Browsing "Older Posts"

  • চোখ জ্বালাপোড়ায় করণীয়

    মে ০৮, ২০১৭
    নানা কারণে চোখে জ্বালাপোড়া হতে পারে। অতিরিক্ত গরম, ঠাণ্ডা, ধুলাবালি চোখে ঢোকা, শরীরে পানির ঘাটতি ইত্যাদি কারণে আমাদের চোখ জ্বালাপোড়া করতে পারে। এ সময় অনেকেই চোখ চুলকান। এতে জ্বালাপোড়া আরও বেড়ে যায়। চলুন জেনে নিই এমন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত-

    *যেসকল পরিবেশে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া করে সেসব এড়িয়ে চলুন।

    *চোখকে ধুলাবালি ও রোদ থেকে রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

    *নিয়মিত সুষম খাবার গ্রহণ করুন।

    *কখনো চোখে ঘষাঘষি করবেন না।

    *দুই হাত সব সময় পরিষ্কার রাখুন।

    *বরফ ঠাণ্ডা পানিতে চোখ মুখ ধুয়ে ফেলুন। কয়েক টুকরা বরফ একটি নরম কাপড়ে পেঁচিয়ে নিন। এবার এটি চোখের উপর দিয়ে রাখুন। আরাম পাবেন।

    *গোল করে শসা কাটুন দুই টুকরা। বরফ ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা শসা চোখের উপর দিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখুন কিছুক্ষণ। দেখবেন, চোখ জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে এসেছে।

    *টি ব্যাগে উপস্থিত বায়োফ্লেভোনয়েডস বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে। দুই চোখে দুইটি ব্যবহৃত টি ব্যাগ দিয়ে রাখুন। চোখ জ্বালাপোড়া হ্রাস পাবে।

    *প্রচুর পানি পান করুন।

    *একটি বাটিতে কিছু অ্যালোভেরার রস নিন। ফ্রিজে রাখুন বেশ কিছুক্ষণ। ঠাণ্ডা হয়ে এলে বের করে একটু ঠাণ্ডা পানি মেশান। দুই টুকরা নরম পাতলা কাপড় ওই রসে ভিজিয়ে চোখে লাগিয়ে রাখুন। চোখ জ্বালাপোড়া কমে আসবে।

    *অবাক করা হলেও সত্যি, পাউরুটি ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে চোখে লাগিয়ে রাখলে চোখ জ্বালাপোড়া, চুলকানি ইত্যাদি অনেকটা কমে আসে।

    *নিয়মিত চোখের ডাক্তার দেখান। চোখে কোন ধরণের অস্বস্তিবোধ হলে ডাক্তারকে তৎক্ষণাৎ জানান।

    সূত্র:bd-pratidin
  • মন্ত্রিসভায় রদবদলের আভাস কাদেরের

    বর্তমান মন্ত্রিসভা অনেকদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছে জানিয়ে সরকারে রদবদলের আভাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়তো হবে। কারণ অনেক দিন হয়ে গেছে। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার।’

    সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান, মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আসছে কি না। এর জবাবেই তিনি এ কথা বলেন।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট নিয়েও সাংবাদিকরা জানতে চান ওবায়দুল কাদেরের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, রবিবার ঘোষিত এরশাদের জোটকে তিনি চমক হিসেবেই দেখছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এই চমকের রেশ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সেটার জন্য আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি কয়েক বছর ধরেই মহাজোটে নেই। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগেই এরশাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের জোট ভেস্তে গেছে। তারা এখন বিরোধী দলে, আবার সরকারেও আছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আগে অনেক ভাঙাগড়া হবে। জোট ভাঙবে। জোট গড়বে। রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কথা নেই।

    বর্তমান মন্ত্রিসভা অনেকদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছে জানিয়ে চতুর্থবারের মত সরকারে রদবদলের আভাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়তো হবে। কারণ অনেক দিন হয়ে গেছে। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার।’

    সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান, মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আসছে কি না। এর জবাবেই তিনি এ কথা বলেন।

    ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা টানা দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত সরকারে নতুন মুখ বা দপ্তর পরিবর্তন হয়েছে তিন দফা।

    ২০১৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।

    প্রায় দেড় বছর পর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় যোগ হয় নতুন পাঁচ মুখ। প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হন একজন।

    সেদিন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি তার আগের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই দায়িত্ব পালন করছেন।

    একই দিন মন্ত্রী হিসেবে আরও শপথ নেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারানা হালিম (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) এবং নুরুজ্জামান আহমেদ (খাদ্য)।

    এরপর মন্ত্রিসভায় আরও একটি রদবদল হয়। সেটি চমকের তৈরি করে দেশজুড়ে। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। একই দিন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বদলে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এক সপ্তাহ পর সৈয়দ আশরাফ পান তার নতুন মন্ত্রণালয় জনপ্রশাসন।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট নিয়েও সাংবাদিকরা জানতে চান ওবায়দুল কাদেরের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, রবিবার ঘোষিত এরশাদের জোটকে তিনি চমক হিসেবেই দেখছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এই চমকের রেশ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সেটার জন্য আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি কয়েক বছর ধরেই মহাজোটে নেই। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগেই এরশাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের জোট ভেস্তে গেছে। তারা এখন বিরোধী দলে, আবার সরকারেও আছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের আগে অনেক ভাঙাগড়া হবে। জোট ভাঙবে। জোট গড়বে। রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কথা নেই।

    সূত্র:dhakatimes24
  • চমকহীন দল ঘোষণায় 'বড় চমক' দিল ভারত!

    নানা টালবাহানার পর অবশেষে ইংল্যান্ডে আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য দল ঘোষণা করল ভারত। সোমবার ঘোষিত ১৫ জনের এই স্কোয়াডে অধিনায়ক হিসেবে আছেন বিরাট কোহলি। আছেন ধোনি, যুবরাজ, অশ্বিন, জাদেজারা।

    তবে আইপিএলে দুর্দান্ত খেলেও জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন না কলকাতা নাইট রাইড রাইডার্সের অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। এ ছাড়া এই দলে তেমন কোনো নতুন মুখ কিংবা চমক নেই। তবে চলতি আইপিএলে বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা ছিল। কেবল ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার মোহাম্মদ শামি।

    নির্বাচনী বৈঠকে সিনিয়র খেলোয়াড়দের ওপরই আস্থার কারণেই দল জায়গা পেয়েছেন যুবরাজ, মহেন্দ্র সিং ধোনিরা। তবে বৈঠকে সুরেশ রায়না, শার্দুল ঠাকুর, দীনেশ কার্তিক, কুলদীপ যাদব এবং ঋষভ পান্থের নাম নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

     তবে কেন এ দলে গম্ভীরের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের কোনো জায়গা নেই, তার অবশ্য উত্তর নেই। আইপিএলে দুর্দান্ত খেলার পরও সুযোগ পাননি ঋষভ পান্থ।  এদিকে চলতি আইপিএলে ঋষভ পান্থ, সঞ্জু স্যামসনের মতো তরুণরা যেভাবে পারফর্ম করেছেন, তাতে তাদের স্কোয়াডে না থাকা বেশ আশ্চর্যজনক। আর ইনজুরি শেষে শামি যে দলে ফিরবেন তা আশ্চর্যের কিছু নয়।  সব মিলিয়ে পুরনোদের ওপরই ভরসা রাখল বিসিসিআইয়ের নির্বাচক প্যানেল।

    এর আগে রবিবার ইংল্যান্ডে আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে ভারতীয় দলকে ছাড়পত্র দিয়েছিল বিসিসিআই। রবিবার নয়াদিল্লিতে বিশেষ সাধারণ সভার ডাক দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়, আগামী মাস থেকে শুরু হতে চলা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলবে ভারত। তবে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে আইসিসিকে আইনি নোটিশও পাঠাতে চলেছে ভারতীয় বোর্ড।

     চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দল ঘোষণা নিয়ে টালবাহানা কম হয়নি। দল ঘোষণা নিয়ে বোর্ড যদি এ ভাবে 'নাটক' চালাতে থাকে তা হলে কপালে দুঃখ আছে বলে সতর্ক করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্যানেল।

    শনিবারই বিনোদ রাইয়ের নেতৃত্বাধীন প্রশাসক প্যানেল বোর্ড কর্মকর্তাদের পরিষ্কার বলে দেয়, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সঙ্গে কোনো আপস করা চলবে না। টাকা-পয়সা নিয়ে আইসিসির সঙ্গে যাবতীয় ঝামেলা, সেটা আলোচনা করে মেটাতে হবে। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের খেলা নিয়ে রাজনীতি চলবে না।

    চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য ভারতীয় স্কোয়াড :
    বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, রোহিত শর্মা, আজিঙ্কা রাহানে, মহেন্দ্র সিং ধোনি, যুবরাজ সিং, কেদার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি, উমেশ যাদব, ভুবনেশ্বর কুমার, জসপ্রিত বুমরাহ এবং মনীশ পাণ্ডে।

    সূত্র:kalerkantho
  • রমজানে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা

    রমজান মাসে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সচিবালয়ে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। শফিউল আলম বলেন, রমজানে বেলা সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে যথারীতি শুক্র ও শনিবার। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ বা ২৮ মে থেকে মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান শুরু হবে। বর্তমানে অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

    মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, হিজরি ১৪৩৮ সালের পবিত্র রমজান মাসে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এই সময় ধরে চলবে। তবে ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল ও রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এ সময়সূচির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

    এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে। সুপ্রিম কোর্ট ও এর আওতাধীন সকল কোর্টের সময়সূচি সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব।

    সূত্র:kalerkantho
  • অবশেষে জানা গেল কুমিল্লা বোর্ডে খারাপ ফলাফলের মূল কারণ

    সারাদেশে গড় পাসের হার ৮০ শতাংশ অতিক্রম করলেও কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হার ৫৯.০৩ শতাংশ। বিগত ১০ বছরের তুলনায় এ বছর কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফল তুলনামূলক বিপর্যয় ঘটেছে।  অবশেষে জানা গেল কুমিল্লা বোর্ডে খারাপ ফলাফলের মূল কারণ।

    কারণ হিসেবে পরীক্ষকরা দুষছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে। অন্যদিকে বোর্ড কর্তৃপক্ষেরও সোজা-সাপটা জবাব মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা তারা বাস্তবায়ন করতে পরীক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন মাত্র।

    মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষকদের অভিমত শুধুমাত্র বোর্ডের কঠোর নির্দেশনার কিছুটা অনুকম্পা দেখালেই পাসের হার অন্তত ৭৫ অতিক্রম সম্ভব হতো। কিন্তু সর্বনাশ যা-ই হবাব তা হয়ে গেছে। তাই বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লাসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন।

    মন্ত্রণালয়ের কথিত মডেল উত্তরপত্র পরীক্ষকদের কাছে সরবরাহ করে ভয় দেখিয়ে দফায় দফায় খাতার নম্বর কমানোর নির্দেশ দাতা হিসেবে জড়িত বোর্ডের কর্মকর্তাদের অপসারণেরও দাবি উঠেছে।

    এদিকে ফল পরিবর্তন ও ফেল করা শিক্ষার্থীদের শেষ ভরসা হিসেবে ফলাফল পুন:নিরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদনের হিড়িক পড়েছে বলে জানা গেছে।

    জানা যায়, এ বছর বোর্ডের অধীনে

    কুমিল্লা, বি-বাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও লহ্মীপুর জেলা থেকে এক লাখ ৮২ হাজার ৯৭৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৮ হাজার ১১ জন। প্রায় ৮০ হাজার পরীক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখেনি। এর মধ্যে ৬০ সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী ফেল করেছে গণিত ও ইংরেজিসহ আরও একাধিক বিষয়ে।

    বোর্ড কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের উপর দোষ চাপাতে ব্যস্ত থাকলেও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন। এসএসসিতে ২০১০ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ০৩ শতাংশ, ২০১১ সালে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৫, ২০১২ সালে ৮৫ দশমিক ৬৪, ২০১৩ সালে ৯০ দশমিক ৪১, ২০১৪ সালে ৮৯ দশমিক ৯২ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশ ও ২০১৬ সালে ৮৪ শতাংশ।

    এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ০৩ শতাংশে নেমে আসায় এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধি মহল থেকে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

    কাঙ্খিত পয়েন্ট না পাওয়া ও ফেল করা একাধিক শিক্ষার্থীদের অভিমত ‘যে নিয়মে এ বোর্ডে খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে সেই নিয়মে অন্য বোর্ডের খাতা মূল্যায়ন করা হলে সেখানে পাসের হার ৪০ এর নীচে নেমে আসতো।’ ফল বিপর্যয়ের কারণে দেশের অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিকসহ পরবর্তীতে প্রতিযোগিতামূলক অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষায় পিছিয়ে পড়বে বলে হতাশা ও উৎকণ্ঠায় রয়েছে কুমিল্লা বোর্ডের অধীন ৬ জেলার শিক্ষার্থীরা।

    বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া হলে উচ্চ মাধ্যমিকেও ফল বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন অভিভাবকরা।

    বোর্ডের নির্দেশনাই সর্বনাশ ঘটিয়েছে পরীক্ষার্থীদের : একাধিক প্রধান পরীক্ষক জানান, কথিত মডেল উত্তর পত্র সরবরাহ করে পরীক্ষকদের মন্ত্রণালয়ের ভয় দেখিয়ে নির্দেশনা দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করতে বাধ্য করায় পাসের হার সকল বোর্ডের তলানীতে স্থান পায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগরীর একাধিক স্কুলের পরীক্ষক জানান, খাতা মূল্যায়নে এ বছর তাদের কঠোর থাকতে বাধ্য করা হয়, এমনকি খাতায় নম্বর প্রদানে কোনো অনুকম্পা ধরা পড়লে সন্মানী কর্তনসহ ভবিষ্যতে আর খাতা না দেয়ার হুমকি দেয়া হয় বোর্ড থেকে।

    ছাড়াও এসব খাতা মন্ত্রণালয়ের টিম দেখতে পারে এমন ভয় দেখিয়ে নম্বর কমিয়ে রাখতে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহিদুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    সূত্র:mtnews24
  • ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রন

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়। প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, ইমানুয়েল ম্যাক্রন পেয়েছেন ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট।

    আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারিন লো পেন পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট। ফলে এই বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী সাবেক ব্যাংকার ইমানুয়েল ম্যাক্রন হচ্ছেন, ফ্রান্সের সবচেয়ে কম বয়সী প্রেসিডেন্ট।

    বিবিসি এক খবরে জানায়, ফ্রান্সে রাজনৈতিক প্রধান দুটি ধারার বাইরে ইমানুয়েল ম্যাক্রনই প্রথম ব্যক্তি যিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। এটি দেশটির কয়েক দশকের ইতিহাসে ব্যতিক্রম ঘটনা।

    প্রাথমিক ফল ঘোষণার পর ম্যাক্রন এক বিবৃতিতে বলেন, ফ্রান্সের ইতিহাসে নতুন কিছু রচনা হতে যাচ্ছে এবং তিনি এখানে আস্থা ও বিশ্বাসের পাতা হতে চান।

    তিনি বলছেন, গণতন্ত্রের বড় লড়াইয়ের পর ফ্রান্সের মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে নির্বাচিত করেছে। এটা অনেক সম্মানের বলে সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখার অঙ্গীকার করেন ইমানুয়েল ম্যাক্রন।

    প্রাথমিক ফল ঘোষণার পর ইমানুয়েল ম্যাক্রনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জাঁ ক্লদ ইয়োঙ্কার।

    এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ম্যাক্রনকে অভিনন্দন জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এদিকে ম্যাক্রনের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন উগ্র ডানপন্থী প্রার্থী মারিন লো পেন। হেরে যাওয়ার পর পেন বলেন, ফ্রান্সের এই ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম দফায় বড় পরিবর্তন ঘটেছে। বড় দুটি দলই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে দেশপ্রেমিক ও বিশ্বায়নবিদদের মধ্যে লড়াই হয়েছে। তিনি বলেন, ফ্রান্সের যে রাজনৈতিক লড়াই শুরু হলো তাতে তিনি সব দেশপ্রেমিককে তার দলে চান।

    নির্বাচনী প্রচারণায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন ম্যাক্রন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবেলায় কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার প্রাথমিক ফল ঘোষণার পর প্যারিসের লুভ মিউজিয়ামের সামনে এক সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। ম্যাক্রনের দলে কোন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকা স্বত্বেও নতুন এক সরকার গঠন করবেন তিনি।

    আগামী জুন মাসে দেশটিতে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনের মাধ্যমেই রাজনীতিতে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করবেন ইমানুয়েল ম্যাক্রন।

    সূত্র:dainikamadershomoy
  • মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বন্ধের দাবিতে চীনের হুঁশিয়ারি

    দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন বিতর্কিত মার্কিন অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাল চীন। ‘থাড’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে ঘোষণা করার কয়েক দিনের মধ্যেই এহেন দাবি জানান হল।

    চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং প্রেস ব্রিফিংয়ে এমনটাই আহ্বান জানান।  তিনি বলেন, এই বিষয়ে বেজিংয়ের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ় এবং পরিষ্কার।

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘থাড’ ব্যবস্থা মোতায়েনের বিরোধিতা করেছে চিন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টপক্ষগুলোকে অবিলম্বে এটি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।  না হলে চীন নিজ স্বার্থ বজায় রাখার জন্য দৃঢ় ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা অজুহাতে গত বছরের জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘থাড’ মোতায়েনে সম্মত হয়েছিল ওয়াশিংটন ও সিউল।  চীন ও রাশিয়ার কঠোর বিরোধিতা উপেক্ষা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

     সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

  • আওয়ামী লীগের তৃণমূলে দ্বন্দ্বে নিহত ৭, তৎপর কেন্দ্র

    মে ০৭, ২০১৭
    বিগত এক মাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘটিত সংঘর্ষে তৃণমূল আওয়ামী লীগের সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত প্রায় দুই শতাধিক। তবে দলটির নেতারা বলছেন, সকল সংঘর্ষের ঘটনা রাজনৈতিক বলা যাবে না।

    জাগো নিউজের অনুসন্ধানে জানা গেছে, অধিকাংশ এলাকাতেই মূল দলের নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার সঙ্গে সমর্থক বা রাজনৈতিক অনুসারী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। নিজ নিজ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংগঠনের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা জড়িয়ে পড়ছেন সংঘর্ষে। ফলে এসব হতাহতের ঘটনা বাড়ছে।

    তৃণমূলের অন্তর্কোন্দল আর প্রাণহানির ঘটনায় অস্থির হয়ে পড়েছেন কেন্দ্রের নেতারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এমন সংঘাতে বিব্রত আওয়ামী লীগের সভানেত্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের আগে সবকিছু সহনীয় পর্যায়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছেন। দলের সাধারণ সম্পাদককে দ্বন্দ্ব নিরসনে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি।

    সভানেত্রীর নির্দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জেলার নেতাদের মাঝে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব নিরসনের উদ্যোগ হিসেবে ছয় জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিগত মাসের শেষ সপ্তাহে এবং চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের বিবাদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন।

    জাগো নিউজের তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় শনিবার (৬ মে) প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন আমির হোসেন রাজন নামে এক ছাত্রলীগ নেতা। দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম মাইজপাড়া মসজিদের সামনে তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। রাজনের দুই পা-হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেয়ার পথে শনিবার দুপুরের দিকে মৃত্যু হয়।

    গত ১৮ এপ্রিল কুমিল্লায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ফারুখ (২৮) ও সাইদুর রহমান (২৬) নামে দু’জন নিহত হন। মুরাদনগর উপজেলার রহিমপুর এলাকার ওই ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।

    পরের দিন ১৯ এপ্রিল নরসিংদী আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শারফিন মিয়া (২০) ও মাসুদ (৩০) নামে দু’জন নিহত হন। রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ী গ্রামে সংঘটিত ওই ঘটনায় আহত হন অন্তত ২০ জন।

    এরও আগে ১৩ এপ্রিল নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নূর আলম (৩৫) নামে একজন নিহত হন। হাতিয়া উপজেলার ওই সংঘর্ষের আহত হন অন্তত ১০ জন।

    ২২ এপ্রিল শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১২ জন গুলিবিদ্ধ ও ২৫ জন আহত হন। একই দিন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ২৫ জন আহত হন।

    ৩০ এপ্রিল ফরিদপুরের সালথার আটঘর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সালথার আটঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ খানের বাড়িতে কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সমর্থকরা হামলা চালায়। এতে জিয়া শেখ নামে একজন নিহত হন। নিহত জিয়া শেখ আওয়ামী লীগের কর্মী। ওই ঘটনায় আহত হন কমপক্ষে ৩০ জন।

    মুন্সীগঞ্জে ২ মে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

    ৩ মে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।

    ২৮ এপ্রিল ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা বাজারে বিবাদমান আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। ১৫ এপ্রিল পাবনার কসাইপট্টি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে গোলাগুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর কয়েকজন সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, বেশির ভাগ স্থানে দেখা যাচ্ছে মূল দল আওয়ামী লীগ নেতাদের নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা নিয়ে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছেন। মূল দলের সঙ্গে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সমন্বয় না থাকাই সংঘর্ষের মূল কারণ।

    তারা বলেন, অঙ্গ-সংগঠনগুলোর প্রধানদের সঙ্গে খুব শিগগিরই দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন। সংগঠনগুলো যেন মূল দলের সঙ্গে সমন্বয় করে চলে এবং নিজেদের যেন সংগঠনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখার নির্দেশনা দেয়া হবে। মূল দলের নেতাদের নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার সঙ্গে যেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা যুক্ত না হন সে বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে বলে তারা জানান।

    তৃণমূল আওয়ামী লীগের অন্তর্কোন্দলে এক মাসে সাত কর্মী হত্যা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিজানুর রহমান শেলী বলেন, ‘এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। এটা ইতিহাসের শিক্ষা। যখন একটি রাজনৈতিক শক্তি অত্যন্ত প্রবল হয়ে ওঠে, সেই প্রভাবে যখন অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দল বলেন, শক্তি বলেন সেখানেই বড় শক্তির ভেতরে অন্তর দ্বন্দ্ব দেখা দেবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।’

    তিনি বলেন, ‘দলের মূল আদর্শ বাদ দিয়ে কেমন করে তাড়াতাড়ি ক্ষমতার কিছু অংশ পাওয়া যায়, কী করে লাভবান হওয়া যায়, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল থাকলে। আওয়ামী লীগের মতো একটা বড় দলের সামনে নির্বাচন আসছে, এমনিই বড় দল তারা।

    নানা রকম ভাগাভাগি নিয়ে ঈর্ষা, হিংসা, প্রতিযোগিতা, সংঘর্ষ-সংঘাত হতেই থাকবে। সেখানে যদি সত্যিকারের আদর্শবাদী আকাঙ্খা তাদের মাঝে থাকে, নেতৃত্ব যদি তাদের সেদিকে পরিচালিত করতে পারে তাহলে সংঘাত-সংঘর্ষ, মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা কমিয়ে আনা যেত।’

    তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ হচ্ছে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল। বিরোধী দল যদি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী না হয়, অথর্ব হয়ে থাকে বা দুর্বল করে রাখা হয় তাহলে গণতন্ত্রে সমান সমান অধিকার থাকে না। তখন দলের মধ্যেই নিজস্ব চ্যালেঞ্জ গড়ে ওঠে। সংঘর্ষ-সংঘাতের ঘটনা গড়ে ওঠে।’

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনোভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেটা আওয়ামী লীগ হোক, বিএনপি হোক কিংবা অন্য কোনো দলের হোক।

    কিছু থাকেন কর্মী, নেতা আবার সাধারণ সমর্থকও থাকেন। সামাজিক বা গোষ্ঠীগত বা জমিজমা নিয়ে সংঘাত হলেও সেটা রাজনৈতিক রঙ দেয়া হয়। এগুলো এভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে দেখা গেল সংঘর্ষ হয়েছে, প্রাথমিকভাবে বলা হয় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ।’

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘দলের আদর্শবিবর্জিত লোকজন যারা আছে তারা এসব সংঘাতে জড়াচ্ছে। আমরা দলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ করছি। আগামী ২০ তারিখে (মে) আমাদের বর্ধিত সভায় এ নিয়ে আলোচনা হবে।’

    সূত্র:jagonews24
  • কমেছে স্বর্ণের দাম

    অবশেষে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আগামীকাল সোমবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

    ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৪৫ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২১ ক্যারেট স্বর্ণে ১ হাজার ১০৭, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন স্বর্ণে ৮১৫ টাকা কমানো হয়েছে। এছাড়া রূপার দাম কমেছে প্রতি ভরিতে ৫৮ টাকা।

    সূত্র:
  • যুদ্ধের প্রস্তুতি! সীমান্তে প্রচুর বোর্ফস কামান মোতায়েন করছে ভারত

    ভারত-পাক সীমান্তে একেবারে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বোফর্স কামান মোতায়েন করতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সেনা সদস্যের মুন্ডুচ্ছেদ হওয়ার পর এমন চরম সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনীর তরফে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।  আর সেনাবাহিনীর এমন সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই দেখছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

    জানা গেছে, রাজৌরি থেকে পুঞ্চ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কিছু জায়গায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বোফর্স কামান মোতায়েন করা হচ্ছে।  শুধু তাই নয়, কিছু জায়গায় ছোট কামানও মোতায়েন করা হচ্ছে।  প্রত্যেক ২/৩ ঘণ্টা পর পর বোফর্স কামানগুলির স্থান পরিবর্তন করবে যাতে শত্রুরা বুঝতে না পারে কোথায় কামান মোতায়েন করা হয়েছে।

    সীমান্তে এমনিতেই আগে থেকে বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় কামান মোতায়েন আছে। সমতলভূমিতে ট্যাঙ্কও মোতায়েন রয়েছে।  গত সোমবার কৃষ্ণাঘাঁটি সেক্টরে পাক বর্ডার অ্যাকশন টিমের (বাট) পদক্ষেপের পরে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    পাক সীমান্তে সেনাবাহিনীর আনাগোনা বেড়ে চলায় ভারতীয় বাহিনী কামানের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে।  নির্বাচিত এলাকায় বোফর্স কামান মোতায়েন করা হচ্ছে।  এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা খুব বেশি হওয়ায় কার্গিল যুদ্ধের সময় বোফর্স কামান পাক বাহিনীকে যথেষ্ট বেগ দিতে সক্ষম হয়েছিল।  এবার সেই কামানকে আবারও সীমান্তে মোতায়েন করছে সেনাবাহিনী।

    সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর
  • বিলকিস বানুর ধর্ষণকারীদেরও কেন ফাঁসি হলো না

    ভারতে দশ বছরের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া দুটি নৃশংস গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতের রোয় দু'রকম হলো কেন, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

    দুটি মামলায় আদালতের রায় এসেছে এ সপ্তাহেই। প্রথমটিতে মুম্বাই হাইকোর্ট গুজরাট দাঙ্গার সময়ে ধর্ষিতা হওয়া বিলকিস বানুর ধর্ষণকারীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও পরদিনই দিল্লির নির্ভয়া-কান্ডে সুপ্রিম কোর্ট কিন্তু ধর্ষণকারীদের ফাঁসির সাজা বহাল রেখেছে।

    দুটো ঘটনায় কেন দুরকম সাজা, তা নিয়ে ভারতে অনেকেই ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলছেন - আর বিলকিস বানু এ ব্যাপারে নিজে তার বক্তব্য নিয়ে সোমবার হাজির হচ্ছেন দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমের সামনে।

    এদিকে ভারতে আইনের বিশেষজ্ঞরাও স্বীকার করছেন, কোন কোন ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ড দেওয়া যাবে তা নিয়ে আদালতের ব্যাখ্যাতেই বেশ অস্পষ্টতা আছে।

    ২০০২ সালে গুজরাতে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় মাত্র উনিশ বছর বয়সী বিলকিস বানো ছিল পাঁচ মাসের গর্ভবতী।

    কোলের মেয়ে সালেহা আর পরিবারের অন্যদের সঙ্গে ছোট একটা ট্রাকে চেপে তারা যখন প্রাণভয়ে পালাচ্ছিলেন, তখন তাদের পথ আটকে বিলকিসকে গণধর্ষণ করে একদল লোক। হত্যা করা হয় তার মেয়ে, মা ও পরিবারের আরও দশ-বারোজনকে।

    সেই অপরাধীদের মধ্যে মূল তিনজনের মৃত্যুদন্ড চেয়েছিল সিবিআই, তবে বৃহস্পতিবার মুম্বই হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিয়ে অভিযুক্ত ১১জনকেই যাবজ্জীবন দিয়েছে।

    কিন্তু ঠিক তার পরদিন দিল্লির চলন্ত বাসে গণধর্ষণের শিকার, নির্ভয়া নামে পরিচিত মেয়েটির নির্যাতনকারীরা সবাই সুপ্রিম কোর্টে ফাঁসির সাজা পাওয়ার পর দুটো রায়ের মধ্যে চলে আসছে অবধারিত তুলনা।

    অ্যাক্টিভিস্ট ফারাহ নকভি, যিনি বিলকিস বানোকে সোমবার দিল্লির প্রেস ক্লাবে মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসছেন, তিনি বিবিসিকে এদিন বলছিলেন দুটো ঘটনাই নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ভয়াবহতম দৃষ্টান্ত - আর দুটোর মধ্যে তুলনা টানাও খুব নিষ্ঠুর ও অপ্রয়োজনীয়।

    "তবে আমি এটুকু বলতে পারি, নির্ভয়ার বাবা-মা যদি তার মেয়ের ধর্ষণকারীদের ফাঁসিতে সান্ত্বনা পেতে পারেন তাহলে বিলকিস বানোরও অধিকার আছে তার নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ সাজা চাইবার। আর তা সে চাইবেও" - বলছেন মিস নকভি।

    কেন একটা ঘটনায় ফাঁসি, আর অন্যটায় যাবজ্জীবন - এ প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাটও। হায়দ্রাবাদের এমপি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি আরও তির্যক ভাষায় বলেছেন, মুসলিম বলেই কি বিলকিস বানো সঠিক বিচার পাচ্ছেন না?

    মি ওয়াইসির বক্তব্য, "হাইকোর্টকে সম্মান করলেও আমি এটা বলতে বাধ্য হচ্ছি ধর্ষণের ঘটনা আর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় ঘটা ধর্ষণের মধ্যে কেন ফারাক করা হচ্ছে? এর আগে ইয়াকুব মেমনকেও ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল মুম্বই বিস্ফোরণের সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগের প্রমাণ না-পাওয়া সত্ত্বেও। "

    "বিলকিসকে গর্ভবতী অবস্থায় যারা ধর্ষণ করেছিল, তার মা-বোন-মেয়েকে চোখের সামনে যারা হত্যা করেছিল - আমি তো মনে করি তাদেরও ফাঁসির সাজা হওয়া উচিত। "

    বিলকিস বানো গণধর্ষণের সময় গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি - তার সরকার সঠিকভাবে এই ঘটনার তদন্ত করেনি ও দোষীদের আড়াল করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন মি ওয়াইসি।

    ভারতের আইন বলে 'বিরলের মধ্যেও বিরলতম' অপরাধের ক্ষেত্রেই কেবল মৃত্যুদন্ড দেওয়া যায় - যদিও কোন অপরাধ সেই পর্যায়ে পড়বে সেটা আদালতের ব্যাখ্যার ওপরেই অনেকটা নির্ভর করে, বিবিসিকে বলছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি জাস্টিস অশোক গাঙ্গুলি।

    তার কথায়, "রেয়ারেস্ট অব দ্য রেয়ার কেস কোনগুলো, সেটা বিবেচনার এক্তিয়ার জজসাহেবেরই। ১৯৮০ সালে বচ্চন সিং মামলায় সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল বিরলের মধ্যেও বিরলতম অপরাধে মৃত্যুদন্ড দেওয়া যাবে।

    পাশাপাশি তারা এটাও বলেছিল সেগুলো কোনটা, তা স্থির করার আগে মাথায় রাখতে হবে প্রতিটা অপরাধেই কিছু অ্যাগ্রাভেটিং ও মিটিগেটিং ফ্যাক্টর থাকে - অর্থাৎ কিছু ঘটনা বা তথ্য সেই অপরাধের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়, কিছু আবার কমিয়ে দেয়। "

    বিলকিস বানো বা নির্ভয়ার ঘটনা, কোনটা বেশি নৃশংস তাই সেটাই শুধু বিচার্য নয় - দুটো ক্ষেত্রে অপরাধীদের প্রোফাইলও আদালতকে বিবেচনায় নিতে হয়।

    জাস্টিস গাঙ্গুলি আরও বলছিলেন, "মৃত্যুদন্ডের সাজা দেওয়ার আগে অপরাধ আর অপরাধীকেও আলাদা করে দেখতে হবে। ফাঁসির সাজা দিতে হলে সরকারকে প্রমাণ করতে হবে ওই অপরাধীকে শোধরানোর আর কোনও সুযোগ নেই, আর সে গোটা সমাজের জন্য একটা ভয়ঙ্কর বিপদ!"

    যেহেতু নির্ভয়ার ধর্ষণকারীরা বেশ কম বয়সী বা তাদের প্রায় সবারই এটা ছিল প্রথম অপরাধ, তাই সেই যুক্তিতে মৃত্যুদন্ড থেকে তাদের রেহাই পাওয়া উচিত ছিল বলেও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন।

    কিন্তু সেই একই দেশে বিলকিস বানোর ধর্ষণকারীরা কীভাবে ফাঁসি এড়াতে পারছে - সেটাও যথারীতি কম লোককে বিস্মিত করেনি!

    - বিবিসি বাংলা
  • '১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে'

    বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জঙ্গি-সন্ত্রাসী হামলাসহ যে কোনো ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা প্রতিরোধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। আজ রবিবার জাতীয় সংসদে সরকারী দলের ফরিদুল হক খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ সরকারের ‘কেপিআই নিরাপত্তা নীতিমালা-২০১৩’- এর নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য নিরাপত্তা নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।

    বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সংস্থা/কোম্পানীসমূহের ১৭৪টি স্থাপনাকে কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আরো ২১টি স্থাপনাকে কেপিআই হিসেবে ঘোষণার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

    ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্ব অনুসারে বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহে নিজস্ব নিরাপত্তা প্রহরীর সঙ্গে আনসার অঙ্গীভূত করা হয়েছে। কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তার কাজে মেটাল ডিটেক্টর, ভেহিকল মিরর, আর্চওয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বহিরাগতদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

    সূত্র:kalerkantho
  • প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ প্রমাণিত, মামলা হচ্ছে ২টি

    ধনকুবের প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে শুল্ক গোয়েন্দাদের করা শুল্ক ফাঁকি, মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতির তিন অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

    শুল্ক ফাঁকির ঘটনায় সরাসরি প্রিন্স মুসাকে প্রধান আসামি এবং মানি লন্ডারিংয়ে সহযোগী আসামি করে মোট দুটি মামলা করবে শুল্ক গোয়েন্দারা। আর দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে দুদককে (দুর্নীতি দমন কমিশন) জানানো হবে। তাদের আইনানুযায়ী তারা ব্যবস্থা নেবে।

    রোববার মুসা বিন শমসেরের জবানবন্দি শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান শুল্ক গোয়েন্দা মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান।

    তিনি বলেন, প্রিন্স মুসা বিন শমসেরকে রোববার বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে দুই সদস্যের তদন্ত টিম। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে নানা তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন। তিনটি অভিযোগের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন আমাদের তদন্ত টিম। তা হলো- শুল্ক ফাঁকি, মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতি।

    ইংল্যান্ডের নাগরিক ফরিদ নাবিরের কাছ থেকে ২০১০ সালের ১২ মার্চ দুই কোটি ১৫ লাখ টাকায় ল্যান্ড রোভার গাড়িটি মাত্র ৫০ লাখ টাকায় ক্রয় করেন ধনকুবের প্রিন্স মুসা। কিন্তু ফরিদ সে টাকা বাংলাদেশে না রেখে বিদেশে নিয়ে যান। যা মানি লন্ডারিং আইনের লঙ্ঘন। এজন্য ফরিদ নাবিরকে প্রধান আসামি করে মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের করা হবে। একই মামলায় সহযোগী আসামি হবেন মুসা বিন শমসেরসহ অন্য সহযোগীরা।

    অন্যদিকে, গাড়িটি ক্রয় করার ক্ষেত্রে ১৭ লাখ টাকার ভুয়া বিল তৈরি করে শুল্ক ফাঁকি দেয়া হয়। ওই ১৭ লাখ টাকা আজও পায়নি শুল্ক বিভাগ। এজন্য তাকে সংশ্লিষ্ট আইনে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হবে।

    ল্যান্ড রোভার গাড়িটি বিআরটিএ’র কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ছাড়পত্র নেয়া হয়। যা দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) আইনে অপরাধ। এজন্য আমরা দুর্নীতির বিষয়টি দুদককে জানাব। দুদুক তাদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

    জিজ্ঞাসাবাদে মুসা কী বলেছেন- জানতে চাইলে ড. মইনুল খান বলেন, ‘তিনি দুই ঘণ্টাব্যাপী বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। আশা করছি আর তাকে ডাকতে হবে না। প্রয়োজন হলে তার পক্ষ থেকে কেউ এসে তথ্য দিয়ে যাবেন।

    তার বিরুদ্ধে একটি গাড়িতে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে। আরও অনেক গাড়ি রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তবে তা যাচাই ও প্রমাণসাপেক্ষ। যদি সে রকম তথ্য-প্রমাণ মেলে তবে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    এর আগে, শুল্ক ফাঁকি ও মানি লন্ডারিংয়ের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়ে হাজির হন ‘অসুস্থ’ প্রিন্স মুসা। রোববার বিকেল ৩টার দিকে ছয়টি গাড়িতে কমপক্ষে ৩০ জন দেহরক্ষী নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়ে হাজির হন তিনি। তার সঙ্গে এ সময় পাঁচ আইনজীবী ছিলেন।

    দেহরক্ষীদের বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে একটি সাদা রঙের গাড়ি থেকে নেমে গোয়েন্দা কার্যালয়ে যান মুসা। তার সঙ্গে লিফটে তিন থেকে চার দেহরক্ষী উপরে ওঠার সুযোগ পান। বাকিরা নিচে পার্কিংয়ে অবস্থান করেন।

    শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান এর আগে জাগো নিউজকে বলেন, শুল্ক গোয়েন্দার উপ-পরিচালক (ডিডি) এইচ এম শরিফুল হাসানসহ দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    তবে শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ড. মইনুল খানসহ পাঁচ কর্মকর্তা মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    গত ২১ মার্চ গুলশান- ২ এর ১০৪ নম্বর রোডের ৮নং বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মুসার শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানি করা রেঞ্জ রোভার গাড়ি জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

    গাড়িটি শুল্ক পরিশোধের ভুয়া কাগজ দিয়ে ভোলা বিআরটিএ থেকে জনৈক ফারুক উজ-জামান চৌধুরীর নামে রেজিস্ট্রেশন করান হয়। গাড়িটি প্রিন্স মুসা বিন শমসের নিজে ব্যবহার করে আসছিলেন।

     দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তার দখল থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। তদন্তের স্বার্থে গত ২০ এপ্রিল শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দিলে প্রিন্স মুসা আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ‘বাকশক্তি হারিয়েছেন’ দাবি করে সময় প্রার্থনা করেন।

    প্রিন্স মুসার সময় প্রার্থনার আবেদন মঞ্জুর করে শুল্ক গোয়েন্দারা ১৫ দিনের সময় দেন। রোববার গোয়েন্দা কার্যালয়ে হাজিরা দেন প্রিন্স মুসা।

    শুল্ক ফাঁকির ঘটনাটি তদন্তের জন্য উপ-পরিচালক এইচ এম শরিফুল হাসানকে প্রধান করে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

    সূত্র:jagonews24
  • গার্মেন্টস মালিককে গুলি, ৬৬ লাখ টাকা ছিনতাই

    গাজীপুরে দিনে দুপুরে ব্যস্ততম এলাকা থেকে এক গার্মেন্টস মালিককে গুলি করে সাড়ে ৬৬ লাখ টাকা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ছিনতাইকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত গার্মেন্টসের এমডি মোঃ রবিউল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় আহত হন ওই কারখানার হিসাব রক্ষণকর্মকর্তা ও গাড়ির চালক মোজাম্মেল হক। রোববার দুপুরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মালেকের বাড়ি এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঘটনা ঘটে।

    আহত প্রাইভেটকার চালক মোঃ মোজাম্মেল হক জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর আরএন করপোরেশনের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেট কারযোগে ওই কারখানার এমডি মোঃ রবিউল ইসলাম ঢাকার উত্তরার অফিস থেকে ইসলামী ব্যাংক গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তায় আসেন। সেখান থেকে শ্রমিকদের বেতনের সাড়ে ৬৬ লাখ টাকা উত্তোলন করে কারখানায় ফিরছিলেন।

    পথে মালেকের বাড়ি এলাকায় পৌঁছলে একটি হলুদ রংয়ের পিকআপ দিয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এ সময় পেছন থেকে আরো দুটি মোটরসাইকেলে ৪-৫ ছিনতাইকারী তার প্রাইভেটকারের দুই পাশে এসে দাড়ায়। একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা গুলি করে এবং লোহার রড দিয়ে প্রাইভেটকারের সামনের এবং পাশের দুটি কাঁচ ভেঙে ফেলে।

    পরে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও গাড়ির চালককে মারধর করে। একপর্যায়ে পেছনের ছিটে বসা কারখানার এমডি মোঃ রবিউল ইসলামকে গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা। পরে মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত ঢাকার দিকে পালিয়ে যায় তারা।

    এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানার ভোগড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ জাকির হোসেন জানান, ৫ লাখ টাকার উপরে বহন করলে পুলিশকে জানানোর কথা। কিন্তু তারা তা করেননি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়েছে। পুলিশ ছিনতাইকারীদের ধরতে ইতোমধ্যে বিভিন্নস্থানে অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

    খবর পেয়ে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল শেখ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ছিনতাইকারীদের সনাক্ত করতে তারা আশপাশের বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন।

    সূত্র:natunbarta
  • চট্টগ্রামে ২৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৬

    চট্টগ্রাম নগরীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ও রবিবার নগরীর বায়েজীদ, বাকলিয়া এবং পতেঙ্গা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবাগুলো জব্দ এবং মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা হয়।

    বায়েজীদ থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, শনিবার রাতে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১৩ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন কবির হোসেন, ইউনুস এবং জাহিদ হোসেন।

    বাকলিয়া থানা পুলিশ জানায়, রবিবার শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ সময় মো. হোসেন এবং জহির আহমেদ নামে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    পতেঙ্গা থানা পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে পতেঙ্গার নেভাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. ফরহাদ নামে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া ছয় জনের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সূত্র:bd-pratidin
  • মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা ধরে অ্যাকশনে যাবে দুদক

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রস্তুতকৃত ৩৬৫ জন মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা ধরে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবে দুদক।

    রোববার রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনে ‘মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন : আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আর কোনো কথা নয়, এখন হবে অ্যাকশন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ৩৬৫ জন ব্যবসায়ীর তালিকা করেছে। আমি অধিদফতরকে আরও এক মাসের সময় দিচ্ছি। এক মাসের মধ্যে তারা আমাদের তালিকা দেবে। ব্যবসায়ীরা যত ক্ষমতাধরই হোক না কেন, আমরা তালিকা ধরে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাব।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মাদকমুক্ত না হলে ১১টি দেশের উন্নয়ন জোনে থাকার সুযোগ নেই। ফিলিপাইনে মাদক এতটা ভয়াবহ অবস্থায় গিয়েছিল যে ৭ থেকে ৮ হাজার মাদক ব্যবসায়ীকে হত্যা করতে হয়েছে। আমরা আশা করি না বাংলাদেশেও এ ধরনের মাদকের ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে।

    প্রচার-প্রচারণা এবং সচেতনতায় বাংলাদেশ মাদকমুক্ত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) সালাহউদ্দিন মাহমুদ।

    সূত্র:jagonews24
  • ৫৮ দল নিয়ে এরশাদের নতুন জোট

    জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতৃত্বে ৫৮টি দল মিলে নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট’ ঘোষণা করলেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন এ জোটের চেয়ারম্যান হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি

    ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ ছাড়া জাপার মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে জোটের মুখপাত্র করা হয়েছে। মোট ৫৮টি দল দিয়ে গঠিত এ জোটে জাতীয় পার্টি ছাড়াও দুইটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে।

    গতকাল শনিবার দুপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ জোট গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বিষয়টি জানানো হয়।

    এর আগে জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যে জানা যায়, দুটি ইসলামিক রাজনৈতিক দলসহ মোট ৫৮টি দল নিয়ে জোট করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক সেনা প্রধান ও রাষ্ট্রপতি।

    সূত্র:mtnews24
  • মাত্র ৫ লাখ ডলারেই পাওয়া যাবে মার্কিন নাগরিকত্ব!

    ট্রাম্পের জামাতা জেরার্ড কুশনার ছিলেন শরণার্থী। কঠোর পরিশ্রম করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ভাগ্য গড়েন। যদি আপনি কুশনারের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন তবে আপনিও হতে পারবেন একজন মার্কিন নাগরিক!

    গত শনিবার বেইজিংয়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের এমন কথাই বললেন হোয়াইট হাউজের উচ্চতর উপদেষ্টা জেরার্ড কুশনারের বোন নিকোল কুশনার মেয়ার। কুশনারের পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করেন তিনি। রিটজ কার্লটন হোটেলের বলরুমে জড়ো হয়েছিলেন চীনা বিনিয়োগকারীরা।

    সিএনএন জানায়, বিভিন্ন স্লাইডের মাধ্যমে নিকোল বুঝান যে নিউ জার্সির অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে যদি কেউ লাখ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেন তাহলে তিনি সহজেই মার্কিন ভিসা পাবেন। এই ভিসাকে বিনিয়োগ ভিসা বলেই উল্লেখ করা হয়।

    তারা বিনিয়োগকারীদের বলেন দ্রুত বিনিয়োগ করুন নইলে যেকোনো সময় ভিসানীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। যে প্রচারপত্র তারা দেন সেখানে বড় বড় করে লেখা ছিলো, ৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করুন ও যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসুন।

    বেইজিংয়ে কুশনারদের এই প্রচারণা কৌশলের সমালোচনা করেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। হোয়াইট হাউজের সাবেক কর্মকর্তা রিচার্ড পেইন্টার বলেন, এটা অবিশ্বাস্যভাবে মূর্খতা এবং অনুপযুক্ত। কুশনাররা সবার মধ্যে এমন বিশ্বাস আনতে চান যে তারা ভিসা পাবেই। যেটা আসলে সম্ভব না।
    হোয়াইট হাউজ ও কুশনার কোম্পানি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

    সূত্র:poriborton
  • গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশিকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেছে বিএসএফ

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র গুলিতে এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রসুল মিয়া (৩১)কে টেনেহেঁচড়ে নিয়ে গেছে বিএসএফ।

    রোববার ভোরে বুড়িরহাট সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। রসুল মিয়া কালীগঞ্জ উপজেলার সেবকদাশ গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বুড়িরহাট সীমান্তের মেইন পিলার ৯১৫ এর ৫ নম্বর সাব পিলার দিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান ১০/১২ জন গরু ব্যবসায়ী।

    এসময় ভারতীয় ১০০-সাউদ চামটা বিএসএফ ক্যাম্পের জওয়ানরা তাদের ধাওয়া দিয়ে গুলিবর্ষণ করে। বিএসএফ’র ধাওয়া খেয়ে অন্যরা পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রসুল। এ ঘটনায় বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান করলেও বিএসএফর সাড়া মেলেনি।

    লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল গোলাম মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    সূত্র:protidinersangbad
  • একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি : ৯ মে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি : ৯ মে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু
     ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    রোববার এ নীতিমালা জারি করে বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ৯ মে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। চলবে ২৬ মে পর্যন্ত।

    অনলাইনে (www.xiclassadmission.gov.bd) এই ঠিকানায় এবং টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

    অনলাইনের ক্ষেত্রে ১৫০টাকা ফি দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে। আর এসএমএসের মাধ্যমে প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আবেদন করতে হবে ১২০ টাকা ফি দিয়ে।

    একজন শিক্ষার্থী যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

    কলেজে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ৫ জুন। এরপর আরও দুই দফায় আবেদন গ্রহণ করা হবে।

    নির্ধারিত সময়ে ভর্তির কাজ শেষ করে ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে। ভর্তির এ নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

    প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এতে ১০ বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।

    সূত্র:risingbd
  • ৪০ টাকার নিচে সবজি নেই

    শীত যাওয়ার পরপরই তেতে উঠেছে সবজি বাজার। সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে সবজি চাষিদের উপকার হলেও আবহাওয়ার অজুহাতে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে দাম। রাজধানীর পাইকারি বাজার কারওয়ানবাজারেই ৪০ টাকার কমে সবজি পাওয়া যায় না। মহল্লার বাজারে দাম আরও বেশি। বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৬০ টাকার বেশি।

    বছরের এই সময়ে সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে চলতি বছর যে দাম, অতটা থাকে না-এটা মানছেন ব্যবসায়ীরাও।

    হাতিরপুল বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেজিপ্রতি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, মরিচ ৪০, শসা ৪০, আলু ২০, বরবটি ৫০, করলা ৫০, গাজর ৫০, লেবু হালি প্রতি ২০, চিচিঙ্গা ৫০, লতি ৫০ এবং ঢেঁড়স ৪০।

    গত এক সপ্তাহে বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে পেঁপের। গত সপ্তাহে কেজিপ্রতি পেঁপের দাম ছিল ২৫ টাকা কেজি। এখন সেই পেঁপে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকায়। দশ টাকা বেড়ে পটল এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

    কাকরাইল থেকে হাতিরপুলে সবজি কিনতে এসেছেন আশরাফুল আলম। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েকদিন ধরে সবজির দাম অনেক বেশি। যেভাবে দাম বাড়ছে সেভাবে তো আমাদের বেতন বাড়ছে না। এখন এমন অবস্থা কিছুদিনের মধ্যেই দেখা যাবে বেতনের অর্ধেক টাকা্ই চলে যাবে বাজার করতে। সামনে আবার রমজান আসছে। এখনই যদি এই অবস্থা হয় তখন যে কী হবে আল্লাহ জানে।’

    এই ক্রেতা বলেন, ‘তবে উচ্চমূল্য নিয়ে সরকার কিছুটা নজরদারি করলে দাম কিছুটা হলেও কমতো। দেখেতো মনে হচ্ছে সরকারের নজরদারি নাই বলতে গেলে।’

    এই ব্যাপারে হাতিরপুল বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান আলী ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘সামনে রমজান আইয়া পড়ছে। অহন সবজির দাম বাড়বো। গতবারের তে এইবার দাম কিছুডা বেশি। এইবার ঢাকার বাইরে বৃষ্টি বাদল বেশি হইসে। বহুস ফসল নষ্ট হইয়া গেছে। তাই দাম একটু বাড়তি।’

    কারওয়ানবাজারে পাইকারিতে কেজিপ্রতি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, মরিচ ৩২, শসা ৩০, পটল ৪০, বরবটি ৪০, করলা ৪২, গাজর ৩৫, লেবু হালিপ্রতি ১৫, বিদেশি  পেঁয়াজ ২৬, পেঁপে ৩৮, ক্যাপসিকাম ২০০ টাকা হালি।

    এই ব্যাপারে কারওয়ানবাজারের পাইকারি সবজি বিক্রেতা আওলাদ হোসেন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এই মৌসুমে দাম হগলটাই বেশি থাহে। অহন ঝড় বাদলা আহে বেশি। এর লগে যাতায়াত খরচ বাড়তি। হের লগে নদী ভাঙনে বহুত ফসল চইলা গেসে। শবে-বরাতের আগে দাম আর বাড়নের সম্ভাবনা নাই কইতে গেলে। হের পরে দাম বাড়বো।’

    সূত্র:dhakatimes24
  • ৩ ডজন সমস্যায় প্রাথমিক শিক্ষা

    শিক্ষক-কর্মচারী সংকট, শ্রেণিকক্ষ ও ভবন সংকট এবং শিক্ষকদের পদোন্নতি বঞ্চনা, জটিল বদলি নীতিমালা, বদলিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং অপ্রতুল বাজেটসহ কমপক্ষে ৩৬ ধরনের সমস্যায় ভুগছে প্রাথমিক শিক্ষা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ডিপিও) দৃষ্টিতে এসব সমস্যা উঠে এসেছে।

    সূত্র জানায়, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান উন্নয়নে লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ডিপিও কনফারেন্স’-এর উদ্যোগ নিয়েছে। শিগগির ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে এ সম্মেলন। এ উপলক্ষে ডিপিওদের কাছে নির্ধারিত ছকে প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যা ও সমাধানের সুপারিশ আহ্বান করেছে মন্ত্রণালয়। তাদের পাঠানো তথ্যে প্রাথমিক শিক্ষার এসব সমস্যা উঠে আসে।

    ডিপিও সম্মেলন প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান আমাদের সময়কে বলেন, গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের সমস্যা ও সমাধানের জন্য ডিপিওদের কাছে তথ্য চাওয়া হয়। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। সমাধানের উপায়ও সম্মেলনে নির্ধারণ করা হবে।

    ডিপিওদের পাঠানো তথ্যে দেখা গেছে, শিক্ষক সংকটই গুণগত প্রাথমিক শিক্ষার প্রধান অন্তরায়। এ জন্য নিয়োগের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ কোটা বাদ দিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ, দুর্গম ও হাওর এলাকায় উপজেলাভিত্তিক কোটা নির্ধারণ করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া। প্রধান শিক্ষক পদে দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকায় মাঠ পর্যায়ে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।বিদ্যমান পদোন্নতি নীতিমালা আরও সহজীকরণ করে ডিপিও বরাবরে ন্যস্ত করার সুপারিশও করা হয়েছে।

    এ ছাড়া শিক্ষক বদলিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ, অনলাইনের মাধ্যমে বদলি, এক স্কুলে পাঁচ বছরের বেশি কর্মরত থাকলে অন্য স্কুলে বদলির নীতিমালা করা। উপজেলা থেকে উপজেলায় ডেপুটেশন বন্ধ করা। বদলির সময়সীমা জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত করা। স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় বদলির ব্যবস্থা করা।

    ঝরে পড়া রোধে স্কুল সূচি দুপুর ২টা থেকে কমিয়ে আনা; দুপুরে টিফিনের সময় ৩০ মিনিটের পরিবর্তে ৪৫ মিনিট করা; ১ম ও ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য টিফিনের সময় দেওয়া; বছরে তিনটির পরিবর্তে দুটি পরীক্ষা নেওয়া; প্রতিটি অধ্যায়ের পাঠদান শেষে অধ্যায়ভিত্তিক ক্লাস টেস্ট নেওয়া; প্রতিদিন ছয়টির পরিবর্তে চারটি বিষয় পাঠদান করা; ২৮ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শিশু ভর্তির সময় নির্ধারণ করা; স্কুলকে আনন্দদায়ক করার জন্য চারু-কারু, শারীরিক শিক্ষা ও সঙ্গীতের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া।

    এ ছাড়া ছাত্র শিক্ষক অনুপাত ১ঃ৩০ অর্থাৎ ৩০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক নিয়োগ করা; সব স্কুলে মিডডে মিল চালু, স্কুল ফিডিং এবং উপবৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা; সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করা; বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের উপবৃত্তির টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা; যেসব স্কুলে শিক্ষার্থী সংখ্যা একশ বা তার কম সেসব স্কুল বিলুপ্ত করে শিক্ষকদের অন্য স্কুলে বদলি করা; স্কুল চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধ করা; কিন্ডারগার্টেন স্কুলের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের আওতায় এনে প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সংস্কারের সুপারিশ করে ডিপিওরা।

    উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ মন্ত্রণালয় থেকে ডিপিও সম্মেলনের জন্য তথ্য চেয়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

    সূত্র:dainikamadershomoy
  • চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারতীয় সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিবর্ষণ

    সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারতীয় সেনাদের লক্ষ্য করে ফের গুলি চালাতে শুরু করল পাকিস্তানি সেনারা। পুঞ্চের বালাকোট সেক্টরে শুরু হয় এই গুলিবর্ষণ। শনিবার রাত ৭টা ৪০ মিনিট নাগাত শুরু হয় পাকিস্তানি সেনাদের এই গুলিবর্ষণ। সূত্রের খবর, এবার পাকিস্তানি সেনাদেরকেও পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনারা। যদিও এখনও কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এদিকে একই দিনে জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে পুলিশের উপর জঙ্গি হামলা হয়। যেখানে এখনও পর্যন্ত নিহত হয়েছেন চারজন। তাদের মধ্যে দুই পুলিশ কর্মী ও দুই স্থানীয় বাসিন্দা রয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন চার জন। কুলগাম মিরবাজার এলাকায় পুলিশের উপর হামলা করেছে জঙ্গিরা।

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, যখন একদল পুলিশ কর্মী এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছিলেন তখনই ঘটেছে হামলা। হাইওয়ের উপর তাদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা।

    কুলগামের এই হামলার সঙ্গে পাকিস্তানি সেনার সিসফায়ারের কোনও যোগসূত্র থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বেশির ভাগ সময়ই সীমান্ত দিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকানো ও জঙ্গিদের সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢোকার সুযোগ করে দিতেই ভারতীয় সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি করে থাকে পাক সেনা।

    সূত্র:bd-pratidin
  • প্রাণে বাঁচতে সীমান্তের গ্রাম ছাড়ছেন পাকিস্তানিরা

    ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি ছুটে আসছে। সীমান্তের ওপার থেকে এমন আক্রমণে দিশেহারা পাকিস্তানি রেঞ্জার্স। আর রক্ষীদের দুরবস্থা দেখে প্রবল ভীত এলাকাবাসী। প্রাণ বাঁচাতে গ্রাম খালি করে দূরে চলে যাচ্ছেন পাকিস্তানি নাগরিকরা। অভিযোগ, আফগান বর্ডার পুলিশ বিনা প্ররোচনায় একতরফা হামলা চালাচ্ছে। পাক-আফগান সীমান্তের পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত।

    উদ্বিগ্ন পাক সরকার শেষ পর্যন্ত শরণাপন্ন হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূত আইজাজ চৌধুরী দেখা করেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লে. জে. এইচ আর ম্যাকমাস্টারের সঙ্গে। পরে পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানায়, সীমান্তে শান্তি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দুইজনের বিশেষ আলোচনা হয়েছে।

    পাক আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আফগানিস্তানের দিক থেকে বারবার হামলায় চমন সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে আতঙ্কের পরিবেশ। দুই হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। সীমান্ত এলাকা খালি করা হচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগকে কাজে নামানো হয়েছে।

    গত এক সপ্তাহ ধরে পাক-আফগান সীমান্তের চমন পোস্ট উত্তপ্ত। আফগানিস্তান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অভিযোগ, সীমান্ত পেরিয়ে হামলার পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তান রেঞ্জার্স। তাদের রুখতেই গুলি চালিয়েছে আফগান রক্ষীরা। পাকিস্তানের দাবি, আফগান হামলায় নিহতের সংখ্যা অন্তত ১২ জন। এদের মধ্যে দুই সীমান্তরক্ষী ও শিশু রয়েছে।

    দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পথ হল চমন পোস্ট। এই পথ ধরেই দুই দেশের নাগরিকরা আসা যাওয়া করেন। পণ্য পরিবহন হয়। চমন পোস্টের একদিকে আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশ। অন্যদিকে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশ। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে আপাতত বন্ধ সীমান্ত ফটক।

    সম্প্রতি পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের বিখ্যাত সুফি সন্ত কলন্দর শাহের মাজারে নাশকতা হয। আফগানিস্তানের সীমান্ত পার করে জঙ্গিরা হামলা করেছিল বলে অভিযোগ করে পাকিস্তান। এরপরেই সীমান্ত পার করে পাক সেনা হামলা চালিয়েছিল আফগান রক্ষীদের চেক পোস্টে। চরম প্রতিবাদ করেছিল কাবুল। এরপর থেকে বারে বারে উত্তপ্ত হয়েছে দুই দেশের সীমান্ত৷

    সূত্র:bd-pratidin
  • মহেশপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান, নিহত ২

    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বজ্রাপুর হঠাৎপাড়া গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিসিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা। ওই বাড়িতে আত্মঘাতী হামলায় ২ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান।

    আজ  রবিবার, ০৭ মে সকাল থেকে এ জঙ্গি অভিযান শুরু করে সিসিটিসি ইউনিট।

    ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় সিসিটিসি ইউনিটের একজন ডিসিসহ ২ জন আহত হয়েছেন।

    সূত্র:kalerkantho
  • চট্টগ্রামে ট্রাক উল্টে ১৪ পুলিশ আহত

    মে ০৬, ২০১৭
    চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি গাড়ি উল্টে কর্মকর্তাসহ ১৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা সবাই শিল্প পুলিশের সদস্য। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর সাগরিকা টোল রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনায় আহরা হলেন-কনস্টেবল হানিফ, ফারুখ, হান্নান, আবদুর হালিম, বিজয়, জাহাঙ্গীর, রফিক, ফিরোজ, জাকের, শফিক, হাফিজুর এবং চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের এএসআই মো. জাকির। বাকি দুজনের নাম জানা যায়নি।

    চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক গৌরি লাল চাকমা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দুই তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের পরিচালক তোফায়েল আহমেদ জানান, পুলিশ সদস্যদের বহন করা একটি মিনি ট্রাক রাঙামাটির বেতবুনিয়া থেকে নগরীতে ফিরছিল। সাগরিকা টোল রোড এলাকায় পৌঁছে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পড়ে। আহত পুলিশ সদস্যরে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    সূত্র:dhakatimes24
  • ভুল অপারেশন করে অঙ্গহানি, ডাক্তার গ্রেফতার

    বগুড়ায় ভুল অপারেশন করে শারীরিকভাবে অঙ্গহানি করার অভিযোগে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় আজ বিকেলে পুলিশ এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে।

    বগুড়া সদর থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানাধীন কাশিরা গ্রামের প্রবাসী তছলিম দেওয়ানের স্ত্রী নাছিমা বেগম গত মাসের ৮ই এপ্রিল বগুড়া শহরের পালশা খন্দকারপাড়া গ্যাদা সরকারের পুত্র জুয়েলের মিথ্যা প্ররোচনায় পড়ে ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে যায়।

    পরে প্রতারনার অভিযোগে ডাক্তার ও নার্স সেজে ভুল অপারেশনের মাধ্যমে নাছিমার শরীর থেকে গর্ভাশয় কেটে ফেলেন। ফলে নাছিমা সন্তান ধারনে অক্ষম হয়ে পড়ে। বিষয়টি অন্য অভিজ্ঞ ডাক্তারে স্মরনাপন্ন হলে ঘটনার সতত্যা ধরা পড়ে।

     এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে আজ বিকালে নাছিমা বগুড়া সদর থানায় ৮ জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করে। আসামীরা হলো, পালশা খন্দকার পাড়ার গ্যাদা সরকারের পুত্র জুয়েল সরকার (৩৮), ক্লিনিকের মালিক মো. রেজাউল করিম (৪৫), ম্যানেজার এ্যাপোলো (৪৫), ডা. আশিষ কুমার, ডা. মানবেন্দ্র পাল নিলয়, ডা. হাবিবুর রহমান হাবিব, নার্স সাথী এবং নার্স শামিমা।

     এ ঘটনায়  বগুড়া সদর থানা পুলিশ চিকিৎসক আশিষ কুমারকে আটক করেছে। আটককৃত ব্যক্তিসহ আসামীরা সকলেই শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় অবস্থিত শাহসুলতান ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে জড়িত।

    বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসলাম আলী অভিযোগ এবং চিকিৎসক গ্রেফতারের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। গ্রেফতারকৃত চিকিৎসক আশীষের কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

    সূত্র:bd-pratidin
  • চীনের জন্যই ভারত মহাসাগরে উত্তেজনা বাড়ছে, দাবি আমেরিকার

    ভারত মহাসাগরে অযথা উত্তেজনা, অস্থিরতার আবহ তৈরি করছে চীন- এমনটাই দাবি আমেরিকার। ওয়াশিংটনের চোখে ভারত মহাসাগর সত্যি-সত্যিই ‘শান্তি, সুস্থিতির মহাসাগর’। কিন্তু চীনা নৌবাহিনী সেখানে যেভাবে তৎপরতা বাড়াচ্ছে, তাতেই উদ্বেগ বাড়ছে।

    মার্কিন নৌবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় ফ্লিট কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্কট সুইফ্‌ট শুক্রবার সাংবাদিকদের কাছে সরাসরি এই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ওবর’ (ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড) কর্মসূচি মেনে চীন যেভাবে উত্তরোত্তর ভারত মহাসাগরে একের পর এক রণতরী জড়ো করছে, তাতে সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠছে। প্রশ্নের পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    এর পরিণতি কী হতে পারে, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। স্পষ্ট করে বোঝা যাচ্ছে না, ‘ওবর’ কর্মসূচি অনুসরণ করে চীন ঠিক কী করতে চাইছে। একটা অদ্ভুত রকমের ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছি আমরা। আমি যে দেশেই যাচ্ছি, তারাই এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমার কাছে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারত সফরে এসে ভারতীয় সেনা-কর্তা ও সরকারি আমলাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তিনি সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। এ ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমেরিকার কিছু করণীয় আছে কি না, তা নিয়েও তার কথা হয়েছে।

     সূত্র: আনন্দবাজার।
  • শিক্ষার্থীদের গরম রডের ছ্যাঁকা!

    টাঙ্গাইলের শাহীন শিক্ষা পরিবারের আবাসিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

    তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাস্তি হিসেবে ছাত্রদের দেওয়া হয়েছে গরম রডের ছ্যাঁকা। এমন ঘটনা ঘটেছে গত শুক্রবার। ওই দিন গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয় প্রতিষ্ঠানটির ৫ আবাসিক ছাত্র।

    বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নজরে আসলে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ শনিবার দুপুরে আহতদের চিকিৎসা বন্ধ রেখে জোর করে আবাসিক ভবনে ফিরিয়ে আনে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

    আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নবম শ্রেণির কয়েকজন ছেলে শিক্ষার্থীর সাথে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টির আবাসিক ভবন পরিচালক বাবুল হোসেনের কাছে অভিযোগ করে।

    পরিচালক আবুল হোসেন তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে দশম শ্রেণির ১০ থেকে ১২জন শিক্ষার্থীকে ভবনের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে ও কক্ষ বন্ধ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় লাঠি দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে একটি রুমে আটকে রাখে।

    এ সময় মারধরের প্রতিবাদ করায় বগুড়া জেলার তালোরা এলাকার সামাদ মিয়ার ছেলে ওই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র রিজভীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে লোহার রড আগুনে পুড়িয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেন পরিচালক আবুল হোসেন।

    পরে এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত অবস্থায় জ্ঞান হারিয়ে ফেললে অন্য শিক্ষার্থীরা রিজভীসহ ৫ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বাকি আহত ৫ থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী কর্তৃপক্ষের ভয়ে আবাসিক ভবন থেকে পালিয়ে গেছে বলেও জানায় অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা।

    এ ব্যাপারে আবাসিক ভবনের একাধিক শিক্ষক বলেন, ঘটনা ঘটেছে ঠিকই, তবে এত বড় ঘটনা ঘটেনি। শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের শাসন করতেই পারেন। তিনি ছাত্রদের সামন্য শাসন করেছেন মাত্র।

    টাঙ্গাইল শাহীন আবাসিক স্কুলের অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

    সূত্র:kalerkantho
  • ২০১৮'র জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন : এলজিআরডিমন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আগামী বছরের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে নেতাকর্মীদের এখন থেকেই জনগণের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়ার আহবান জানান তিনি।

    মে দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার বিকেলে ফরিদপুর শহরের আলীপুর মোড়ে জেলা শ্রমিকলীগ আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

    এলজিআরডিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, শ্রমিক- মালিকদের আপত্তি আছে এমন কোনো আইন এ দেশে হবে না। সবার স্বার্থ রেখে দেশে শ্রম আইন করা তৈরি হবে।

    ফরিদপুর জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. আক্কাস হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর,খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী,চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম,শামসুল আলম চৌধুরী,এইচ এম ফোয়াদ প্রমুখ।

    সূত্র:kalerkantho
  • ইয়াবা ব্যবসায়ী যে-ই হোক, রেহাই নেই : প্রধানমন্ত্রী

    ইয়াবা প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, কক্সবাজারের বদনাম আছে। এখান থেকে নাকি সারা বাংলাদেশে ইয়াবা সাপ্লাই হয়। এটি বন্ধ করতে হবে। যেই জড়িত থাকুক ব্যবস্থা নিতে হবে।

     তাদের কোনো রেহাই নেই। আজ শনিবার বিকেলে কক্সবাজারের বঙ্গোপসাগরপাড়ের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে জনসভাস্থলের পাশে তিনি ১৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে তিনি বলেন, নৌকায় ভোট দিয়ে দেশ পেয়েছেন, উন্নয়ন-অগ্রগতি পেয়েছেন। আগামী যতো নির্বাচন আছে-মার্কা আছে- নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ অন্য মন্ত্রী এবং স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় তিনি কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়েতে ৭৩৭-৮০০ বোয়িং বিমান চলাচল উদ্বোধন করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেরিন ড্রাইভের যাত্রা শুরু হয়।

     উখিয়া উপজেলায় ইনানী বিচের এই মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ৭৩৭-৮০০ বোয়িং বিমান মেঘদূতে করে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আসেন। বিকেল সোয়া ৫টার পরে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

    শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-মাদক রুখতে হবে। এ জন্য কাজ করতে হবে। জঙ্গিবাদ যেমন রুখে দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তেমনি রুখতে হবে মাদক ব্যবসাও। কক্সবাজারের বদনাম আছে। এখান থেকে নাকি সারাদেশে ইয়াবা সাপ্লাই হয়। বন্ধ করতে হবে; যেই জড়িত থাকুক ব্যবস্থা নিতে হবে। জড়িতদের রেহাই হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

    ভিযোগ করে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের সময় বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। এতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিএনপি নেত্রী জানতেন না। তিনি সংসদে তোলার পর উনি বলে দিলেন, ‘যতো মরার কথা, ততো মানুষ মরেনি’। হাসিনা করেছিলেন, কতো মানুষ মরলে আপনার ততো মানুষ হবে?

    সরকার প্রধান বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে সেসময় ছুটে এসেছিলোম। যতোটা পেরেছি মানুষকে সহায়তা করেছি। রিলিফ দিতে এসে হুমকির মুখেও পড়েছি। আর এখন আমি শাসক না, আমি সেবক, সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।

     কক্সবাজারকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন হবে। ইতোমধ্যে শেষ জমি অধিগ্রহণ; অতি দ্রুত ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে। এছাড়া সড়কে চারলেনের কাজও শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে গ্যাস সঞ্চালন লাইন চালু করেছি, ১০০টি শিল্প অঞ্চল হচ্ছে। মেরিন ড্রাইভ হলো এবার নাফ টরিজম কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

    আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের অধিকার রক্ষা করে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিশাল সমুদ্রসীমা জয়, স্থল সীমানা চুক্তি, গঙ্গা পানির সুরাহা- সবই আমরাই করেছি। অধিকারের কথা বলার সাহস ছিল না জিয়ার, না ছিল এরশাদ বা খালেদার।

    খালেদা জিয়া তো ভারত সফরে দিল্লির লাড্ডু খেয়ে গঙ্গার পানির কথা বলতে ভুলেই যান। দেশে এসে বলেন, ‘ওহ আমি তো ভুলেই গেছি...’। আওয়ামী লীগ এসে অধিকার আদায় করতে পেরেছে। আমরা যেমন বন্ধুত্ব রাখি, ন্যায্য দাবিও আদায় করতে ছাড়ি না, এটাই হচ্ছে আমাদের নীতি।

    সূত্র:protidinersangbad
  • ফুটপাতে তরমুজ বিক্রি করেও আসিকের অর্জন জিপিএ-৫

    দারিদ্র্যকে জয় করে এগিয়ে চলা ফুটপাতের তরমুজ বিক্রেতা আসিক এবার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। তরমুজ বিক্রেতা মেধাবী আসিক ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর-শহরের খালপাড়া এলাকার হাসেম আলীর ছেলে।

    অভাবের কারণে লেখাপড়ার পাশাপাশি বীরগঞ্জ শহরের তাজমহল সিনেমা হলের সামনে ফুটপাতে বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সময় দেওয়া ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। তবে সেই সিনেমা হলটি বন্ধ থাকলেও বন্ধ থাকেনি আসিকের দারিদ্র জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা ব্যবসা। অদম্য ইচ্ছা শক্তিই প্রেরণা যুগিয়েছে তার দারিদ্র জয়ের। ব্যবসার পাশাপাশি সফলতা সে এনেছে লেখাপড়াতেও।

    বীরগঞ্জ কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করা আসিক ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশের সেবা করতে চায়।

    আসিকের বাবা হাসেম আলী একজন মৌসুমী ব্যবসায়ী। মা আফিনা বেগম একজন গৃহিণী। পৌর-শহরের তাজমহল সিনেমা হল মোড়ে শীতকালে ফুটপাতে ডিম বিক্রয় করে এবং অন্যান্য সময় মৌসুমী ফল বিক্রয় করে তাদের সংসার চলে। সম্পদ বলতে বসতভিটার তিন শতক জমি। পরিবারের তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড় সে।

    আসিক জানায়, দারিদ্র্যতার কারণে প্রাইভেট পড়তে না পারলেও শিক্ষকদের সহযোগিতার অভাব ছিল না। মায়ের পাশাপাশি বাবার উৎসাহে তার এই সফলতা। অভাব দূর করতেই লেখাপড়া ফাঁকে বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করি। স্কুল বন্ধ থাকলে দিনভর ফুটপাতে দোকানে বসি।

    সে আরো জানায়, দারিদ্র জয়ে শিক্ষার পাশাপাশি যে কোনো কাজে লজ্জার কিছু নেই। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করাতে লজ্জা কিসের। ভিক্ষা কিংবা কোনো অপরাধ তো করছি না।

    আসিকের বাবা হাসেম আলী জানান, ইচ্ছে তো অনেক। তবে ফুটপাতে বসে অর্জিত অর্থে ছেলেকে কতদূর পড়াতে পারবো জানি না। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে আমাদের মতো গরিবের সংসার চালানো কঠিন পড়েছে।

    এখন নতুন করে একটি চিন্তা যোগ হয়েছে ছেলেকে নিয়ে। কোথায় ভর্তি করাবো। তার ভর্তির এবং পড়াশোনার টাকা আসবে কোথা থেকে। পড়াশোনার পাশাপাশি দোকানে বসতো সেটাও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এখনো জানি না তার পড়াশোনা চলবে, নাকি বন্ধ করে দিতে হবে। চিন্তায় আছি।

    কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল ইসলাম জানান, আসিক খুব মেধাবী ছাত্র। সে কিছুটা লাজুক স্বভাবের। তবে সে নিয়মিত ক্লাস করতো। তার বাবা ফুটপাতে ব্যবসা করেন।

    সূত্র:bd-pratidin
  • ইউপি চেয়ারম্যানের মাথায় মাটির ঝুড়ি

    সাতক্ষীরা থেকে: মাটিভর্তি ঝুড়ি মাথায় নিয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সাতক্ষীরার পুরস্কারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান। গত দুই দিন ধরে সকাল থেকে পাঁচ ঘণ্টা ধরে চেয়ারম্যানের সঙ্গে মাটির ঝুড়ি বইছেন এলাকার অর্ধশতাধিক তরুণ!

    স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের ছোড়াকুড়ার পিয়ার আলীর বাড়ি থেকে আনু সরকারের বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তা। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে চলাচলে অনুপযোগী কাঁচা রাস্তাগুলো সংস্কারে এভাবে আরো কয়েকদিন ধরে চলবে এ কাজ।

    মাটির ঝুড়ি বহন করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন কালিগঞ্জ

    উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। এর আগে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় কর্তৃক খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন তিনি।

    চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তরুণরাও এ কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে ঝুড়ি মাথায় কাজে নেমে পড়েছে। তাদের সঙ্গে ওই এলাকার নারী ইউপি সদস্য মাহফুজা খাতুন, এলাকার মসজিদের ইমাম, এনজিওকর্মী এবং একজন গ্রাম্য চিকিৎসকও কাজ করছেন।

    এলাকার বাসিন্দা আজিজুর রহমান জানান, চেয়ারম্যান এলাকার ছেলে। তার নেতৃত্বে মৌতলা ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। আর আজকের এ কাজের মধ্য দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি।

    এলাকার তরুণদের নিয়ে রাস্তার কাজ প্রসঙ্গে কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী জানান, জনপ্রতিনিধিরা তো মূলত উজ্জীবক। যে কোনোভাবে এলাকার মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারলে অর্থাৎ জনপ্রতিনিধিরা সঠিকভাবে উজ্জীবকের ভূমিকা পালন করতে পারলে দেশ উন্নয়নের স্বর্ণ শিখরে পৌঁছে যাবে।

     " তিনি বলেন, "আমাদের দেশে একবার কেউ ভোটে নির্বাচিত হলে তার তো আর মাটিতে পা পড়ে না। এই সংস্কৃতি ভাঙতে হবে। যার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে তা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। "

    সূত্র:mtnews24
  • প্রতি চুমুর জন্য ১০ হাজার রুপি জরিমানা

    এক তরুণীকে(২০) চুমু খাওয়ার অপরাধে মুহাম্মদ ইরশাদ (২২) নামের এক যুবককে ২০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত। ভারতের বিহার রাজ্যের বেগুসারাই জেলার মাখাচক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    হিন্দুস্তান টাইমস এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার মাখাচক পঞ্চায়েতের কাছে অভিযোগ করেন ওই তরুণী। তিনি জানান, ইরশাদ তাকে হয়রানি করে এবং দুটি চুমু খায়। তার করা অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রতি চুমুর জন্য ইরশাদকে ১০ হাজার রুপি জরিমানা করে পঞ্চায়েত।

    তবে পঞ্চায়েতের বিচারে সন্তুষ্ট নন ওই তরুণী। তার দাবি, এই কাণ্ডের জন্য তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে হবে ইরশাদের। কারণ অত্যন্ত রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে তিনি। এই ঘটনার পর কেউ তাকে বিয়ে করবে না।

    ঘটনাটি স্থানীয় থানায় জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণকে ২০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে পঞ্চায়েত। এ ছাড়া পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তাই পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি এবং গ্রেপ্তার করেনি।

    তাদের দুজনের মধ্যে আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    সূত্র:dainikamadershomoy
  • বরিশালে বিএনপি’র কর্মীসভায় দুই গ্রুপের হাতাহাতি

    বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি’র তৃনমূল কর্মীসভায় দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল হট্টগোল, চেয়ার ছোড়াছুড়ি এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। চলমান সভার মধ্যে এমন ঘটনায় বিব্রত হয়েছেন বিএনপি’র কেন্দ্রিয় ও স্থানীয় নেতারা।

    নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলে শনিবার সকাল ১০টায় নির্ধারিত সময় থাকলেও উত্তর জেলা বিএনপি’র তৃনমূল কর্মীসভা শুরু হয় সকাল সোয়া ১১টার দিকে। তখনও প্রধান অতিথি বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সভাস্থলে এসে পৌঁছাননি।

     দলের ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান ও জয়নাল আবেদীন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দলের সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য দিচ্ছিলেন উত্তর জেলার আওতাধীন মুলাদী পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আল মামুন।

    তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২০০৮ সালে সেলিমা রহমানের পরামর্শে গঠিত উত্তর জেলা যুবদল নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। তারা দলের কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহন করেছ না। একইভাবে মুলাদী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ছত্তার খানসহ কমিটির অধিকাংশ নেতা নিস্ক্রিয়। তারা দলে গ্রুপিং করছে।

    তিনি সেলিমা রহমান অনুসারীদের কমিটি বাতিল করে দলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের অনুসারীদের নিয়ে উত্তর জেলা যুবদলের এবং মুলাদী উপজেলা বিএনপি’র নতুন কমিটি করার দাবি তোলেন। এ সময় উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ তাকে সংযত হয়ে বক্তব্য দিতে বলেন। মঞ্চে থাকা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহম্মেদ বাবলু তার তাছ থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিলে হট্টগোল শুরু হয়।

    এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা হাতাহাতি এবং চেয়ার ছোড়াছুড়ি করেন। এতে সভার কার্যক্রম কিছু সময়ের জন্য বিঘ্নিত হয়। পরে স্থানীয় সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

    একই সময়ে অশ্বিনী কুমার হলের বাইরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাতাহাতি এবং ধাক্কাধাক্কি হয়।

    বেলা ১২টার দিকে প্রধান অতিথি মির্জা আব্বাস সভাস্থলে পৌঁছলে ফের সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সোয়া ১টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি মেজবাউদ্দিন ফরহাদের সভাপতিত্বে সভার কার্যক্রম চলছিলো।

    সূত্র:bd-pratidin
  • সমুদ্র জলে পা ভেজালেন প্রধানমন্ত্রী

    সমুদ্র তীরে যাবেন আর জলে পা ভেজাবেন না তাতো হয় না। আর যে কেউ পারলেও বাংলার প্রাণের সাথে মিশে থাকা যে চেতনার ধারক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন পারবেন না। তারই প্রমাণ তিনি রাখলেলন শনিবার (৬ মে)।

    কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ইনানী বিচে সমুদ্র জলে পা ভেজালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খালি পায়ে হেঁটে বেড়ালেন বালুকাবেলায়। সেখানে সমুদ্রের মৃদু মৃদু ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিলো তার পা।

    সূত্র:kalerkantho
  • চলতি মাসে বড় ধরনের ঝড়ের আশঙ্কা

    চলতি মে মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে একটি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। একইসঙ্গে দেশজুড়ে বিশেষ করে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বজ্রসহ প্রচণ্ড কালবৈশাখী ঝড় এবং বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ কমিটি দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস নির্ধারণে সম্প্রতি একটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে আবহাওয়ার গতি-প্রকৃতি সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করা হয়।

    এর ভিত্তিতে ঝড় ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই-একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার অন্তত একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে দুই থেকে তিনদিন বজ্রসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় তিন থেকে চারদিন হালকা অথবা মাঝারি অথবা মাঝারি কালবৈশাখী বা বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এ মাসে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে) এবং অন্যান্য এলাকায় ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মৃদু এবং ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    কৃষি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৭ মে পর্যন্ত গড়ে প্রতিদিন উজ্জ্বল সূর্যকিরণ থাকবে সাড়ে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা। আর বাষ্পীভবন হবে সাড়ে তিন মিলিমিটার থেকে সাড়ে চার মিলিমিটার। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টিসহ বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।

    সূত্র:kalerkantho
  • শব্দদূষণে জটিল ৩০ রোগ

    সকাল ১০ টা। মানিকমিয়া এভিনিউ থেকে আসা প্রাইভেট ও গণপরিবহনগুলো দাঁড়িয়ে আছে ফার্মগেট সিগন্যালে। ১০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও সিগন্যাল না ছাড়ায়; দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলো ক্রমাগত হর্ন বাজাতে শুরু করে। তাতেই কর্তব্যরত ট্রাফিকের টনক নড়ে না।

    গণপরিবহনে জানালার পাশে বসা মাঝবয়সি একজন শ্বাসকষ্টের যাত্রী ক্রমাগত হাসপাস করতে থাকেন। একটা সময় তিনি অবচেতন হয়ে পড়েন। সিগন্যালে এমন অপ্রয়োজনে হর্নের শব্দে ওই যাত্রীর মতো দিনে কত শত যাত্রী যে অসুস্থ হয়ে পড়ছে তার খবর কে বা রাখে!

    যানবাহনের হর্ন, সড়কের দ্রুতগতির যানবাহনের শব্দ, রাজধানীবাসীর নিত্যসঙ্গী। এর সঙ্গে আছে আবাসিক এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনার কাজে ব্যবহৃত মেশিনের শব্দ; যা ক্রমাগত অসুস্থ করে তুলছে বৃদ্ধ ও শিশুদের। একই সঙ্গে অসুস্থ মানুষরা ক্রমে ধাবিত হচ্ছে মৃত্যুর দিকে।

    নাগরিক হিসেবে এসব অসুবিধা থেকে রেহাই পাওয়ার অধিকারও যেন হারিয়ে ফেলেছে রাজধানীর বাসিন্দারা। উন্নত বিশ্বে যানবাহনের হর্ন বাজানো নিয়ে কড়াকড়ি আইন থাকলেও রাজধানী ঢাকায় এর কোনো প্রয়োগ নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতালের সামনে দিয়ে বিকট শব্দে হর্ন বাজিয়ে হরদম গাড়ি চালিয়ে গেলেও তা দেখার কেউ নেই।

    ২০০৬ সালের শব্দদূষণ নীতিমালা অনুযায়ী ৫ ভাগে বিভক্ত এলাকায় সর্বোচ্চ শব্দসীমা নির্ধারণ করা হলেও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) গবেষণায় দেখা গেছে, সব এলাকায় শব্দ দূষণের মাত্রা সর্বোচ্চ সীমার থেকে দেড় থেকে দ্বিগুণ।

     বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রায় ৩০টি জটিল রোগের অন্যতম উৎস শব্দ দূষণ। ক্রমাগত বাড়তে থাকা শব্দের মাত্রা আগামীতে অসুস্থ প্রজন্মের জন্ম দিবে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে ভয়াবহভাবে বেড়েছে শব্দ দূষণ। অনিয়ন্ত্রিত শব্দ দূষণে বিভিন্ন রোগের পাশাপাশি ভবিষ্যতে অসুস্থ প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। সচেতনতাকেও দায়ী করেন তারা। তারা বলছেন, শব্দ দূষণ সম্পর্কে ধারণা নেই অধিকাংশ জনগণের।

     শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধি-বিধান থাকলেও সেগুলোর কোনো প্রয়োগ না থাকায় রাজধানীতে শব্দদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। সেই সাথে জনগণের অচেতনতা ও অবহেলাকেও দায়ী করেন তারা। আইন প্রয়োগের দুর্বলতা এবং জনসচেতনতার অভাবই শব্দদূষণ মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানান।

    প্রাইভেট গাড়ির চালক রফিকুল মিয়া বলেন, দেশে ২৫ বছর ড্রাইভারি করি, আইনকানুন সব জানি কিন্তু এই দ্যাশে এসব নিয়ম চলবো না। হর্ন না দিলে অন্য ড্রাইভাররা শুনতে পাবে না। রাস্তায় অনেক বেশি শব্দের কারণে আমাদেরও জোরে হর্ন বাজাতে হয়। রাস্তায় শব্দ কম থাকলে আস্তে হর্ন বাজালেও পাবলিক শুনতো।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পান্থপথ সিগন্যালে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ বলেন, বাসায় কথা বললে আমার স্ত্রী সন্তানরা বলে, ‘আমি নাকি বেশি জোরে কথা বলি, এদিকে লো সাউন্ডে কথা বললে আমার কানে পৌঁছায় না। এখন কি করবো? আমরা রাস্তায় কাজ করি, শব্দ থাকবেই, আর জনগণ সচেতন নয় বলে জানান তিনি।

    শব্দদূষণের ফলে মানুষের মানসিক ও শারীরিক সমস্যা ঘটতে পারে। উচ্চশব্দ শিশু, গর্ভবতী মা এবং হূদরোগীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। আকস্মিক উচ্চশব্দ মানবদেহে রক্তচাপ ও হূদকম্পন বাড়িয়ে দেয়, মাংসপেশির সংকোচন করে এবং পরিপাকে বিঘ্ন ঘটায়।

    এছাড়াও শ্রবণশক্তি কমে আসে, বধির হওয়ার মত অবস্থার সৃষ্টি হয়, মাথাব্যথা, বদহজম, অনিদ্রা, মনসংযোগ কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ, বিরক্তিবোধ, এমনকি অস্বাভাবিক আচরণ করার মত মনোদৈহিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। হঠাৎ বিকট শব্দ যেমন যানবাহনের তীব্র হর্ন বা পটকা ফাটার আওয়াজ মানুষের শিরা ও স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রচণ্ড চাপ দেয়।

     এধরনের শব্দের প্রভাবে সাময়িকভাবে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি হয়, রক্তনালি সংকুচিত হয়, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন মোটরযানের চালককে বেপরোয়া ও দ্রুত গতিতে যান চালাতে উত্সাহিত করে। ফলে সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

    ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ক্রমাগত শব্দদূষণের ফলে কানের টিস্যুগুলো আস্তে আস্তে বিকল হয়ে পড়ে। তখন সে আর স্বাভাবিক শব্দ কানে শুনতে পায় না। শব্দদূষণের কুফল বিষয়ে জনসচেতনতার অভাব এবং শব্দদূষণ প্রতিরোধে যথাযথ প্রশাসনিক নজরদারি ও পদক্ষেপের ঘাটতির কারণেই এমনটি হচ্ছে।

    পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এর সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সোবহান বলেন, তাই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন।

    সূত্র:ittefaq
  • মাঝরাতে এফডিসিতে ধাওয়া খেলেন শাকিব

    ৫ ই মে দিবাগত রাত তখন দেড়টা। শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন ভোটার ও প্রার্থীরা। চিত্রনায়ক শাকিব খান হঠাৎ ভোট গণনা কেন্দ্রে ঢুকে পড়েন। তবে কিছুক্ষণ পরই তাকে ধাওয়া খেতে হয়।

    ভোট গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অধিকার তার নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মনতাজুর রহমান আকবর। তিনি বলেন, ভোট গণনাকেন্দ্রে তার প্রবেশের অধিকার নেই। তাই আমরা তাকে কিছুক্ষণ পরই বের করে দেই।

     শাকিব খান সেখানে প্রবেশ করলেও দশ মিনিট পর তাকে সেখান থেকে বের করে দেয়া হয় এবং ফলাফল পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা এক দল প্রার্থী তাকে ধাওয়া করে। এ সময় তার গাড়ির দিকে ইটও ছোঁড়া হয়। তখন মিশা  সওদাগরের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত গাড়িতে ওঠেন।

     তবে এত রাতে ভোট গণনা কক্ষে শাকিব কেন- এ প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে শাকিব খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সেটি  বন্ধ পাওয়া যায়।

    সূত্র:mzamin
  • বোর্ডগুলোতে প্রশ্ন ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বৈষম্য

    বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হয় ১০টি বোর্ডের অধীনে। এর মধ্যে একটি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড এবং একটি কারিগরি বাদ দিলে বাকি আটটি বোর্ডে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং খাতা মূল্যালয়ের পদ্ধতি থাকে আলাদা। ফলে কোনো কোনো বোর্ডে প্রায়ই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খারাপ ফলাফল করছে। আর এসএসসি ও এইচএসসির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হতে গিয়ে স্কোর হচ্ছে এই ফলাফলের ভিত্তিতেই। আর এতে পিছিয়ে পড়ছে এসব বোর্ডের শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সারা দেশে একই পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন এবং প্রশ্ন প্রণয়ন না হলে বৈষম্য হয়। আর বছরের পর বছর এই বৈষম্য চলে আসলেও সরকারের বিষয়টিতে কোনো উদ্যোগ না থাকা আরও হতাশাজনক।

    এবার সবচেয়ে বেশি পাস করেছে রাজশাহী বোর্ডে। রাজশাহীতে পাসের হার ৯০ দশমিক ৭০ শতাংশ। সবচেয়ে কম পাসের হার কুমিল্লা বোর্ডে। কুমিল্লায় পাসের হার ৫৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এই দুই বোর্ডের পাসের পার্থক্যটা ৩১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

    এছাড়া ঢাকা বোর্ডে ৮৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ, দিনাজপুরে ৮৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৮০ দশমিক ২৬ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৮০ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৭৭ দশমিক ২৪ শতাংশ পাস করেছে।

    অর্থাৎ ঢাকা ও রাজশাহী বোর্ডে উচ্চহারে পাস ছাড়া পাঁচ বোর্ডে পাসের হারের দিক থেকে মোটামুটি একটা সামঞ্জস্য আছে। কিন্তু কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফল হয়েছে অনেক বেশি খারাপ।

    এটা এবারই প্রথম নয়। কুমিল্লা বোর্ডে এর আগেও পাসের হার কম হয়েছে। এই বোর্ডে জিপিএ ফাইভ এর সংখ্যাও অন্যান্য বোর্ডের তুলনায় কম থাকে। আনুপাতিক হারেও কম হয় এটা।

    কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদ ফলাফল বিপর্যয়কে অস্বাভাবিক আখ্যায়িত করে বলেছেন, ‘আমরা প্রথমবারের মত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মত পরীক্ষক আর প্রধান পরীক্ষকদের কঠোর মনিটরিং এ রেখেছি। এটাও ফলাফলের উপর একটি প্রভাব ফেলেছে।’

    কায়সার আহমেদের এই বক্তব্য সঠিক হলে প্রশ্ন করা যেতেই পারে, তাহলে অন্য নয়টি বোর্ড কি এই নির্দেশনা কঠোরভাগে অনুসরণ করেনি? যদি একটি একক বোর্ড এক ধরনের নীতিমালা অনুসরণ করে এবং অন্যগুলো তা না করে, তাহলে বৈষম্যের অভিযোগ তো থেকেই যায়।

    শিক্ষাবিদরা বলছেন, যেহেতু এসএসসি এবং এইচএসসির পর উচ্চশিক্ষায় এই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য স্কোর নির্ধারিত হয়, সেহেতু দুই পাবলিক পরীক্ষায় সব বোর্ডে একই প্রশ্ন এবং একই ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি থাকা উচিত।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) সাবেক পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এক বোর্ডের সঙ্গে অন্য বোর্ডের পার্থক্যটা চোখে পড়ার মতো। ৩০ শতাংশের উপরে তফাৎ থাকা অস্বাভাবিক। এরকম হওয়াটা প্রশ্নবিদ্ধ।’ তিনি বলেন, ‘পাসের হার কম বলে এর অর্থ এই না যে কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে খারাপ। পরীক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এটা হতে পারে।’

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান একে আজাদ চৌধুরী্র ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বিভিন্ন বোর্ডের পাসের হারের তারতম্যটা চোখে পড়ার মতো। একই ব্যাকগ্রাউন্ডে, একই বই, একই কালচার ও একই কারিকুলাম থাকার পড়ালেখা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আলাদা আলাদা। মূল্যায়নও হচ্ছে আলাদা। আর এ কারণে ফলাফলেও হচ্ছে পার্থক্য। এটা প্রশ্নবোধক। পার্থক্য পাঁচ বা ১০ শতাংশ হতে পারে। তাই বলে ৩০ শতাংশ কীভাবে হবে?’।

    নটরডেম কলেজের সাবেক অধ্যাপক এ এন রাশিদা বেগম বলেন, ‘ফলাফলের এই পার্থক্যটা খতিয়ে দেখা উচিৎ। এই পার্থক্যের কারণে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণে খারাপ ফল করা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়বে। তাই সেখানে ফলাফল বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে ভর্তি করা ঠিক হবে।’

    কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদের তথ্যমতে, গণিত এবং ইংরেজিতে পরীক্ষার্থীরা খারাপ করায় তার বোর্ডে ফল বিপর্যয় হয়েছে। এই বোর্ডে এবার এবার প্রায় ৩৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী ফেল করেছে গণিতে আর প্রায় ৩০ শতাংশ পরীক্ষার্থী ফেল করেছে অংকে।

    এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা স্ট্যান্ডারাইজেশন করে উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছি। এখানে পৃথক মূল্যায়নের কোনো সুযোগ নেই। একটা পদ্ধতি আমরা ঠিক করে দিয়েছি। এই পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য যাতে না হয় সেই জন্যই এটা করা।’

    সূত্র:dhakatimes24