Browsing "Older Posts"

  • যে খাবারে মাথাব্যথা হয়

    আগস্ট ২৮, ২০১৬
    প্রায় প্রতিদিনই মাথাব্যথায় ভোগেন এমন অনেকেই আছেন। চিকিৎসা পরিভাষায় একে ক্রনিক ডেইলি হেডেক বলে। দু’দিন পরপর এ মাথাব্যথার সমস্যা নিশ্চয়ই সুখকর কোনো বিষয় নয়। কিন্তু আপনি জানেন না- ঠিক কোন কারণে আপনি ভুগছেন এই যন্ত্রণায়! অনেক সময় সাধারণ কিছু ব্যাপার যেমন অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরি, গরম, সর্দি-জ্বর, পানিশূন্যতা, অতিরিক্ত শব্দ, মানসিক চাপ ইত্যাদির কারণে মাথাব্যথা হয়ে থাকে।

    মারাত্মক ধরনের মাথাব্যথা অনেক সময় শারীরিক অসুস্থতা, মাইগ্রেন এমনকি ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ প্রকাশ করে। যদি এগুলোর কোনোটাই মাথাব্যথার কারণ না হয়ে থাকে তাহলে নজর দিন আপনি কী কী খাচ্ছেন সেদিকে। কিছু খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিলেই দেখবেন প্রতিদিনের এই মাথাব্যথা সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পেয়ে গিয়েছেন।

    আইসক্রিম : আইসক্রিম খেতে কি খুব ভালোবাসেন? মনের কষ্ট মনেই জমা রেখে মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি পেতে বাদ দিতে হবে আইসক্রিম খাওয়া। আইসক্রিম খাওয়ার পর অনেক সময় কপালের দিকে তীব্র ব্যথা শুরু হয়ে যায়। অনেকেই আছেন আইসক্রিমের ঠাণ্ডা সহ্য করতে পারেন না। যদি দেখেন আইসক্রিম খাওয়ার পর মাথাব্যথা হচ্ছে তাহলে বুঝে নেবেন এটাই বাদ দিতে হবে।

    চিজ : চিজ তৈরি করা হয় নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া, মোল্ড ও ইস্টের ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে, যা প্রোটিন ভেঙে টায়রামাইন তৈরি করে। এ টায়রামাইন দেহে হাইপারটেনসিভ ক্রাইসিসের জন্য দায়ী যা এক ধরনের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। এ সমস্যার কারণে অনেক সময় চিজ খাওয়ার ফলে মাথাব্যথার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন।

    ডার্ক চকলেট : সাধারণ মিল্ক চকলেটের তুলনায় ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো হলেও যারা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় এ সুস্বাদু খাবারটি। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে যা মাথাব্যথা উদ্রেক করে। টায়রামাইন এবং ফেনিলেথ্যালামাইন এই দুটি মাথাব্যথা উদ্রেককারী উপাদান চকলেটে রয়েছে

    কলা : কলা নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর সুস্বাদু ফল। এই পুষ্টিকর ফলটিও আপনার মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। কলাতে রয়েছে মাথাব্যথা উদ্রেককারী উপাদান টায়রামাইন। কলা খাওয়া একেবারে বাদ দিতে বলছি না। প্রথমে দেখুন কলা কতটা ব্যথা উদ্রেক করে এবং প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে ২-১ দিন কলা খান।

    কফি : আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন কফি মাথাব্যথা দূর করে। কথাটি সম্পূর্ণ ভুল, বরং কফি পান করলে মাথাব্যথা উলটো বেড়ে যায়। কফি হচ্ছে প্রাকৃতিক ক্যাফেইন যা মাথাব্যথার উদ্রেক করে। কফির সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে নিয়মিত কফি পানের পর একদিন বাদ গেলে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয়, একে বলা হয় ‘উইথড্রল ইফেক্ট অফ ক্যাফেইন’।

    সূত্র: যুগান্তর
  • ইংল্যান্ডের সিদ্ধান্তকে স্বাগত আইসিসির

    অনিশ্চয়তা কেটে গেছে, অক্টোবরে ইংল্যান্ড আসছে বাংলাদেশে সিরিজ খেলতে। সব শঙ্কাকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ইতিবাচক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আইসিসিও। একই সঙ্গে এ বছরের শুরুতে সফলভাবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসাও করেছে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
    কদিন আগেই ইসিবির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা রেগ ডিকাসন, পেশাদার ক্রিকেটারদের সংগঠনের (পিসিএ) প্রধান নির্বাহী ডেভিড ল্যাথারডেল ও ইসিবির ক্রিকেট পরিচালনা পরিচালক জন কার বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে গেছেন। তার পরই ইংল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগের সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ সফর করার। ইসিবির এ সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়ে কাল আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘রেগ ডিকাসনের মতো বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় ইংল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বাংলাদেশে নিরাপদে খেলা সম্ভব। আমরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। জানি, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খেলোয়াড় এবং স্টাফদের নিরাপত্তার কথাই সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে।’
    শুধু বাংলাদেশ নয়, অল্প-বিস্তর নিরাপত্তা ঝুঁকি সারা পৃথিবীতেই রয়েছে বলে মনে করেন রিচার্ডসন। তবে এসব বাধা জয় করেই খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতি তিনি, ‘বৈশ্বিক খেলা ক্রিকেট যত বেশি দেশে নিরাপদে খেলা যায় ততই ভালো। আমরা যে বিশ্বে বসবাস করি, যেখানেই থাকি না কেন নিরাপত্তা হুমকি তো আছেই।’
    খুব সাম্প্রতিককালের টুর্নামেন্টগুলোতে স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার প্রশংসাই করেছেন রিচার্ডসন। এ বছর জানুয়ারিতে হয়ে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, ‘এ বছরের শুরুতে আমরা বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ সফল ভাবে সম্পন্ন করেছি। ইসিবির মতো, আমরাও টুর্নামেন্টের স্বার্থে সব ধরনের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেছি। সব শেষেই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম, সবাই নিরাপদে খেলতে পারবে।’
    নিরাপদে ক্রিকেট খেলার ব্যবস্থা করায় বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড, এই দুটি দেশের সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও ধন্যবাদ দিয়েছেন রিচার্ডসন। এএফপি।

    সূত্র: প্রথমআলো
  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

    আগস্ট ২৪, ২০১৬
    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প হয়েছে।

    বুধবার বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়। এর এক মিনিট পরে ৪টা ৩৮ মিনিটে আফটার শক অনুভূত হয়।

    ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারে। এর মাত্রা ছিল ৬.৮।

    ভূমিকম্পে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।
  • ঢাকার বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লেগেছে

    আগস্ট ২১, ২০১৬
    Fire in dhaka
    বাংলাদেশের ঢাকায় শপিং মল, বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ছয় তলায় আগুন লেগেছে।

    আগুন লেগে তা 'মোটামুটি বড় আকারে' ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

    ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ বলছে, বেলা ১১ টা ২৩ মিনিটে তারা আগুন লাগার সংবাদ পেয়েছেন।

    কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ছয় তলার সি ব্লকের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

    ঘটনাস্থল থেকে সংবাদদাতা আহরার হোসেন জানাচ্ছেন, বেলা ১ টার পরও বৃষ্টির ভেতরে ভবনটি থেকে ধোয়া বেরুচ্ছে এবং আগুন এখনো পুরোপুরি নিভেছে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

    বসুন্ধরা সিটি সাধারণত: সকাল ১১ টায় সবার জন্য খুলে দেয়া হয়। এর আগে বিভিন্ন দোকানের লোকজন সেখানে প্রবেশ করেন।

    আগুন নেভাতে ১০ টি ইউনিট সেখানে কাজ করছে এবং আরো ইউনিট পাঠানো হচ্ছে বলে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    আগুনে হতাহতের বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা
  • হাঁপানি রোগীদের জন্য আশার নতুন আলো 'ফেভিপিপ্রান্ট'

    আগস্ট ১৯, ২০১৬
    ‘ফেভিপিপ্রান্ট’ নামের এ ওষুধটি প্রায় ২০ বছরের মধ্যে প্রথম এমন এক ধরনের বড়ি যেটি  মারাত্মক হাঁপানি রোগ উল্লেখযোগ্যভাবে উপশম করতে পারে। বড়িটির পরীক্ষামূলক ব্যবহারে এমন সাফল্যেরই ইঙ্গিত পেয়েছেন গবেষকরা।

    সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে একটি গবেষণায়  লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ৬০ জন হাঁপানি রোগীকে পরীক্ষা করে দেখেছেন তারা স্টেরয়েড ইনহেলার ব্যবহার এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়মিত পরিচর্যা পাওয়ার পরও তীব্র হাঁপানিতে ভুগছেন।

    গবেষণায় দেখা গেছে, এক্ষেত্রে 'ফেভিপিপ্রান্ট’ বড়ি অন্যান্য স্টেরয়েড ইনহেলারের চেয়ে ফুসফুস ও শ্বাসনালীর প্রদাহ অনেকখানি কমাবে।

    যুক্তরাজ্যে ৫০ লাখের বেশি মানুষ হাঁপানি রোগে ভোগে।  এটি দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুস ও শ্বাসনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে । যার কারণে কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

    অধিকাংশ রোগী ইনহেলার ব্যবহার করে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ করলেও অনেক ক্ষেত্রে আরও গভীর প্রাণঘাতী উপসর্গ থেকে যায়।

    ‘চ্যারিটি অ্যাজমা ইউকে' র হিসাবমতে, ২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যের ১,২১৬ মানুষ হাঁপানি রোগে মারা গেছে।

    গবেষকরা দেখেছেন, রোগীরা 'ফেভিপিপ্রান্ট’ বড়ি ব্যবহারের পর তাদের শ্লেষ্মা এবং শ্বাসনালীতে হাঁপানির মূল লক্ষণ যে রক্ত​​কণিকা তা কমেছে।

    ১৬ বছর ধরে হাঁপানিতে ভোগা গে স্টক্স জানান, ''আগের চাইতে এখন আমার অনেক ভালো বোধ হচ্ছে। শাঁ শাঁ করে নিঃশ্বাস ফেলা কমে গেছে এবং সারা বছরে প্রথমবারের জন্য আমি সত্যিই, সত্যিই সুস্থবোধ করছি।''

    ৫৪ বছর বয়সী স্টক্স জানান, একবার তিনি ওষুধটি সেবন বন্ধ করলেই তার হাঁপানি আবার বেড়ে যায়। কিন্তু গবেষকরা বলছেন, বড়িটির ব্যবহার এখনও একটি প্রাথমিক পর্যায়ে,  দীর্ঘমেয়াদে এ পিল দৈনন্দিন জীবনে রোগীদের জন্য কতটা উপকারী হবে তা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

    ওদিকে, 'এজমা ইউকে’র ডাক্তার সামান্থা ওয়াকার বলেন,  ''হাঁপানি প্রতিকারে গবেষণাটি সম্ভাবনাময় এবং আমরা সতর্ক আশাবাদ নিয়ে এগুচ্ছি।''

    লন্ডনের রয়্যাল ব্রমটন হাসপাতালের ফুসফুস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্টিফেন ডরহম বলেন,  "অধ্যাপক ক্রিস ব্রাইটলিং এর গবেষণা দলের গবেষণা থেকে আমরা অনেকটাই প্রমাণ পেয়েছি যে, 'ফেভিপিপ্রান্ট’ বড়ি তীব্র হাঁপানি রোগীদের প্রদাহ কমাতে, ফুসফুসের কার্যক্রম বাড়াতে এবং হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট কার্যকর।''

    সূত্র: BDNEWS24
  • মোশাররফ করিমের পিছনে ১৩ শত্রু !

    আগস্ট ১৮, ২০১৬
    সামনেই কোরবানির ঈদ। আর এ উৎসবকে ঘিরে এরই মধ্যে নতুন নতুন নাটকের শুটিংয়ের তোরজোড় শুরু হয়ে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় পুবাইলের বিলবিলা রিসোর্টে চলছে রেজয়ান খানের রচনা ও রাফাত মজুমদার রিংকুর পরিচালনায় সাত পর্বের ঈদের বিশেষ নাটক ‘শত্রু’র শুটিং।
    এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। তার বিপরীতে অভিনয় করছেন কাজী নওশাবা। ‘শত্রু’ নাটকে দেখা যাবে শহরে পড়াশুনারত মোশাররফ করিম বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে গ্রামে যায়।–মানবজমিন।
    পরবর্তীতে মৃত্যুর আগে বাবা তাকে অর্থ দিয়ে যান। যার মধ্যে অর্থের লোভ নেই তাকে টাকাগুলো দিতে বলেন তিনি। বিষয়টি জেনে গ্রামের মানুষ মোশাররফ করিমের পিছু লেগে থাকে। টাকাগুলো নেয়ার জন্য ১৩ জন শত্রু তার পিছনে লাগে।
    এই নিয়ে শুরু হয় নানা ধরনের কাহিনী। শহরে পড়াশুনার সময় নওশাবার সঙ্গে পরিচয় হয় মোশাররফ করিমের। আর সেই পরিচয়েই নওশাবা তার গ্রামে এসেও হাজির হয়। এরপর শুরু হয় নানা ঘটনা।
    মোশাররফ করিম ও নওশাবা ছাড়াও এ নাটকে অভিনয় করেছেন শামিম জামান, জুঁই করিম, ফারুক আহমেদ, আশিষ খান, জেনিয়া খন্দকার, সোহান খান, অরিন, ওয়াশিম যুবরাজসহ আরো অনেকে।
    এ নাটকে কাজ প্রসঙ্গে মোশাররফ করিম বলেন, ভিন্নধর্মি গল্পের একটি নাটক এটি। তাই কাজ করতে খুব ভালো লাগছে। আশা করছি দর্শকও মজা পাবে। নওশাবা বলেন, অনেক ভালো লাগছে এ নাটকটিতে কাজ করতে। সবাই খুব আনন্দ করে এর শুটিং করছি। উল্লেখ্য, ‘শত্রু‘ নাটকটি ঈদে এটিএনবাংলায় প্রচার হবে।

    বিডি২৪লাইভ
  • যেভাবে ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করা যাবে

    ঢাকা: ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা তাদের ফল পুনর্নিরীক্ষা করতে পারবেন। টেলিটক মোবাইল থেকে আগামী১৯-২৫ আগস্ট পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
    ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন বর্ণ লিখে স্পেস দিয়েরোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কতটাকা কেটে নেওয়া হবে, তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN ) দেওয়া হবে।
    আবেদনে সম্মত থাকলে ‘RSC’ লিখে স্পেস দিয়ে ‘YES’ লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।
    একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ (,) দিয়ে 
    লিখতে হবে।

    bd24live
  • কোন বোর্ডে পাশের হার কত?

    ঢাকা: উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সারা দেশে গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০। পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৮ হাজার ২৭৬ জন শিক্ষার্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।
    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের নেতৃত্বে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করেন।
    পরীক্ষায় রাজশাহীতে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৪০, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭৩ জন শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ৬০, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ২৫৩ জন। সিলেটে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৫৯, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩৩০ জন শিক্ষার্থী, কুমিল্লায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৪৯, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯১২ জন। দিনাজপুরে পাসের হার ৭০ দশমিক ৬৪, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৯৯ জন শিক্ষার্থী।
    আনুষ্ঠানিকভাবে বেলা ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।
    দুপুর ২টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboard.gov.bd/) থেকে ফল জানতে পারবে। এ ছাড়া যে কোনো মোবাইল থেকে এসএসএম করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে।

    bd24live
  • যেভাবে খুব সহজেই ঘরে বসে পাওয়া যাবে এইচএসসির ফল

    আগস্ট ১৭, ২০১৬
    আগামীকাল বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ২০১৬ ও সমমানের পরীক্ষার ফল  প্রকাশ করা হবে। এদিন সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরে দুপুর ১টায় মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন মন্ত্রী। বেলা ২টায় কলেজগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

    এইচএসসির ফলাফল যেভাবে জানা যাবে

    তবে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই এইচএসসির ফলাফল জানতে পারবে। বেলা ২টার পর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর নিজস্ব সাইটে ফল প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও যেকোনো মোবাইল থেকে এসএসএম করে পরীক্ষার ফল জানা যাবে।

    এজন্য মোবাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ (HSC DHA 000001 2016) লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

    একইভাবে মাদ্রাসা বোর্ডের আলিমের ফল জানতে ALM লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

    একইভাবে এইচএসসি ভোকেশনালের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৬ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

    সূত্র: কালেরকন্ঠ
  • [ইসলামিক গল্প] এক লোক ও একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্ট

    এক লোক একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ঢুকে দেখলো তিনটা দরজাঃ
    .
    ১ম দরজায় লিখা চাইনিজ খাবার
    ২য় দরজায় লিখা বাঙালী খাবার
    ৩য় দরজায় লিখা ইংরেজ খাবার

    লোকটি তার পছন্দ অনুযায়ী চাইনিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন।

    ১ম দরজায় লিখা বাড়ি নিয়া খাইবেন
    ২য় দরজায় লিখা হোটেলে খাইবেন

    লোকটি হোটেলে খেতে চেয়েছিল তাই হোটেলে খাইবেন লিখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন।

    ১ম দরজায় লেখাঃ এসি
    ২য় দরজায় লেখাঃ নন এসি

    লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিল তাই সে এসি লিখা দরজাটায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন।

    ১ম দরজায় লিখা ক্যাশ খাইবেন
    ২য় দরজায় লিখাঃ বাকি খাইবেন

    লোকটি ভাবল বাকি খেলেই ভাল হয় তাই সে বাকি খাবেন দরজা টা খুলে বেরোতেই সে নিজকে রাস্তার মধ্যে পেল।

    আল্লাহ বান্দাদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন শুধু তারই দাসত্ব করার
    জন্যে। অন্য কারো দাসত্ব বান্দার জন্য সমীচীন নয়। যদি আল্লাহকে পেতে চাও, যদি জান্নাত পেতে চাও তাহলে অবশ্যই আল্লাহ আদেশ ও নিষেধ মেনে চলতে হবে। নবী সাঃ এর আদর্শে নিজের জীবনকে গঠন করতে হবে। নগদ টাকা (আমল) ছাড়া আল্লাহকে পাওয়া খুব দুষ্কর। জান্নাতের মত রেস্টুরেন্টে ঢুকতে হলে আমলই আবশ্যক।
  • ইরানের বিমান ঘাঁটি ব্যাবহার করছে রাশিয়া

    Rassia and Iran
    সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর লক্ষ্যে রাশিয়া ইরানের একটি বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করতে শুরু করার পর যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানে সৈন্য মোতায়েন করল রাশিয়া।

    সেখান থেকে সিরিয়ায় কথিত আইএস ও অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলাও চালিয়েছে তারা।

    এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, রাশিয়া যেটা করেছে সেটা দুর্ভাগ্যজনক তবে অপ্রত্যাশিত নয়।

    রাশিয়া যে ইরানের বিমান ঘাঁটি থেকে সিরিয়ায় হামলা চালাতে শুরু করেছে তা জানা যায় রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি থেকেই।

    এতে বলা হয় ইরানের হামেডান ঘাঁটি থেকে মঙ্গলবার দূরপাল্লার টুপোলভ টোয়েন্টি টু এম থ্রি এবং সুখোই থার্টি ফোর উড্ডয়ন করেছে।

    বিমানগুলো আলেপ্পো ইডলিব ও ডেইর-আল-জুর অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রায় হামলা চালিয়েছে।
    রাশিয়া গত বছর সিরিয়ার সামরিক অভিযান শুরু করবার পর থেকে এই প্রথম কোন তৃতীয় দেশ থেকে হামলা চালালো।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা
  • সাত দিনের মধ্যে বন্ধ হচ্ছে সিটিসেল

    বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি মালিকানাধীন মোবাইল ফোন কোম্পানি সিটিসেল আগামী সাত দিনের মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে।

    কর্মকর্তারা বলছেন, সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা প্রায় ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে না পারায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    সিটিসেলের প্রায় পাঁচ লাখ গ্রাহককে অন্য অপারেটরের সেবা নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
    এর আগে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিটিআরসি, ১৬ই অগাস্টের মধ্যে গ্রাহকদের অন্য অপারেটরের সেবা নেয়ার কথা বলেছিল।

    তবে মঙ্গলবার টেলিযোগাযোযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এই সময়সীমা আরো সাত দিন বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

    বিটিআরসি বলছে, গ্রাহকরা এই সময়ের মধ্যে যাতে বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারেন এজন্যই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    "আমরা চাই যে অপারেটররা ব্যবসা করুক এবং তারা থাকুক। কিন্তু একটি সীমার বাইরে চলে গেলে আমাদের আর কিছু করার থাকে না"। বলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ।

    প্রায় ৬ বছরে এই ৫০০ কোটি টাকা বকেয়া জমা হয়েছে বলে জানান মি. মাহমুদ।

    যদিও বিটিআরসি বলছে সিটিসেল বন্ধের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কোন সম্ভাবনা এখনো পর্যন্ত নেই, তবে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ বলছে তারা তাদের অবস্থান আবারো সরকারের কাছে ব্যখ্যা করবেন।

    "আমরা চাচ্ছি বর্তমান বিনিয়োগকারী এবং ব্যবস্থাপকরা এখন সরে যাবেন এবং নতুন বিনিয়োগকারী ও ব্যবস্থাপকদের কাছে আমরা এটা তুলে দিতে চাই"। বলেন সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী মেহবুব চৌধুরী।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা
  • কলার এত গুণাগুণ জানেন কি?

    আগস্ট ১৬, ২০১৬

    ‘কলা’ ঝটপট এনার্জি দেয়
    ‘কলা’ কেন ফিট রাখে? কলাতে রয়েছে শর্করা, মিনারেল, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম৷ কলা খুব তাড়াতাড়ি শরীরে এনার্জি এনে দেয়৷ পটাশিয়াম শরীরের এনজাইমকে সক্রিয় রাখে এবং মাংসপেশিকে কোমল ও মসৃন করে নার্ভকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে৷ তাই অনেকে দিনের শুরুতেই একটি কলা খেয়ে ভালোভাবে দিন শুরু করেন৷ বিশেষ করে ছাত্রদের বেশ কাজে দেয় কলা৷
    কলা মেজাজ ভালো করে দেয়
    কলা এমন একটি ফল যা সারা বছর এবং সব দেশেই পাওয়া যায়৷ আমরা যে খাবার খাই তার পুষ্টিগুণের কারণে শরীর ভালো লাগা এবং ভারসাম্য রক্ষার নির্দেশ পায় সরাসরি মস্তিস্ক থেকে৷ কলা এ কাজটি করে খুবই দ্রুত, যার ফলে
    কলা খাওয়ার পর মেজাজ ভালো হতে খুব বেশি সময় লাগে না৷ এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁদের ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুই খেতে ইচ্ছে করেনা, তাঁদের জন্য কলা খুবই প্রয়োজনীয় একটি খাবার৷
    কলাতে রয়েছে অনেককিছু
    মিনারেল, আয়রন, ভিটামিন ‘সি’ ও ‘ই’ সহ বেশ কয়েকটি ভিটামিন৷ এই সব কিছুর মিশ্রণ ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে৷ কলায় রয়েছে প্রচুর প্রোটিন এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ৮টি অ্যামিনো অ্যাসিড৷
    কলা খেয়ে সুন্দর থাকুন
    কলা শুধু শরীরের ভেতরকেই ভালো রাখে না, বাইরের সৌন্দর্যকেও বাড়িয়ে তোলে৷ কলা ছোট-বড় সবার জন্যই উপাদেয়৷ হলুদ রং-এর কলা এনার্জি এনে দেয় এবং পাকস্থলিকে সক্রিয় রাখতেও সাহায্য করে৷
    কলা কি মোটা করে?
    কলায় ক্যালোরি আছে এবং এটা মোটা করে – সম্পূর্ণ ভুল ধারণা৷ বরং কলা খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব৷ জার্মানিতে কলা বিভিন্নভাবে খাওয়া হয়৷ যেমন কলা দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরনের কেক, কলার চিপস, মিল্কশেক, আইসক্রিম, বিস্কুট ইত্যাদি৷
    কলার সালাদ
    কলা এবং ডালের সালাদ, কেমন লাগে খেতে না জানলেও দেখতে কিন্তু লোভনীয়ই মনে হচ্ছে! তাই না?
  • প্রতিদিন ১টি কাঁচা মরিচের ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা!

    আগস্ট ১৪, ২০১৬

    প্রতিদিন যাদের ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন।



    কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট।

    ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে।

    এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।

    কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা:

    গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।
    প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।
    নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
    কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।
    কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।
    নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
    কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।
    কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।
    কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।
    নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।
    প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।
    কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।
    কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।

    healthbarta
  • জ্বলে উঠলেন নেইমার, সেমিতে ব্রাজিল

    কলম্বিয়া তাঁর কাছে দুঃস্বপ্নের প্রতিশব্দ হয়ে ছিল এত দিন। ২০১৪ বিশ্বকাপের কথা মনে নেই? এই কলম্বিয়ার কারণেই তো মারাত্মক এক চোট নিয়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেলেন। এরপর বাইরে বসে দেখলেন জার্মানির কাছে কীভাবে ধুলোয় মিশে গেল সব। কিংবা ২০১৫ কোপা আমেরিকা? এই কলম্বিয়ার উসকানিতেই লাল কার্ড দেখে ছাড়লেন মাঠ। আবারও ছিটকে গিয়েছিল ব্রাজিল। নেইমার সেই কলম্বিয়াকেই আজ ঝলসে দিলেন নিজের দ্যুতিতে। ২-০ গোলে জিতে অলিম্পিক ফুটবলের সেমিফাইনালে উঠে গেল ব্রাজিল।
    সেমিফাইনালে ব্রাজিল সহজ প্রতিপক্ষই পেয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে ওঠা হন্ডুরাস তাদের প্রতিপক্ষ। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে জার্মানি-নাইজেরিয়া। আগের ম্যাচে ফিজির জালে ১০ গোল দেওয়া জার্মানি এবার পর্তুগালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে। অন্য ম্যাচে নাইজেরিয়া ২-০ গোলে হারিয়েছে ডেনমার্ককে।
    তবে সব ছাপিয়ে আলোতে কেবলই নেইমার। ব্রাজিল অধিনায়ক এবারের শুরু থেকেই দর্শকদের দুয়ো শুনছিলেন। এমনকি কোণঠাসা ব্রাজিল গত ম্যাচে ডেনমার্ককে যে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল, সেই ম্যাচেও দর্শকদের একটা অংশ বিদ্রূপের ধ্বনি শুনিয়েছে নেইমারকে। তাঁর কাছে যে ফুটবল আশা করে সবাই, সেটাই যে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে নেইমার ঠিক সময় আর প্রতিপক্ষকে বেছে নিলেন। আজ নিজে একটা গোল করে, করিয়ে ম্যাচের নায়ক এই বার্সেলোনা তারকাই।
    নেইমার আর ব্রাজিলের প্রথম গোলটি এসেছে ১২ মিনিটে। দুর্দান্ত এক ফ্রি কিক থেকে। ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া চোখধাঁধানো এক শটে। ৮৩ মিনিটে করা পরের গোলটি অবশ্য আরও চোখধাঁধানো। ঘিরে ধরা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে দারুণ এক পাস লুয়ানকে ঠেলেছেন নেইমার। আর এবারের অলিম্পিকে আলাদা করে চোখে পড়া লুয়ান দূরপাল্লার শটে বল পাঠিয়েছেন জালে।
    গত সপ্তাহেই ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সির ওপর নেইমারের নাম কেটে সমর্থকেরা বসিয়ে দিয়েছিল মার্তার নাম। যেন বার্তা দিয়েছিল, নেইমার, তুমি ১০ নম্বরের মর্যাদা রাখছ না। নেইমার এবার শুধু জার্সিতে নয়, দর্শকদের মনেও ১০ নম্বরটার ছাপ আবার বসিয়ে দিলেন। আর তো মাত্র দুটি ম্যাচ। তাহলেই সেই পরম আরাধনার সোনা!

    prothom-alo
  • পশ্চিমবঙ্গের ১১৫টি প্রেক্ষাগৃহে 'শিকারি'

    শাকিব খান ও শ্রাবন্তী অভিনীত যৌথ প্রযোজনার ছবি 'শিকারি' ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ১১৫টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (১২ আগস্ট) কলকাতার ৮টি এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আরও ১০৭টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পায়। এর আগে, ছবিটি ঈদুল ফিতরে বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

    প্রথম দিনেই কলকাতার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রথম দিনের ‘শো’ থেকেই প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ‘শিকারি' ছবির টিকিটের চাহিদা ছিল প্রচুর। দর্শকদের কাছে যথেষ্ট প্রশংসা আদায় করেছে ছবিটি। একই সঙ্গে বিভিন্ন বয়স এবং পেশার মানুষ শাকিব খানের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

    জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং এসকে মুভিস'র ব্যানারের শিকারি ছবির পরিচালনা করেন জাকির হোসেন এবং জয়দীপ মুখার্জী।

    ছবিতে আরও অভিনয় করছেন বাংলাদেশের অমিত হাসান, রেবেকা, শিবাসানু, সুব্রত এবং কলকাতার সব্যসাচী চক্রবর্তী, রুদ্র প্রতাপ, সুপ্রিয় দত্ত, লিলি চক্রবর্তী, খরাজ মুখার্জী ও রাহুল প্রমুখ।

    সূত্র: সকালের খবর
  • অপারেশনের পর বাসায় ফিরেছেন মুস্তাফিজ

    অপারেশনের পর দু’রাত হাসপাতালে কাটিয়ে বাসায় ফিরেছেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।

    ক্রিকেট কাউন্সিল ইউকে’র সভাপতি নাইমুদ্দিন রিয়াজ আশা করছেন আগামী সপ্তাহেই বাংলাদেশে ফিরতে পারবে মুস্তাফিজ।

    ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান ও ফিজিও দেবাশীষ চৌধুরীর সাথে হাসপাতালে মুস্তাফিজের সাথে দেখা করে এসে বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন মুস্তাফিজকে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।

    তিনি জানান চিকিৎসকরা তার বর্তমান অবস্থায় সন্তুষ্ট।

    মিস্টার রিয়াজ বলছেন লন্ডনের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বলেছেন মাঠে ফিরে আসতে দুই থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে।

    তবে এটি নির্ভর করবে মুস্তাফিজের নিজের ওপরই এবং বোর্ডও তাকে নিয়ে কোন তাড়াহুড়ো করবেনা বলেই মনে করছেন তিনি।

    তিনি বলেন, “মুস্তাফিজ এখন ঘুমাচ্ছেন। তাকে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। এটা কোন ক্রিটিক্যাল অপারেশন নয়। মাত্র ২০/২৫ মিনিটের অপারেশন হয়েছে”।

    মিস্টার রিয়াজ বলেন মুস্তাফিজের বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

    কর্মকর্তারা বলছেন দু দিন পর আবার হাসপাতালে যাবেন মুস্তাফিজ অপাারেশন পরবর্তী কিছু পরীক্ষা করাতে।

    তখন বোঝা যাবে তিনি কবে নাগাদ দেশে ফিরতে পারবেন।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা 
  • 'আমি তো বর্ম পরে নেই'

    আগস্ট ১৩, ২০১৬
    তিনি আলোচিত, সমালোচিত। জঙ্গিবিরোধী সাহসিকতার অভিযানে প্রশংসিত। স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু খুনের পর রহস্যে ঘেরা। তাকে নিয়ে মানুষের নানা কৌতুহল। তিনি চট্টগ্রামের আলোচিত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার।
     
    দুর্বৃত্তদের হাতে স্ত্রী নৃশংসভাবে খুন হওয়ার পরই আড়ালে চলে যান বাবুল আক্তার। মিডিয়াকে এড়িয়ে চলছেন। এরই মধ্যে পুলিশে তার চাকরি নিয়েও শুরু হয়েছে ধুম্রজাল।
     
    সেসব কোনো কিছুরই জবাব এখন পর্যন্ত দেননি বাবুল আক্তার। শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি অবতারণা করেছেন ভিন্ন এক প্রসঙ্গ।
     
    সেখানে উঠে এসেছে স্ত্রী মিতুর সঙ্গে তার পরিচয়, বিয়ে এবং দাম্পত্য জীবনের স্মৃতি। সঙ্গে স্ত্রীর অবর্তমানে মানুষের বলা নানা কথা এবং ছেলে ও মেয়েকে আগলে রাখার নানা বর্ণনা।
     
    বাবুল আক্তারের ফেসবুকের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল;
     
    এক সুন্দর দিনে সাধারণ এক কিশোরী বউ হয়ে আমার জীবনে এসেছিল। ঘর-সংসার কী অত বুঝত সে তখন? তাকে বুঝে উঠার সবটুকু সাধ্য হয়নি কখনও। কারণ সদাহাস্য চেহারা যার, তার অন্যান্য অনুভূতি ধরতে পারাটা কঠিন।
     
    তারপর যুগের শুরু। এক কিশোরীর নারী হয়ে উঠার সাক্ষী আমি। ছোট ছোট আবদার আর কথাগুলো ক্রমেই দিক পাল্টালো। হাতের নখের আকার পাল্টে গেল আমার খাবারটুকু স্বাস্থ্যকর রাখার জন্য। ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে মিশে গেল তার চব্বিশ ঘণ্টা, মাস, বছর এবং যুগ।স্ত্রী মিতুর সঙ্গে বাবুল আক্তার
     
    রাতের পর রাত কাজ থেকে ফিরে দেখতাম, মেয়েটি ক্রমেই রূপ হারাচ্ছে রাত জেগে আমার অপেক্ষায় থেকে থেকে। হয়ত ভালোবাসার চেয়ে স্নেহই ছিল বেশী। প্রথম সন্তানের জন্মের পর যেন সে স্নেহের ডালপালা ছড়ালো। নিজেকে এত যত্ন পাওয়ার যোগ্য আমার কখনই মনে হয়নি। পোশাক থেকে খাবার, কাজ থেকে ঘুম সবকিছুতেই মায়া।
     
    কাজের মাঝে বুঁদ হয়ে থাকা এই আমির সব পারিবারিক দায়িত্ব সে পালন করতে করতে সবার কাছে আমার নাম মানেই হয়ে উঠে তার অবয়ব। ততদিনে হয়ত সংসার বুঝে গিয়েছে সে। মেয়ে আসলো কোলজুড়ে। দেখতে অবিকল মায়ের মত। সবকিছু জেঁকে ধরে কিশোরীটিকে নারী বানালো। কিন্তু ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র বিষয়ে তার শিশুসুলভ উচ্ছ্বাসের সাক্ষী আমি।
     
    আমার সামান্যতম ক্ষতির আশংকায় তার কেঁদে অস্থির হওয়ার সাক্ষী আমি। মেয়েটি কী আসলেই সংসার বুঝেছিল ততদিনে? কারণ আমি জানি আমি সংসার তখনও বুঝিনি।
     
    এরপর অনেকগুলো দিন কেটে গেল আমার, আমাদের জীবনে। নেহায়েত সাধারণ কিশোরীটি তখন নারী। ততদিনে সাধারণ মানুষটির ছোয়ায় আমার জীবন অসাধারণ। তখন সে সংসার বোঝে। কিন্তু আমি বুঝি না, এতেই কী এত ক্ষোভ ছিল তার? এতবেশী ক্ষোভ যে ছেড়েই চলে গেল?
     
    নির্ঝঞ্ঝাট সংসার হয়ত কোন দেবদূতেরও থাকে না। সে জায়গায় আমি তো সংসারই বুঝতাম না। কিন্তু সে সব বুঝতো। আগলে ছিল আমাকে। সে চলে গেল, কিন্তু আমার যাওয়ার উপায় রাখল না।বাবুল আক্তারের ফেসবুকের পোস্ট
     
    সন্তান দুটো আমার বেঁচে থাকার বাধ্যবাধকতা। না হয় হয়ত পিছু নিয়ে জানতে চাইতাম, এভাবে যাওয়ার কারণটা। তারপর জীবনের শেষ মৃত্যুতে, না কী মৃত্যুতেই মুক্তি; এই বিশাল বাস্তবতা এসে চাপল আমার ঘাড়ে।
     
    শরীর থেকে মাথা কাটা পড়ার অনুভূতি কী এই জীবন মেনে নেওয়ার চেয়েও ভয়ংকর? যার সবটুকু শেষ হয়ে যায় তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার কিছু থাকে না। তবুও আমার কাছ থেকে আরও কী যেন চান স্রষ্টা ও সৃষ্টি! তারাই সব বলেন!
     
    গোলকধাঁধার মারপ্যাঁচ বুঝার বয়স কী হয়েছে মায়ের মৃত্যুর সাক্ষী ছেলেটার? তার প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু উত্তর দেওয়ার মত শব্দ দুষ্প্রাপ্য। যখন মা হারানো মেয়েটার অযথা গড়াগড়ি দিয়ে কান্নার শব্দ কেবল আমিই শুনি, তখন অনেকেই নতুন নতুন গল্প বানাতে ব্যস্ত।
     
    আমি তো বর্ম পড়ে নেই, কিন্তু কোলে আছে মা হারা দুই শিশু। আঘাত সইতেও পারি না, রুখতেও পারি না।
     
    এরপর আর কোন ভোর আমার জীবনে সকাল নিয়ে আসেনি। সন্তান দুটো এবং আমি আর স্নেহের ছায়ায় ঘুমাইনি।এরপরই আমি বুঝেছি সংসার কী।
     
    সংসার মানে তুমি।

    সূত্র: যুগান্তর
  • রিও অলিম্পিকে অ্যাথলেটরা বেছে নিচ্ছেন মহানবীর চিকিৎসা পদ্ধতি

    রিও অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার সুবাদে ইতিমধ্যে সব মিলিয়ে ২২টি স্বর্ণের মালিক হয়েছেন খ্যাতনামা মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেলপস। তবে চলমান আসরে ১৯তম স্বর্ণজয়ের মুহূর্তে ফেলপসের শরীরজুড়ে থাকা কালচে-গোলাপি রঙের দাগ আলোচনায় নিয়ে এসেছে এক ধরনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির কথা। যা মূলত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণিত ও নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা। যাকে আধুনিক বিজ্ঞানের পরিভাষায় কাপিং (Cupping) থেরাপি এবং আরবিতে হিজামা (حِجَامَة ) বলা হয়।  আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এসেছে এই শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুঁচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশীসমূহের রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরের অরগানসমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়। বলা হয়ে থাকে, হিজামার মাধ্যমে ব্যাকপেইন, উচ্চ রক্তচাপ, পায়ে ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা, মাথাব্যথা (মাইগ্রেন), ঘাড়ে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, আর্থ্যাইটিজ, বাত, ঘুমের ব্যাঘাত, থাইরয়েড ব্যাঘাত, জ্ঞান এবং স্মৃতিশক্তিহীনতা, ত্বকের বর্জ্য পরিষ্কার, অতিরিক্ত স্রাব নিঃসরণ বন্ধ করা, অর্শ, অন্ডকোষ ফোলা ও ফোঁড়া-পাঁচড়া ইত্যাদি প্রতিরোধ হয়। এছাড়াও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, শরীর সতেজ ও কর্মস্পৃহা বাড়াতেও কার্যকারী ভূমিকা রাখে হিজামা। জলদানব ফেলপস ছাড়াও অনেক ক্রীড়াবিদের কাছে এটা খুবই জনপ্রিয় একটি থেরাপি। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থাও (আইওসি) এই থেরাপিকে বৈধতা দিয়েছে। আগেও অনেক অ্যাথলেটের গায়ে এমন দাগ দেখা গেছে। কিন্তু আলোচনা তৈরি হলো ফেলপসকে দেখে। আমাদের দেশে হিজামাকে সাধারণ অর্থে শিঙা লাগানো বলা হয়। আরব দেশে উৎপত্তি অতি প্রাচীন এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে নবীর দেখানো বা বলা চিকিৎসা পদ্ধতি বলা হয়। হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে উম্মতকে অবহিত করেছেন। তিনি নিজে এ পদ্ধতির চিকিৎসা ব্যবহার করেছেন এমনকি অন্যকে হিজামা পদ্ধতির চিকিৎসা নিতে উৎসাহিতও করেছেন।  হাদিসে আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামা করেছেন মাথা ব্যথার প্রতিষেধক হিসেবে। পিঠের ব্যথার জন্য দুই কাঁধের মাঝে ও ঘাড়ের দু’টি রগে। হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে সিহাহ সিত্তার গ্রন্থসমূহে বহু হাদিস রয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর সূত্রে নবী করিম (সা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত। এগুলো হলো- শিঙা লাগানো, মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেওয়া। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।’ –সহিহ বোখারি: ৫৬৮১ হিজামার সময় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম অবশ্যই জীবাণুমুক্ত হতে হবে। অতঃপর হিজামার স্থানে ধারালো সুঁচ বা ব্লেড দ্বারা হালকাভাবে ছিদ্র করে নিতে হবে। পরে কাপ সেট করে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এভাবে দূষিত রক্ত বের হয়ে কাপে জমতে থাকবে।  এখানে আরও একটা বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, হিজামার পর সাধারণত ওই স্থানে গোল চিহ্ন বা ফোলা অনুভূত হয়। যা সর্বোচ্চ তিন দিন থাকতে পারে। এটা দূষিত রক্ত বের হওয়ার চি‎হ্ন।

    বিডি-প্রতিদিন
  • মুস্তাফিজকে দেখতে গেলেন নাফিসা কামাল

    অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালে মুস্তাফিজকে দেখতে গেলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কর্ণধার নাফিসা কামাল। বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচার শেষে লন্ডনের ক্রমওয়েল হাসপাতালেই আছেন বাংলাদেশের বিস্ময় বালক মুস্তাফিজুর রহমান।

    এর আগে কাউন্টি খেলতে গিয়ে কাঁধের পুরোনো ইনজুরিতে নতুন করে ব্যথা পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করাতে হয় কাটার মাস্টারকে। প্রখ্যাত সার্জন অ্যান্ড্রু ওয়ালেসের তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় (ইংল্যান্ডের স্থানী সময় বিকেল ৪টা) লন্ডনের ক্রমওয়েল হাসপাতালে সম্পন্ন হয় মুস্তাফিজের কাঁধের অস্ত্রোপচার।
    লন্ডন থেকে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন, ''অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ ও ভালোই আছেন মুস্তাফিজ। তার ব্যথা তীব্র নয়, সহনীয় পর্যায়েই আছে। সার্জন ওয়ালেসের পরামর্শ অনুযায়ী মুস্তাফিজের ফিজিও কর্মসূচি শুরু হয়ে গেছে। প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর তাকে ব্যায়াম করানো হচ্ছে।''

    শুক্রবার হাসপাতাল ছাড়ার কথা ছিল মুস্তাফিজের। তবে কিছুটা ব্যথা অনুভব করায় এখনও হাসপাতালেই আছেন তিনি। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।

    বিডি-প্রতিদিন/এস আহমেদ
  • রোবট দেবে পিৎজা ডেলিভারি

    বিশ্বের প্রথম পিৎজা ডোমিনো কোম্পানি ডেলিভারি  দিবে পিৎজা, রোবটের মাধ্যমে।ডোমিনো’স জানিয়েছে প্রাথমিকভাবে রোবটটটি অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে পিৎজা পৌছে দেবে। এটিই বিশ্বের প্রথম মানুষবিহীন পিৎজা ডেলিভারি বাহন।অস্ট্রেলিয়ায় ডোমিনো’স পিৎজার রোবটিক ইউনিটে এ নতুন রোবটটি তৈরি করা হয়েছে। একটি মিলিটারি রোবটকে ডেলিভারি রোবর্টে পরিণত করা হয়।রোবটটি কোম্পানির জিপিএস ট্রাকিং ডেটা এবং সেন্সর ব্যবহার করে সকল প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে নির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে পিৎজা পৌছে দেবে।চার চাকার এ বাহনটি ঘন্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। যখন রোবটটি গ্রাহকের ঠিকানায় পৌছাবে তখন গ্রাহক তার মোবাইল থেকে একটি নিরাপত্তা কোড চাপবে। নিরাপত্তা কোড সঠিক হলে এটির স্টোরেজ উম্মুক্ত হয়ে যাবে। এভাবে গ্রাহক তার পিৎজা বুঝে পাবে।

    সূত্র: বিজ্ঞানপ্রযুক্তি
  • ২০০ কোটি টাকার টার্গেটে ফি বাড়ছে শিক্ষার্থীদের

    ভর্তিকালে প্রত্যেকের কাছ থেকে নেয়া হবে ১০০ টাকা করে
    বেসরকারি শিক্ষকদের পেনশনের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বছরে অন্তত পৌনে দু’শ কোটি টাকা ফি হিসেবে আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ অর্থ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টে জমা হবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের সঙ্গে থোক বরাদ্দ, স্থায়ী আমানত, এমপিও খাতের আয়ের অর্থ মিলিয়ে শিক্ষকদের পেনশনের দাবি পূরণ করা হবে। শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের বোর্ড সভায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৭৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর দাবি পূরণ করতে গিয়ে মন্ত্রণালয় এ পন্থা বেছে নিয়েছে। এছাড়াও আয় বাড়াতে প্রত্যেক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হারে অর্থ কেটে নেয়ার আরেকটি সিদ্ধান্তও হয়েছে। সে অনুযায়ী কল্যাণ ট্রাস্টে একজন শিক্ষক-কর্মচারী প্রাপ্ত বেতনের ৪ শতাংশ জমা দেবেন। বর্তমানে ২ শতাংশ হারে বেতন থেকে কেটে রাখে সরকার। আর অবসর বোর্ডের ৬ শতাংশ কেটে রাখা হবে, যা বর্তমানে ৪ শতাংশ। দুটি সিদ্ধান্তই বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। শিক্ষকদের অবসর ভাতার জন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের এমন সিদ্ধান্ত অবশ্য সমর্থন করছেন না সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনরা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের (ক্যাম্পে) নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘আমার এক আত্মীয়ের অবসরের টাকার খোঁজ নিতে গিয়ে আমি সেখানকার দুরবস্থা জেনেছি। শিক্ষকরা অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ পেতে অনেক ভোগান্তি পোহান। কিন্তু তাই বলে তাদের দাবি পূরণে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে এভাবে অর্থ আদায় করা আমি সমর্থন করি না। এ বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সরকারের। কত জায়গায় সরকারের কত টাকা অপচয় হচ্ছে। এ খাতের দাবি পূরণে সরকারকে প্রয়োজনে আলাদা ব্যবস্থা করতে হবে।’ জানা গেছে, গত মে’তে অবসর বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের পৃথক দুই সভায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এ খাতে প্রতি বছর ভর্তিকালে এককালীন ১০০ টাকা করে আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে অবসর বোর্ডের জন্য ৬০ টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ৪০ টাকা করে নেয়া হবে। উভয় সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা সচিব। বর্তমানে সারা দেশে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ছাত্রছাত্রী আছে। এসব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে উভয় খাতে ১০০ টাকা করে নিলে আদায় হবে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু বলেন, অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের দাবি পূরণ করা হয় দুটি খাতের আয় থেকে। তা হচ্ছে, উভয় সংস্থার স্থায়ী আমানত থেকে প্রাপ্ত আয় এবং প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও থেকে কর্তন করা আয়। যদি ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফি আদায় করা হয়, তাহলে তা এ দুই আয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে। তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনে এভাবে ফি নেয়ার ঘটনা নতুন নয়। ১৯৯০ সালের পর কয়েক মাস এ খাতে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফি নেয়া হয়। ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকার তা বন্ধ করে দিয়েছিল। শিক্ষকদের ভোগান্তি দূর করতে এ ফি আরোপ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

    বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২৫-৩০ বছর চাকরি জীবন শেষে শিক্ষক-কর্মচারীদের ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা’ ও ‘কল্যাণ ট্রাস্ট’ থেকে বিভিন্ন হারে আর্থিক সুবিধা দেয়া হয়। দেখা গেছে, এতে অবসর ভাতা হিসেবে এককালীন ১২-২০ লাখ টাকা পেয়ে থাকেন একজন শিক্ষক। নতুন স্কেলে এটা ২৪ থেকে ৪০ লাখ টাকা হবে। আর কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে একজন শিক্ষক আড়াই থেকে ৬ লাখ টাকা পেয়ে থাকেন। কিন্তু এ অর্থ পেতে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অবসর সুবিধার জন্য কোনো কোনো শিক্ষক আবেদন করে পাঁচ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন। এর মধ্যে কেউ কেউ মারাও গেছেন। শিক্ষকদের অভিযোগ, এ অর্থ পেতে তদবির আর ঘুষ দিতে হয়। পরিস্থিতি এমন যে, চেক তৈরি হওয়ার পরও ঘুষ ছাড়া তা ইস্যু করা হয় না। এক্ষেত্রে বিশেষ করে অবসর বোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তা, পিয়ন, ড্রাইভারের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এছাড়া উভয় বোর্ডের স্থায়ী আমানতের অর্থ তফসিলি ব্যাংক থেকে বেসরকারি ব্যাংকে রাখার বিনিময়েও নানা সুবিধা নেয়ার অভিযোগ আছে। এ কারণে গত মাসের অবসর বোর্ডের বোর্ড সভায় স্থায়ী আমানতের অর্থ সরকারি ব্যাংকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

    জানা গেছে, বর্তমানে অবসর সুবিধার জন্য ৪৪ হাজার শিক্ষক এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ৩০ হাজার শিক্ষকের আবেদন স্থগিত আছে। এ দুই সংস্থায় প্রায় ৭৪ হাজার শিক্ষকের অর্থ দাবির আবেদন জমা থাকলেও হজ বা তীর্থযাত্রী, রোগগ্রস্ত, কন্যা দায়গ্রস্ত এমন নানা বিশেষ অগ্রাধিকার খাত তৈরি করে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। এ কারণে সাধারণ দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে। পৌনে ১ লাখ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর এমন ভোগান্তির বিষয়টি বারবার গণমাধ্যমে উঠে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এবারের বাজেটে বাড়তি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। বাজেটে অবসর বোর্ডের তহবিলে ৫০০ কোটি টাকার একটি সিড মানি দেয়া হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না। এখান থেকে লব্ধ আয় অবসরপ্রাপ্তদের প্রাপ্য পূরণে ব্যয় করতে হবে। তবে এ তহবিলে বাজেটে একই সঙ্গে থোক বরাদ্দ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। আর কল্যাণ ট্রাস্টে ৫০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উভয় তহবিল এই দেড়শ’ কোটি টাকা ব্যয় করতে পারবে।

    জানা গেছে, কল্যাণ তহবিলে বর্তমানে মাসে শিক্ষকদের দাবি পূরণে প্রয়োজন ৪০ থেকে ৪২ কোটি টাকা। শিক্ষকদের কাছ থেকে কল্যাণ ট্রাস্টে ৪ শতাংশ হারে কেটে নিলে প্রতি মাসে আয় হবে প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে প্রায় সোয়া দুইশ’ কোটি টাকা এফডিআরের আয়। সেই সঙ্গে আছে বাজেটে দেয়া ৫০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ। তাই দাবি পূরণে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফি আদায়ই যৌক্তিক হবে বলে মনে করেন কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু। তিনি বলেন, অবসর বোর্ডের চাহিদা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি। শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদন নিষ্পত্তিতে সেখানে প্রতি মাসে ১০০ থেকে ১১০ কোটি টাকা প্রয়োজন।

    অবসর বোর্ডেও আয়ের খাত দুটি। তা হচ্ছে, প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকা থেকে প্রাপ্ত লাভ এবং প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের কাছ থেকে ৪ শতাংশ হারে কেটে নেয়া অর্থ। সেটি এখন ৬ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ দুই আয়ের সঙ্গে এবার বাজেটে দেয়া ১০০ কোটি টাকা যোগ হবে। কিন্তু এ অর্থ এক মাসের চাহিদা পূরণ করা যাবে। সুতরাং ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফি আদায় করা গেলে সামান্য হলেও সুবিধা মিলবে।

    সূত্র: যুগান্তর
  • আজ পায়রা বন্দরসহ পাঁচটি প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পায়রা সমুদ্র বন্দর এবং যাত্রাবাড়ি থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত দেশের প্রথম আটলেন বিশিষ্ট মহাসড়কসহ পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। সরকারি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।

    অপর তিনটি উন্নয়ন প্রকল্প হচ্ছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীন ছয়টি উপজেলার একশ’ ভাগ বিদ্যুতায়ন, সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন এবং ধীরগতির যান চলাচলের জন্য যাত্রাবাড়ি থেকে মাওয়া এবং পাঁচচর থেকে ভাঙ্গা পযর্ন্ত পৃথক সার্ভিস লেনসহ চারলেন প্রকল্পের (পদ্মা সেতু সংযোগ সড়ক) আপগ্রেডেশন কাজ।

    বন্দরের রমনাবাদ চ্যানেলে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের মধ্য দিয়ে পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কর্মকান্ড শুরু হবে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য ৫৩ হাজার মেট্রিক টন পাথর নিয়ে চীন থেকে আসা প্রথম বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি ফরচুন বার্ড ইতোমধ্যেই বন্দরে নোঙ্গর করেছে। বন্দরটি উদ্বোধনের পর ২০১৮ সালে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর আগ পর্যন্ত কয়েকটি নির্দিষ্ট সেবা প্রদানের জন্য বন্দর কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বর্হিনোঙ্গরে জাহাজের মাল খালাস করা হবে। এ সকল পণ্য লাইটেজ জাহাজে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছানো হবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালীতে কলাপাড়ায় দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বন্দরে সার্বক্ষণিক কর্মকান্ড চলবে। প্রায় ৬ হাজার একর জমির ওপর বন্দরটি স্থাপিত। বন্দরটি নতুন শিল্পকলকারখানা স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং রফতানি প্রক্রিয়া ও শিপবিল্ডিং সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

    শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীন ৬টি উপজেলার একশ’ ভাগ বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। উপ-জেলাসমূহ হচ্ছে- গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, নারায়ণগঞ্জের বন্দর, নরসিংদীর পলাশ, চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, কুমিল্লার আদর্শ সদর এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট।

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক জ্যাম নিরসনের লক্ষ্যে সড়ক ও মহাসড়ক অধিদপ্তর যাত্রাবাড়ি থেকে কাচঁপুর পযর্ন্ত আটলেন বিশিষ্ট মহাসড়ক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার সড়কটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৩২ কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে।

    সূত্র: প্রিয়
  • অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফেরার ঘোষণা দিলেন মেসি

    আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে ফিরতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন লিওনেল মেসি।

    আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণার দু’মাসেরও কম সময়ের মধ্যে তিনি এই ঘোষণা দিলেন।

    জুন মাসে কোপা আমেরিকা ফাইনালে চিলির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হারের পর ২৯ বছর বয়সী মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

    ওই খেলায় পেনাল্টি মিস করেন মেসি।

    কিন্তু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমে মেসির যে বিবৃতি প্রকাশ হয়েছে সেখানে তিনি বলেছেন যে জাতীয় দলকে সাহায্য করতে চান।

    বিবৃতিতে মেসি আরও বলেছেন, আর্জেন্টিনার ফুটবলে অনেক কিছু করার আছে যা নিয়ে তিনি বাইরে থেকে সমালোচনা করতে চান না, ভেতরে থেকেই তিনি কাজ করতে চান।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা
  • [ইসলামিক গল্প] খলিফা হারুনুর রশীদ ও এক নাস্তিকের গল্প!

    আগস্ট ১২, ২০১৬
    একবার খলিফা হারুনুর রশীদের নিকট এক নাস্তিক এসে বললেন যে, "আপনার সাম্রাজ্যে এমন কোন জ্ঞানী ব্যক্তিকে ডাকুন, আমি তাকে তর্ক করে প্রমান করে দেব যে এই পৃথিবীর কোন স্রষ্টা নেই । এগুলো নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে এবং আপনা থেকেই চলে ।"

    খলিফা হারুনুর রশীদ কিছুক্ষন ভেবে একটি চিরকুট মারফত ইমাম আবু হানিফাকে ডাকলেন ও এই নাস্তিকের সাথে বিতর্কে অংশ নিতে অনুরোধ করলেন ।

    ইমাম আবু হানিফা খবর পাঠালেন যে, তিনি আগামীকাল যোহরের সময় আসবেন, খলিফার প্রাসাদে নামায পড়ে তারপর বির্তকে অংশ নেবেন ।

    পরদিন যোহরের নামাযের সময় খলিফা, তার সভাসদবর্গ ওনাস্তিকটি অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু যোহরের নামায তো দূরের কথা আসর শেষ হয়ে গেল তিনি মাগরীবের নামাযের সময় আসলেন ।

    নাস্তিকটি তাঁর কাছে এত দেরীতে আসার কারন জানতে চাইল।

    তিনি বললেন, "আমি দজলা নদীর ওপারে বাস করি । আমি খলীফার দাওয়াত পেয়ে নদীতে এসে দেখি কোন নৌকা নেই । অনেকক্ষন অপেক্ষা করেও কোন নৌকা পেলাম না । সহসা আমি দেখলাম একটি গাছ আপনা-আপনি উপড়ে পড়ল । তারপর সেটি নিজ থেকেই তক্তায় পরিনত হল । তারপরএটি নিজে নিজে একটি নৌকায় পরিনত হল । অত:পর আমি এটায় চড়ে বসলাম । নৌকাটি নিজে নিজে চলতে চলতে আমাকে এপারে পৌছিয়ে দিল ।

    নাস্তিকটি একথা শুনে হো হো করে হেসে ফেলল । তারপর বলল, "ইমাম সাহেব আমাকে কি বোকা পেয়েছেন যে আমি এমন গাজাখুরি গল্প বিশ্বাস করব ? একটা গাছ আপনা থেকে নৌকায় পরিনত হবে এটা কি করে সম্ভব ?"

    ইমাম আবু হানিফা বললেন, "ওহে নাস্তিক সাহেব ! একটা গাছ যদি আপনা থেকে নৌকায় পরিনত না হতে পারে এবং নদী পরাপার না হতে পারে, তাহলে কিভাবে এই বিশাল আকাশ, চন্দ্র- সূর্য-নক্ষত্র আপনা-আপনি তৈরী হতে এবং চালু থাকতে পারে ?"

    নাস্তিকটি লা-জওয়াব হয়ে মুখ কাচুমাচু করে বিদায় নিল । খলিফা হারুনুর রশীদ তাঁর তাৎক্ষনিক জবাবে মুগ্ধ হয়ে ইমাম সাহেব কে সসম্মানে বিদায় দিলেন। সুবহানাল্লাহ

    ছবি: ইসলামলাওস
  • ফুলের টবে গাঁজার চাষ; জাবিতে দুই ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী বহিস্কার

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দুই ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ফুলের টবে গাঁজা চাষ করছেন এমন অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করেছে জাবি শাখা ছাত্রলীগ। শুক্রবার জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেলের সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বহিস্কৃতরা হলেন শাখা ছাত্রলীগের উপ-ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. রইছ (সাংবাদিকতা বিভাগ, ৪১ ব্যাচ) ও ছাত্রলীগ কর্মী মো. রাসেল (রসায়ন বিভাগ, ৪১ ব্যাচ)। উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রফিক-জব্বার হলের আবাসিক ছাত্র।

    জানা যায়, শহীদ রফিক জব্বার হলের ২০৯ ও ২১০ নম্বর কক্ষের জানালার পাশে ফুলের টবে গাঁজার চাষ করেন তারা। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে গাঁজার গাছগুলো সরিয়ে ফুলের চারা লাগান। এদিকে এ ঘটনায় ছাত্রলীগ থেকে তাদের বহিস্কার করলেও দুই ছাত্রলীগ কর্মী তাদের নির্দোষ দাবি করে বিবৃতি দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিঠুন কুমার কুণ্ড বলেন, 'ছাত্রলীগ কখনও অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেয়নি। কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায়ভার সংগঠন নেবে না।' বিডি প্রতিদিন/১২ আগস্ট ২০১৬/হিমেল-২০
  • মেসি ফিরবে না : ম্যারাডোনা

    লিওনেল মেসিকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরানোর জন্য অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে। সর্বশেষ আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের নয়া কোচ এদগার্দো বাউজা মেসিকে বুঝানোর জন্য স্পেনে যান। বুধবার মেসির সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। মেসির সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরার ব্যাপারে তিনি কথা বলেছেন। কিন্তু মেসি ঠিক কী কথা বলেছেন তা জানাননি তিনি। তবে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা মনে করেন, এই বুঝানোয় কোনো কাজ হবে না। মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরবেন না বলেই মনে করেন ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী এ তারকা। অন্যভাবে তিনি মেসিকে বিদ্ধও করলেন। মেসির দুর্বল নেতৃত্বের কারণে নাকি সর্বশেষ কয়েকটি ফাইনালে আর্জেন্টিনা হেরেছে। আর এই নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই মেসি অবসর নিয়েছেন বলে মনে করেন তিনি। ম্যারাডোনা বলেন, ‘আমার মনে হয় বাউজাকে মেসি ‘না’ বলে দিবে। এটা আমার মনে হয়। আমার ধারনা ভুলও হতে পারে।’ মেসির নেতৃত্বে ২০১৪- ব্রাজিল বিশ্বকাপের পর টানা দুই বছর কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারে আর্জেন্টিনা। এছাড়া ২০১৮-রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সর্বশেষ ৬ ম্যাচে মাত্র ৩ জয় পেয়েছে তারা। আর্জেন্টিনার এমন ব্যর্থতার জন্য অধিনায়ক মেসিকেই দুষলেন ম্যারাডোনা। বলেন, ‘আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক খবর। আমাদের রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ শঙ্কায় পড়েছে। নেতৃত্বের কারণেই দলের এই অবস্থা। আমি জীবনে এমন দুর্বল নেতৃত্ব দেখিনি। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) কেন এমন কাজ করলো যাতে মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার-ই শেষ হয়ে গেলো। অধিনায়ক বানানোর জন্য তারচেয়ে (মেসি) বয়স্ক ও সাবলীল আর কাউকে কি তারা পায়নি?’ সুযোগ পেলেও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সমালোচনা করেন ম্যারাডোনা। দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে প্রায় তিনি ‘মাফিয়া’ বলে অভিহিত করেন।

    mzamin image from google.com
  • আকশায়ের পারিশ্রমিক একশ কোটি রূপি!

    ছবির শুটিংয়ের জন্য দিন প্রতি এক কোটি রূপি করে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন তিনি। সে হিসাবে এ ছবির জন্য একশ দিনের শিডিউল দিয়েছেন আকশায়। তাই সহজ হিসেবেই পারিশ্রমিকটাও গিয়ে ঠেকেছে একশ কোটিতে!

    ইন্ডিয়া টুডে জানায়, এর মধ্যে লক্ষ্ণৌতে প্রায় আট দিনের শুটিং সেরে ফেলেছেন আকশায়। সুতরাং আট কোটি রূপি এরই মধ্যে ঘরে তুলেছেন ‘হাউজফুল-থ্রি’ খ্যাত এ তারকা!

    নিয়ম মেনে শুট্যিং করায় বেশ সুনাম রয়েছে এ আকশায়-এর। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর‌্যন্ত শুট্যিং করেনে তিনি। রবিবার ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই শুটিং-এ ব্যস্ত থাকেন এ অভিনেতা।

    সম্প্রতি নিজের ট্ইটার অ্যাকাউন্টে একটি টুইটও করেছেন আকশায়। সেখানে তাকে ছবির সেটে শূটিং রত অবস্থায় দেখা গেছে। ছবির ক্যাপশনে লেখা, ‘নতুন সিনেমায় নতুন রূপে। মারপিটটা ভালোই জমবে এবারে।”

    কোর্ট-রুম কমেডি ঘরানার ‘জলি এলএলবি-টু’ ছবিটি, ২০১৩-তে মুক্তি পাওয়া ‘জলি এলএলবি’র সিক্যুয়াল। এ ছবির মুক্তির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। তবে এ মুহূর্তে ১২ই আগস্ট মুক্তি পেতে যা্ওয়া ‘রুস্তম’ ছবিটির প্রচারণাতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন খিলাড়ি।

    bdnews24
  • ৬৫ মিলিয়ন ডলার আয় করলেন এ নারী, কিন্তু কিভাবে?

    ১৯৮৭ সালে আর্মেনিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে অভিবাসী হয়ে যান অ্যানি স্যাফইয়ান। ৩২ বছর বয়সী সে নারী তার স্বামী ও ৯ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা শুরু করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে তিনি ৬৫ মিলিয়ন ডলারের মালিক। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পদার্পণ
    অ্যানির বিপুল এ অর্থ উপার্জনের পেছনে রয়েছে তার প্রতিষ্ঠান স্যাডা সিস্টেমস। এ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা মোটেই সহজ কাজ ছিল না। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে তিনি প্রযুক্তিবিষয়ক কোনো জ্ঞানও কাজে লাগাতে পারেননি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিনি প্রথমে অ্যাকাউন্টিং শেখেন। এরপর পেরোল কোঅর্ডিনেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন। সে কাজটি তার পছন্দ হয়নি। তাই তিনি গ্রাফিক ডিজাইনিং শুরু করেন। এ কাজটি তার পছন্দ হয়েছিল। এরপর তিনি ওয়েবসাইট তৈরি শুরু করেন। তার স্বামীও প্রোগ্রামিং শুরু করেন।

    প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গঠন
    এরপর ধীরে ধীরে তারা প্রযুক্তি বিষয়ে নানা জ্ঞান অর্জন করেন। এ সময় একটি অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার মডিফাই করার কাজ পান তারা। অ্যানি তার স্বামীর সহায়তায় এ কাজটি সাফল্যের সঙ্গে শেষ করেন। এরপর স্যাডা সিস্টেমস নামে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি গঠন করেন তারা। প্রতিষ্ঠানটি ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও কাস্টম অ্যাপ তৈরি ও সরবরাহ করে।

    গুগলের সঙ্গে কাজ
    একদিন প্রতিষ্ঠানটিতে গুগলের পক্ষ থেকে একটি ফোন আসে। এটি ২০০৭ সালের ঘটনা। টেক জায়ান্ট গুগল তাদের গুগল অ্যাপসের জন্য স্যাডা সিস্টেমসের সহায়তা চায়। গুগলের পক্ষ থেকে চাওয়া হয়েছিল তাদের ই-মেইল ও ডকুমেন্টস গুগল অ্যাপস-এ যেন সহজে পাওয়া যায় সে ব্যবস্থা করা। এ সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অ্যানিও চান গুগল অ্যাপ বিক্রি করার পার্টনারশিপ। ফলে গুগলের সঙ্গে কাজ শুরু করেন অ্যান।

    মাইক্রোসফটের সঙ্গে কাজ
    এরপর মাইক্রোসফটের সঙ্গেও কাজ শুরু করেন অ্যান। তার প্রতিষ্ঠান গুগলের সঙ্গে কাজ শুরুর পর মাইক্রোসফটও চায় তাদের ক্লাউড পণ্য ও অফিস ৩৬৫ বিক্রির জন্য পার্টনারশিপ। আর এতে আরও বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয় স্যাডা সিস্টেমস।

    প্রতিষ্ঠান বড় হওয়া
    শুধু গুগল কিংবা মাইক্রোসফটই নয়, আরও বহু প্রতিষ্ঠানই স্যাডা সিস্টেমস-এর সঙ্গে কাজ করতে এগিয়ে আসে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির আয়ও বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। কিন্তু এ আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সামনে অফার আসে আরও বড় অর্থের।

    বড় প্রস্তাবেও 'না'
    অ্যান জানান, তার প্রতিষ্ঠানটিকে বিপুল অর্থ দিয়ে কিনে নিতে চায় বিভিন্ন টেক জায়ান্ট কম্পানি। কিন্তু অ্যান জানান, প্রচুর অর্থের প্রস্তাব পাওয়ার পরও তিনি তা ছাড়ছেন না। এ বছর তার প্রতিষ্ঠানের আয় হয়েছে ৬৫ মিলিয়ন ডলার। এর চেয়ে বেশি অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কিনে নিতে চাইছে নানা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু তিনি এটি হাতছাড়া করতে চাইছেন না। কারণ এ প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে চান তিনি।

    সূত্র: কালেরকন্ঠ
  • সাত বছর পর খুলল সৌদি শ্রমবাজার

    বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের কর্মী নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে সৌদি আরব। দীর্ঘ সাত বছর পর গত বুধবার সৌদি আরবের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের জন্য বহু প্রত্যাশিত এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। এই সাত বছর বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীরাই কেবল এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে ছিল। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বৃহস্পতিবার এ খবর নিশ্চিত করেছে।

    সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে সৌদি আরবের চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষি, নির্মাণসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকছে না। দক্ষ ও অদক্ষ—সব ধরনের বাংলাদেশি কর্মীরা সৌদি আরবে কাজের জন্য ভিসার আবেদন করতে পারবে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের খবরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। একইভাবে বিদেশে কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা কর্মীদের জন্যও সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন খাতেও গতি ফেরার আশা করা হচ্ছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, সৌদি আরবের শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত হওয়া এ দেশের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফল। গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌদি আরব সফরের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা ছিল এটি। পবিত্র দুই মসজিদের হেফাজতকারী সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফলপ্রসূ বৈঠক এ সিদ্ধান্তের পেছনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। শ্রমবাজার উন্মুক্ত করায় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি বাদশাহকে তাঁর উদারতা ও অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘সৌদি আরব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় জনশক্তি রপ্তানি খাতে গতি ফিরে আসবে। নারী কর্মীদের নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। এখন সব ধরনের কাজে পুরুষরাও যেতে পারবে। এটা আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি ভালো খবর। প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরের পরই এ সুখবরটি এসেছে। আশা করছি, অন্যান্য শ্রমবাজারও চালু হবে।’

    এদিকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সৌদি আরবের শ্রমবাজারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জনশক্তি খাতের জন্য একটি বড় খবর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সহসভাপতি মো. আবদুল হাই। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করে। তাই বাংলাদেশিদের ওই দেশের শ্রমবাজারে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। এটা অনেক বড় সুখবর। তবে বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। কারণ পুরো প্রক্রিয়া শুরু হতে সময় লাগবে।’

    আবদুল হাই বলেন, ‘সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে প্রতিনিয়ত আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। সৌদি আরবে আবারও প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণ করা সম্ভব হবে।’

    যেভাবে শুরু, যেভাবে নিষেধাজ্ঞা : জানা যায়, ১৯৭৬ সালের ১৭ এপ্রিল ২১৭ জন শ্রমিক নিয়ে সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়। এসব শ্রমিকের সঙ্গে ৬৪ টন বাংলার কাদামাটি এবং ৫০ কেজি নিমের বীজও পাঠানো হয়েছিল। সৌদি বিমান হিজবুল বাহারে করে পাঠানো এসব শ্রমিক দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়।

    ২০০৮ সালে এসে নতুন নিয়মের বেড়াজালে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ এক প্রকার স্থগিত হয়ে যায়। ২০০৯ সাল থেকে দেশটির যেকোনো খাতে সর্বোচ্চ ২০ ভাগ বাংলাদেশি শ্রমিক নেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়। এতে ২০০৮ সালের তুলনায় ২০০৯ সালে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের হার ৯ ভাগের ১ ভাগে নেমে আসে।

    সরকারের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৭৬ সাল থেকে এ বছরের ১০ আগস্ট পর্যন্ত দুই কোটি ৭৫ হাজার ৯৯৮ জন বাংলাদেশি কর্মী সৌদি আরব গেছে। এর মধ্যে ২০০৮ সাল থেকে গেছে এক লাখ ৯০ হাজার ৮৭৮ জন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ১৩ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। এর মধ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি নারী গৃহকর্মী।

    উপেক্ষিত ছিল বাংলাদেশ : জানা গেছে, গত ৯ বছরে নতুন করে কোনো বাংলাদেশি চিকিৎসক ও সেবিকা (নার্স) নিয়োগ দেওয়া হয়নি সৌদি আরবে। গত ২৮ অক্টোবর সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রথম পর্যায়ে জরুরি বিভাগ, ট্রমা সেন্টার ও ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের জন্য চিকিৎসক নিয়োগের লক্ষ্যে ৪৮টি টিম গঠন করে। এ টিমগুলো নিয়োগের জন্য ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, মিসর, জর্দান, তিউনিসিয়া, নাইজেরিয়া, লেবানন ও সুদানকে তালিকায় রাখে। ওই তালিকায়ও বাংলাদেশের নাম ছিল না।

    এদিকে ২০১৪ সালের ২১ নভেম্বর সৌদি সরকার তাদের নাগরিকদের উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে জরুরিভাবে ১০ হাজার ডাক্তার ও ২০ হাজার নার্স নিয়োগ এবং দুই হাজার ৯৫৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেয়। ফলে সৌদিতে বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক ও নার্সের প্রয়োজন দেখা দেয়। এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তানসহ ৯টি দেশ থেকে চিকিৎসক নিয়োগ করে সৌদি সরকার। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সুনাম থাকায় সৌদির আগ্রহ বাড়ে। এ ছাড়া প্রতি সাত হাজার নাগরিকের জন্য একজন করে ডাক্তার ও তিনজন করে নার্স নিয়োগ করছে সৌদি আরব। চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশি চিকিৎসক সবচেয়ে বেশি সহায়ক হবে বলে মনে করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

    এ উপলক্ষে গত ১২ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ও সৌদি আরবের পক্ষে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিক্রুটমেন্ট ডিপার্টমেন্টের জেনারেল ম্যানেজার মারজান বিন মুবারক আল-মারজান অংশ নেন। আলোচনায় মারজান বিন মুবারক আল-মারজান সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি নার্স, ডাক্তার ও অন্য কর্মীদের কাজের প্রশংসা করে নিয়োগের আগ্রহ দেখান।

    পরিপক্ব সম্পর্কের প্রতিশ্রুত প্রাপ্তি : সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পরিপক্ব ও নতুন মাত্রায় উন্নীত হওয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে গত ডিসেম্বর মাস থেকেই। রিয়াদের অনুরোধে সৌদি নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী কেন্দ্রে (সৌদি নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী জোট) বাংলাদেশ যোগ দিতে সম্মতি জানায়। নিরসন হয় বাংলাদেশিদের ওমরাহ ভিসা নিয়ে জটিলতা। ইরানে সৌদি দূতাবাস ও কনস্যুলেটে হামলার তীব্র নিন্দা জানায় বাংলাদেশ। এরই মধ্যে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানাবে। এরপর গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় আসেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল বিন আহমেদ আল জুবেইর।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, আদেল বিন আহমেদ আল জুবেইরের আগে সৌদি আরবের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় এসেছিলেন ১৯৮৩ সালে। সেই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ এখন অনেক পরিণত ও সারা বিশ্বে পরিচিত। বৈশ্বিক অনেক ইস্যুতে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেয়। মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ উদার রাষ্ট্র হিসেবেও পশ্চিমা বিশ্বে এ দেশের বিশেষ মূল্যায়ন রয়েছে। বাংলাদেশে ৩৩ বছর পর সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের কাছে এ দেশের গুরুত্ব, বিশেষ করে বর্তমান সরকারের প্রতি সৌদি সরকারের আস্থার বহিঃপ্রকাশ, যা পরে আরো জোরালো হয়েছে গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌদি সফরের মধ্য দিয়ে।

    মুসলমান দেশ হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনকারীদের বিচার প্রশ্নে সৌদি আরবের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা-কল্পনা থাকলেও রিয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে কখনো ঢাকার কাছে তা উত্থাপন করেনি। তা ছাড়া গত বছর অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের ফাঁস করা সৌদি সরকারের নথি থেকে জানা যায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ঠেকাতে জামায়াত সৌদি সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় সৌদি সরকার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার শুরুর দিকেই এ বিষয়ে নাক না গলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

    উইকিলিকসের ফাঁস করা সৌদি সরকারের নথিগুলো থেকে আরো জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে চিকিৎসার জন্য রাজকীয় খরচে থাইল্যান্ড থেকে সৌদি আরবে নিয়ে যেতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঠানো অনুরোধ সৌদি সরকার ফিরিয়ে দিয়েছিল। এ ছাড়া ২০১২ সালের দিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মধ্যস্থতা করতে সৌদি সরকারের প্রতি বিএনপি-জামায়াতের অনুরোধেও রিয়াদ সাড়া দেয়নি। এসবের কারণ হলো ওই অনুরোধগুলো রাখলে শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল। সৌদি সরকার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায়নি।

    জর্দান ও লেবানন থেকেও সুখবর : জর্দান ও লেবাননে গৃহশ্রমিক এবং তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ কর্মী নিয়োগ করবে দেশ দুটি। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এ সপ্তাহে জর্দান ও লেবানন সফরের সময় দেশ দুটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ আশ্বাস দিয়েছে। বাংলাদেশ আশা করছে, শিগগিরই এ বাজার দুটি চালু হবে।

    সূত্র: কালেরকন্ঠ
    ছবি: আলবাবাবা
  • ইসরাইলের সঙ্গে খেলতে অস্বীকৃতি সউদী নারী অলিম্পিক ক্রীড়াবিদের

    ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে জাওয়াদ ফাহমি নামে এক সউদী নারী ক্রীড়াবিদ রিও অলিম্পিক গেমস থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আগামী  রোববার জুডো প্রতিযোগির দ্বিতীয় রাউন্ডের ওই ম্যাচে তার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বি ছিল ইসরাইল। তবে ইসরাইল ও সউদীর সংশ্লিষ্টদের দাবি, অন্য কারণে ফাহমি প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফাহমির এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আরব ও মুসলিম বিশ্বের সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে ফিলিস্তিনিরা।

    ফিলিস্তিনি ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য আব্দুস সালাম হানিয়া ফাহমির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার এ সিদ্ধান্ত নৈতিক অবস্থানের যথাযথ উপলব্ধি।

    ইসরাইলের সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে দাবি করা হয়, ফাহমি প্রথম রাউন্ডে মরিশাসের প্রতিযোগী ক্রিস্টাইন লেজেনটিলের বিরুদ্ধে জয়ী হলে পরবর্তী রাউন্ডে তাকে ইসরাইলি প্রতিযোগী গিলি কোহেনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। তাদের দাবি, ইসরাইলকে এড়াতেই ফাহমি ম্যাচ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরাইলের এ দাবিকে নাকচ করে দিয়ে সউদী অলিম্পিক ডেলিগেশন এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতা থেকে ফাহমির প্রত্যাহার ইনজুরির কারণে। অনুশীলন করার সময় ফাহমি আঘাত পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত। এখানে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। সউদী মেডিকেল টিম ফাহমিকে খেলায় অংশগ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বলেও ওই টুইটে বলা হয়।

    এদিকে সকল আরব ও মুসলিম ক্রীড়াবিদ ইসরাইলি খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রত্যাহারের বিষয়ে একমত হয়েছে। তারা মনে করছে, ইসরাইল একটি দখলদার রাষ্ট্র হওয়ায় এবং দেশটির খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলার অর্থ হচ্ছে ইসরাইলকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দান।

    সূত্র : টাইমস অব ইসরাইল, দ্য হাফিংটন পোস্ট, ইনকিলাব ডেস্ক
  • মুস্তাফিজের সফল অস্ত্রোপচার

    আগস্ট ১১, ২০১৬
    স্থানীয় সময় বেলা দুইটায় অস্ত্রোপচার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেটি শুরু হয়েছে আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৪০)। কেনসিংটনের বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালের শল্যবিদ অ্যান্ড্রু ওয়ালেস সফলভাবেই শেষ করেছেন মুস্তাফিজুর রহমানের বাঁ কাঁধের অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারে সময় লেগেছে ৫০ মিনিটের মতো। অস্ত্রোপচারের পর দুই ঘণ্টা অস্ত্রোপচার কক্ষেই রাখা হবে মুস্তাফিজকে। এরপর নিয়ে যাওয়া হবে বেডে। আজ রাতটা হাসপাতালেই থাকবেন বাংলাদেশ দলের বাঁহাতি এই পেসার।

    এ ধরনের অস্ত্রোপচারের পর খেলায় ফিরতে সাধারণত পাঁচ-ছয় মাস লেগে যায়। তবে অস্ত্রোপচারের আগে অ্যান্ড্রু ওয়ালেস জানিয়েছেন, মুস্তাফিজ নেটে ফিরতে পারবেন ১২ সপ্তাহের মধ্যে। বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরীরও আশা, চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন মুস্তাফিজ। মাঠে ফিরতে পারবেন আগের মতোই দুর্বোধ্য বোলিং নিয়ে। অস্ত্রোপচারের সময় অস্ত্রোপচার কক্ষে ছিলেন তিনিও। ‘টেলিস্কোপ সার্জারি’ নামে পরিচিত এ ধরনের অস্ত্রোপচারে কাটাকাটি তেমন করতে হয় না। কাঁধ ও বাহুর সংযোগস্থলের সামনে ও পেছনে দুটি ছিদ্র করেই সারা হয় চোট সারানোর কাজ।

    অস্ত্রোপচার লন্ডনে হলেও চোটের সঙ্গে লড়াইয়ে মুস্তাফিজ পাশে পাচ্ছেন গোটা বাংলাদেশকেই। অস্ত্রোপচারের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানকে ফোন করে মুস্তাফিজের খবর নিয়েছেন। বাংলাদেশের এই তরুণ বিস্ময়-পেসারের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।

    মুস্তাফিজকে সাহস জোগাতে বিসিবি সভাপতি সকাল থেকেই ছিলেন বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালে। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘বিসিবির কাছে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে সাকিব-তামিমদেরও অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে মুস্তাফিজ অনেক ছোট, অল্প কিছুদিন হয়েছে জাতীয় দলে খেলছে, তাই ওকে সাহস দেওয়ার জন্য এসেছি। ও আমাকে বলেছে, এমনিতে ভয় লাগে না, তবে সুই নাকি একটু ভয় পায়।’ হাসপাতালে আসেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার খন্দকার এম তালহাসহ আরও অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি।

    সূত্র: প্রথম আলো
  • দীর্ঘসময় রাস্তায় পড়ে থেকেই মারা গেল লোকটি, সাহায্যে আসেনি কেউ

    রাস্তায় দুর্ঘটনায় আহত কোনও ব্যক্তিতে মারাত্মক আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলে অন্য মানুষেরা কি করবেন? এগিয়ে গিয়ে তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করবেন-এমনটাই প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু ভারতের খোদ রাজধানী শহরেই ঘটেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ঘটনা।

    দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মুমূর্ষু একটি মানুষ আহত অবস্থায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পড়ে থাকার পরও, তাকে হাসপাতালে নেয়া তো দূরের কথা, সামান্য সাহায্যের জন্যও এগিয়ে আসেনি একজন মানুষও।

    শেষপর্যন্ত একজনকে আসতে দেখা যায়, তাও ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে।

    এ সমস্ত দৃশ্যই ধরা পড়েছে ওই এলাকাটির সিসিটিভি ফুটেজে। আর তা ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে।

    এছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলেও ওই সময়কার ঘটনার দৃশ্য প্রচার করা হয়েছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে তার নামে বলা হয় ‘মাতিবুল’। সে দিনের বেলা রিকশা চালাতো এবং রাতে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতো।

    ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় লোকটি আহত হওযার পর বহু গাড়ি আশপাশ দিয়ে চলে যাওয়ার সময় কেউ এগিয়ে না এলেও, একজন ব্যক্তি তার কাছে যায় এবং আহত মানুষটির মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

    বিভিন্ন টেলিভিশনে লোকটি আহত হওয়ার সময়কার চিত্রও দেখানো হয়। ভোর সাড়ে ৫টার সময় রাস্তার ধারে হেটে যাওয়ার সময় তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন।

    এরপর ভ্যান-চালক তাকে আহত হতে দেখেও পালিয়ে যায়। তারপরে রিকশা থেকে নেমে এসে একজন তার পকেট থেকে মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।

    এরও নব্বই মিনিট পর পুলিশ এসে যখন লোকটিকে উদ্ধার করে তখনও তার দেহ থেকে প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল। হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসকরা।

    পুলিশ জানায়, নাইট শিফট শেষে ভোরবেলা বাড়ি ফেরার পথে একটি ভ্যানের সাথে সংঘর্ষে আহত হন লোকটি।

    এই ঘটনার পর দিল্লিতে সরকারের একজন মন্ত্রী বলেছেন, রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সাহায্যের বিনিময়ে পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যেন্দার জেইন বলেছেন, কোনও পথচারী যদি দুর্ঘটনার শিকার কোনও ব্যক্তিকে হাসপাতালে পৌঁছে দেন তাহলে তাদেরকে বিশেষ পুরস্কার দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

    আহত লোকটিকে মাতাল ভেবে হয়তো পথ-চলতি মানুষেরা এগিয়ে যাননি, ধারণা করছে পুলিশ।

    এদিকে এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে বর্তমান ভারতে মানুষের সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে।

    ‘এ ধরনের অমানবিক ও ভয়ংকর আচরণের জন্য আমাদের লজ্জিত হওয়া উচিত’ এমন বক্তব্যও আসছে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা
  • যে ৩টি খাবার আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে

    আগস্ট ১০, ২০১৬
    লিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির লিভারের ওজন ৩ পাউন্ড। দেহের এই লিভার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। যেমন- হজম শক্তি, মেটবলিজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দেহে পুষ্টি যোগানো ইত্যাদি। সুস্থ লিভার দেহের রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে, রক্ত থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, দেহের সকল অংশে পুষ্টি যোগায়। এছাড়াও লিভার ভিটামিন, আয়রন এবং সাধারণ সুগার গ্লুকোজ সংরক্ষন করে।

    যেহেতু লিভার আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ তাই যে কোন উপায়ে একে সুস্থ সবল রাখতে হবে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন দেহের লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ, দীর্ঘ সময় ক্লান্তি অনুভব করা, হজমের সমস্যা, এলার্জি ইত্যাদি এই সমস্ত অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে। তাই দেহ ও লিভার সুস্থ রাখার জন্য চিনে নিন এমন কিছু খাবার যা সুস্থ রাখবে আপনাকে।

    রসুন

    লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য উত্তম খাবার হল রসুন। রসুনের এনজাইম লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে। এতে আছে আছে আরও দুটি উপাদান যার নাম এলিসিন এবং সেলেনিয়াম যা লিভার পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান হতে রক্ষা করে।

    ১। প্রতিদিন যে কোন সময় ২/৩ টি রসুনের কোয়া খেয়ে নিন।
    ২। আপনি চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রসুন দিয়ে তৈরি ভিটামিনও খেতে পারেন।

    লেবু

    লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহের লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ডি লিমনেন উপাদান লিভারে এনজাইম সক্রিয় করে। তাছাড়া লেবুর ভিটামিন সি লিভারে বেশি করে এনজাইম তৈরি করে যা হজম শক্তির জন্য উপযোগী। লেবুর মিনারেল লিভারের নানান পুষ্টি উপাদানগুলো শোষণ করার শক্তি বৃদ্ধি করে। বাসায় লেবুপানি পান করুন এবং যেকোন সময় পানের জন্য লেবুপানি বানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন, চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।

    আপেল

    প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে তা লিভারকে সুস্থ রাখে। আপেলের পেক্টিন, ফাইবার দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। আপেলে আছে আরও কিছু উপাদান- ম্যালিক এসিড যা প্রাকৃতিক ভাবেই রক্ত হতে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। যেকোন ধরণের আপেলই দেহের লিভারের জন্য ভালো। তাই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খান।

    সূত্র: হেলথবার্তা
  • রাষ্ট্রদ্রোহসহ সাত মামলায় জামিন পেলেন খালেদা জিয়া

    বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আজ ঢাকার আদালত থেকে সাত মামলায় জামিন পেয়েছেন।

    মিসেস জিয়ার আইনজীবীদের একজন মাসুদ আহমেদ তালুকদার বিবিসিকে জানিয়েছেন এর মধ্যে ছয়টি মামলা হচ্ছে বিএনপির ডাকে হরতাল-অবরোধ চলাকালীন নাশকতার মামলা এবং অপরটি হচ্ছে রাষ্ট্রদোহের মামলা।

    তিনি আজ ১২টি মামলার সংশ্লিষ্ট কাজে হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন।
    এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় খালেদা জিয়া আগে থেকেই জামিনে ছিলেন বলে জানান মিস্টার তালুকদার।

    গত বছর ডিসেম্বরে ঢাকায় এক আলোচনা সভায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে এক বক্তৃতার পর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মমতাজ উদ্দিন মেহেদী।

    আজ আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন এবং একই সাথে খালেদা জিয়াকে এ মামলায় জামিন দেয়া হয়েছে।

    - বিবিসিবাংলা
  • অচেতনই হচ্ছে না বুনোহাতিটি

    ছয় দিন ধরে চেষ্টা চালিয়েও ভারতের আসাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে আসা বুনোহাতিটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

     জুন মাসের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে আসার পর নানা জায়গা ঘুরে এটি এখন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে অবস্থান করছে।

    সেখানেই বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বুনোহাতির দেহে  ট্রাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ড্রাগ প্রয়োগের পর থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক চেষ্টার পরও তাকে অচেতন করা যায়নি।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ বলছে, দেহে ড্রাগ ফায়ারের পর থেকেই হাতিটি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উদ্মাদের মত ছুটাছুটি করতে শুরু করেছে।

    দীর্ঘদিনেও হাতিটি উদ্ধার না হওয়া ও হাতির দেহে ড্রাগ ফায়ারের পরও হাতিটি অবচেতন না হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা পুরোনো যন্ত্রপাতি আর মান্ধাতার আমলের প্রযুক্তিকেই দায়ী করলেন।  

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করায় বুধবার বুনোহাতিটি সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায় মাঠে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।

    খবর পেয়ে দুটি ট্রাঙ্কুলাইজার গান নিয়ে সেখানে হাজির হন কক্সবাজার বন্যপ্রাণী বিভাগের সহকারী ভেটেরিনারী সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক ও গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেনারী সার্জন সাঈদ হোসেনসহ দলের অন্য সদস্যরা।

    সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান হাতিটির মাত্র ২৫ গজ দূর থেকে পিছন দিকে চেতনা নাশক ওষুধ সম্বলিত ট্রাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ফায়ার করেন। কিন্তু হাতির দেহে আঘাতের পর প্লাসট্রিক ড্রার্ট আর সুইটি বাঁকা হয়ে যাওয়ায় ওষুধ হাতির দেহে পুশ হয়নি। এ কারণেই হাতি উদ্ধারে ষষ্ঠ দিনের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।

    হাতি উদ্ধারকারী দলের ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক বলেছেন, হাতিটিকে অচেতন করতে প্লাসট্রিক ড্রার্টের পরিবর্তে মেটাল ড্রার্ট (যেটি গণ্ডারের চামরা ভেদ করার কাজে ব্যবহৃত হয়) ব্যবহার ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে অভিযানে সফল হওয়া যাবে।

    বিষয়টি নিয়ে তারা বন বিভাগের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পুনরায় অভিযানে নামবেন বলেও জানান তিনি।

    গত ২৮ জুন ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বানের পানিতে ভেসে আসা বুনো হাতিটি কুড়িগ্রামের রৌমারী, গাইবান্ধা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের মুনসুর নগর ইউনিয়নের ছিন্নার চর হয়ে ২৭ জুলাই জামালপুরের সরিষাবাড়ীর কামরাবাদ ইউনিয়নে আসে।

    হাতিটি উদ্ধারে বেশ কয়েকদিন ধরেই সরিষাবাড়ীতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ দল। এর মধ্যে গত বুধবার ভারত থেকে তিনি সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ এসে হাতি উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় মঙ্গলবার তাদের হাতি ছাড়াই দেশে ফিরতে হয়।

    সূত্র: সমকাল
  • ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ



    ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ

    স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ রিও অলিম্পিকের পুরুষ ফুটবলে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে মাঠে নামছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল দুটি বর্তমানে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে। প্রথম দুই গ্রুপ ম্যাচের ব্যর্থতার কারণে শেষ গ্রুপ ম্যাচটি বাঁচামরার দু’দলের জন্যই।

    আজ রাতে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে হন্ডুরাসের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়। এই গ্রুপ থেকে টানা দুই জয়ে সবার আগে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পর্তুগালের যুবারা। একটি করে ম্যাচে জয় ও হার সঙ্গী করে ৩ পয়েন্ট করে নিয়ে গোল গড়ে যথাক্রমে দুই ও তিনে আছে হন্ডুরাস ও আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে ড্র করলেই শেষ আট নিশ্চিত হবে হন্ডুরাসের। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প নেই আর্জেন্টিনার। ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচই গোলশূন্য ড্র করে শেষ আটে খেলা কঠিন করে তুলেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জাল খুঁজে না পাওয়া সেলেসাওরা ইরাকের বিপক্ষে পরের ম্যাচেও একই ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি করে। যে কারণে শেষ গ্রুপ ম্যাচটির ওপর নির্ভর করছে নেইমারদের ভাগ্য। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় গ্রুপের শীর্ষে থাকা ডেনমার্কের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল। ম্যাচটি যে সহজ হবে না সেটা গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার দিকে দৃষ্টি দিলেই পরিষ্কার। ডেনমার্ক দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্র সঙ্গী করে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। দুই ম্যাচেই ড্র করে ২ পয়েন্ট করে নিয়ে যথাক্রমে দুই ও তিনে ব্রাজিল ও ইরাক। ইরাক শেষ ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। যারা গ্রুপের সবচেয়ে দুর্বল দল। ব্রাজিলকে রুখে দেয়া যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকিরা জয়ের জন্যই খেলবে। ইরাক জয় পেলে নকআউট পর্বে যেতে ব্রাজিলেরও জয়ের বিকল্প থাকবে না। আবার ড্র করলেও বিপদ। সেক্ষেত্রে গোল গড়ে নেইমার, গ্যাব্রিয়েলদের বাদ পড়ার সম্ভাবনা বেশি। এজন্য ডেনিশদের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই রেকর্ড সর্বোচ্চ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দেশের যুবাদের।

    দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে প্রথম ম্যাচ ড্র করার পর ব্রাজিল অধিনায়ক নেইমার বলেছিলেন, এই ড্র হারের সমান। তিনি আরও বলেছিলেন, পরের ম্যাচে জিততেই হবে। কিন্তু ইরাকের বিপক্ষে কথা রাখতে পারেননি বার্সিলোনা তারকা। যে কারণে হয় তো ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন তিনি! ব্যর্থতার বেড়াজাল খোঁজার মন্ত্রই হয়ত খুঁজছেন নেইমার। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন পর্যন্ত অলিম্পিক ফুটবলে সোনা জিততে পারেনি। এবারই মোক্ষম সুযোগ মনে করা হচ্ছিল। ঘরের মাঠ, চেনা দর্শক। কিন্তু দর্শকদের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিদান দেয়া দূরে থাক, টানা দুই ম্যাচে গোলহীন থেকে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়ার শঙ্কায় তারা। এ কারণেই ডেনিশদের না হারাতে পারলে বিদায় হতে পারে গ্রুপ পর্বেই। সম্ভাবনা টিপ টিপ করে জ্বললেও ব্রাজিল কোচ মিকেলে আগেই ক্ষমা চেয়ে রেখেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা ইরাকের বিরুদ্ধে নিজেদের খেলাটাই খেলতে পারিনি। দর্শকেরা আমাদের জন্য সমর্থন নিয়ে মাঠে এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা কিছুই পারিনি। তাদের দুয়োই শুনেছি। আমরা যেহেতু তাদের প্রত্যাশার প্রতিদান দিতে পারিনি। তাই আমি ক্ষমা চাচ্ছি।

    এমনিতেই রিও অলিম্পিক নিয়ে ব্রাজিলের রাজনীতির অঙ্গন গরম গোটা দেশই অলিম্পিক আয়োজনের পক্ষে-বিপক্ষে দুই ভাগে বিভক্ত। চরম অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের দুই বছরের মাথায় অলিম্পিকের মতো এত বিশাল একটি আয়োজন ব্রাজিলকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেবে বলে মনে করেন সিংহভাগ মানুষ! এই অবস্থায় আত্মার খেলা ফুটবলের ব্যর্থতা কিছুতেই মেনে নিতে পারবেন না ব্রাজিলের খেলাপাগল মানুষ।

    dailyjanakantha image from google.com
  • ট্রেনের ছাদ কেটে চুরি গেল কোটি টাকা

    ট্রেনটা চেন্নাইতে পৌঁছানোর পর পুলিশ কর্মকর্তারা টাকাভর্তি বিশেষ কামরার দরজা খুলে দেখেন ছাদের দিকটায় গর্ত।
    ট্রেনের কামরায় রাখা ছিল বাক্স ভর্তি টাকা।

    দুইশোটি বাক্সে প্রায় তিনশো বিয়াল্লিশ কোটি টাকা। সবই ময়লা–ছেঁড়া–ফাটা নোট।

    পাশের কামরায় একজন সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে পুলিশ দল ছিল প্রহরায়।

    কিন্ত চলন্ত ট্রেন থামার পরে দেখা গেল এত নিরাপত্তার মধ্যেও চুরি গেছে টাকা!

    ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ওই টাকা পাঠাচ্ছিল তামিলনাডুর সালেম শহর থেকে রাজধানী চেন্নাইতে।

    ট্রেনটা চেন্নাইতে পৌঁছায় মঙ্গলবার।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মকর্তারা ওই বিশেষ কামরার দরজা খুলতেই দেখেন ছাদ থেকে সূর্যের আলো ঢুকছে।

    কামরার ভেতরে ছড়িয়ে আছে টাকা, বেশ কয়েকটা বাক্স ভাঙ্গা।

    ট্রেনের ছাদে চড়ে পুলিশ দেখে সেখানে ২ ফুট বাই ২ ফুটের একটা গর্ত।

    তারপরে টাকা গুনতে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ৬ কোটি টাকা চুরি গেছে।

    রেল পুলিশের আই জি ভি রামসুব্রমনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “সব টাকা গোনা শেষ হওয়ার পরেই বোঝা যাবে ঠিক কত টাকা চুরি গেছে। কিভাবে চুরিটা হলো, সে ব্যাপারে কিছু সূত্র পাওয়া গেছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই সেটা বলা যাবে না"।

    পুলিশ বলছে যে সালেম আর বৃদ্ধাচলম স্টেশনের মাঝে প্রায় ১৩৮ কিলোমিটার রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ হয়নি।

    ওই জায়গা দিয়ে যাওয়ার সময়েই দুষ্কৃতিকারীরা গ্যাস কাটার দিয়ে ট্রেনের ছাদ কেটে থাকতে পারে।

    আবার এটাও ধারণা করা হচ্ছে যে যারা এই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা হয়তো কামরাটি সিল করার আগেই ভেতরে লুকিয়ে ছিলো, চুরির পরে ছাদ কেটে তারা পালিয়েছে।

    টাকা ভর্তি কামরার নিরাপত্তায় যে পুলিশ দল ছিলো, তারা বলছে-প্রতিটা স্টেশনেই তারা পরীক্ষা করে দেখেছে যে তালা আর সিল ঠিক আছে কিনা।

    পুলিশ ছাদের দিকে নজর দেয়নি কারণ অত শক্ত ইস্পাতের ছাদ যে চলন্ত ট্রেনে কাটা যেতে পারে, এটা তারা কল্পনাও করেনি।

    তবে একটা ব্যাপারে পুলিশ নিশ্চিত যে 'সর্ষের মধ্যে নিশ্চয়ই ভূত ছিলো'।

    তা না হলে চোরেরা জানল কি করে কোন কামরায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নোট যাচ্ছে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা