খাতা মন্ত্রণালয়ের টিম দেখতে পারে এমন ভয় দেখিয়ে নম্বর কমিয়ে রাখতে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহিদুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    সূত্র:mtnews24
  • ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রন

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়। প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, ইমানুয়েল ম্যাক্রন পেয়েছেন ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট।

    আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারিন লো পেন পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট। ফলে এই বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী সাবেক ব্যাংকার ইমানুয়েল ম্যাক্রন হচ্ছেন, ফ্রান্সের সবচেয়ে কম বয়সী প্রেসিডেন্ট।

    বিবিসি এক খবরে জানায়, ফ্রান্সে রাজনৈতিক প্রধান দুটি ধারার বাইরে ইমানুয়েল ম্যাক্রনই প্রথম ব্যক্তি যিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। এটি দেশটির কয়েক দশকের ইতিহাসে ব্যতিক্রম ঘটনা।

    প্রাথমিক ফল ঘোষণার পর ম্যাক্রন এক বিবৃতিতে বলেন, ফ্রান্সের ইতিহাসে নতুন কিছু রচনা হতে যাচ্ছে এবং তিনি এখানে আস্থা ও বিশ্বাসের পাতা হতে চান।

    তিনি বলছেন, গণতন্ত্রের বড় লড়াইয়ের পর ফ্রান্সের মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে নির্বাচিত করেছে। এটা অনেক সম্মানের বলে সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখার অঙ্গীকার করেন ইমানুয়েল ম্যাক্রন।

    প্রাথমিক ফল ঘোষণার পর ইমানুয়েল ম্যাক্রনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জাঁ ক্লদ ইয়োঙ্কার।

    এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ম্যাক্রনকে অভিনন্দন জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এদিকে ম্যাক্রনের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন উগ্র ডানপন্থী প্রার্থী মারিন লো পেন। হেরে যাওয়ার পর পেন বলেন, ফ্রান্সের এই ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম দফায় বড় পরিবর্তন ঘটেছে। বড় দুটি দলই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে দেশপ্রেমিক ও বিশ্বায়নবিদদের মধ্যে লড়াই হয়েছে। তিনি বলেন, ফ্রান্সের যে রাজনৈতিক লড়াই শুরু হলো তাতে তিনি সব দেশপ্রেমিককে তার দলে চান।

    নির্বাচনী প্রচারণায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন ম্যাক্রন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবেলায় কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার প্রাথমিক ফল ঘোষণার পর প্যারিসের লুভ মিউজিয়ামের সামনে এক সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। ম্যাক্রনের দলে কোন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকা স্বত্বেও নতুন এক সরকার গঠন করবেন তিনি।

    আগামী জুন মাসে দেশটিতে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনের মাধ্যমেই রাজনীতিতে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করবেন ইমানুয়েল ম্যাক্রন।

    সূত্র:dainikamadershomoy
  • মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বন্ধের দাবিতে চীনের হুঁশিয়ারি

    দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন বিতর্কিত মার্কিন অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাল চীন। ‘থাড’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে ঘোষণা করার কয়েক দিনের মধ্যেই এহেন দাবি জানান হল।

    চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং প্রেস ব্রিফিংয়ে এমনটাই আহ্বান জানান।  তিনি বলেন, এই বিষয়ে বেজিংয়ের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ় এবং পরিষ্কার।

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘থাড’ ব্যবস্থা মোতায়েনের বিরোধিতা করেছে চিন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টপক্ষগুলোকে অবিলম্বে এটি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।  না হলে চীন নিজ স্বার্থ বজায় রাখার জন্য দৃঢ় ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা অজুহাতে গত বছরের জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘থাড’ মোতায়েনে সম্মত হয়েছিল ওয়াশিংটন ও সিউল।  চীন ও রাশিয়ার কঠোর বিরোধিতা উপেক্ষা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

     সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

  • আওয়ামী লীগের তৃণমূলে দ্বন্দ্বে নিহত ৭, তৎপর কেন্দ্র

    মে ০৭, ২০১৭
    বিগত এক মাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘটিত সংঘর্ষে তৃণমূল আওয়ামী লীগের সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত প্রায় দুই শতাধিক। তবে দলটির নেতারা বলছেন, সকল সংঘর্ষের ঘটনা রাজনৈতিক বলা যাবে না।

    জাগো নিউজের অনুসন্ধানে জানা গেছে, অধিকাংশ এলাকাতেই মূল দলের নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার সঙ্গে সমর্থক বা রাজনৈতিক অনুসারী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। নিজ নিজ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংগঠনের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা জড়িয়ে পড়ছেন সংঘর্ষে। ফলে এসব হতাহতের ঘটনা বাড়ছে।

    তৃণমূলের অন্তর্কোন্দল আর প্রাণহানির ঘটনায় অস্থির হয়ে পড়েছেন কেন্দ্রের নেতারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এমন সংঘাতে বিব্রত আওয়ামী লীগের সভানেত্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের আগে সবকিছু সহনীয় পর্যায়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছেন। দলের সাধারণ সম্পাদককে দ্বন্দ্ব নিরসনে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি।

    সভানেত্রীর নির্দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জেলার নেতাদের মাঝে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব নিরসনের উদ্যোগ হিসেবে ছয় জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিগত মাসের শেষ সপ্তাহে এবং চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের বিবাদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন।

    জাগো নিউজের তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় শনিবার (৬ মে) প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন আমির হোসেন রাজন নামে এক ছাত্রলীগ নেতা। দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম মাইজপাড়া মসজিদের সামনে তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। রাজনের দুই পা-হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেয়ার পথে শনিবার দুপুরের দিকে মৃত্যু হয়।

    গত ১৮ এপ্রিল কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ফারুখ (২৮) ও সাইদুর রহমান (২৬) নামে দু’জন নিহত হন। মুরাদনগর উপজেলার রহিমপুর এলাকার ওই ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।

    পরের দিন ১৯ এপ্রিল নরসিংদী আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শারফিন মিয়া (২০) ও মাসুদ (৩০) নামে দু’জন নিহত হন। রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ী গ্রামে সংঘটিত ওই ঘটনায় আহত হন অন্তত ২০ জন।

    এরও আগে ১৩ এপ্রিল নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নূর আলম (৩৫) নামে একজন নিহত হন। হাতিয়া উপজেলার ওই সংঘর্ষের আহত হন অন্তত ১০ জন।

    ২২ এপ্রিল শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১২ জন গুলিবিদ্ধ ও ২৫ জন আহত হন। একই দিন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ২৫ জন আহত হন।

    ৩০ এপ্রিল ফরিদপুরের সালথার আটঘর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সালথার আটঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ খানের বাড়িতে কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সমর্থকরা হামলা চালায়। এতে জিয়া শেখ নামে একজন নিহত হন। নিহত জিয়া শেখ আওয়ামী লীগের কর্মী। ওই ঘটনায় আহত হন কমপক্ষে ৩০ জন।

    মুন্সীগঞ্জে ২ মে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

    ৩ মে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।

    ২৮ এপ্রিল ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা বাজারে বিবাদমান আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। ১৫ এপ্রিল পাবনার কসাইপট্টি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে গোলাগুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর কয়েকজন সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, বেশির ভাগ স্থানে দেখা যাচ্ছে মূল দল আওয়ামী লীগ নেতাদের নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা নিয়ে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছেন। মূল দলের সঙ্গে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সমন্বয় না থাকাই সংঘর্ষের মূল কারণ।

    তারা বলেন, অঙ্গ-সংগঠনগুলোর প্রধানদের সঙ্গে খুব শিগগিরই দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন। সংগঠনগুলো যেন মূল দলের সঙ্গে সমন্বয় করে চলে এবং নিজেদের যেন সংগঠনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখার নির্দেশনা দেয়া হবে। মূল দলের নেতাদের নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার সঙ্গে যেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা যুক্ত না হন সে বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে বলে তারা জানান।

    তৃণমূল আওয়ামী লীগের অন্তর্কোন্দলে এক মাসে সাত কর্মী হত্যা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিজানুর রহমান শেলী বলেন, ‘এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। এটা ইতিহাসের শিক্ষা। যখন একটি রাজনৈতিক শক্তি অত্যন্ত প্রবল হয়ে ওঠে, সেই প্রভাবে যখন অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দল বলেন, শক্তি বলেন সেখানেই বড় শক্তির ভেতরে অন্তর দ্বন্দ্ব দেখা দেবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।’

    তিনি বলেন, ‘দলের মূল আদর্শ বাদ দিয়ে কেমন করে তাড়াতাড়ি ক্ষমতার কিছু অংশ পাওয়া যায়, কী করে লাভবান হওয়া যায়, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল থাকলে। আওয়ামী লীগের মতো একটা বড় দলের সামনে নির্বাচন আসছে, এমনিই বড় দল তারা।

    নানা রকম ভাগাভাগি নিয়ে ঈর্ষা, হিংসা, প্রতিযোগিতা, সংঘর্ষ-সংঘাত হতেই থাকবে। সেখানে যদি সত্যিকারের আদর্শবাদী আকাঙ্খা তাদের মাঝে থাকে, নেতৃত্ব যদি তাদের সেদিকে পরিচালিত করতে পারে তাহলে সংঘাত-সংঘর্ষ, মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা কমিয়ে আনা যেত।’

    তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ হচ্ছে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল। বিরোধী দল যদি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী না হয়, অথর্ব হয়ে থাকে বা দুর্বল করে রাখা হয় তাহলে গণতন্ত্রে সমান সমান অধিকার থাকে না। তখন দলের মধ্যেই নিজস্ব চ্যালেঞ্জ গড়ে ওঠে। সংঘর্ষ-সংঘাতের ঘটনা গড়ে ওঠে।’

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনোভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেটা আওয়ামী লীগ হোক, বিএনপি হোক কিংবা অন্য কোনো দলের হোক।

    কিছু থাকেন কর্মী, নেতা আবার সাধারণ সমর্থকও থাকেন। সামাজিক বা গোষ্ঠীগত বা জমিজমা নিয়ে সংঘাত হলেও সেটা রাজনৈতিক রঙ দেয়া হয়। এগুলো এভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে দেখা গেল সংঘর্ষ হয়েছে, প্রাথমিকভাবে বলা হয় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ।’

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘দলের আদর্শবিবর্জিত লোকজন যারা আছে তারা এসব সংঘাতে জড়াচ্ছে। আমরা দলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ করছি। আগামী ২০ তারিখে (মে) আমাদের বর্ধিত সভায় এ নিয়ে আলোচনা হবে।’

    সূত্র:jagonews24
  • কমেছে স্বর্ণের দাম

    অবশেষে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আগামীকাল সোমবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

    ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৪৫ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২১ ক্যারেট স্বর্ণে ১ হাজার ১০৭, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন স্বর্ণে ৮১৫ টাকা কমানো হয়েছে। এছাড়া রূপার দাম কমেছে প্রতি ভরিতে ৫৮ টাকা।

    সূত্র:
  • যুদ্ধের প্রস্তুতি! সীমান্তে প্রচুর বোর্ফস কামান মোতায়েন করছে ভারত

    ভারত-পাক সীমান্তে একেবারে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বোফর্স কামান মোতায়েন করতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সেনা সদস্যের মুন্ডুচ্ছেদ হওয়ার পর এমন চরম সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনীর তরফে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।  আর সেনাবাহিনীর এমন সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই দেখছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

    জানা গেছে, রাজৌরি থেকে পুঞ্চ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কিছু জায়গায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বোফর্স কামান মোতায়েন করা হচ্ছে।  শুধু তাই নয়, কিছু জায়গায় ছোট কামানও মোতায়েন করা হচ্ছে।  প্রত্যেক ২/৩ ঘণ্টা পর পর বোফর্স কামানগুলির স্থান পরিবর্তন করবে যাতে শত্রুরা বুঝতে না পারে কোথায় কামান মোতায়েন করা হয়েছে।

    সীমান্তে এমনিতেই আগে থেকে বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় কামান মোতায়েন আছে। সমতলভূমিতে ট্যাঙ্কও মোতায়েন রয়েছে।  গত সোমবার কৃষ্ণাঘাঁটি সেক্টরে পাক বর্ডার অ্যাকশন টিমের (বাট) পদক্ষেপের পরে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    পাক সীমান্তে সেনাবাহিনীর আনাগোনা বেড়ে চলায় ভারতীয় বাহিনী কামানের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে।  নির্বাচিত এলাকায় বোফর্স কামান মোতায়েন করা হচ্ছে।  এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা খুব বেশি হওয়ায় কার্গিল যুদ্ধের সময় বোফর্স কামান পাক বাহিনীকে যথেষ্ট বেগ দিতে সক্ষম হয়েছিল।  এবার সেই কামানকে আবারও সীমান্তে মোতায়েন করছে সেনাবাহিনী।

    সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর