নারীদের অজান্তে স্পর্শকাতর ভিডিও করত সুমন
অক্টোবর ৩১, ২০১৬
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টয়লেটে যাওয়া নারীদের অজান্তে তাদের স্পর্শকাতর চিত্র ভিডিও করত মো. হাসিবুর রহমান সুমন। সে রাজধানীর ধানমণ্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পিএবিএক্স অপারেটর। পুলিশ রিমান্ডে সে জানিয়েছে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির টয়লেটে যাওয়া এক নারী রোগীর ১০ সেকেন্ডের একটি স্পর্শকাতর দৃশ্য সে গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করে। সে আরও জানায়, এ ধরনের ভিডিও চিত্র ধারণের জন্য প্রায়ই হাসপাতালের নারী টয়লেটের পাশে ওতপেতে থাকত। সুযোগ বুঝে টয়লেটের নিচের খালি অংশ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে মোবাইল ফোনে গোপনে নারীদের ভিডিও ধারণ করত। পরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে সেগুলো বন্ধুদের দিত সে।
পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় আদালতের মঞ্জুরকৃত দুদিনের রিমান্ডের প্রথমদিন গতকাল সুমনের কাছ থেকে এ ধরনের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোন দিয়ে গোপনে তোলা ভুক্তভোগী আরও দুই নারীর ভিডিওচিত্রও জব্দ করা হয়েছে। এসব তথ্য জানান সুমনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমণ্ডি থানার এসআই খায়রুল ইসলাম।
তিনি জানান, চার বছর ধরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করছে সুমন। সে মিরপুরের সরকারি বাঙ্লা কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করে এ প্রতিষ্ঠানে যোগ দেয়। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিরপুর বাঙ্লা কলেজের পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসও (ইউল্যাব) লেখা আছে। সুমনের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে। তার বাবা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আলমডাঙ্গা শাখায় কর্মরত।
এসআই খায়রুল জানান, সুমনের কাছ থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিকে আসা আরও ২ নারী রোগীর ভিডিও পাওয়া গেছে। তাদের অজান্তে ধারণ করা ভিডিওগুলো পরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছে বলে স্বীকার করেছে সুমন। তবে সে বলেছে, ‘ণিকের মোহ’ থেকেই ভিডিওগুলো করা। এসআই খায়রুল বলেন, উদ্দেশ্য যা-ই হোক, গুরুতর এ অপরাধের কারণে সুমনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে।
জানা গেছে, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এ সর্বনিম্ন দুই থেকে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদ- এবং এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে ধানমণ্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টয়লেটে গোপনে এক নারী রোগীর ভিডিও ধারণ করায় হাসিবুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী নারী ধানমণ্ডি থানায় সুমনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা (নম্বর ১৩) করেন। সেই মামলায় সুমনকে আদালতে হাজির করে দুদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
সূত্র:dainikamadershomoy
পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় আদালতের মঞ্জুরকৃত দুদিনের রিমান্ডের প্রথমদিন গতকাল সুমনের কাছ থেকে এ ধরনের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোন দিয়ে গোপনে তোলা ভুক্তভোগী আরও দুই নারীর ভিডিওচিত্রও জব্দ করা হয়েছে। এসব তথ্য জানান সুমনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমণ্ডি থানার এসআই খায়রুল ইসলাম।
তিনি জানান, চার বছর ধরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করছে সুমন। সে মিরপুরের সরকারি বাঙ্লা কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করে এ প্রতিষ্ঠানে যোগ দেয়। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিরপুর বাঙ্লা কলেজের পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসও (ইউল্যাব) লেখা আছে। সুমনের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে। তার বাবা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আলমডাঙ্গা শাখায় কর্মরত।
এসআই খায়রুল জানান, সুমনের কাছ থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিকে আসা আরও ২ নারী রোগীর ভিডিও পাওয়া গেছে। তাদের অজান্তে ধারণ করা ভিডিওগুলো পরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছে বলে স্বীকার করেছে সুমন। তবে সে বলেছে, ‘ণিকের মোহ’ থেকেই ভিডিওগুলো করা। এসআই খায়রুল বলেন, উদ্দেশ্য যা-ই হোক, গুরুতর এ অপরাধের কারণে সুমনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে।
জানা গেছে, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এ সর্বনিম্ন দুই থেকে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদ- এবং এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে ধানমণ্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টয়লেটে গোপনে এক নারী রোগীর ভিডিও ধারণ করায় হাসিবুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী নারী ধানমণ্ডি থানায় সুমনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা (নম্বর ১৩) করেন। সেই মামলায় সুমনকে আদালতে হাজির করে দুদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
সূত্র:dainikamadershomoy





















