Browsing "Older Posts"

  • দিনে দুই ডিম খেয়ে তিন শতাব্দীর সাক্ষী ইমা

    নভেম্বর ৩০, ২০১৬
    পৃথিবীর সবচেয়ে প্রবীণ নারীর সন্ধান পাওয়া গেছে ইতালিতে।
     
    সম্ভবত ইমা মোরানো নামের এই নারীই আঠারো শতকের সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি। তিনি তিনটি শতাব্দীর পরিবর্তন নিজ চোখে দেখেছেন।
     
    ইতালির ভারবানিয়া শহরে বসবাসরত ইমা মোরানো আগামী ২৯ নভেম্বর ১১৭তম জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ১৮৯৯ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
     
    জন্মদিন ঘিরে ইমা জানিয়েছেন এই দীর্ঘ জীবন লাভের রহস্য। বলেন, 'খুবই কম খাই আমি। সারাদিনে দু'টা ডিম খাই, এটাই সব। আর কিছু খাই না।'
     
    নিজের জন্মদিনের কেক ইমা খাবেন কি না তা এখনও নিশ্চিত নন। কারণ এরআগে একবার কেক খেয়ে সুস্থবোধ করেননি তিনি।
     
    ইমা বলেন, 'আমি জানি আমার ব্যাপারে অনেকের আগ্রহ আছে। আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে অনেকে আসেন আমাকে দেখতে। আমি কাউকে আমন্ত্রণ জানাই না, কিন্তু তারা আসেন।'
     
    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান 
  • মধ্যরাত থেকে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম শুরু, যেভাবে আবেদন করবেন

    নিউজ ডেস্ক: দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ বুধবার মধ্যরাত অর্থাৎ রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে শুরু হবে।

    আগামী ১২ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

    আবেদনকারীরা এই ওয়েবসাইট (www.gsa.teletalk.com.bd) এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি’র ১৫০ টাকা টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম ইতোমধ্যে উল্লিখিত ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।

    তবে যেসব উপজেলায় ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, সেসব এলাকায় আগের পদ্ধতিতেই ভর্তি আবেদন করা
  • সোনার হরফে কোরআন লিখলেন তিনি

    স্বচ্ছ কালো সিল্কের উপর চক চক করছে কোরআনের হরফগুলো। সোনা ও রুপা দিয়ে লেখা। ১৬৪ ফুট সিল্কের উপর মূল্যবান ধাতু দিয়ে সম্পূর্ণ কোরআন লিখে ইতিহাস গড়েছেন আজারবাইজানের শিল্পী তুনজালে মেমেদজাদে।

    খবর আনন্দবাজারের। পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো কোরআন নাকি লেখা হয়েছিল ভেড়ার চামড়ার উপর। ২০১৫ সালে সেই কোরআনের পাণ্ডুলিপির খোঁজ মেলে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মালখানায়।

     এ নিয়ে তখন হৈ চৈ পড়ে যায়। এবার আরও একবার খবরের শিরোনামে কোরআন। সোনা ও রুপার হরফে সম্পূর্ণ কোরআন লিখতে তুনজালে মেমেদজাদের সময় লেগেছে প্রায় তিন বছর।

     সিল্কের উপর সোনার হরফে কোরআন এই প্রথম লেখা হল বলে জানান ৩৩ বছরের এই শিল্পী। ১১.৪ ফুট বাই ১৩ ফুট সাইজের এই কোরআনের প্রতিটি পাতায় ফুটে উঠেছে ইসলামীয় শিল্পকলা। প্রত্যেকটি হরফ নিজের হাতে লিখেছেন মেমেদজাদে।

     তিনি বলেন, সিল্ক দিয়ে তৈরি কোরআন কোনভাবেই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনেনি। কোরআনেই সিল্কের কথা উল্লেখ রয়েছে।

    সূত্র:bd-pratidin
  • সীমান্তে ১০ লাখ সেনা মোতায়েন করেছে ভারত, দাবি পাকিস্তানের

    ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার মধ্যে কাশ্মীর সীমান্তে ভারত একসঙ্গে ১০ লাখ সেনা মোতায়েন করছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান। যদিও এখন পর্যন্ত বিশ্বের আর কোথাও, কখনও একসঙ্গে এত সেনা মোতায়েন করার নজির নেই।

    এ ব্যাপারে আজ বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাফিস জাকারিয়া বলেন, এতো সেনা একসঙ্গে মোতায়েন জাতিসংঘের গৃহীত প্রস্তাবের পরিপন্থী। পাশাপাশি, গত চার মাসে ভারত প্রচুর কাশ্মীরিকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা রক্তপাত ঘটাচ্ছে, এমন অভিযোগ তুলে নাফিস জাকারিয়া বলেন, পাকিস্তান শান্তিপূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে সব সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে চায়।

    উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবারই কাশ্মীরের নাগরোটায় পাক জঙ্গিদের হামলায় সাত জওয়ান শহিদ হন।

    সূত্র: কলকাতা ২৪
  • মহাবিশ্বের অবিশ্বাস্য ১০ তথ্য

    বিশ্বে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যা অবিশ্বাস্য। তবে গবেষকরা বলছেন, অনেকের কাছে বিষয়টি অবিশ্বাস্য এটি বাস্তব। এ ধরনের ১০টি বিষয় তুলে ধরা হলো।

    ১. ৯৯ শতাংশ ম্যাটার হলো খালি স্থান। আপনি যদি অ্যাটম থেকে সব খালি স্থান দূর করেন তাহলে বিশ্বের সব মানুষকে প্রায় এক ইঞ্চি আকারের একটি চিনির কিউবের ভেতরে ভরে দেওয়া সম্ভব।

    ২. আমাদের প্রত্যেকের দেহেই রয়েছে অ্যাটম, যা বিলিয়ন বছর আগে এক সময় মহাবিস্ফোরণে সৃষ্টি হয়েছিল।

    ৩. মহাবিস্ফোরণের অতি ক্ষুদ্রাংশ এখনও দেখা যায় টিভির ঝিরঝির দৃশ্যে।

    ৪. আপনি যদি একজন এলিয়েন হন এবং পৃথিবী থেকে ৬৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে বাস করেন তাহলে পৃথিবীর দিকে সূক্ষ্ম টেলিস্কোপ দিয়ে তাকালে এখন ডায়নোসর দেখতে পাবেন।

    ৫. শুক্র গ্রহের এক বছর বিশ্বের ২২৪ দিনের সমান। কিন্তু শুক্র গ্রহের এক দিন বিশ্বের ২৪৩ দিনের সমান।

    ৬. আমাদের দেহের সব হাইড্রোজেন অ্যাটম মহাবিস্ফোরণে সৃষ্ট।

    ৭. সূর্য এই সৌরজগতের ৯৯.৮ শতাংশ ভর বহন করে। আর এটি এত বড় যে ১.৩ মিলিয়ন পৃথিবী সূর্যের ভেতর এঁটে যাবে।

    ৮. সারা পৃথিবীতে যত বালুর দানা রয়েছে মহাবিশ্বে তার চেয়েও বেশি তারকা রয়েছে।

    ৯. নিউট্রন তারকারা এত ঘনভাবে রয়েছে যে, তাদের এক চা চামচ পরিমাণের ওজন এভারেস্ট পর্বতের চেয়ে বেশি।

    ১০. যে সাধারণ জিনিসগুলো আমরা দেখতে পাই তা মহাবিশ্বের মাত্র পাঁচ শতাংশ। বাকি ৯৫ শতাংশই হলো ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার।

    সূত্র:bd-pratidin
  • বাংলাদেশি সেলসগার্লের সাহসিকতায় রক্ষা পেল আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন

    বাংলাদেশি সেলসগার্লের সাহসিকতায় রক্ষা পেল আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের ৭৪ নম্বর স্ট্রিটে কুনাল জুয়েলারি স্টোর। পুলিশ আসছে টের পেয়েই পালিয়ে যায় সশস্ত্র ডাকাতের দল। যদিও ডাকাত দল কোনো মালামাল লুট করেছিলেন কিনা এখনও স্পষ্ট হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করছেন এলাকার ব্যবসায়ী-নেতারা।

    স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় জুয়েলারি স্টোরটি বন্ধের সময় ২ ডাকাত ঢুকে অস্ত্রের মুখে নগদ অর্থসহ স্বর্ণের ক্যাবিনেটের চাবি চায়। বাংলাদেশি সেলসগার্ল ভয় পেয়েছেন ভাব দেখিয়ে দৌড়ে স্টোরের ভেতরে ঢুকেন এবং সাইরেন এলার্ম বাজান। এরপরই পুুলিশ আসছে বুঝতে পেরেই বাইরে থাকা ডাকাতদের সহযোগীরা ইশারা দেয়া মাত্রই দৌড়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা।

    মিনিট খানেকের মধ্যেই দলে দলে পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। ঘিরে ফেলে সারা এলাকা। পুলিশের গাড়ি এসে রাস্তাগুলো বন্ধ করার পাশাপাশি যেখানে যিনি যে অবস্থায় ছিলেন, সেভাবেই থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়। এ অবস্থায় নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি সেলসগার্লসহ ভারতীয় মালিক নিহত হয়েছেন। এরপর পুলিশের অভিযানে ডাকাতেরাও ভূপাতিত হয়েছে ইত্যাদি গুজব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ে।

    কারণ, ওই জুয়েলারি স্টোরসহ আশাপাশের সকল স্টোরের কর্মচারির ৯৮ শতাংশ হলেন বাংলাদেশি। এছাড়া, শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকও বাংলাদেশিরা। পুলিশের তৎপরতা চলে দেড় ঘণ্টার মত। অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছিল। তার মধ্যেই উদ্বিগ্ন আত্মীয়-স্বজন পরিচিতজনেরা পুলিশ বেষ্টনীর বাইরে অপেক্ষা করেন। রাত সাড়ে ৮টায় পুলিশের বেরিকেড উঠিয়ে নেয়ার পর পরিস্থিতি ক্রমে শান্ত হয়। পুলিশ আসার আগেই ডাকাতেরা পলায়ন করায় কোন ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এমনকি ডাকাতেরা আদৌ কিছু নিয়ে গেছে কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশের দল। কারণ, ডাকাতের হানা দেয়ার দৃশ্য দেখে স্টোরের মালিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। মোট ৬ বাংলাদেশি নারী ওই স্টোরে কাজ করলেও বন্ধের সময় ছিলেন মাত্র দু’জন। তারা সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    সাইরেন এলার্ম বাজানোর মিনিট দুয়েকের মধ্যেই টহল পুলিশেরা এলাকা ঘিরে ফেলায় ডাকাতিসহ হতাহত এড়ানো সম্ভব হয় বলে মনে করছেন এলাকার ব্যবসায়ীরা। জ্যাকসন হাইটসের সবচেয়ে পুরনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মান্নান সুপার মার্কেটের মালিক সাঈদ রহমান মান্নান এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘পুলিশি তৎপরতা আরোও বাড়াতে হবে। জ্যাকসন হাইটসকে এখন অনেকেই ডায়মন্ড ডিস্ট্রিক্ট হিসেবে মনে করছেন। তাই নিরাপত্তায়ও মনোযোগী হতে হবে সিটি প্রশাসনকে।’

    জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া মাসুযদ জিকো বলেন, এমন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি সকলকেই ভীত সন্ত্রস্ত করে তোলে। তবে পুলিশের ভূমিকা অবশ্যই প্রশংসাযোগ্য। আশা করছি, এ এলাকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণের নিরাপত্তায় পুলিশসহ সকল বাহিনী আরও সজাগ থাকবে।

    সূত্র:bd-pratidin

  • তেরে নাম টু'তে অভিনয় করবেন না সালমান খান

    তেরে নাম' ছবি

     সিক্যুয়েলে অভিনয় করবেন না সালমান খান।ছবির পরিচালক সতীশ কৌশিক সালমান খানকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন।জবাবে সালমান খান  না বলে দিয়েছেন। তবে সালমান বলেছেন, ছবিতে তরুণ অভিনেতাদের মধ্য থেকে কাউকে বেঁচে  নিতে।

    তিনি অতিথি  চরিত্রে থাকতে পারেন প্রয়োজনেI  কিন্তু মূল চরিত্রে অভিনয়ের আগ্রহ নেই তার। তেরে নাম'  সালমানের ক্যারিয়ার সেরা ছবি 'এতে সালমানের অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ছবিতে সালমানের জনপ্রিয়তা পায় তার স্টাইলI

    এতে সালমানের অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয় দর্শক এর  কাছেI ছবিতে তার ট্রাজেডিক পরিণতিতেও সালমানের ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

    চোখের পানি ফেলেছেন। কিন্তু ছবির সিক্যুয়েলের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই তার। গত দুই বছর ধরে খেটে ছবির চিত্রনাট্য তৈরি করেন সতীশ। এরপরই যান সালমানের কাছে। কিন্তু তাকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে I  
  • হাঙ্গেরি সুন্দর দেশ, নাতিদের এখানে পড়তে পাঠাবো'

     এটি ছিলো বাংলাদেশের কোনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাঙ্গেরির কোনও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক। কূটনীতির ভাষায় যে বলা হয়, বৈঠক অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে হয়েছে, দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে হয়েছে, সেগুলো এই বৈঠক নিয়েও বলা হয়েছে।

    তবে, হাসিনা-ওবরান বৈঠক ছিলো তারও চেয়ে ভিন্ন কিছু। মাত্র তিন দিনের বুদাপেস্ট সফরে দুই দেশের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।

    দুই প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেছে একে অপরের দেশ নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছেন, একে অপরের নেতৃত্বের জয়গান গাইছেন।

    শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরি কতটা দূরের দেশ সে প্রশ্ন আর নয়, আমরা এখন হৃদ্যতায় অনেক কাছাকাছি দুটি দেশ।

    আর ভিক্টর ওবার বলেছেন, বাংলাদেশের অসীম সম্ভাবনা আজ বিশ্বের শক্তিশালী অর্থনীতিগুলো দেশটির এই অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছে। হাঙ্গেরি তার সকল দক্ষতা, অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

    ভিক্টর ওবরানকে বাংলাদেশে নিমন্ত্রণ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি শিগগিরই আপনাকে ঢাকায় স্বাগত জানাতে চাই।

    একটি বক্তৃতায় তার এই নিমন্ত্রণের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা জানান, তার নিমন্ত্রণে ভিক্টর ওবরান বলেছেন, বাংলাদেশ অনেক দূরে। কিন্তু আমি তাকে বলেছি, হতে পারে মাইলের গণনায় অনেক দূরের কিন্তু আমরা এখন হৃদ্যতার দিক থেকে অত্যন্ত কাছের। ওবরানকে বলেছি, আমাদের দেশে আসুন, আপনার ভালো লাগবে।

    অন্তত দুটি অনুষ্ঠানে হাসিনা-ওবরান সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। সে দুটি থেকে তারা নিজেরাই তুলে প্রকাশ করেছেন দুই দেশের সম্পর্ক কতটা উচ্চতায় পৌঁছেছে।

    ভিক্টর ওবরান শুরু থেকেই ছিলেন শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। উভয় কর্মসূচিতেই তিনি বলেছেন, আমাদের মাঝে আজ খুবই ব্যতিক্রমী এক অতিথি এসেছেন, বিশ্বে আমরা খুব কমই পাই এমন সহসী নারী নেতৃত্ব, আমি মনে করি তিনিই বিশ্বের আজ সবচেয়ে সাহসী নারী। এই নারী ও তার পরিবার তাদের দেশের জন্য সব কিছু করেছেন।

    আর এই প্রশংসায় বিনয়াবনতা শেখ হাসিনা বলেন, আপনি উদার, তাই প্রশংসায় যে উদারতা দেখিয়েছেন আমি তাতে ধন্য।

    নেতৃদ্বয়ের এই পরস্পর পরস্পেরর প্রতি শ্রদ্ধা মুগ্ধ করেছে দর্শককে।

    বাংলাদেশের প্রশংসাও করছিলেন ওবরান। তিনি বলেন, বিশ্বে আজ অনেক কিছুই পরিবর্তিত। সারা বিশ্বেরই কাঠামোগত পরিবর্তন আসছে। হাঙ্গেরিতেই পাল্টে গেছে অনেক কিছু।

    আর বিশ্বের নেতারা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছে আরেকটি দেশের পরিবর্তন সেটি বাংলাদেশ। ১৬ কোটি মানুষের দেশটিতে অব্যাহত উন্নয়ন ঘটছে।

    ৭ শতাংশ যার প্রবৃদ্ধির হার। বাংলাদেশের অসীম সম্ভাবনা আজ বিশ্বের শক্তিশালী অর্থনীতিগুলো দেশটির এই অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছে।

    হাঙ্গেরির ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হাঙ্গেরির কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি, শিক্ষাসহ যেসব খাতে আমাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে, প্রযুক্তি রয়েছে সেসব খাতে বাংলাদেশকে আমরা সহায়তা করতে পারি।

    এই সফর কালে হাঙ্গেরি সরকার বিজ্ঞান, চিকিৎসা ও কৃষি শিক্ষায় প্রতি বছর বাংলাদেশের ১০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে বলে জানায়।

    যা বাংলাদেশের জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দেশ গড়ে তোলার জন্য একটি অনন্য সহযোগিতা বলেই ব্যাখ্যা করেন শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেন, আমাদের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী এই দেশে পড়ালেখা করার সুযোগ পাবে এটি একটি অনেক বড় পাওয়া। ইংরেজি মাধ্যমেই তাদের পড়ার সুযোগ থাকবে।

    তিনি এসময় আরো বলেন, দেশটি অনেক সুন্দর। আমি আমার নাতিদেরও এখানেই পড়তে পাঠাবো।

    হাঙ্গেরিকে ব্যবসা করার নতুন ক্ষেত্র বলেও চিহ্নিত করে দেশের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য বলেন, আর আমেরিকা-আমেরিকা না করে এবার এসব দেশে ব্যবসা করুন। বিশেষ করে যে দেশটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের পাশে ছিলো, রাজনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন দিয়ে গেছে তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটি হবে ভিন্নরকম।

    এই দেশ ইউরোপের প্রথম কয়টি দেশের একটি হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। হাসিনা বলেন, আমাদের এমন আরও অনেক বন্ধু রয়েছে যাদের এখনও আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্কের দিক থেকে আবিস্কারই করতে পারিনি।

    সূত্র:banglanews24
  • মুসলিম তরুণ থাকতে পারবে হিন্দু প্রেমিকার সাথে

    বিয়ের বয়স না হওয়ায় ২০ বছর বয়সী এক মুসলিম তরুণের সঙ্গে ১৯ বছর বয়সী এক হিন্দু তরুণীকে একসঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছেন গুজরাটের হাইকোর্ট। সম্প্রতি এক মামলায় গুজরাট হাইকোর্ট ওই নির্দেশনা দিয়েছেন।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই তরুণ-তরুণী ধর্ম পরিবর্তনে রাজি না হওয়ায় তাদের জন্য একমাত্র বিশেষ বিবাহ আইনের দরজা খোলা রয়েছে। বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের বিচারপতি অকিল কুরেশি ও বীরেন বৈষ্ণবের বেঞ্চ ওই জুটিকে একসঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছেন।

    বিচারকরা বলেছেন, বিয়ে ও এর পবিত্রতা রক্ষায় আমাদের সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা চাপ প্রয়োগ করেন। বিয়ে না করে একসঙ্গে থাকার বিষয়টি বড় শহরগুলো ও অন্যান্য শহরে সীমাবদ্ধ। এরপরও একজন সুস্থ নারী প্রাপ্তবয়স্ক কারো সঙ্গে থাকতে না চাইলেও আমাদের সে বিষয়ে আইনি স্বীকৃতি দিতে হবে।

    একইভাবে ১৯ বছর বয়সী সুস্থ কোনো তরুণীকে তার পছন্দের মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে বাধা দেয়ার কোনো ক্ষমতা আমাদের নেই।

    গুজরাটের এই জুটি একসঙ্গে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন; তখন থেকেই তারা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই সম্পর্কের কারণে আহমেদাবাদের প্রত্যন্ত শহর ধনেরার ওই তরুণীকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বাসায় আটকে রাখেন পরিবারের সদস্যরা। ওই তরুণ আদালতে একটি মামলা করে বলেন, তার প্রেমিকাকে আটকে রাখা হয়েছে।

    পরে ওই তরুণী তার প্রেমিককে বিয়ে করবেন বলে আদালতকে জানান।পরে আদালত  তাদেরকে  অনুমতি দেন
  • জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আজ

    মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আজ বুধবার সন্ধ্যায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে  এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

    টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।

  • কাশ্মীরে সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলায় ৭ ভারতীয় সেনা নিহত

    ভারত-শাসিত কাশ্মীরে জম্মু শহরের কাছে নাগরোটায় মঙ্গলবার ভোরে একটি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলায় অন্তত সাতজন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে। এই সাতজনের দুজন কর্মকর্তা, অন্যরা জওয়ান।

    সংঘর্ষে অন্তত তিন থেকে চারজন জঙ্গিও প্রাণ হারিয়েছে - তবে সেনা-শিবিরের ভেতর লুকিয়ে থাকা জঙ্গীদের সবাইকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে কি না, এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারতীয় সেনা নিশ্চিতভাবে তা কিছু জানাতে পারেনি।

    বিকেল পাঁচটাতেও সেনা ছাউনির ভেতর থেকে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে।
    পাঠানকোট ও উরির পর চলতি বছরে এটি ভারতের কোনও সেনা শিবিরে আবার একটি বড় মাপের হামলা - আর নাগরোটার ঘটনা ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

    নাগরোটায় আজকের হামলার সঙ্গে জানুয়ারিতে পাঠানকোট বিমানঘাঁটি বা সেপ্টেম্বরে উরির সেনা-শিবিরে হামলার ছিল প্রচুর মিল।
    ভারত-শাসিত কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর চারটি কমান্ড সেন্টারের অন্যতম এই নাগরোটা - আর্মির সিক্সটিন কোরের সদর দফতর এখানেই, এবং বিশাল ছাউনিতে অন্তত এক হাজার সেনা কর্মকর্তার বাস।

    এদিন ভোররাতে ভালো করে আলো ফোটার আগেই একদল আত্মঘাতী হামলাকারী বন্দুক ও গ্রেনেড নিয়ে সেই ছাউনির ভেতর ঢুকে পড়ে - এবং অফিসার্স মেসের দিকে নির্বিচারে গুলি ভারত-শাসিত কাশ্মীরে জম্মু শহরের কাছে নাগরোটায় মঙ্গলবার ভোরে একটি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলা চালানো হলে অন্তত সাতজন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে। চালাতে চালাতে ভেতরের একটি ভবনে অবস্থান নেয়।

    প্রায় সারাদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের পরও অপারেশন শেষ হয়েছে, ভারতীয় সেনা তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি।

    বিকেল নাগাদ সেনা মুখপাত্র মনীষ মেহতা জানান, "সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের একটি সেনা-শিবিরে ঢুকে পড়ার পরই এনকাউন্টার শুরু হয়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে অভিযান পুরোপুরি শেষ হওয়ার পরই আমি বিশদে সব কিছু বলতে পারব।"

    "জঙ্গিরা সংখ্যায় ঠিক কতজন ছিল, তা নিয়েও আমি কোনও অনুমান করতে চাই না। আপনারা এখনও গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, কাজেই বুঝতেই পারছেন তারা বেশ ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ছিল", বলেন ওই সেনা মুখপাত্র।
    ভারত, পাকিস্তান

    জঙ্গি হামলা চলাকালে নাগরোটা সেনা ছাউনি
    সেনাবাহিনীর তরফে কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সরকারিভাবে তা কিছু জানানো না-হলেও বিভিন্ন সূত্রে অন্তত তিনজন সেনা সদস্যর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা গেছে।

    নাগরোটা সেনা-ছাউনির ভেতর বহু কর্মকর্তাই সপরিবারে থাকতেন, তাদের পরিবারের আটকে-পড়া সদস্যদের নিরাপদে বের করে আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে বলেও জানা গেছে।
    হামলাকারীরা গ্রেনেড ছুঁড়তে ছুঁড়তে শিবিরের ভেতর ঢুকে পড়ে, আর তারপর দিনভর চলতে থাকে তীব্র গোলাগুলি।

    নাগরোটা সেনা এলাকার ঠিক বাইরে স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলছিলেন, "ভোর পাঁচটা নাগাদ প্রথম আওয়াজ শুরু হয়। শুরুতে ছোট ছোট শব্দ হচ্ছিল, মানুষজন খুব একটা ভয় পায়নি - কিন্তু তার পর ক্রমেই সেই শব্দের তীব্রতা বাড়তে থাকে।"

    তিনি আরও জানান, "এরপরই এলাকার লোকজন সবাই আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে।" পাশ থেকে আর এক জানান, "গোলাগুলির এমন শব্দ হচ্ছিল যে মনে হচ্ছিল বজ্র-বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে"।
    নাগরোটা সেনা-ছাউনির ভেতর যখন এনকাউন্টার চলছে, তখন আশেপাশে সব দোকানপাট, স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়।

    শিবিরের খুব পাশ দিয়ে গেছে শ্রীনগরগামী ভারতের ১ নম্বর জাতীয় সড়ক, যান-চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় সেই রাস্তাতেও।

    এসপি (ট্র্যাফিক) রোহিত কুমার জানান, "নিরাপত্তার স্বার্থেই এই জাতীয় সড়কে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে যে সব যাত্রী শ্রীনগর, ডোডা, কিশতওয়ার বা কাটরার পথে যাবেন, তাদের বাইপাস দিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেনা কর্তৃপক্ষের সবুজ সংকেত মিললেই আমরা এই রাস্তা খুলে দেব।"

    সেপ্টেম্বরে উরির হামলার ঠিক দশদিন পর ভারত পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে সুনির্দিষ্ট নিশানায় হামলা চালানো বা 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' করার কথা জানিয়েছিল, তার ঠিক দুমাসের মাথায় নাগরোটাতে এই হামলার ঘটনা ঘটল।

    ঘটনাচক্রে এদিনই অবসরে গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ, বিদায়ের দিনে যিনি ভারতের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, 'পাকিস্তানের ধৈর্যকে ভারত যেন তাদের দুর্বলতা বলে না-ভাবে'।

    সূত্র:bbc
  • আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন পর্নোস্টার মিয়া খলিফা!

    নভেম্বর ২৯, ২০১৬
    প্রথা কিছু নতুন নয়। এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমেরিকা যখন রাষ্ট্রদূত পাঠিয়েছে, দেশের হয়ে সেখানে গিয়েছেন বিখ্যাত অভিনেত্রীরা। সেই তালিকাতেই কি এবার নাম উঠতে চলল বিখ্যাত নীল ছবির তারকা মিয়া খলিফার? আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হয়ে তিনি সত্যি সত্যি সৌদি আরবে যাচ্ছেন কি?

    দোষটা কোথায়! এক ব্যবসায়ী এবং রিয়েলিটি শো তারকা যদি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন, তবে আর পর্নস্টারের রাষ্ট্রদূত হতে বাধা কোথায়? এরকমই চিন্তাভাবনা থেকে সম্প্রতি মিয়া খলিফাকে রাষ্ট্রদূত করে সৌদি আরবে পাঠানো হোক-এমন দাবি তুলেছেন এক ব্যক্তি। তার নাম ড্যালকম রডরিগজ গোল্ডস্টেন। এবং শুধু দাবি তুলেই তিনি থেমে থাকেননি, নেমে পড়েছেন রীতিমতো সই সংগ্রহেও! এভাবেই অজস্র মানুষের সই সংগ্রহ করে পিটিশন জমা দিতে চান তিনি।

    সাড়া পেয়েছেনও বটে। পিটিশনের জন্য তার আর মাত্র ৩৮৪ জনের সই লাগবে। সাক্ষরকারীদের মিয়া খলিফাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পছন্দ করার যুক্তি নানাবিধ। নাথান বেনসন নামের এক ব্যক্তি যেমন বলছে, “আমার মনে হয় মিয়া খলিফা খুব ঠিকঠাক ভাবেই রাষ্ট্রদূত হিসেবে এই দেশের নৈতিক চরিত্রটির প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। তাছাড়া জন্মসূত্রে তার সঙ্গে যোগ রয়েছে ইসলামি সংস্কৃতির! ফলে, সৌদি আরবে তার মেলামেশার সুবিধেই হবে”।

    বেনসন বেশ গম্ভীরভাবে তার বক্তব্য প্রদান করলেও সবাই এতটাও উদার নন। অনেকেই রীতিমতো ব্যঙ্গবিদ্রুপ করছেন মিয়া খলিফাকে নিয়ে। তাদের বক্তব্য, মিয়া খলিফা জনসংযোগের কাজ ভালই জানেন, যা এতদিন পর্ন ছবিতে নানা ভাবে দেখা গেছে! অতএব, এক্ষেত্রে তার কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়!

    সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন
  • টাক সমস্যা রোধে যে খাবারগুলো দরকার

    অনেক সময় দেখা যায়, কম বয়সেই মাথার চুল এমন ভাবে পড়তে থাকে যে অল্প বয়সেই টাক সমস্যায় ভুগতে হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, দূষণের কারণে, পরিচর্যার অভাবে বা পুষ্টিকর খাবার না খেলে চুল ঝরে যায়। একবার চুল ঝড়া শুরু হলে, তা ঠেকানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যেমন-

    * খাবারে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করুন:

    মাথার চুল পড়া রোধ করার সঙ্গে নতুন চুল গজানোর ব্যাপারে ভিটামিন বি, বায়োটিন, ফোলেট, বি-২ ও বি-১২ প্রয়োজন। শাকসবজি ও মাছ থেকে পর্যাপ্ত বায়োটিন পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে বায়োটিনের ঘাটতি মেটাতে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত ।

    *বেশি করে মাছ খান:

    মাথার চুল পড়তে শুরু করলে হীনম্মন্যতা বাড়তে থাকে। তাই চুল পড়া রুখতে প্রতিদিন মাছ খাওয়া জরুরি। প্রোটিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর মাছ শরীরকে সুস্থ রাখে, চুল পড়া বন্ধ করে। মাছের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ডি। এসবই চুলকে গোড়া থেকে শক্ত করে। চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। চুল পড়া রোধ করে। নতুন করে চুল গজাতে সাহায্য করে। যে সকল কর্কটরোগীকে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, তাঁদেরও চুল পড়া রুখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত মাছ খাওয়ার নির্দেশ দেন চিকিৎসকরা। তাই টাক পড়ার হাত থেকে রেহাই পেতে মাছ খান প্রতিদিন।

    * অধিক আয়রনযুক্ত খাবার খান: 

    আপনার মাথায় চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে আয়রনের ভূমিকা অতুলনীয়। শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে অধিকাংশ নারী রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার শিকার হন। এর সঙ্গে চুল ঝরতে থাকে। তাই চুলকে বাঁচাতে শরীরে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা খুব জরুরি। নিত্যদিন কুমড়ো বীজের তরকারি, সয়াবিনের দুধ থেকে তৈরি দই (তফু) খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি হবে না। চুলও পড়া বন্ধ হবে।

    * অবশ্যই চিন্তামুক্ত থাকতে হবে:

    মাথার চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ অতিরিক্ত মানসিক চাপ। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম, নানারকম ভাবনাচিন্তা, অসুখবিসুখ মানসিক চাপ বাড়ায়। ফলে চুল পড়তে শুরু করে। চুল বাঁচাতে চাইলে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হন। মনটাকে সর্বদা ফুরফুরে রাখুন।

    সূত্র:bd-pratidin



  • বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কটা ভারতের মাথাব্যথা নয়’

    জেনারেল শঙ্কর রায়চৌধুরী ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে একমাত্র বাঙালি সেনা প্রধান। পরম বিশিষ্ট সেবা পদকে ভূষিত এই সাবেক সেনাধ্যক্ষ ১৯৬৫-র ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় লড়েছেন খুলনা-যশোর ফ্রন্টেও।বাহিনী থেকে অবসরের পর এক বিরল পদক্ষেপে পশ্চিমবঙ্গের সব রাজনৈতিক দল একমত হয়ে তাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল এবং পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবেও জেনারেল রায়চৌধুরী অসামান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।

    ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকারের গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ সফরের প্রাক্কালে তিনি এই সফর, আর ভারত-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে কথা বলেছেন । তাঁর সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ:

    শঙ্কর রায়চৌধুরী

    জেনারেল, সংবাদমাধ্যমে লেখা হচ্ছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর চীনের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে, আর সেটা মোকাবিলা করাটাই মনোহর পারিকারের সফরের প্রধান উদ্দেশ্য। আপনি কী মনে করেন?

    শঙ্কর রায়চৌধুরী:

     আমি প্রথমেই চীনের কথাটা বাদ দিতে চাই। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ কী ধরনের সম্পর্ক রাখবে, সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা একটা ইস্যু। এর সঙ্গে ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। একটা সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তাদের নিজস্ব নীতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক রাখতেই পারে। সেখানে কারও কিছু বলার থাকতে পারে না। ফলে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সফরকে লিঙ্ক করার আমি কোনও কারণ দেখি না। কারণ, তিনি সেখানে যাবেন ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে। সেই সফরকে ভারত-বাংলাদেশের প্রিজম দিয়েই দেখা উচিত । এর সঙ্গে আর কোনও কিছুর সম্পর্ক টানার কোনও মানে হয় না।

    কিন্তু হ্যাঁ, বাংলাদেশে আমাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সফর অবশ্যই একটা দারুণ পদক্ষেপ। দুটো দেশের মধ্যে যে চমৎকার বন্ধুত্ব ও সুসম্পর্ক আছে এবং বিশেষত এখন সেই সম্পর্ক যে সুসময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তাতে এটা অত্যন্ত ইতিবাচক একটা সিদ্ধান্ত বলেই আমি মনে করি। তাছাড়া, যতদূর মনে পড়ে বহুদিন হলো ভারতের কোনও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে যাননি ,কিংবা আদৌ কোনও দিন গেছেন কি?

    না,অন্তত সাম্প্রতিক অতীতে কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে যাননি ...

    শঙ্কর রায়চৌধুরী: 

    হ্যাঁ, আমারও সেরকম কিছু মনে পড়ছে না। মি. পারিকারের আগে এ কে অ্যান্টনি অনেক বছর দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, তিনি তো যাননি বটেই। তবে ভারতের সেনাপ্রধানরা অবশ্য অনেকেই বেশ ঘন ঘন ঢাকা সফর করে থাকেন। জেনারেল ভি পি মালিক বা জেনারেল বিক্রম সিং গেছেন। বর্তমান সেনাধ্যক্ষ দলবীর সিং সুহাগও তো গত বছরেই ঘুরে এলেন। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফর অবশ্যই খুব বিরল। তাই আমি আবার বলব, দুটো দেশের মধ্যে দারুণ একটা সুসম্পর্ক চলছে। আর সেই পটভূমিতেই মি. পারিকার সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটা খুব ভাল কথা।

    সামরিক শক্তি ও সামর্থ্যের বিচারে ভারত ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে অনেক ফারাক আছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এরকম দুটো প্রতিবেশীর মধ্যে আসলে কী ধরনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে?

    শঙ্কর রায়চৌধুরী: এখানে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক মানে সহযোগিতা। প্রতিরক্ষা খাতে যতভাবে এই দুই দেশ পরস্পরকে সহযোগিতা করবে, তত সেই সম্পর্ক মজবুত হবে। ভারত বরাবরই তা করে এসেছে। আর সব সময়ই সহযোগিতা করতে প্রস্তুতও আছে।

    আসলে দুটো দেশের মধ্যে প্রগাঢ় সহযোগিতা ও বন্ধুত্বতো আছে চিরকালই। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি শাখা থেকেই অফিসার ও অফিসার পদমর্যাদার নিচের সেনা সদস্যরা বহুদিন ধরেই ভারতে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে আসেন। ভারতও তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে।

    বেশ কয়েক বছর হলো দুদেশ মিলে তো যৌথ সামরিক মহড়াও করছে ...

    শঙ্কর রায়চৌধুরী:

    ঠিকই বলেছেন, যৌথ মহড়াও হচ্ছে সাফল্যের সঙ্গে। আমাদের সেনা অফিসাররাও নিয়মিত বাংলাদেশের স্টাফ কলেজগুলোতে যান। ফলে একটা চমৎকার বন্ধুত্বের সম্পর্কও গড়ে উঠেছে দুই বাহিনীর মধ্যে। আমরা তাতে খুবই খুশি এবং ভারত চায় সম্পর্কটা এভাবেই চলতে থাকুক।

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সেনাবাহিনী কী ভূমিকা পালন করেছিল সেটা সবাই জানেন। কিন্তু তারপর বিগত সাড়ে চার দশকে দুটো স্বাধীন দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক কি

    আশানুরূপভাবে এগিয়েছে? আপনি কী মনে করেন?

    শঙ্কর রায়চৌধুরী:

    দেখুন ‘আশানুরূপভাবে’ কথাটা আমি ইন্টারপ্রেট করব না। ব্যাখ্যাও করব না। করব না কারণ, এটা করা যায় না। সময়ে সময়ে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বদলাতে থাকেই। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে সম্পর্ক আছে, তা সার্বিকভাবে এতদিন ভালই চলেছে, ভালই আছে আমি বলব। তবে এটাও ঠিক, বাংলাদেশের ভেতরে যখনই কোনও ক্ষমতার রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, তখনই সেই সম্পর্ককে নতুন করে ‘রিক্যালিব্রেট’ করার প্রয়োজন হয়েছে।

    এটাও তো ঠিক যে বাংলাদেশে কোনও কোনও জমানায় সেনাবাহিনীর ভেতর ইসলামিকরণের প্রভাব বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, সেটাও নিশ্চয় ভারতকে স্বস্তিতে রাখেনি ?

    এমনকি পাকিস্তানের প্রভাব বিস্তারের কথাও শোনা গেছে ...

    শঙ্কর রায়চৌধুরী: 

    ওই জন্যই আমি বলছিলাম নানা সময়ে একটা দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বদলায়। তবে সব কিছুর পরেও বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক বেশ ভালো। আর ‘পিপল টু পিপল কনট্যাক্ট’ বা দুদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তো ভীষণই ভালো। বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ আজকাল নানা কাজে ভারতে আসেন, বেড়াতে আসেন। এই কিছুদিন আগে খবরের কাগজে একটা ছবি দেখছিলাম, ভারতে বড় অঙ্কের নোট অচল হয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় আসা এক বাংলাদেশি দম্পতি বিরাট বিপদে পড়েছিলেন। শহরের অচেনা মানুষজন যেভাবে তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছিলেন, তা সত্যিই ভাবা যায় না।

    কাজেই আমি বলব, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সহমর্মিতা আর বন্ধুত্বের সম্পর্ক চিরকালই আছে। আর দুদেশের মানুষের মধ্যে আত্মীয়তার টান তো সাঙ্ঘাতিক। রাজনৈতিক সম্পর্কও তো বেশ ভালোই বলতে হবে। বড় কোনও সিরিয়াস সমস্যা তো দুদেশের মধ্যে আছে, তেমনটা বলা যাবে না। তো এভাবে চললে মন্দ কী?

    এতদিন বাদে ভারতের কোনও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ যাচ্ছেন। আপনি যেমনটা বলছিলেন, দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভালো, বড় কোনও সমস্যাও নেই। কিন্তু এরকম একজন মন্ত্রীর সফর সেই সম্পর্কে কি কোনও বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে? বা কোনও পার্থক্য গড়ে দিতে পারে?

    শঙ্কর রায়চৌধুরী:

     পার্থক্য বলতে সে রকম কিছু না। তবে কী, মনে রাখতে হবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারতের কেবিনেটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সিনিয়র একজন সদস্য। এই মাপের একজন মন্ত্রীকে যখন সরকার এত বছর বাদে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তিনি সেখানে সরকারের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবেন, তা থেকেই বোঝা যায় বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ভারত কতখানি গুরুত্ব দিচ্ছে।

    সূত্র:banglatribune
  • ৮২ বছর বয়সে বিয়ে করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

    সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৮২ বছর বয়সে বিয়ে করলেন হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন মন্ডল। গতকাল সোমবার রাতে স্বল্প পরিসর আয়োজনে তিনি বিয়ে সম্পন্ন করেন।

    ৪ লাখ ১ হাজার টাকার মোহরানার মাধ্যমে হিলির রাজধানী মোড় এলাকার গোলাম মোস্তফার মেয়ে সাদিয়া পারভীনকে বিয়ে করেন। পাত্রের বয়স ৮২ বছর হলেও পাত্রির বয়স ১৯ বছর। গত কয়েক মাস চুটিয়ে প্রেম করে অবসান ঘটালেন বিয়ের মাধ্যমে। উপজেলা চেয়ারম্যানের বিয়ে বিষয়টি এখন হিলির টক অফ দা টাউন হয়েছে।

     সর্বত্র এখন আলোচনা ও সমালোচনা অসম এ বিয়ে নিয়ে।

    চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন মন্ডল জানান, দীর্ঘ দিন থেকে নিসঙ্গতা বোধ করছিলেন। কয়েক মাস আগে বিয়ের সিন্ধান্ত নিলেও ছেলে ও মেয়েদের বাধার কারনে তিনি করতে পারেননি। তবে এবার সুযোগ হাতে পেয়ে সময় নষ্ট করেননি। সবার কাছে তিনি দোয়া চান বাকি জীবন সুখে কাটানোর।

    সূত্র:mzamin
  • কোলাইটিস থেকে মুক্ত হবেন যেভাবে

    বৃহদান্ত্রের প্রদাহকে কোলাইটিস বলে। এর ফলে অনেক বিরক্তিকর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কোলাইটিস নিরাময়ের জন্য ঔষধও প্রয়োজন হতে পারে। কিছু প্রাকৃতিক প্রতিকার প্রদাহ কমতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরণের কোলাইটিস, এদের লক্ষণ এবং ঘরোয়া প্রতিকারের বিষয়েই জানবো এই ফিচারে।

    মূলত দুই ধরণের কোলাইটিস আছে, আর তা হল- তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী। তীব্র কোলাইটিস হয় ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে এবং দীর্ঘস্থায়ী কোলাইটিস হয় স্ট্রেস, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম এবং অটোইমিউন ডিজিজ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে।

    কোলাইটিসের লক্ষণগুলো হচ্ছে – পেটে তীব্র ব্যথা হওয়া, যা বার বার ফিরে আসে। অন্ত্রে খিল ধরা বা খিঁচুনি হওয়া, ডায়রিয়া, পেটফাঁপা, মলের সাথে শ্লেষ্মা বা রক্ত যাওয়া, জ্বর, বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়া।

    যদি আপনার এই ধরণের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকই নির্ধারণ করবেন আপনার কী ধরণের ঔষধ প্রয়োজন। এছাড়াও কিছু প্রাকৃতিক প্রতিকার আছে কোলাইটিসের সমস্যাটি থেকে উত্তরণের জন্য।

    - কঠিন খাবার এড়িয়ে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায় বিশেষ করে কোলাইটিসের কারণে ডায়রিয়া হলে। ৩-৪ দিন শুধু তরল খাবার খান, আয়ন ও খনিজ সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করুন। ডায়রিয়ার প্রতিকার হিসেবে রাইস ওয়াটার পান করুন। এজন্য ১ কাপ চালে ৬ কাপ পানি দিয়ে চুলায় তাপ দিন। চালগুলো নরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানিটুকু ছেঁকে নিয়ে গরম অথবা ঠান্ডা পান করুন।

    - ক্যামোমাইল প্রদাহ রোধী প্রভাব উৎপন্ন করতে পারে, তাই কোলাইটিস প্রতিকারের সঠিক উপায় হতে পারে এটি। একটি বড় পানির পাত্রে কয়েকটি ক্যামোমাইলের ডাল দিয়ে ফুটান। তারপর ঠান্ডা হয়ে গেলে গ্লাসে নিয়ে পান করুন। চিনির পরিবর্তে মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। ক্যমোমাইল টি পান করতে পারেন।

    - বাঁধাকপির পাতা পানিতে দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে পান করুন।

    - আপনার লক্ষণগুলো যখন অদৃশ্য হওয়া শুরু করবে তখন অল্প অল্প করে শক্ত খাবার খাওয়া শুরু করতে পারেন। ভাত, সিদ্ধ আটা, চর্বিহীন মাংস, দই এবং কম ফ্যাটের পনির খেতে পারেন। অল্প পরিমাণে শুরু করুন, দেখুন আপনার অন্ত্র কী রকম প্রতিক্রিয়া দেখায়। এছাড়াও সিদ্ধ আপেল ও রান্না করা গাজর দিয়েও শুরু করতে পারেন। গাজর কোলাইটিসের একটি ভালো প্রতিকার কারণ অন্ত্রে এটির ক্ষারীয় প্রভাব আছে।

    অন্ত্রে যখন প্রদাহ দেখা দেয় তখন এটি সঠিকভাবে তার কাজ সম্পন্ন করতে পারেনা। এ কারণেই নরম খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, এটি প্রদাহের প্রকোপ বৃদ্ধি করেনা। কোলাইটিসের লক্ষণ দেখা দিলে পরিশোধিত চিনিযুক্ত খাবার যেমন- কেক, চকলেট, মিষ্টি ইত্যাদি এবং সাদা পাউরুটি খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়াও প্রক্রিয়াজাত খাবার, অ্যালকোহল, কফি এবং কারবোনেটেড ড্রিংক এড়িয়ে চলতে হবে অবশ্যই। স্ট্রেস, নার্ভ বা ইরিটেবল বাওয়েল এর কারণে কোলাইটিস হলে রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ করার পরামর্শ দেয়া হয়। ইয়োগা বা মেডিটেশন কোলাইটিসের লক্ষণের উন্নতি ঘটাতে পারে। তারপরও যদি কোলাইটিসের উপসর্গ থেকে যায় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

    তথ্যসূত্র :

    ১। Basic advice to naturally relive colitis – steptohealth.com

  • ট্যাক্সি চালকের অ্যাকাউন্টে ৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা!

    বলবিন্দর সিংহ পেশায় একজন সাধারণ ট্যাক্সি চালক। ভারতের পাঞ্জাবের পাতিয়ালায়ে তার বসবাস। স্টেট ব্যাংক অফ পাতিয়ালায় তাঁর একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কিছু দিন আগে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান বলবিন্দর, যখন তার মোবাইলে এসএমএস আসে এই মর্মে যে, তার এই জন ধন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে ৯৮০০ কোটি টাকা। বিষয়টি নিছকই ভুল বলে ধরে নিয়ে ব্যাংকে নিজের পাস বই নিয়ে যান বলবিন্দর।

    পাস বই আপডেটের পরে দেখা যায় পাস বইতে অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স লেখা রয়েছে ৯৮,০৫,৯৫,১২,২৩১ টাকা।  বিষয়টির কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছিলেন না বলবিন্দর। তার বিস্ময়ের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায় যখন ওই বিপুল টাকা জমা হওয়ার পরের দিনই আবার অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৮০০ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার এসএমএস আসে বলবিন্দরের মোবাইলে।

     ব্যাংকে গিয়ে পাস বই আপডেটের পরে এসএমএস-এর সমর্থন মেলে।  গোটা ঘটনাটাই একেবারে হতবাক করে দেয় নিরীহ ট্যাক্সিচালককে। কারণ বলবিন্দর ৩০০০ টাকা দিয়ে ওই অ্যাকাউন্ট খুলে ছিলেন। পরে আরও ২০০ টাকা তিনি জমা করেন। সুতরাং তার অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স হওয়ার কথা ৩২০০ টাকা।

     সেই জায়গায় ৯৮০০ কোটি টাকা কীভাবে আসতে পারে, তা ভেবে কোন কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না বলবিন্দর। পরের দিনই কীভাবে আবার সেই টাকা উধাও হয়ে যেতে পারে, সেই প্রশ্নেরও কোন উত্তর পাচ্ছিলেন না তিনি।  আতঙ্কিত বিভ্রান্ত বলবিন্দর নিজের প্রশ্নের উত্তরের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন ব্যাংকে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ব্যাংক কর্মীরাও।

     পরে ব্যাংকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের যাতায়াত শুরু‌ হওয়ায় নড়েচড়ে বসে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। খোদ ব্যাংকের ম্যানেজার সন্দীপ গর্গ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। তখনই সামনে আসে আসল ঘটনা।  সন্দীপ জানান, বলবিন্দরের অ্যাকাউন্টে যা কিছু ঘটেছে, সবটাই হয়েছে ভুলবশত।

     আসলে বলবিন্দর যখন ২০০ টাকা জমা করেন তার অ্যাকাউন্টে, তখন অ্যাকাউন্ট আপডেট করতে গিয়ে ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ভুলবশত ১১ ডিজিটের ইন্টারন্যাল ব্যাংকিং জেনারেল লেজার অ্যাকাউন্ট নম্বরটি লিখে ফেলেন। সেটাই হয়ে যায় বলবিন্দরের নতুন অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স। সেই মতো এসএমএস-ও চলে যায় বলবিন্দরের মোবাইলে।

     পাস বইতেও ওই সংখ্যাটাই ছাপা হয়ে যায়।  পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ভুপিন্দর সিংহ ব্যাংকের এই ব্যাখ্যাকে সত্য বলে ঘোষণা করেছেন। পুরো বিষয়টি জানার পরে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন বলবিন্দরও। নিজের অ্যাকাউন্টে নিজের টাকা নিয়েই তিনি খুশি।

    সূত্র:
  • সেনা চেয়ে সিইসিকে বিএনপি'র চিঠি

    ঢাকা: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি।

    মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে চিঠি হস্তান্তর করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।


    এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শেষ সময়ে এসে বর্তমান নির্বাচন কমিশন তার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য ভালো পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করি। তাই নাসিক নির্বাচনে ভোটগ্রহণের অন্তত সাতদিন আগে থেকে ফলাফল ঘোষণার পরদিন পর্যন্ত সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছি।

    সেনা মোতায়েন ছাড়া দলটি আরো কিছু দাবি জানিয়েছে।

    এর মধ্যে রয়েছে, সব প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, অস্ত্র উদ্ধার, ভোটারদের নিরাপদে আসা-যাওয়া, ভোট কারচুপি রোধ, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা ও ১০ দিন আগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রর্থীদের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের তালিকা সরবরাহ করা।

    এ ছাড়া সরকারি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাৎক্ষণিক বদলির ব্যবস্থা, পোলিং নিরাপত্তা ও কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রাখার দাবিও বিএনপির।

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সময় থাকতে কমিশনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করে ইসি যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করি।

    উল্লেখ্য, আগামী ২২ ডিসেম্বর নারায়গঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    সূত্র:natunbarta
  • খুক খু্ক, ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি…

    ঢাকার যেন সব মানুষই এখন কম বেশী শুধু কাশে আর কাশে। সবার যেন খুশ খুশে কাশি। রাস্তায়, অফিসে, বাসে, ট্রেনে, বাজারে গেলেই পরিচিত জনের সাথে দেখা হলেই প্রায় এক কথা-“আর বলবেন না, ঠাণ্ডা কাশিতে নাজেহাল।’’

    শিশু আর বয়োবৃদ্ধদের অবস্থা একটু বেশীই খারাপ বলা যায়।

    ঋতু পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে ঠাণ্ডা, জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি বেড়ে যায়। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের কাবু করে আরো বেশী। এই ব্যস্ত নগরীতে রাস্তায় বের হলেই দেখা যায় খুক খুক করে কাশছে মানুষ।

    কেনও আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে এমন হবে? বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বলছেন, ঠাণ্ডা, জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট বিভিন্ন ভাবে হতে পারে। শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে ধুলো-বালি ঢুকলে, শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা এবং সেই সাথে ধূমপান করা। ধূমপান করলে ঠাণ্ডা লাগার পাশাপাশি হয় শ্বাসকষ্ট।

    একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র মো. শাকিল আহমেদ। তিনি বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ার সময় ঠাণ্ডা লাগে। কিন্তু এমন হয় কেন? উত্তরে তিনি বলেন, ঋতু পরিবর্তন হওয়ার সময় এরকমত হতেই পারে।

    রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় রিকশাচালক মো. আবুল মিয়া জানান, গত দুইদিন ধরে তার ঠাণ্ডা-জ্বর। মাঝে মাঝে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

    আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে ঠাণ্ডা জ্বরের প্রকোপ কেন বারে এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. অমর বিশ্বাস পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে ঠাণ্ডা জ্বর হয় এটা ঠিক। ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশির কারণে অ্যালার্জি বেড়ে যায়। অপরদিকে বিশেষ করে যাদের কোল্ড এলার্জি (ঠাণ্ডা জনিত এলার্জি) থাকে তাদের ঠাণ্ডা কাশি এগুলো বেশী হয়। এটা একটা ফ্যাক্টর। এজন্য শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এগুলোর সংক্রামণ বেড়ে যায়।’

    যাদের অ্যালার্জির জনিত কোষ থাকে তাদের শ্বাস যন্ত্রের প্রথম দিকটা উচ্চ সংবেদনশীল হয়, এবং এই অংশ সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে হাঁচি, কাশি ও সর্দি লেগে যায়। ঠাণ্ডাটা আসলে এলার্জেন ও ইরিটেনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

    যাদের বয়স কম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো ভাবেই প্রস্ফুটিত হয়নি তাদের এবং যারা বেশী বয়সের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে এই দুই পর্যায়ে ঠাণ্ডা-কাশি বেশী হয়। অপর দিকে যাদের ডায়াবেটিস আছে, ক্যান্সার রয়েছে অথবা এমন কোনো ঔষধ খায় যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এটা একটা ফ্যাক্টর হতে পারে বলে জানান ডাক্তার অমর বিশ্বাস।

    তার মতে দুই তিনটি সিজনে এটা বেশী হয় যেমন, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শীতকালের প্রথম দিকে।

    ডা. অমর বিশ্বাস আরও জানান, ‘আপার এয়ার ওয়ে (শ্বাস আসা-যাওয়ার পথটাকে বুঝায়) ও লোয়ার এয়ার (যে জায়গা নাক দিয়ে গ্রহণ করা অক্সিজেন রক্তে মিলিত হয়) দুইটিই জায়গাতেই বেশ পরিবর্তন হয়। যারা ধূমপান করে আর কাশি দেয় তাদের তাদের আপার এয়ার ওয়েতে সংক্রামণ হয় ও এই অংশটুকু সংকুচিত হয়ে যায়। সেই সাথে যাদের অ্যালার্জি আছে এবং ধূমপান করে তাদের কাশিটা বেশী হয়। কষ্টও বেশী হয়।

    ব্যস্ত রাজধানীতে আপার এয়ার ওয়ে ও লোয়ার এয়ার ওয়ের উপর প্রভাব ফেলে ধুল-বালি, ফুলের রেনু, ধোঁয়া ইত্যাদি। যেহেতু রাস্তায় বেড় হলেই নাক মুখ দিয়ে ধুলোবালি প্রবেশ করে তাই জনবহুল ও ধুলাযুক্ত ঘনবসতির এই শহরে মানুষের বেশী ঠাণ্ডা বা এই জাতীয় রোগ বেশী হচ্ছে।

    শীতের শুরুতে ঠাণ্ডা কাশি জ্বরের যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে ধুলবালি থেকে দূরে থাকা, পর্যাপ্ত শীতের কাপড় ব্যাবহার, বিশুদ্ধ পানি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার ও ধূমপান না করার পরামর্শ চিকিৎসকের।

    সূত্র:poriborton
  • নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ বলেছেন, ঘরে বাইরে নারীরা নানাভাবে সহিংসতার শিকার হচ্ছে। তাই নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় যার যার অবস্থান থেকে লড়াই করতে হবে। এ কাজে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

    মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার ভবনে ‘নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে ইয়ুথ ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির সহযোগিতায়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন প্রয়োজন বলে জানান অধ্যাপক নাসরীন।অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পরিচালক ওয়াহিদা ইদ্রিস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

    উল্লেখ্য, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ১৬ দিনের প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই ক্যাম্পেইন। ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্যাম্পেইন চলবে।

    সূত্র:jagonews24
  • আমরা পোষা সাংবা‌দিক চাই না : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী হাসানুল ইনু বলেছেন, গণমাধ্যম জাতির বিবেক তৈরি করে। আবার বিবেক পাহারাও দেয়। গণমাধ্যম উন্নয়নযাত্রার প্রধান অনুঘটক। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ।

    বাংলাদেশের প্রথম গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে তথ্যমন্ত্রী এ কথা ব‌লেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল‌য়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সি‌নেট মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার সকাল থে‌কে দু‌ই দিনব্যাপী এ স‌ম্মেলন শুরু হ‌য়ে‌ছে।

    হাসানুল হক ইনু বলেন, আপনারা সরকারের সমালোচনা করুন, ভুল ধরিয়ে দিন। কিন্তু খলনায়ক হবেন না। আমরা পোষা সাংবা‌দিক চাই না। সরকা‌রের দালাল চাই না।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ভালো-মন্দকে একপাল্লায় মাপবেন না। রাজাকার আর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে কোনো ভারসাম্য বজায় রাখার দায়িত্ব গণমাধ্যমের নয়। আপনি জঙ্গিবাদী নেত্রী আর গণতান্ত্রিক নেত্রীকে এক পাল্লায় মাপবেন না। আপনি বস্তুনিষ্ঠ হোন কিন্তু ব্যালেন্স করবেন না। খণ্ডিত তথ্য, ইতিহাস বিকৃত করবেন না।

    সূত্র:kalerkantho
  • যেভাবে ব্যবহার করবেন ৯৯৯ জরুরি সেবা

    বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক (৯৯৯) সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে সরকার।

    ৯৯৯ নম্বরে যে কোনো মোবাইল নম্বর থেকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি কল করে বাংলাদেশের নাগরিকরা জরুরি মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাবেন।

    আর এই সেবাটি ব্যবহারে সচেতনতার জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেইজে পরামর্শমূলক এক পোস্ট দিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    এই পোস্টে তিনি লিখেছেন, কেমন করে ব্যবহার করবেন ৯৯৯ জরুরি সেবা?

    তিনি লিখেছেন- ‘৯৯৯ সার্ভিসের প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি মুহূর্তে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন।’

    জুনাইদ আহমেদ পলক তার ওই পোস্টে ৯৯৯ নম্বরে কল করার সময় নাগরিকদেরকে ১১টি বিষয়ে খেয়াল রাখার কথা লিখেছেন। তা হলো-

    ১. ঠিকানা প্রদান:  

    জরুরি সেবা পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য হলো সাহায্য প্রার্থীর লোকেশন বা ঠিকানা জানা। অপারেটকে (অ্যাজেন্ট) যতটা সম্ভব আপনার সঠিক অবস্থান বলুন, এক্ষেত্রে জেলা বা উপজেলার নামও বলতে হবে। আপনার সঠিক অবস্থান জানা না থাকলে পার্শ্ববর্তী বড় রাস্তা, বাজার বা হাইওয়ের নাম উল্লেখ করতে পারেন।

    ২. প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান:

    আপনাকে সঠিক সেবা প্রদানের জন্য অপারেটর বা জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এক্ষেত্রে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ) আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবেন, যাতে তারা যথাযথ কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার প্রয়োজন জানাতে পারেন। অথবা আপনাকে জীবন রক্ষাকারী কিছু পরামর্শ বা করণীয় সম্পর্কে জানাতে পারেন। এ ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করে অপারেটরকে সহায়তা করুন। অবশ্য আপনার প্রয়োজনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে হয়তো একই প্রশ্নের উত্তর একাধিকবার দেয়া লাগতে পারে।

    বিশেষ করে ৯৯৯ নম্বর থেকে কল ট্রান্সফার হয়ে পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিস বা হাসপাতালে পাঠানো হলে এমনটা হতে পারে।

    ৩. ধৈর্যশীল থাকা:

    কলের সময় শান্ত থাকুন এবং আপনার সমস্যা বিস্তারিত তুলে ধরুন। অনেক সময় দেখা যায়, নাগরিক তার সমস্যার কথা জানাতে গিয়ে আবেগে আক্রান্ত হয়ে অপ্রয়োজনীয় কথা বলে থাকেন। এমনটা করা উচিত নয়। এর ফলে অপারেটরের মূল সমস্যাটা ধরতে ও প্রকৃত সাহায্য করতে অসুবিধা হয়। মনে রাখবেন, আপনি যত শান্ত থাকবেন, আপনি তত বিশদভাবে আপনার ঘটনার বর্ণনা দিতে পারবেন এবং অপারেটরও আপনাকে তত ভালভাবে সেবা প্রদান করতে পারবেন।

    ৪. আপনার জরুরি পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করুন:

    জরুরি পরিস্থিতি ব্যাখ্যার সময় কয়েকটি বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য দিন। আপনি নিজে নাকি আপনার কাছের কেউ সমস্যায় পড়েছেন? কীভাবে হলো? আপনার কোন ধরনের জরুরি সেবা প্রয়োজন – অ্যাম্বুলেন্স? পুলিশ? নাকি অন্য জরুরি সেবা? কেউ আহত হলে তার পরিস্থিতি পরিষ্কারভাবে বলার চেষ্টা করুন– আহত ব্যক্তির অবস্থা কি খুবই আশঙ্কাজনক? তার চেতনা আছে কি? তিনি কি শ্বাস নিতে পারছেন? তার শরীর থেকে কি রক্ত বের হচ্ছে? আপনার সাধ্যমত রোগীর অবস্থা বলার চেষ্টা করুন, আপনার কথা বলতে অসুবিধা হলে পাশের কাউকে দিয়ে বলাতে পারেন। কল না কেটে লাইনে থাকুন।

    ৫. অ্যাম্বুলেন্স সেবা চাইতে এই বিষয়টি মনে রাখুন:

    ৯৯৯ সার্ভিসের মাধ্যমে যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হয়, তা কিন্তু বিনামূল্যে নয়। বস্তুত বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষই বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদান করে না। আর ৯৯৯ যেভাবে কাজ করে, নাগরিকের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। ফলে অ্যাম্বুলেন্সের ধরণ, গন্তব্যস্থল ইত্যাদি অনুযায়ী ভাড়ার পরিমাণ নির্ধারিত হয়। তাই অ্যাম্বুলেন্স সেবা চাইতে এই সকল তথ্য অপারেটরকে সঠিকভাবে প্রদান করুন। মনে রাখা প্রয়োজন, ৯৯৯ সার্ভিস থেকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হয় না।

    ৬. ফায়ার সার্ভিসের সেবা চাইতে এই বিষয়টি মনে রাখুন:

    শুধু অগ্নিকাণ্ড নয়, ফায়ার সার্ভিস আরো নানা ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যেমন সড়ক ও নৌ দুর্ঘটনা, আটকে পড়া মানুষ বা পশু, পাখি উদ্ধার ইত্যাদি। ফলে এই ধরনের সেবার প্রয়োজন হলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করুন। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত সাহায্য পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অপারেটরকে সহায়তা করুন। চলন্ত অবস্থায় এমন ঘটনা দেখলে নিশ্চিত হবার চেষ্টা করুন, আপনার ফোন করার পূর্বেই ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশের কোনো ইউনিট সেখানে পৌঁছেছে কি না।

    ৭. পুলিশের সেবা চাইতে এই বিষয়টি মনে রাখুন:

    জরুরি পুলিশি সেবার ক্ষেত্রে ৯৯৯ অপারেটর আপনাকে নিকটস্থ থানার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবে। আপনি সেখানে আপনার অভিযোগটি জানাতে পারবেন। যেহেতু রেফারেন্সের জন্য ৯৯৯ নম্বরে কল রেকর্ড করা হয়ে থাকে, তাই পুলিশের সঙ্গে কথা বলার জন্য সঠিক তথ্য প্রদান করুন। শত্রুতাবশত কাউকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে । পুলিশি সাহায্যের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ই নিকটস্থ থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে হয়। কারণ লিখিত অভিযোগ ছাড়া অনেকে ক্ষেত্রে পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে না। ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আপনার করণীয় সম্পর্কে জেনে নিন।

    ৮. অপরাধীর বর্ণনা দিন:

    আপনি যদি কোনো অপরাধ ঘটতে দেখেন তাহলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে পৌঁছান। যত দ্রুত সম্ভব ৯৯৯ নম্বরে কল করুন। আপনি অপরাধীকে চিনে থাকলে তা জানান কিংবা কাউকে সন্দেহ করেন কি না তাও জানান। অপরাধীর হাতে অস্ত্র ছিল কি না জানান। অপরাধী দেখতে কেমন? তার ধর্ম? আনুমানিক বয়স, উচ্চতা, ওজন, কাপড়ের রঙ প্রভৃতি তথ্য দিন। অপরাধী এখন কোথায়? তারা কি পালিয়েছে? কোন দিকে গেছে? তাদের সঙ্গে কোনো গাড়ি ছিল কি না? কি গাড়ি? গাড়ির মডেল, রঙ এবং গাড়ির সাইজ কতটুকু? এমনকি গাড়ির নম্বরের অংশবিশেষ প্রভৃতি তথ্য দিন।

    ৯. ফোন খোলা রাখুন:

    আপনি যদি কোনো মোবাইল ফোন থেকে কল করে থাকেন তাহলে আপনার নম্বরটি খোলা রাখুন, যাতে অপারেটর যেকোন মুহূর্তে আপনার সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করতে পারে। এর বাইরে আপনার চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষও আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

    ১০. সচেতনতা তৈরি করুন:

    ৯৯৯ ইমার্জেন্সি সার্ভিসে বিনা কারণে প্রতিদিন প্রচুর শিশু ফোন করে থাকে। এর ফলে প্রকৃত বিপদগ্রস্থরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। সময় ও সুযোগ করে আপনার সন্তানদের শেখান কীভাবে এবং কখন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করতে হবে। কখন ফোন করবে না সেটিও শেখান।

    ১১. প্রতিটি কলই গুরুত্বপুর্ণ:

    প্রতিটি কলই গুরুত্বপূর্ণ সেটা ফলস কলই হোল আর প্রাঙ্ক কল হোক। যদিও এসব কল প্রকৃত জরুরি সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করে। ভুয়া কলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে। আপনার অসতর্কতার কারণে যাতে ৯৯৯ নম্বরে কল না যায় সেজন্য আপনার মোবাইলটি লক করে রাখুন।  

    শেষ কথায় পলক লিখেন, আপনার জন্য অপারেটররা অপেক্ষা করছে। ভাল থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

    সূত্র:jagonews24
  • ভুয়া চাকরিদাতা থেকে বাঁচতে সচেতনতা আবশ্যক

    ঢাকায় টাকা বাতাসে ওড়ে-এমন ভেবে প্রতিনিয়ত কিছু মানুষ এ মহানগরীতে প্রবেশ করছে। যার একটি অংশ পেশাবৃত্তির নামে লোক ঠকানোর পসরা সাজিয়ে বসেছে। নগরী হিসেবে ঢাকার পরিচিতি পুরনো। সেটা পরিবেশগত ও অবস্থানগত কারণে। সামাজিকভাবে আমরা এ শহরে খুব সহজেই একজন আরেকজনের দ্বারা অনাবৃত হচ্ছি। বর্তমানে অসাধারণ কর্তৃক সাধারণের হেনস্তার চিত্র এখানে প্রকট। আর এ অসাধারণের একটি শ্রেণি হলো ভুয়া চাকরিদাতা। যারা সমাজের বেকার সমস্যাকে সম্বল করে চলে। চাকরি দেওয়ার নামে বেকার মানুষদের কাছ থেকে টাকা নেয়। এ-ই তাদের পেশা।

    আধুনিক নগর কাঠামোতে কর্পোরেট ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। আর জন চাহিদার বিশ্বাসযোগ্যতাকে পুঁজি করে গড়ে উঠেছে কিছু ডেকোরেশন সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। রাস্তায় লাইটপোস্টে, বাসের ভেতরে, এমনকি পত্রিকায়ও চোখে পড়ে চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কপট বিজ্ঞাপন। পার্টটাইম/ ফুলটাইম চাকরি, জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ইত্যাদি শিরোনামে বিজ্ঞাপনগুলো সহজেই বেকার শ্রেণিকে আকৃষ্ট করে।

     মূলত এ সকল প্রতিষ্ঠান চমকপ্রদ ফাঁদ তৈরি করে রাখে। যাদের মূল উদ্দেশ্যই থাকে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে নাম এন্ট্রির নামে ৫২০, ৮০০, ১৩২০ ইত্যাদি অঙ্কের টাকা পকেটস্থ বিজ্ঞাপনের নামে করা। গত পরশু রাস্তায় এমনই একটি বিজ্ঞাপন দেখে ফোন দিলাম। অপরপ্রান্ত থেকে বলা হলো—মহাখালী কাঁচাবাজারে গিয়ে ফোন দিতে।

     অফিস সেখানে। আমি গেলাম এবং বাজারের সামনে দাঁড়িয়ে ফোন করলাম। অপরপ্রান্ত জানালেন আমাকে তিনি দেখতে পাচ্ছেন, তবে আমি যেন ডানে বামে নড়াচড়া করি। আমি তার কথামতো তাই করলাম। আমার মনে হলো তিনি আমাকে ভেরিফাই করছেন।

     এক পর্যায়ে রাস্তার ঠিক বিপরীত পাশের একটি ভবনের উপরের দিকে আমাকে তাকাতে বললেন এবং তিনি হাত নাড়ছেন  বলে জানান। আমি দেখতে পাচ্ছি কি না জিজ্ঞেস করলে তাকে আশ্বস্ত করলাম, দেখতে পাচ্ছি। এরপর উঠে আসতে বললে ঢুকলাম অফিসে। সেখানে আরও অনেকেই বসে আছে।

     বোঝা গেল সবাই চাকরির জন্য এসেছেন। প্রথমে আমার কাছ থেকে এন্ট্রি বাবদ ৫২০ টাকা নেওয়া হলো এবং বলা হলো ইন্টারভিউ-এ টিকলে তবেই চাকরি হবে। ইন্টারভিউয়ে গেলাম। খুব সহজ প্রশ্ন করা হলো। বের হয়ে আসলাম। খানিকপর জানানো হলো, আমি নির্বাচিত হয়েছি। কাল থেকে অফিস করতে হবে। খুশি মনে বেরিয়ে আসলাম। ভাবলাম, চাকরি হয়ে গেল!

    পরদিন সকালে আমাকে জানানো হলো- গতকালই বলার কথা ছিল, আমি যেনো হাজার পাঁচেক টাকা নিয়ে আসি। কিসের টাকা জিজ্ঞেস করতেই বললেন- এতো বুঝতে হবে না আপনাকে, আপনি টাকা নিয়ে আসবেন। শুধু জেনে রাখুন, আপনার ভালোর জন্যই। আমার কোন্ ভালো যে করবেন তা আমার বোঝা হয়ে গেল। আমি আর যাইনি। এভাবেই এরা বিভিন্নভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

    জনবহুল এ শহরে একটি বৃহত্ অংশ প্রতিনিয়ত চাকরির সন্ধানে ঘুরছে। আর চাকরির বদলে প্রতারণার শিকারও কম হচ্ছে না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে কর্মক্ষম ২৬ লাখ ৩০ হাজার মানুষ বেকার।

     এর মধ্যে পুরুষ ১৪ লাখ, নারী ১২ লাখ ৩০ হাজার। যা মোট শ্রমশক্তির সাড়ে ৪ শতাংশ। জরিপমতে, দেশে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে। তাই এ সকল চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আরো নজর দেয়া প্রয়োজন। এদের অপপেশা রোধকল্পে মিডিয়া ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। মিডিয়া জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজটি করতে পারে।

     পাশাপাশি পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশে কিছু নীতিমালা তথা ফিল্টার পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। আর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পারে এদেরকে পুরোপুরি চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে। অন্যদিকে চাকরি প্রত্যাশীদেরও সতর্ক হতে হবে। মনে রাখতে হবে, যেকোনো ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে নিজের সচেতনতার বিকল্প নেই।

    সূত্র:ittefaq
  • ব্রাজিলের ফুটবল দল নিয়ে বিমান 'নিখোঁজ'

    Brazil Football Player
    ব্রাজিলের একটি ক্লাবের ফুটবলারসহ ৮০ আরোহী নিয়ে একটি বিমান কলম্বিয়ার আকাশ থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা সোয়া ১১টা দিকে রাশিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ার রাজধানী মেডেলিনের বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে ওই বিমানটি নিখোঁজ হয়। বিমানটিতে ৮০ জন যাত্রী ছিল।

    তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। আরাহীদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বিমানটিতে ব্রাজিলের ক্লাব শ্যাপেকোয়েন্সে খেলোয়াড়েরা ছিলেন। তারা বুধবার কোপা সুদামেরিকা কাপের ফাইনালে কলম্বিয়ার ক্লাব অ্যাতলেটিকো ন্যাসিওনালের বিপক্ষে খেলতে মেডেলিনে যাচ্ছিলেন।

    সূত্র: যুগান্তর
  • সাব্বিরকে শাহাজাদের ব্যাটের আঘাত

    ম্যাচশেষে রাজশাহীর অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি পরিষ্কার বললেন, ক্রিকেট মাঠে এমন আচরণ তিনি আশা করেন না, কখনো দেখেনওনি।

    সেই আচরণই করলেন কাল রংপুরের ওপেনার মোহাম্মদ শাহাজাদ। আফগানিস্তার এই ওপেনার আউট হয়ে ফেরার সময় ব্যাট দিয়ে আঘাত করেছেন রাজশাহীর ব্যাটসম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের অন্যতম সেরা তারকা সাব্বির রহমান রুম্মনকে।

     এই ঘটনায় নিশ্চয়ই ম্যাচের রেফারি কোনো পদক্ষেপ নেবেন। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। ম্যাচ রেফারিকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।

    ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে প্রথম ইনিংসে। প্রথম ইনিংসেই সাব্বির যখন ব্যাট করছিলেন, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় শাহাজাদের। এরপর এই কথাকাটাকাটির রেশ চলে পরের ইনিংসেও।

     দ্বিতীয় ইনিংসে শাহাজাদ আউট হয়ে ফেরার সময় ব্যাট দিয়ে খোঁচা মারেন সাব্বিরকে। এ নিয়ে প্রবল নিন্দা করেছেন রাজশাহী অধিনায়ক স্যামি।

    সূত্রittefaq:

  • মোদীসহ ২২ শীর্ষ রাজনীতিককে হত্যার পরিকল্পনা তিন সন্দেহভাজন আল কায়েদা সদস্য গ্রেফতার

    ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ ২২ শীর্ষ রাজনীতিককে হত্যার পরিকল্পনায় তিন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা। তারা জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সদস্য। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএ) গতকাল সোমবার তামিলনাড়ু রাজ্যের মাদুরাই থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

    ভারতের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায়, এনআইএ তাদের জেরা করে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে হত্যার চক্রান্তের কথা জানতে পারে। গতকাল এনআইএ তদন্তকারী দল জিআর নগর, ওসমাননগর ও ইসমাইলপুরমে অভিযান চালিয়ে এম কারিম, আসিফ সুলতান এবং আব্বাস আলী নামের তিন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে। জঙ্গিদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমানে বিস্ফোরক আটক করা হয়।

    পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া তিন জঙ্গির দেশের ২২ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল। পাশাপাশি গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন জঙ্গিদের হত্যার তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও আছেন। তারা ভারতে বিভিন্ন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনাও করেছিল। আগে গ্রেপ্তার হওয়া আল-কায়দা জঙ্গি হাকিম ও দাউদ সোলেমানকে জেরা করে এদের সম্পর্কে তথ্য জানতে পারে এনআইএ। আরো দুই আল-কায়েদা জঙ্গিকে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

    সূত্র:ittefaq
  • ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব

    ঢাকা: গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট ও তার পরিবারের সদস্যদের একক বা যৌথ নামে পরিচালিত এবং তার সঙ্গে লেনদেন সংশ্লিষ্ট যেকোনো হিসাব বা যেকোনো ধরনের তথ্য থাকলে তা জানাতেও ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (২৮ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত চিঠিটি বিভিন্ন ব্যাংকে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।

    এর আগে গত সপ্তাহে ড. ইউনূস ও তার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকেও ইউনূস দম্পতির ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়েছে। মূলত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়কর ফাইলে থাকা তথ্যের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের তথ্যের মিল রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্যই এনবিআর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ব্যাংকটিতে এমডির দায়িত্ব পালন করে আসা ড. ইউনূস ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান। তবে অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে ২০১১ সালে সরকার তাকে এমডি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ইউনূস উচ্চ আদালতে গেলে সেখানেও হেরে যান। ওই সময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ইউনূসের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে সরকারকে চাপ দেন। উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্যে দেখা যায়, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অর্থ দিয়েছেন ড. ইউনূস।

    ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সরকারের পক্ষ থেকে ড. ইউনূস ও তার পরিবারের সদস্যদের ফাইলপত্র নিয়ে খুব বেশি নাড়াচাড়া হয়নি। তবে দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের পক্ষ থেকে তিন দফায় পরিবারসহ তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।

    গত ১৭ নভেম্বর এনবিআরের গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) থেকে ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্টসহ তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তলবের চিঠি ইস্যু করা হয়। ওই চিঠি সোমবার বিভিন্ন ব্যাংকে পৌঁছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট ও তার পরিবারের সদস্যদের আয়কর সংক্রান্ত অনুসন্ধান, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যাংকসহ যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ওই করদাতা ও তার পরিবারের সদস্যদের একক বা যৌথ নামে পরিচালিত এবং তার সঙ্গে লেনদেন সংশ্লিষ্ট যেকোনো হিসাব বা অন্য যেকোনো ধরনের তথ্য সংগ্রহসহ যাবতীয় কার্যক্রমের জন্য সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্বের (আহরণ) স্বার্থে অতীব জরুরি বিবেচনা করে তাদের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

    ১৭ নভেম্বর সিআইসির ইস্যু করা আরেকটি চিঠি গত সপ্তাহে ব্যাংকগুলোতে পৌঁছে। তাতে গ্রামীণ ব্যাংকের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান, তদন্ত কার্যক্রমসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যাংকসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের একক বা যৌথ নামে পরিচালিত এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন সংশ্লিষ্ট যেকোনো হিসাব অথবা অন্য যেকোনো ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। মূলত গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ড. ইউনূসের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের তথ্য এ প্রতিবেদনে উঠে আসবে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।

    এরপর গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে পাঠানো এক চিঠিতে ড. ইউনূস ও তার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের হিসাবের সব তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    গত বছরের ২৩ মার্চ ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ‘দান কর’ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে ড. ইউনূসকে নোটিশ দিয়েছিল এনবিআর। ওই সময় সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল নোটিশে। ওই সময় ইউনূস বিদেশে থাকায় তার প্রতিনিধি কর কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে ব্যাখ্যা দেন।

    সূত্র:banglanews24
  • মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ ১৮ ডিসেম্বর

    নভেম্বর ২৮, ২০১৬
    Myanmar Long March
    অব্যাহত মুসলিম গণহত্যা, নারী ও শিশুদের ধর্ষণ এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে আগামী ১৮ ডিসেম্বর মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

    সোমবার রাতে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

    রাতে চরমোনাই মাদরাসায় সংগঠনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমুখ।

    বৈঠকে মুসলমানদের রক্তের নেশায় মত্ত মিয়ানমারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রেজাউল করীম বলেন, ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইসলামপ্রিয় ঈমানদার জনতা মিয়ানমারের মুসলমানদের রক্ষায় লংমার্চের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    তিনি লংমার্চ সফলে দলমত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মুসলমানদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    সূত্র: যুগান্তর
  • বাড়ির ছাদে বাগান করলে লাখ টাকা পুরস্কার’১০ বাগান মালিক পাবেন ‘গ্রিন অ্যাওয়ার্ড

    বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমাতে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বাড়ির ছাদে বাগান করেছেন রাজধানীর এমন ১০ মালিককে ‘গ্রিন অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হবে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সবুজ ঢাকা’ নামে একটি পরিবেশবাদী সংগঠন এ ঘোষণা দিয়েছে।

    সংগঠনটি বলছে, ঢাকা শহরে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ অনেক বেশি। গাছগাছালিও পর্যাপ্ত নেই। এছাড়া পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি। ঢাকায় কীভাবে এটা কমিয়ে ভারসাম্য রাখা যায় এবং সুস্থ স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করা যায় সেই পরিকল্পনা থেকেই সবাইকে ছাদ বাগানে আগ্রহী করছি। প্রতি বাড়িতে একটি করে ছাদ বাগান হলে ঢাকা শহরের তাপমাত্রা ভারসাম্যের মধ্যে থাকবে।

    আয়োজকরা জানান, সবুজ ঢাকার পক্ষ থেকে বিজয়ী মালিকদের সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট প্রদান ছাড়াও তার বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স ১০ শতাংশ মওকুফ এবং বাগান পরিচর্চা বাবদ এক বছরের জন্য ১ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। এছাড়া ছাদ বাগানকারী মালিক সবুজ ঢাকার সঙ্গে নিবন্ধিত হলে তাদের বিনামূল্যে গাছের চারা দেয়া হবে।

    সবুজ ঢাকার চেয়ারম্যান রুপাই ইসলাম বলেন, নগরবাসীকে ছাদ বাগানে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছে ‘সবুজ ঢাকা’। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় পর্যায়ক্রমে ৩৬টি ওয়ার্ডে ১৯ হাজার টবসহ গাছ বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ১০৮টি মসজিদে সবুজায়নের কাজ চলছে। অন্যরাও যেন আরও উৎসাহী হয় এজন্য অ্যাওয়ার্ড দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে যেকেউ সবুজ ঢাকার ফেসবুক পেজে ছবি জমা দিতে পারবেন। এতে বিজয়ী দশজনের প্রত্যেককে দেয়া হবে এক লাখ টাকা সমমূল্যের গাছ, টব, সার ও বাগান করার প্রয়োজনীয় সেবা। এক বছর মেয়াদে সবুজ ঢাকার পক্ষ থেকে তাকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা করা হবে।

    সবুজ ঢাকার উপদেষ্টা প্রীতি চক্রবর্তী বলেন, আগামী তিন বছরে ছাদ বাগানের মালিকদের ৫ লাখ গাছ বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে রাজধানীর উত্তর সিটি কপোরেশনের বিভিন্ন বাসার মালিকদের মধ্যে বিনামূলে ৮০ হাজার ফলজ ও ফুলের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০১৭ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটনে গাড়ীর সংখ্যা দাঁড়াবে ২০ মিলিয়ন। ফলে চরম পরিবেশগত হুমকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে ঢাকা। এছাড়া বর্তমানে রাজধানীতে বসবাসকারীর সংখ্যা ১৫ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। হিটআইল্যান্ড-এর ক্ষতিকর প্রভাবে আমাদের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে, পাখীরা দেশান্তর হচ্ছে, মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, মানব স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। এসব প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষে রাজধানীবাসীকে ছাদবাগান করার জন্য এই উদ্যোগ ।
    সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সবুজ ঢাকার উপদেষ্টা প্রীতি চক্রবর্তী, শাখাওয়াত হোসেন, চেয়ারম্যান রুপাই ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক গোলাম মোস্তফা রাজ, রাজু আহমেদ প্রমুখ।

    সূত্র:ittefaq

  • ফিটনেস মাপার তিনটি ব্যায়াম

    আপনার অনেক জায়গা ফিটনেস নিয়ে কথা বলেছি। বিভিন্ন কারণে অনেককে উপদেশ দেয়া হয়েছে শারীরিক ফিটনেস বাড়াতে। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন আপনার বর্তমান ফিটনেস কোন পর্যায়ে আছে

    এবং কোন ব্যায়াম কতটুকু পারলে ফিটনেস কোন পর্যায়ে পড়বে, সেটা বলা হয় নাই। এই পোস্টে তিনটি ব্যায়ামের উল্লেখ করা হলো।
    এই পোস্টটা পড়ার পর নিজেরাই নিজেদের ফিটনেস পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।
    তাহলে শুরু করা যাক-

    উপায় #১:

    ফিটনেস শুরু হয় শরীরের মধ্যাংশ থেকে অর্থাৎ পেটের অবস্থার উপর। আর এটা পরিমাপের উপায় হলো পেটের ব্যায়াম “প্লাঙ্ক”।
    টান হয়ে শুয়ে পায়ের আঙুল এবং হাত ও কনুইয়ের উপর ভর দিয়ে বেসিক প্লাঙ্ক দিতে হয়। ছবিটা দেখে নিন।
    ফলাফল:

    বেসিক প্লাঙ্ক ৬০ সেকেণ্ডের কম থাকতে পারলে -> ফিটনেস এভারেজের নিচে
    ৬০ সেকেণ্ড থাকতে পারলে -> এভারেজ ফিটনেস
    পা একটা টেবিলের উপর তুলে দিয়ে ৬০ সেকেণ্ড থাকতে পারলে -> ফিটনেস এভারেজের উপরে
    কনুই ভাজ না করে হাত টান করে ৬০ সেকেণ্ডের মত থাকতে পারলে -> শরীর পুরো ফিট

    উপায়#২

    বুকডন। বুকডনের সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এর পজিশন এবং মুভমেন্ট খুব সহজ বলে এটা বুকের পেশি বাড়াতে খুব জনপ্রিয় একটা ব্যায়াম।

    টান হয়ে শুয়ে পায়ের আঙুল ও হাতের তালুর উপর ভর দিয়ে অবস্থান নিতে হবে। তারপর কনুই ভাজ করে বুক ফ্লোরের এক ইঞ্চি উপরে পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে এক সেকেণ্ড বিরতি দিয়ে আবার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসতে হবে। এতে একটি বুকডন গননা করা হবে।
    অনেকে কোমর আঁকাবাঁকা করে বুকডন দেন, সেটার কোন দরকার নেই।
    ফলাফল:

    একবারে ১৫টির কম বুকডন -> এভারেজের নিচে
    ১৬ থেকে ২৯টি বুকডন-> এভারেজ
    ৩০-৪৪টি বুকডন-> এভারেজের উপরে
    ৪৫টির বেশি বুকডন-> পুরো ফিট

    উপায়#৩

    হাত, বাহু, পিঠ, কাঁধ সহ শরীরের পুরো উপরের পিছন ভাগের জন্য “চিনআপ” অন্যতম প্রধান ব্যায়াম। ব্যায়ামটা দুইভাবে করা যায়, এক) হাতের তালু নিজের দিকে মুখ করে, ২) হাতের তালু নিজের বিপরীত দিকে মুখ করে। বারে যে কোন একভাবে ঝুলে বুক তুলে বারের সংস্পর্শে আনতে হবে। ওখানে এক সেকেণ্ডের মত বিরতি দিয়ে আবার ধীরে ধীরে শরীর নিচে নামিয়ে আনতে হবে। শরীর তুলে একবার উপরে এবং একবার নিচে নামানোতে একটি পুলআপ হবে।
    ফলাফল:

    ৩টির কম চিনআপ -> এভারেজের নিচে
    ৩ থেকে ৭টি -> এভারেজ
    ৮-১০ -> এভারেজের উপরে
    ১০টির বেশি -> পুরো ফিট

    সূত্র:ebanglahealth
  • ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্ট প্রকাশ বন্ধে প্রক্রিয়া শুরু

    বাংলাদেশে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্ট প্রকাশ বন্ধে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

    এই কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেটের পূর্ণাঙ্গ ওয়েব তালিকা প্রস্তুত করে এগুলো বন্ধের তিন স্তরের কারিগরি প্রস্তাবনা তৈরি করবে।

    আজ সোমবার সচিবালয়ে অনলাইন আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সভা শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এতথ্য জানান।

    ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেট বন্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে এই কমিটিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা থাকছেন।

    শুধু তালিকা ধরে নয়, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি বন্ধের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান তারানা হালিম।

    এই পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্টের সহজলভ্যতা অপ্রাপ্তবয়স্কসহ সকল নাগরিকের উপর বিরুপ সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি করছে।

    সূত্র:kalerkantho
  • হিরো আলমের অপরাধ

    বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ঘেঁষা যমুনা নদীর পাড়ে মিনি এফডিসির লোকেশনে চিত্রায়িত হলো মাদক, ইভটিজিং, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও বাল্যবিয়েবোধ কল্পে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্মিত হচ্ছে

    নাটক ‘অপরাধ’

    সোমবার সকালে অপরাধ নাটকের লেখক অধ্যাপক ও সাংবাদিক আব্দুল জলিল এ কথা জানান।

    তিনি জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে যমুনার পাড়ের ভান্ডারবাড়ি গ্রামে জন্মভূমিতে নিজস্ব অর্থায়নে মিনি এফডিসি গড়ে তুলেছেন খ্যাতিমান চিত্র পরিচালক আবু সাইদ। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে মনপুরা সিনেমাসহ অসংখ্য নাটক-সিনেমা চিত্রায়িত হয়েছে।

    এই লোকেশনে সাত দিন ধরে চিত্রায়িত হলো অপরাধ নাটক। নাটকের কাহিনী গড়ে উঠেছে সমাজ অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, মাদক, যৌতুক ও জঙ্গিবাদের কুফলের ভয়াবহতা ও করুণ পরিণতিকে ঘিরে।

     সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তায় নাট্যকার জাহিদ হাসান সাগরের রচনা ও চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন মাযহারুল মজনু।

    নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত নায়ক হিরো আলম, টিভি অভিনেত্রী কনক, তুসি, চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত নির্মাতা ও অভিনেতা বাবুল হাসান, নৃত্যশিল্পী যুথি, আবদুল জলিল, মনপুরা সাগর, লিমন হেলাল, জাহিদ হাসান, আব্দুল কাদের, শাহিন, কল্লোল, বিপ্লব, কল্লোল, তুসি, শামীম ও কিং খান প্রমুখ।

    সূত্র:bhorerkagoj
  • পানি ব্যবস্থাপনায় সার্বজনীন বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পানি ব্যবস্থাপনায় সার্বজনীন বৈশ্বিক উদ্যোগের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি দুষ্প্রাপ্য উৎস অন্তর্ভুক্ত করে ৭ দফা এজেন্ডা উত্থাপন করে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে তাদের দেশের পলিসিতে পানি সম্পর্কিত বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি আজ এখানে বুদাপেস্টে পানি সম্মেলন ২০১৬’র উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণকালে বলেন, আমাদের পানি ব্যবস্থাপনায় এখনই একত্রে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার ভূমিকা
    পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

    সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন।

    শেখ হাসিনা আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টনে যথাযথ নীতিমালা প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির সুব্যবস্থাপনা খুবই প্রয়োজনীয় বিষয়। এ প্রসঙ্গে তিনি ভাটির ব-দ্বীপ অঞ্চলীয় দেশের চিরায়ত জীবনযাত্রার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, দুষ্প্রাপ্যতা সবসময় পানি সংকটের প্রধান কারণ নয়। বরং এ সমস্যা ন্যায্য বণ্টনের সঙ্গেও সম্পর্কিত। আন্তঃসীমান্ত প্রবাহের বণ্টন একটি জটিল বিষয় হয়ে দেখা দিয়েছে। ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদীসহ ২৩০টি নদী বিধৌত দেশের প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের পানি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেলের সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ দফা এজেন্ডা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, আমাদের সংস্কৃতি, ধ্যান-ধারণা ও জীবনযাত্রার প্রধান অংশ জুড়ে আছে পানি। বাংলাদেশে আমাদের সংস্কৃতি, চেতনা, জীবন ও জীবিকার প্রধান কেন্দ্র জুড়ে রয়েছে পানি- একথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা পানি ইস্যুকে রাজনীতি ও কার্যক্রমে অগ্রাধিকার প্রদানের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    এ প্রসঙ্গে সম্মেলনে উপস্থিত বিশ্বনেতাদের সামনে শেখ হাসিনা তাঁর ৭টি এজেন্ডা তুলে ধরে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে পানি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল (এইচএলপিডব্লিউ) কর্তৃক গৃহীত লক্ষ্যসমূহ অর্জনে কার্যক্রম ভিত্তিক এই এজেন্ডা সহায়ক হতে পারে।

    প্রথম এজেন্ডা হিসেবে তিনি বলেন, এজেন্ডা ২০৩০ -এ পানি এবং বৃহত্তর টেকসই উন্নয়ন কাঠামোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ ও বিনিময়ের গৃহীত নীতি অনুযায়ী জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে যে কোন উন্নয়ন প্রচেষ্টায় পানি হবে অবিচ্ছেদ্য অংশ। দ্বিতীয় এজেন্ডা হলো, বিশ্বে পিছিয়ে থাকা লাখ লাখ মানুষ অথবা গ্রুপ যারা বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং স্যানিটেশন সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সংকট মোকাবেলা করছে তাদের চাহিদার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তৃতীয় এজেন্ডা হলো, জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখোমুখী দেশগুলোর বিপন্ন এলাকায় পানি সম্পর্কিত বিপর্যয় রোধে সহায়ক কাঠামো নির্মাণ জরুরি।

    চতুর্থ এজেন্ডা হলো, অব্যাহত পানি সংকটের জন্য পানির ঘাটতি মূল কারণ নয়, তবে এখানে সমস্যা সুষম বণ্টনের জন্য আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির কার্যকর ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    পঞ্চম এজেন্ডা হলো, কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ব্যাপকভাবে পানি ব্যবহার হচ্ছে। এজন্য সীমিত পানি ব্যবহার করে শস্য উৎপাদন করা যায়- এমন জাতের উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

    ষষ্ঠ এজেন্ডা হলো, আমাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আরো উন্নয়নে প্রতিটি দেশের মধ্যে একে অপরের ‘লাইট-হাউস-ইনিশিয়েটিভ’ বিনিময় প্রয়োজন। বিশেষ করে উন্নয়ন এবং পানিসম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও কৌশল বিনিময় করতে হবে।

    সপ্তম এজেন্ডা হলো, পানি সংক্রান্ত লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা, উদ্ভাবনা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে একটি বৈশ্বিক তহবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের ক্ষেত্রে এমডিজি’র লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বৈরী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ধারাবাহিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে, যা ইতোমধ্যেই বিশ্বের প্রশংসা অর্জন করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক পানিতে তলিয়ে যাওয়া এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি ঘাটতির অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। অতিমাত্রায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরে প্রধানমন্ত্রী হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ‘সাসটেইনেবল ওয়াটার সলিউশন এক্সপো’ পরিদর্শন করেন।
    সূত্র: বাসস

  • আল আকসা মসজিদ সম্পর্কে কিছু তথ্য

    সম্প্রতি ফিলিস্তিনের আল আকসাকে মুসলমানদের পবিত্র স্থান বলে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। ১৩ অক্টোবর পাসকৃত এক প্রস্তাবনায় বলা হয়, জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদের ওপর ইসরাইলের কোনো অধিকার নেই, আল আকসা মুসলমানদের পবিত্র স্থান।

    এটা ঐতিহাসিকভাবে সত্য ও বিশ্বসমাজে সর্বজনবিদিত বিষয়ও। যদিও এটিকে সিনাগগ বা ইহুদি মন্দির দাবি করে ইসরাইল অন্যায় আগ্রাসন ও মানবতাবিরোধী আচরণ করে যাচ্ছে।

    মুসলিমদের কাছে আল আকসা মসজিদ নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি ইহুদিদের কাছে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত।

    আল আকসা বা বায়তুল মোকাদ্দাস হচ্ছে- ইসলামের প্রথম কেবলা এবং মক্কা ও মদিনার পর তৃতীয় পবিত্র স্থান। হজরত রাসূলে করিম (সা.) মক্কার মসজিদুল হারাম, মদিনার মসজিদুন্নবী ও বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদের উদ্দেশে সফরকে বিশেষভাবে সওয়াবের কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যা অন্য কোনো মসজিদ সম্পর্কে করেননি।

    বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদ এবং তার আশপাশের এলাকা বহু নবীর স্মৃতিবিজড়িত। এ পবিত্র নাম শুধু একটি স্থানের সঙ্গে জড়িত নয় বরং এ নাম সব মুসলমানের ঈমান ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এখানে রয়েছে অসংখ্য নবী-রাসূলের মাজার।

    আল আকসা মসজিদের গুরুত্বের আরও একটি বড় কারণ হলো প্রথম থেকে হিজরত পরবর্তী ১৭ মাস পর্যন্ত মুসলমানরা আল আকসা মসজিদের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতেন। পরবর্তীতে মহান আল্লাহর নির্দেশে মুসলমানদের কেবলা মক্কার দিকে পরিবর্তিত হয়।

    মুসলমানদের প্রথম কেবলা হিসেবে পরিচিত এ মসজিদটি পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত। আল আকসা মসজিদের অর্থ হচ্ছে- দূরবর্তী মসজিদ। মসজিদটির অপর নাম ‘বায়তুল মুকাদ্দাস।’

    এ পবিত্র মসজিদ থেকেই হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) উর্ধাকাশে তথা মেরাজ গমন করেছিলেন। নবী করীম (সা.) মিরাজ গমনের সময় আল আকসায় অতীতের সব নবী-রাসূলের জামাতে ইমাম হয়ে দু’রাকাত নামাজ আদায় করেন। মহান আল্লাহ এ সম্পর্কে বলেছেন, ‘সকল মহীমা তার- যিনি তার বান্দাকে এক রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছিলেন, যার চতুর্পার্শ্বকে আমি বরকতময় করেছি। (আর এই ভ্রমণ করানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে) যাতে আমি আমার নিদর্শন তাকে প্রদর্শন করি।’ -সূরা বনী ইসরাইল: ১

    এ মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। একদল ইতিহাসবিদ মনে করেন, আল আকসা মসজিদ মূলত হজরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমেই তৈরি হয়, যা পরবর্তী নবীরা পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করেন।

    হজরত ইবরাহিম (আ.) কর্তৃক কাবা গৃহ নির্মাণের ৪০ বছর পর হজরত ইয়াকুব (আ.) আল আকসা মসজিদ নির্মাণ করেন। এরপর খ্রিস্টপূর্ব ১০০৪ সালে হজরত সোলায়মান (আ.) এই মসজিদটির পূণর্নির্মাণ করেন। বিভিন্ন শাসকের সময় মসজিদে অতিরিক্ত অংশ যোগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গম্বুজ, আঙ্গিনা, মিম্বর, মেহরাব ও অভ্যন্তরীণ কাঠামো।

    ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে সমগ্র বায়তুল মোকাদ্দাস এলাকা মুসলমানদের দখলে আসার পর মুসলমান শাসকরা কয়েকবার এ মসজিদের সংস্কার করেন। কিন্তু ১০৯৬ সালে খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা ফিলিস্তিন দখল করে নেওয়ার পর আল আকসা মসজিদের ব্যাপক পরিবর্তন করে একে গীর্জায় পরিণত করে। তারা মসজিদের গম্বুজের উপরে ক্রুশ স্থাপন করে এর নাম রাখে- ‘সুলাইমানি উপাসনালয়।’

    এরপর ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম সেনাপতি গাজী সালাহউদ্দিন আইয়ুবী জেরুজালেম অধিকার করার পর পূর্বের নকশা অনুযায়ী আল আকসা মসজিদের পুণর্নির্মাণ করেন।

    মসজিদটিতে ২টি বড় এবং ১০টি ছোট গম্বুজ রয়েছে। এ মসজিদ নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে স্বর্ণ, সিসা বা লিড এবং মার্বেলসহ বিভিন্ন প্রকার পাথর ব্যবহৃত হয়েছে। ঐতিহাসিক এ মসজিদটির আয়তন সাড়ে তিন হাজার বর্গমিটার। এ মসজিদে পাঁচ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন।

    বর্তমানে ইহুদিবাদী ইসরাইল ঐতিহাসিক মসজিদটি দখল করে রেখেছে। ১৯৪৮ সালের ১৫ মে বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনে অবৈধ ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভের পর বায়তুল মোকাদ্দাস মুসলমানদের হস্তচ্যুত হয়ে যায়। সেই থেকে বায়তুল মোকাদ্দাস তাদের দখলে রয়েছে। ১৯৬৯ সালে তারা একবার আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগও করেছিল।

    বর্তমানে এ মসজিদে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত। ইসরাইলের মুসলিম বাসিন্দা এবং পূর্ব জেরুজালেমে বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা মসজিদুল আকসায় প্রবেশ ও নামাজ আদায় করতে পারে। আবার অনেক সময় বাঁধাও দেওয়া হয়। এই বিধিনিষেধের মাত্রা সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়। কখনও শুধু জুমার নামাজের সময় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। গাজার অধিবাসীদের জন্য বিধিনিষেধ অনেক বেশি কঠোর। ইসরাইল সরকারের দাবি, নিরাপত্তার কারণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

    ঐতিহাসিকভাবেই এটি মুসলমানদের পবিত্র স্থান। মুসলমানরা তাদের পবিত্র ভূমি, প্রথম কিবলা ও তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ দ্রুত ফিরে পাক- শান্তিপ্রিয় বিশ্বমানবতার এটা একান্ত প্রত্যাশা।

    সূত্র:banglanews24