Browsing "Older Posts"

  • নারীদের অজান্তে স্পর্শকাতর ভিডিও করত সুমন

    অক্টোবর ৩১, ২০১৬
    মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টয়লেটে যাওয়া নারীদের অজান্তে তাদের স্পর্শকাতর চিত্র ভিডিও করত মো. হাসিবুর রহমান সুমন। সে রাজধানীর ধানমণ্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পিএবিএক্স অপারেটর। পুলিশ রিমান্ডে সে জানিয়েছে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির টয়লেটে যাওয়া এক নারী রোগীর ১০ সেকেন্ডের একটি স্পর্শকাতর দৃশ্য সে গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করে। সে আরও জানায়, এ ধরনের ভিডিও চিত্র ধারণের জন্য প্রায়ই হাসপাতালের নারী টয়লেটের পাশে ওতপেতে থাকত। সুযোগ বুঝে টয়লেটের নিচের খালি অংশ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে মোবাইল ফোনে গোপনে নারীদের ভিডিও ধারণ করত। পরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে সেগুলো বন্ধুদের দিত সে।

    পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় আদালতের মঞ্জুরকৃত দুদিনের রিমান্ডের প্রথমদিন গতকাল সুমনের কাছ থেকে এ ধরনের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোন দিয়ে গোপনে তোলা ভুক্তভোগী আরও দুই নারীর ভিডিওচিত্রও জব্দ করা হয়েছে। এসব তথ্য জানান সুমনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমণ্ডি থানার এসআই খায়রুল ইসলাম।

    তিনি জানান, চার বছর ধরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করছে সুমন। সে মিরপুরের সরকারি বাঙ্লা কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করে এ প্রতিষ্ঠানে যোগ দেয়। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিরপুর বাঙ্লা কলেজের পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসও (ইউল্যাব) লেখা আছে। সুমনের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে। তার বাবা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আলমডাঙ্গা শাখায় কর্মরত।

    এসআই খায়রুল জানান, সুমনের কাছ থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিকে আসা আরও ২ নারী রোগীর ভিডিও পাওয়া গেছে। তাদের অজান্তে ধারণ করা ভিডিওগুলো পরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছে বলে স্বীকার করেছে সুমন। তবে সে বলেছে, ‘ণিকের মোহ’ থেকেই ভিডিওগুলো করা। এসআই খায়রুল বলেন, উদ্দেশ্য যা-ই হোক, গুরুতর এ অপরাধের কারণে সুমনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে।

    জানা গেছে, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এ সর্বনিম্ন দুই থেকে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদ- এবং এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে ধানমণ্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টয়লেটে গোপনে এক নারী রোগীর ভিডিও ধারণ করায় হাসিবুর রহমান সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী নারী ধানমণ্ডি থানায় সুমনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা (নম্বর ১৩) করেন। সেই মামলায় সুমনকে আদালতে হাজির করে দুদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।


    সূত্র:dainikamadershomoy
  • কাশ্মিরে আরো এক ভারতীয় সেনা নিহত

    জম্মু-কাশ্মিরে আবারো পাক সেনাদের গুলিতে এক ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো দুই নারী। সোমবার নিয়ন্ত্রণ রেখার পোঞ্চ এবং রাজৌরি সেক্টরে সীমান্তে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। খবর প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার। 

    সেনাবাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের এক মুখপাত্র বলেছেন, রাজৌরি সেক্টরে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ব্যাপক গোলাগুলি করেছে পাকিস্তান। এই ঘটনায় এক সেনা শহিদ হয়েছেন। এছাড়া পোঞ্চ সেক্টরে গোলাগুলির ঘটনায় আরো দুই নারী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। 

    এক সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার সকালে হঠাৎ করেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু করে পাকিস্তান। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় পাক সেনারা বালাকোট সেক্টরে গোলাগুলি শুরু করলে ভারতীয় সেনারা তাদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। 


    সূত্র:jagonews24
  • হৃদরোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা হয়

    বুকে ব্যথা হলে প্রথমে হৃদ্রোগের কথাই মনে পড়ে। এই ভয় অমূলক নয়। প্রাপ্তবয়স্ক যেকোনো ব্যক্তির বুকে ব্যথা হলে হৃদ্রোগ আছে কি না, নিশ্চিত হওয়া উচিত। তবে বিশ্বজুড়ে যত মানুষ হৃদ্রোগজনিত বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে আসেন, তার চার গুণ আসেন অন্যান্য কারণে বুকে ব্যথার চিকিৎসা নিতে। হৃদ্রোগের আশঙ্কা বাতিল হয়ে যাওয়ার পর বুকে ব্যথার অন্যান্য কারণ নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে।
    মাংসপেশি বা হাড়ের সমস্যার কারণে অনেক সময় বুকে ব্যথা হয়। ফুসফুস বা ফুসফুসের চারপাশের পর্দার সংক্রমণ বা নানা রোগেও বুকে ব্যথা হয়। খাদ্যনালির সমস্যা, পেপটিক আলসার বা পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপরে উঠে আসার কারণে প্রায়ই বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। এ ধরনের ব্যথা সাধারণত পাঁজরের নিচে মধ্যখানে দেখা দেয়। খাবারের কারণেও অনেক সময় বুক জ্বালা করে। ভয় বা আতঙ্ক থেকেও বুক চেপে আসে বা ব্যথা করতে থাকে। এর পাশাপাশি ঘাম, বুক ধড়ফড় ও ঘন ঘন নিশ্বাস হতে পারে, যা হৃদ্রোগের মতোই লাগে। কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়ায়ও বুকে ব্যথা হয়। খাবার গেলার সময় খাদ্যনালির মাংসপেশির সমন্বয়হীনতার কারণেও বুকে তীব্র ব্যথা হতে পারে।
    হৃদ্রোগ ছাড়া অন্য কোনো কারণে বুকে ব্যথা হলে তা বাম হাত, কাঁধ ইত্যাদি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে না। নন কার্ডিয়াক চেস্ট পেইন বা এ ধরনের ব্যথা সাধারণত বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায় না। তবে যেকোনো রকমের বুকে ব্যথারই সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

    ডা. মো. আজিজুর রহমান
    বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

    স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
    বি ভিটামিন কি বোধশক্তি হ্রাসের গতি কমাতে পারে?
    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, আলঝেইমার্স রোগ বা স্মৃতিভ্রম এবং বোধশক্তির বিলুপ্তি সারাতে বি ভিটামিনগুলো বেশ কাজে দেয়। ভিটামিন বি৬, বি১২, ফলিক অ্যাসিড ইত্যাদি সেবনে এ ধরনের রোগীর উপকার হয়।


    সূত্র:prothom-alo
  • ধ্বংসাত্মক কয়েকটি কবিরা গোনাহ, যে গুলো আমাদের ঈমানকে নষ্ট করে দেয়

    ইসলাম ডেস্ক: হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, যে কেউ কোনো মুআহিদকে (যাকে মুসলমানরা নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাকে) হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের ঘ্রাণ ৪০ বছরের দূরত্ব হতেও পাওয়া যায়। (বোখারি/মেশকাত : ৩৩০৪)।

    গোনাহ দুই প্রকার। ক. কবিরা। খ. সগিরা। আল্লাহ তায়ালা এবং রাসূল (সা.) যেসব গোনাহের ব্যাপারে কোনো শাস্তি আরোপ করেছেন এবং স্পষ্টভাবে তা থেকে বারণ করেছেন তাই হলো কবিরা গোনাহ। তবে কবিরার মধ্যেও রয়েছে বিভিন্ন স্তর। কোনো কোনো কবিরা গোনাহ আল্লাহ তায়ালার সত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত, আবার কোনোটা বান্দার সঙ্গে সম্পর্কিত। নিম্নে গুরুতর কয়েকটি কবিরা গোনাহ নিয়ে আলোচনা করা হলো :

    ক. শিরক করা
    কবিরা গোনাহের স্তরে এটি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এবং স্পর্শকাতর। মহান আল্লাহ তায়ালার সত্তা, গুণাবলি ও কার্যাবলিতে অন্য কাউকে শরিক করা বা সমকক্ষ জ্ঞান করাই শিরক। যেমন- আল্লাহর কাছে মোনাজাত করার মতো জীবিত বা মৃত কারও নিকট প্রার্থনা করা। কবর বা মাজারে সেজদা করা, কোনো ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠককে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে বিশ্বাস করা, পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, আল্লাহ তায়ালাকে ছেড়ে এমন কাউকে ডাকবে না যে তোমার কোনো উপকারও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না। তারপরও যদি তুমি এরূপ কর তাহলে তুমি জালেমদের মধ্যে গণ্য হবে। (সূরা ইউনুস : ১০৬)।

    অন্য আয়াতে এরশাদ হয়েছে, যে আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দিয়েছেন। (সূরা মায়িদা : ৩১২)।

    শিরক ঈমানকে ধ্বংস করে দেয় এবং শিরককারী ব্যক্তি কাফের বলে গণ্য হয়। এমনকি শিরকই একমাত্র গোনাহ, যা ছাড়া আল্লাহ সব গোনাহকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, নিশ্চয় আল্লাহ কখনও তার সঙ্গে শরিক করার গোনাহ ক্ষমা করবেন না। এছাড়া আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দেবেন।

    খ. শিরকের পর মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে গর্হিত ও মন্দ কাজ হলো অন্যায়বিহীন মানুষের প্রাণনাশ করা। চাই তা ভ্রুণ হোক কিংবা অন্য কেউ। মানবহত্যা মানবতা বিধ্বংসী ও সুস্থ বিবেকবর্জিত অপরাধ। রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, কোনো মোমিনকে অন্যায়ভাবে হত্যা করার চেয়ে দুনিয়াটা ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল্লাহর কাছে অধিকতর সহজ। (তিরমিজি)।

    এমনকি একজন মানুষের প্রাণনাশ করা সব মানবজাতির প্রাণনাশের নামান্তর। আল্লাহ তায়ালা বলেন, কেউ যদি কাউকে হত্যা করে এবং তা অন্য কাউকে হত্যা
     
    করার কারণে কিংবা পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তারের কারণে না হয়, তবে সে যেন সব মানুষকে হত্যা করল। (সূরা মায়িদা : ৩২)।

    অন্যায়ভাবে হত্যাকারীর জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তির হুশিয়ারি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমকে জেনেশুনে হত্যা করবে তার শাস্তি হলো জাহান্নাম। যাতে সে সর্বদা থাকবে এবং আল্লাহ তার প্রতি গজব নাজিল করবেন ও তাকে লানত করবেন। আর আল্লাহ তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। (সূরা নিসা : ৯৩)।

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, যে কেউ কোনো মুআহিদকে (যাকে মুসলমানরা নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাকে) হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের ঘ্রাণ ৪০ বছরের দূরত্ব হতেও পাওয়া যায়। (বোখারি/মেশকাত : ৩৩০৪)।

    এ হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, নিরাপত্তা প্রদত্ত কাফেরের জানমালও মুসলমানের ন্যায় সংরক্ষিত। তাদের ওপর আঘাত হানাও জঘন্যতম অপরাধ।

    উপরোক্ত বিধানগুলো হত্যাকারীর পাশাপাশি হত্যায় সহায়তা দানকারীর ক্ষেত্রেও সমান প্রযোজ্য। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সামান্য কথার দ্বারাও কোনো মোমিনের হত্যার ব্যাপারে সহায়তা করল সে আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তার কপালে লেখা থাকবে ‘আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ।’ (ইবনে মাজাহ/মেশকাত : ৩৩৩১)।

    গ. সুদ খাওয়া
    সুদ বলা হয় বিনিময়বিহীন অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করাকে। ইসলাম এবং ইসলামী শরীয়ত শোষণ, জুলুম, নির্যাতন ও মনষ্যত্বহীনতার পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত। সম্পদের ব্যবহার ও ভোগের ক্ষেত্রে ইসলাম দিয়েছে ব্যাপক অধিকার। কিন্তু যে ভোগের কারণে সমাজের অন্যজন নির্যাতিত হয় এবং শিকার হয় দুঃখ-কষ্টের সেই ভোগকে ইসলাম হারাম করে দিয়েছে। পবিত্র কোরআনুল কারিমের বর্ণনা, আল্লাহ বিক্রিকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। (সূরা বাকারা : ২৭৫)।

    ব্যবসা-বাণিজ্য যেহেতু মানবিক সাম্য ও অর্থনৈতিক ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যম, তাই ইসলামী শরীয়ত তা গ্রহণ করেছে। আর সুদ যেহেতু মানবতা বিরোধী শোষণমূলক লেনদেন, তাই ইসলাম তাকে হারাম ঘোষণা করেছে।

    ইসলাম সুদকে শুধু হারামের মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং সুদের ব্যাপারে কোরআন ও হাদিসে যে ধমকি এসেছে অন্য কোনো পাপের বেলায় এমনটা করা হয়নি। এরশাদ করা হয়েছে, হে মোমিনরা! আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমরা যদি প্রকৃত মোমিন হয়ে থাক তবে সুদের যে অংশই অবশিষ্ট রয়ে গেছে তা ছেড়ে দাও, আর যদি তোমরা সুদকে পরিত্যাগ না কর তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও। (সূরা বাকারা : ২৭৮-২৭৯)।

    রাসূল (সা.) বর্ণনা করেন, সুদের গোনাহের ৭০টি স্তর রয়েছে। এর সর্বনিম্নটি হলো স্বীয় মাতাকে বিবাহ করা। (মেশকাত : ২৭০২)।

    সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এমন কঠিন হুশিয়ারি বাণী আসার পরেও যে এর থেকে নিবৃত হবে না তার মতো হতভাগা কে হতে পারে। এমন কেউ কী আছে যে তার মোকাবেলায় রণাঙ্গনে অবতীর্ণ হবে।

    ঘ. আহলে এলমকে অবজ্ঞা করা
    আহলে এলম বলা হয় যারা কোরআন ও হাদিসের বুৎপত্তি অর্জন করে এবং সে অনুযায়ী আমল করে। কোরআন-হাদিস যেমন সম্মানিত এর সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি ব্যক্তি এবং বস্তুও তেমন সম্মানিত। এক প্রস্থ কাপড় দিয়ে যখন কোনো জামা তৈরি করা হয় এর সম্মান এবং মূল্য যতটুকু হয়, পবিত্র কোরআনুল কারিমের সামান্য গিলাফটির মূল্য তার চেয়ে শতগুণ বেশি হয়। আর এটাই ঈমানের দাবি।

    আল্লাহ তায়ালা আহলে এলম সম্পর্কে কোরআন পাকে বর্ণনা করেন, হে নবী আপনি বলুন! যারা প্রাজ্ঞ আর যারা অপ্রাজ্ঞ তারা কী সমান হতে পারে? (জুমার : ৯)।

    হজরত মোয়াবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের বিজ্ঞ আলেম বানিয়ে দেন। (বোখারি ও মুসলিম, মেশকাত : ১৮৯)। অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়, একজন এবাদত গুজার ব্যক্তির ওপর একজন আহলে এলমের মর্যাদা তেমন পূর্ণিমা রাতে সব নক্ষত্রের ওপর চাঁদের মর্যাদা যেমন, আর আহলে এলমরাই হলো আম্বিয়া কেরামদের উত্তরসূরি। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত : ২০০)।

    ১৪০০ বছর আগে মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেন। কিন্তু তার অবর্তমানে কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিম উম্মাহর প্রতিনিধি হিসেবে আহলে এলমদের নির্বাচিত করা হয়। কেয়ামত পর্যন্ত তারা রাসূল (সা.) এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবেই নির্বাচিত থাকবে।
    কেউ যদি অন্তর থেকে আহলে এলমকে অবজ্ঞা এবং ঘৃণা করে তার ঈমান থাকবে না। কারণ আহলে এলমকে অবজ্ঞা করা প্রকারান্তরে রাসূল (সা.) কেই অবজ্ঞা করা হলো। আর রাসূল (সা.) কে অবজ্ঞা এবং কটাক্ষকারী কখনও মুসলিম থাকতে পারে না।

    তাই সচেতন সব মুসলমানকে ভেবে দেখা উচিত, আহলে এলমের মর্যাদা নিজের ভেতর কতটুকু বিদ্যমান? আমি আহলে এলমকে কটাক্ষ করে রাসূল (সা.) এর স্থলাভিষিক্তদের অবজ্ঞা করে নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করতে পারব কি? সবচেয়ে বড় কথা, আল্লাহ এবং রাসূলের অবাধ্য হয়ে পরকালে কীভাবে মুক্তির আশা করতে পারি?-হাবীবুল্লাহ আল মাহমুদ.


    সূত্রmtnews24:
  • মিষ্টি পানীয় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

    লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি (এলএসইউ) অধ্যাপক মেলিন্ডা সথের্ন বলেন, “সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গবেষণায় চিনিযুক্ত পানীয়র সঙ্গে প্যানক্রিয়াটিক ও এনডমেট্রিয়াল ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার হওয়ার এমনকি ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষদের পুনরায় ক্যান্সার হওয়া এবং মৃত্যুঝুঁকি বাড়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।”

    প্রধান গবেষক এলএসইউ-র অধ্যাপক তুং-সুং সেং তার সহযোগীদের নিয়ে ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের এনএইচএএনইএস এর সংগ্রহ করা ২২ হাজারের বেশি প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির তথ্য পরীক্ষা করেন।

    এনএইচএএনইএস-র কর্মীরা ওই ২২ হাজার ব্যক্তির চিনিযুক্ত ফলের রস, সোডা, ফলের সৌরভ সমৃদ্ধ পানীয়, এনার্জি ড্রিংক, চিনিযুক্ত চা ও কফি এবং অন্যান্য চিনিযুক্ত পানীয় পানের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে।

    সেখানে দেখা যায়, প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ চিনিযুক্ত পানীয় পানের মাধ্যমে দৈনিক উচ্চমাত্রায় চিনি গ্রহণ করে। গবেষকদের মতে, ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া অনেক মানুষের ক্ষেত্রেই উচ্চমাত্রায় চিনি সেবন ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

    ‘দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন’ সপ্তাহে ৪৫০ কিলোক্যালোরির বেশি মিষ্টি পানীয় পান না করা বা ১২ আউন্সের তিনটিরও কম ক্যান মিষ্টি পানীয় পানের পরামর্শ দিয়েছে।


    সূত্র:bdnews24
  • বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে

    এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। ঢাকাই ছবিতে দীর্ঘদিন রাজত্ব করেছেন এ তারকা। বর্তমানে হাতে ছবির ব্যস্ততা না থাকায় টিভি নাটকেই বেশি দেখা যাচ্ছে তাকে। তবে নাটকের ব্যস্ততা থাকলেও তা কেবল উৎসবকেন্দ্রিকই দেখা যায়। মূলত স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়েই যেন বেশি ব্যস্ততা তার। নাট্যাঙ্গন ও চলচ্চিত্রের সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি-

    * এক সময়ে সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন। এখন অভিনয় করছেন নাটকে। নিজেকে কোন মাধ্যমের লোক ভাবতে বেশি ভালো লাগে?

    ** আমার মতে একজন অভিনয় শিল্পী অভিনয়ের ক্ষেত্রে কখনও বিভাজন করেন না। নাট্যাঙ্গন বা চলচ্চিত্রাঙ্গন যে মাধ্যমেই হোক যদি অভিনয়ের সুযোগ থাকে তাহলেই সে খুশি। আমি সিনেমার মানুষ না নাটকের এ চিন্তা কখনও মাথায় আসেনি। আমি মূলত একজন অভিনেত্রী।

    * অভিযোগ রয়েছে বর্তমানের নাটকে দর্শকরা গল্প খুঁজে পান না। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

    ** এ অভিযোগের সঙ্গে আমিও একমত। তবে সব নাটকই যে গল্পহীন তা কিন্তু নয়। ভালো-মন্দ নিয়েই বর্তমানে নাটক তৈরি হচ্ছে। তবে অনেক চ্যানেল থাকার কারণে ভালো মানের গল্পের নাটকগুলোও দর্শকদের দেখা হয় না। এটা সত্যি, এখন ভালো গল্পের চেয়ে নামমাত্র গল্প নিয়ে নাটক বেশি নির্মাণ হচ্ছে। এ ছাড়াও নাটকগুলো কেমন যেন একটা সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি হয়ে যাচ্ছে।

    * এ সিন্ডিকেট ভাঙার উপায় কি অভিনয়শিল্পীদের হাতে নেই?

    ** নেই বলেই মনে হয়। এখন তো বিশ্বায়নের যুগ। এ যুগে সব কিছুই ব্যবসায়িক দৃষ্টিতে দেখা হয়। তাই শিল্পের চেয়ে ব্যবসাটাই বড়। শিল্পটা এখন ব্যবসায়ীদের হাতেই চলে গেছে। আর ব্যবসায়ীরা শিল্পের চেয়ে ব্যবসার দিকটাই বেশি চিন্তা করছেন। তাদের উচিত শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখে ব্যবসা করা। কারণ শিল্প না বাঁচলে এ সেক্টরে তাদের ব্যবসাও হবে না। তবে অভিনয়শিল্পীরা সম্মিলিত হয়ে উদ্যোগ নিলে কিছু একটা পরিবর্তন আসতে পারে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    * নতুন ছবি কিংবা টু বি কন্টিনিউ ছবির খবর কী?

    ** নতুন কোনো ছবির খবর আপাতত নেই। কোনো খবর থাকলে অবশ্যই সবাইকে জানাব। টু বি কন্টিনিউ ছবিটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে গেছে। এতে আমি আমার কাজ শেষ করেছি। যতদূর জানি ছবিটির শুটিং, ডাবিং সব কিছুই শেষ হয়ে আছে। এখন কেবল মুক্তির প্রতীক্ষায়। পরিচালকই জানেন টু বি কন্টিনিউ কবে নাগাদ প্রেক্ষাগৃহে আসবে।


    সূত্র:jugantor

  • হিলারিকে জয়ী করতে মুসলিম আমেরিকানদের ঐক্য

    আমেরিকার ৩০টি অঙ্গরাজ্যের মুসলিম নেতৃবৃন্দ সম্মিলিত আওয়াজ তুললেন প্রেসিডেন্ট পদে হিলারি ক্লিনটনকে বিজয়ী করার। স্লোগান দিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কল্যাণে হিলারির বিকল্প নেই। বিশ্ব শান্তির স্বার্থেই হিলারিকে প্রেসিডেন্ট চাই’।

    স্থানীয় সময় রবিবার দুপুরে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় ‘আমেরিকান মুসলিম পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’ তথা ‘অ্যামপেক’র ব্যানারে হিলারি ক্লিন্টনের সমর্থনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নারীসহ নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণের ঘটনাটি সকলের দৃষ্টি কাড়ে।

    এ সমাবেশে বক্তব্যকালে নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের প্রসপেক্ট পার্ক সিটির মেয়র মোহাম্মদ তাহের খায়রুল্লাহ বলেন, ‘মুসলিম আমেরিকানরা আজ ঐক্যবদ্ধ। ৩৩ লাখ ভোট রয়েছে আমাদের। এই ভোট ব্যাংক কাজে লাগিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত জাতি ও ধর্ম বিদ্বেষীদের ধরাশায়ী করতে হবে।’

    ডেমোক্রেটিক পার্টিতে এশিয়ান-আমেরিকান ককাসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার মোহাম্মদ আলম বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন মুসলিম-আমেরিকানদের ঐক্যবদ্ধ হবার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নেই সকলকে ভোট দিতে হবে হিলারিকে।’

    ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাহী সংস্থার প্রতিনিধি তালাত খান বলেন, ‘ট্রাম্প শুধু মুসলমানদেরই শত্রু নন, তিনি হিসপ্যানিক, আফ্রিকান এবং ইমিগ্র্যান্টদের শত্রু। নারীর প্রতিও তার বিদ্বেষ রয়েছে। তাই আসন্ন নির্বাচনে হিলারিকে বিজয়ী করে ট্রাম্পকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

    ফ্লোরিডার আমেরিকান মুসলিম ডেমোক্রেটিক ককাসের প্রেসিডেন্ট গাজালা সালাম বলেন, ‘এখন সময় হচ্ছে নিজেদের ভোট ব্যাংককে সংহত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির অংশ হবার। ব্যালট যুদ্ধে মুসলিম-আমেরিকানদের অস্তিত্বের জানান দিতে হবে।’

    আইওয়া অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্টের সদস্য আব্দুল সামাদ বলেন, ‘আমরাও আমেরিকান এবং আমাদেরও ভোটিং পাওয়ার আছে, সেটি ট্রাম্পের মত উদ্ভট মস্তিষ্কের লোকজনকে জানিয়ে দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে সকল ধর্ম-বর্ণ-জাতি-গোষ্ঠির মানুষের নিরাপদ আস্থানা- এ সত্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতেই ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে হিলারিকে বিশাল বিজয় দিতে হবে।’

    ক্যানসাস অঙ্গরাজ্য ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা রেহান রেজা বলেন, ‘ফ্লোরিডা, পেনসিলভেনিয়া, ম্যারিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, আইওয়া, নিউজার্সির মত রাজ্যে মুসলিম ভোটারকে জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিতে হবে হিলারিকে। একইসাথে যেখানেই মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থী রয়েছেন, সেখানেই সংঘবদ্ধ শক্তির প্রয়োগ ঘটাতে হবে।’

    ডেমোক্রেটিক পার্টির জাতীয় কমিটির সদস্য খোরশেদ খন্দকার বলেন, ‘সময়ের দাবি হচ্ছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঐক্য। কারণ, হিলারি ক্লিনটন হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ তথা ইমিগ্র্যান্টদের বন্ধু। তাকে জয়ী করার মধ্যদিয়েই বিশ্ব শান্তির পরিক্রমা এগিয়ে নিতে হবে।’

    মুসলিম-আমেরিকান সংগঠক গিয়াস আহমেদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সকল মানুষের অধিকার সংহত করেছে। অথচ ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের নিষিদ্ধ করবেন। তাই তাকে ব্যালট যুদ্ধে এহেন বেসামাল কথাবার্তার উপযুক্ত জবাব দিতে হবে।’

    ডেমোক্র্যাট এন মজুমদার বলেন, ‘সারা আমেরিকার মুসলমানরা আজ ঐক্যবদ্ধ। একইভাবে আফ্রিকান-আমেরিকান, হিসপ্যানিকরাও ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ তোলেছেন হিলারির পক্ষে। আমরা অবশ্যই জয়ী হবো।’

    ব্যবসায়ী ও সংগঠক জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ‘মুলধারার রাজনীতিতে প্রত্যেককে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত হতে হবে। মুসলমান এবং ইমিগ্র্যান্টদের সম্পর্কে ট্রাম্পের বেসামাল কথাবার্তার সমুচিত জবাবদানে আজকের এ কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। এখন থেকে সকলকে হিলারি পক্ষে সোচ্চার থাকতে হবে।’

    নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও ছিলেন মাফ মিসবাহ, নার্গিস আহমেদ, জাকারিয়া মাসুদ জিকো, রফিকুল ইসলাম ডালিম, মাজেদা উদ্দিন, আনিস আহমেদ, সোলায়মান আলী প্রমুখ। সকলের হাতে ছিল হিলারিকে ভোটদানের পোস্টার ও প্লেকার্ড।


    সূত্র:bd-pratidin
  • সাভারে জাল সিল-প্যাডসহ ভুয়া আইনজীবী আটক

    অক্টোবর ৩০, ২০১৬
    সাভারে সরকারি কর্মকর্তাদের নামে তৈরি জাল সিল, প্যাড ও সনদসহ এক ভুয়া আইনজীবী ও তার সহকারীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় সাভার উপজেলার গেন্ডার রাজাবাড়ী এলাকায় কর সার্কেল অফিসের পাশের ভবন রজ্জব আলীর বাড়ির নিচতলায় এ অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ।

    আটককৃতরা হচ্ছে, সাভার তালবাগ এ,১৭/২ এলাকার  তরপ আলীর ছেলে  মিজানুর রহমান  (৩৭) ও ধামরাই রোয়াইল এলাকার আব্দুল জলিলে ছেলে সোহেল রানা  (২৯)।
    গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সাভারের গেন্ডা এলাকায় আয়কর অফিসের পাশের ভবনের নিচতলায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে মিজানুর রহমান অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। ভুয়া আইনজীবী সেজে নিজেই বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের সিল বানিয়ে ও ভুয়া আয়কর প্রত্যায়নপত্রসহ আয়কর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সনদ প্রদান করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা জেলা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশের ওসি এস এম সাইদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ভুয়া আইনজীবী মিজান ও তার সহকর্মী সোহেলকে আটক করা হয়।

    তবে আটককৃত মিজানের স্ত্রী রিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী পোল্ট্রি ব্যবসায়ী ছিলেন। গত দুই বছর আগে তার স্বামীর বড় ভাই কর অফিসের কম্পিউটার অপারেটর সামচ্ছুদ্দিন তাকে এ পেশায় নিয়োজিত করেন। এর পর থেকেই তার স্বামী আইনজীবী হওয়ার জন্য এলএলবিতে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া নকল সিলের মাধ্যমে তৈরি আয়করের সনদ তার স্বামীর বড় ভাই সামচ্ছুদ্দিনের বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়া গত কয়েক দিন আগে তার স্বামীর সাথে বড় ভাই সামচ্ছুদ্দিনের ঝগড়া হওয়ায় তিনি তার স্বামীকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    এ ব্যাপারে অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার, সাভার ও ধামরাই সার্কেল অঞ্চল- ১২ রনজিত কুমার সরকার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আটককৃত মিজান তার স্বাক্ষর ও সীল নকল করে বিভিন্ন ভুয়া সনদ প্রদান করে। এ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সামচ্ছুদ্দিনের বিষয়টিও কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

    এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশের (ওসি) এস এম সাঈদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই ভুয়া আইনজীবীকে আটক করা হয়। এসময় বিপুল পরিমান নকল সিল ও ভুয়া সনদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের মাধ্যমে আটককৃতদের সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে ।

    সূত্র:bd-pratidin
  • মিরাজকে খুব সহজেই ভুলতে পারবে কি ইংল্যান্ড

    উনিশ বছর বয়সী বাংলাদেশী এই স্পিনার ঢাকার এই ম্যাচে দুটো ইনিংসে ছ'টি করে মোট ১২টি উইকেট নিয়েছেন।
    আর চট্টগ্রাম ও ঢাকা মিলে পুরো সিরিজে নিয়েছেন ১৯টি উইকেট।
    দ্বিতীয় ম্যাচটিতে টেস্ট ক্রিকেটের কুলীন দল ইংল্যান্ড যখন বিনা উইকেটে শত রান সংগ্রহ করে এগিয়ে যাচ্ছিলো তখন বাংলাদেশের দরকার ছিলো একটি উইকেট নিয়ে সেই ছন্দ ভেঙে দেওয়া।
    আর সেই কাজটিই করেন মিরাজ। সফরকারি দলের জুটি ভেঙে দেন তিনি। এবং তারপরেই শুরু হয় ইংল্যান্ডের উইকেটের পতনের বিরামহীন বৃষ্টি।
    তারপর ইংল্যান্ড দল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
    কোনো উইকেট না হারিয়ে তারা যেখানে ১০০ রান সংগ্রহ করেছিলো সেখানে মাত্র ৬৪ রান যোগ করতেই তাদের সবকটি উইকেট পড়ে যায়।
    আর এর নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, যিনি এই ইনিংসে একাই ৭৭ রান দিয়ে ৬টি উইকেট নিয়েছেন।
    চট্টগ্রাম সিরিজেও দুর্দান্ত খেলেছেন তিনি। ওই ম্যাচেই তার অভিষেক হয়। কিন্তু তার নেওয়া উইকেট বাংলাদেশ দলকে শেষ পর্যন্ত অল্পের জন্যে সাফল্য এনে দিতে পারেনি।
    ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
    ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
    ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেছেন, "সিনিয়র প্লেয়াররা আমাকে সাহায্য করেছেন। যখনই আমি কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েছি তখনই তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন।"
    "সবাই ভালো খেলেছে। আমার মনে হয় এই উইকেট ভালো ছিলো। তবে যাই হোক এই জয়ে আমরা খুব খুশি," বলেন তিনি।
    মিরাজ আরো বলেছেন, তাইজুল এবং সাকিব তাকে বেশ ভালো সাপোর্ট দিয়েছে।
    বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বলেছেন, এই জয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্যে একটি বড়ো ঘটনা এবং এর জন্যে তিনি সতীর্থ মিরাজকে অনেক কৃতিত্ব দিয়েছেন।
    "টেস্ট ম্যাচটি দুটি দলের দিকেই ছিলো। কখনোই বোঝা যাচ্ছিলো না কারা জিতবে। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাদের মতো করেই খেলেছে," বলেন তিনি।
    "ইংল্যান্ড যখন কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০০ রান করে ফেললো তখন কোচ খুব ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন। কারণ আমরা ভালো বল করছিলাম না। আর তখনই মিরাজ ভালো বল করতে লাগলো এবং তারপর থেকে আমরা নিয়মিত উইকেট পেতে শুরু করলাম।"
    মিরাজের পারফরম্যান্সের ব্যাপারে দলের অধিনায়ক বলেছেন, "তার দিক থেকে দারুণ একটা চেষ্টা ছিলো। তবে এটি তার জন্যে সূচনা মাত্র।"
    মুশফিকুর রহিম বলেন, "সে একজন দারুণ ব্যাটসম্যানও। আমি আশা করছি, বাংলাদেশের জন্যে সে একজন বড়ো মাপের অলরাউন্ডার হয়ে উঠবে।"
    "গত দু'বছর নিজেদের মাটিতে আমরা সত্যিই ভালো খেলেছি। আমাদের একটা লক্ষ্য ছিলো নিজেদের দেশে সবকটি টিমকে হারানো। এখন আমাদের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, বিদেশের মাটিতে তাদেরকে হারানো," বলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক।
    বাংলাদেশের সাথে ইংল্যান্ডের টেস্ট সিরিজ ড্র হয়েছে। শেষ ম্যাচে হেরে ইংল্যান্ড দলের পরবর্তী গন্তব্য ভারত।
    ইংলিশ ক্রিকেটাররা বলছেন, ঢাকা টেস্টের সাথে হারের কথা ভুলে গিয়ে তারা ভারতের মুখোমুখি হবেন।
    তবে এটা ঠিকই মেহেদী হাসান মিরাজকে ভুলে যেতে পারাটা ইংল্যান্ড দলের জন্যে খুবই কষ্টকর হবে।

    সূত্র:bbc

  • নামী কলেজের জিপিএ–৫ বিপর্যয়

    অক্টোবর ২৭, ২০১৬
    ঢাকার ‘নামকরা’ ১০টি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলে জিপিএ-৫ বিপর্যয় হয়েছে। এ সব কলেজে ২০১৩ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে যারা ভর্তি হয়েছিল ২০১৫ সালে তাদের ৪৫ শতাংশ আগের ফলাফল ধরে রাখতে পারেনি।
    প্রথম আলোর পক্ষ থেকে একাধিক কলেজের ছাত্র ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একেক কলেজে একেক কারণে এমন ফল হচ্ছে। তবে বড় কারণ হলো কলেজে ঠিকমতো ক্লাস না হওয়া এবং সঠিক পরিচর্যার অভাব।
    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাসলিমা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর কাছে মনে হয়েছে, সঠিক পরিচর্যা ও যত্ন নেওয়ার অভাবই এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও এইচএসসিতে না পাওয়ার বড় কারণ। কারণ, কিছু কলেজে তো যতসংখ্যক জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল, এইচএসসিতে তার চেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
    রাজধানীর ‘নামকরা’ ১০টি কলেজের ২০১৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেখেছে, ২০১৩ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ (গ্রেড পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ ফল) পেয়ে এসব কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ৪৫ শতাংশই এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাননি। ওই বছর এসব কলেজে ভর্তি হয়েছিল ১২ হাজার ৮১৫ জন, তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ ছিল ৮ হাজার ১৩০ জনের। ২০১৫ সালে এইচএসসিতে এসব কলেজের মোট ৪ হাজার ৪৭৬ জন জিপিএ-৫ পান। অবশ্য অপর ১০টি
    কলেজের ফলে দেখা গেছে, এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া যত শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, তার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
    গত মঙ্গলবার সরকারি বিজ্ঞান কলেজে গিয়ে কথা হয় কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষকের সঙ্গে। মাউশির বিশ্লেষণের সঙ্গে মিল পাওয়া যায় ওই দিনই প্রকাশিত এই কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফলে। এই পরীক্ষায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ছাত্র পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫৩৮ জন। অবশ্য একজন শিক্ষক বললেন, এসব শিক্ষার্থীর বেশির ভাগই মফস্বলের। প্রথমে থাকাসহ সুস্থির হতে হতে সময় চলে যায়।
    সিরাজগঞ্জে বাড়ি এই কলেজের একাদশ শ্রেণির দুজন ছাত্র বলে, এই কলেজের বড় সমস্যা হলো বিভিন্ন কারণে বছরের বড় সময়ই বন্ধ থাকে। ফলে শিক্ষকেরা চাইলেও ঠিকমতো ক্লাস নিতে পারেন না। যেমন, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা থাকার কারণে ১ নভেম্বর থেকে ১৭ দিন বন্ধ থাকবে। বছরে কয়েক মাস ক্লাস হয়। এ জন্য তাঁরা প্রাইভেট ও কোচিংয়ে পড়ে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করেন।
    কলেজে অধ্যক্ষের চলতি দায়িত্বে থাকা পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. আবু বকর মিয়া বললেন, এটা ঠিক যে ২০১৫ সালে ফল কিছু খারাপ হয়েছিল। তবে সবার চেষ্টায় চলতি বছরের ফল ভালো হয়।
    রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম সালেহীন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া নিজস্ব শিক্ষার্থীর পাশাপাশি বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। তাঁরা বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, নিজস্ব শিক্ষার্থীরা উচ্চমাধ্যমিকেও ভালো ফল করছেন। কিন্তু বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের অনেকে ফল ধরে রাখতে পারছেন না। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ছুটি ও বন্ধ থাকায় উচ্চমাধ্যমিকের দুই বছরের শিক্ষাকালের প্রায় অর্ধেক সময় পাওয়া যায়, যা বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের সঠিক পরিচর্যার জন্য পর্যাপ্ত সময় নয়।
    কম জিপিএ-৫ ভর্তি করেও বেশি জিপিএ-৫: মাউশির তদারক ও মূল্যায়ন শাখার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন ১ হাজার ৩৮৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ ছিল ৫৭৩ জনের। কিন্তু এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পান ১ হাজার ৫৭ জন। এসএসসিতে কম জিপিএ-৫ নিয়ে ভর্তি হয়ে বেশি জিপিএ-৫ পাওয়া কলেজের তালিকায় আছে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বিএন কলেজ, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুর্মিটোলার বিএএফ শাহীন কলেজ, বনফুল আদিবাসী গ্রীন হার্ট কলেজ, কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, আমিরজান কলেজ ও ক্যামব্রিয়ান কলেজ। অবশ্য এগুলোর মধ্যে দু-একটি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
    এ বিষয়ে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, তাঁদের কলেজে কয়েকভাবে শিক্ষার্থীদের নিবিড়ভাবে পরিচর্যা করা হয়। নিয়মিত ক্লাস, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষার পাশাপাশি ‘নিউক্লিয়ার এডুকেশন টিম’ নামে পৃথক কমিটির মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর খোঁজ নিয়ে, বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনমতো পরিচর্যা করা হয়। এ কারণে ফল ভালো হচ্ছে।
    জানতে চাইলে মাউশির মহাপরিচালক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আগে এভাবে তদারক করা হতো না। কলেজগুলোও সারা বছর শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পরিচর্যা করে না। এখন এই কাজটি যাতে হয়, সে জন্যই তাঁরা ফল বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

    সূত্র:prothom-alo

  • টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে তামিমের উন্নতি

    টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে তামিমের উন্নতি হয়েছে। চট্টগ্রাম টেস্টে ৭৮ ও ৯ রানের দু’টি ইনিংস খেলেন তামিম। র‌্যাংকিং-এর ২৬তম স্থানে থেকে খেলতে নেমে দু’ধাপ উপরে উঠেছেন তিনি। দুই ধাপ এগিয়ে ২৪তম স্থানে উঠে এসেছেন তিনি। 

    এদিকে টেস্ট ব্যাটসম্যান র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১শ’তে স্থান পেয়েছেন সাব্বির রহমান।

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে অভিষেক টেস্টে ১৯ ও অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস খেলে র‌্যাংকিং তালিকায় নাম উঠলো সাব্বিরের। ৯২তম স্থানে রয়েছেন তিনি।

    তামিম ও সাব্বিরের র‌্যাংকিং অবস্থান ভালো হলেও, বাংলাদেশের অন্যান্য টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের উন্নতি হয়নি। 
     

    চট্টগ্রাম টেস্টে শূন্য ও ২৭ রান করা মুমিনুল তিন ধাপ পিছিয়ে ২৭ নম্বরে নেমে গেছেন। ৩১ ও ২৪ রান করা সাকিব আল হাসান এক ধাপ পিছিয়ে ২৮ নম্বরে অবস্থান করছেন। এক ধাপ পিছিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও।

    ৪৮ ও ৩৯ রান করেও ৪০তম স্থানে নেমে যেতে হয়েছে মুশফিকুর রহিমকে। দুই ধাপ পিছিয়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ অবস্থান করছেন ৪৯ নম্বরে।

    প্রথম টেস্টে ৩৮ ও ১৭ রান করেন রিয়াদ। তবে কোন উন্নতি বা অবনতি হয়নি ইমরুল কায়েসের। প্রথম টেস্টে ২১ ও ৪৩ রান করেছিলেন ইমরুল। 
    বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের টেস্ট র‌্যাংকিং 
    খেলোয়াড়বর্তমান র‌্যাংকিংবর্তমান রেটিংপূর্বের র‌্যাংকিং
    তামিম ইকবাল  ২৪৬২৮২৬
    মুমিনুল হক২৭ ৬১৫ ২৩
    সাকিব আল হাসান 
    ২৮ ৬১৪ ২৭
    মুশফিকুর রহিম৪০৫৩৯৩৯
    মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
    ৪৯ ৫০২৪৭
    ইমরুল কায়েস
    ৫৫ ৪৬০ ৫৫
    নাসির হোসেন
    ৬১ ৪১৭ ৬১
    সাব্বির রহমান৯২ ৩০১ ---
    লিটন দাস৯৭২৬৭৯৫


    সূত্র:juganto

  • কম্পিউটার-মোবাইল-রিমোট জীবাণুমুক্ত রাখার উপায়

    অক্টোবর ২৩, ২০১৬
    তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে সকলের বাড়িতেই কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও টেলিভিশন রয়েছে। আর সারাদিন এই ডিভাইসগুলো নিয়ে নাড়াচড়া করা হলেও সময় মতো পরিষ্কার করা হয় না। অথচ স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে লুকিয়ে থাকা হাজারো জীবাণু আমাদের অসুস্থ করতে পারে, যা আমরা একবারও চিন্তা করি না। তাই সুস্থ থাকতে হলে এগুলো সময় মতো পরিষ্কার করা দরকা। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই যন্ত্রগুলোকে জীবাণুমুক্ত রাখার উপায়৷

    কম্পিউটার পরিষ্কার
    অফিসের কম্পিউটার সপ্তাহে একবার আর বাসার কম্পিউটার মাসে একবারই যথেষ্ট। পরিষ্কার করতে কী-বোর্ডকে উল্টিয়ে দিন, এতে ভেতরে ধুলাবালি, খাবারের কণা বা অন্য কিছু থাকলে বেরিয়ে যাবে। বিশেষ কাপড় বা ভেজা টিস্যু পাওয়া যায় তা দিয়ে কী-বোর্ড এবং কম্পিউটারের স্ক্রিন ধীরে ধীরে মুছে ফেলুন। তাছাড়া কাজ শুরুর আগে হাত দুটো ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজার’ দিয়ে মুছে নিলেও কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার থেকে কিছুটা নিশ্চিন্ত থাকা যায়।

    মোবাইল এবং ট্যাবলেট
    মাইক্রোফাইবার রুমাল কিংবা কাপড় দিয়ে প্রতিদিন আপনার মোবাইল এবং ট্যাবলেটটি কোনো চাপ ছাড়া আস্তে আস্তে মুছে নিন। যন্ত্রগুলোতে থাকা ছোট ছোট ছিদ্রগুলো ‘টুথপিক’ দিয়ে খুব সতর্কতার সাথে পরিষ্কার করে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে ব্যাকটেরিয়া জমার কোনো সুযোগ থাকবে না।

    টিভি রিমোট
    কারণ প্রায় প্রতিদিনই বাড়ির সকলে কম-বেশি টিভি দেখে থাকেন, সেজন্য রিমোর্ট নাড়াচড়া করা হয়। তাই মাসে অন্তত একদিন টিভি রিমোট পরিষ্কার করা দরকার। গ্লাস বা কাঁচ মোছার তরল খানিকটা কাপড়ে লাগিয়ে হালকাভাবে রিমোটটি মুছে তারপর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। আর কেউ যদি আরো ভালো করে মুছতে চান, তাহলে রিমোট থেকে ব্যাটারি বের করে ভেতরটাও পরিষ্কা করা যেতে পারে।

    বিডি-প্রতিদিন
  • পৃথিবীর প্রথম মোবাইল যা পানিতে ডোবে না

    অক্টোবর ২২, ২০১৬
    মোবাইল ব্যবহারকারীদের সবসময় একটি দুশ্চিন্তা তাড়া করে তাদের ফোনটি পানিতে পড়ে গেলে কী হবে! কারণ ইলেকট্রনিক্সের দুনিয়ায় অনেক যন্ত্রেরই ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট সংস্করণ তৈরি করা সম্ভব হলেও, ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট মোবাইল এতদিন পর্যন্ত কোনও কোম্পানি তৈরি করে উঠতে পারেনি।

    এমনকী তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একাংশ এমনটাও মনে করতেন যে, ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট মোবাইল তৈরি তাত্ত্বিকভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু এবার সেই মতবাদকে ভুল প্রমাণিত করলেন এক ভারতীয় যুবক।

    ভারতের বেঙ্গালুরুতে জন্ম নেওয়া প্রশান্ত রাজ উরস তৈরি করে ফেললেন এমন মোবাইল, পানির যার বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারে না। এমনকী পানিতে পড়ে গেলে এই মোবাইল ডুবে পর্যন্ত যায় না।

    ক্যালিফোর্নিয়ার পালো অল্টোতে কমেট কোর নামের একটি কোম্পানি চালান প্রশান্ত। সেই কোম্পানির পক্ষেই তৈরি করা হয়েছে এই মোবাইল, যা পানিতে পড়ে গেলে ডু‌বে যাওয়ার পরিবর্তে ভাসতে থাকে। মোবাইলটি ডিজাইন করেছেন প্রশান্ত নিজে।

    ফোনটিতে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৪.৭ ইঞ্চির স্ক্রিন, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ ২ গিগাহার্টজ অক্টা কোর প্রসেসর, এবং ৪ জিবি র‌্যাম। কালো, সাদা ও সোনালি রং-এর ভার্সান পাওয়া যাবে ফোনটির। এখনও বাজারে ছাড়া হয়নি মোবাইলটি।


    সূত্র:bd-pratidin
  • সাকিব শটটা যদি না খেলতেন!

    সাকিব আল হাসান আরও একবার তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট; প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক পেরিয়েছেন। ইনিংসে ১৫তম বারের মতো ৫ উইকেট। কিন্তু দিনের শুরুর ছবিটা যে কিছুতেই মন থেকে সরিয়ে দিতে পারছেন না সাকিব! তাঁর নিজেরও কি মনে বিঁধে থাকছে না ছবিটা?
    দিনের মাত্র দ্বিতীয় বল ছিল সেটি। আগের রাতে ব্যাটিংয়ে ভরসা হয়ে টিকে ছিলেন। রাতভর বিশ্রাম নিয়ে নতুন করে দিনটা শুরু করবেন। কিন্তু সাকিব খ্যাপাটে ভঙ্গিতে মঈন আলীকে ছক্কা মারতে চলে গেলেন ডাউন দ্য উইকেটে। পড়লেন স্টাম্পিংয়ের ফাঁকে। পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল ওই একটা মুহূর্ত। সাকিব পরে বল হাতে ৫ উইকেট নিয়েও যা পুষিয়ে দিতে পারছেন না।
    ইংল্যান্ডের ৮ উইকেট পড়ে গেছে বটে, কিন্তু লিডটাও ২৭৩ রানের। আগামীকাল বাংলাদেশের সামলে লক্ষ্য কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় কে জানে। এখন পর্যন্ত যা সংগ্রহ, সেটা পার করতেই বাংলাদেশকে অসম্ভব কিছু একটা করে দেখাতে হবে। এশিয়ায় হওয়া ৬১১টি টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে দুই শর বেশি তাড়া করে জেতার ঘটনাই মাত্র ২৬টি। ২৭০-এর বেশি তাড়া করে জয় তো আরও কম। মাত্র ১০টি!
    অথচ সাকিব যে সময় আউট হয়েছিলেন, তখন ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ ২৯৩ থেকে মাত্র ৭২ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। ৩১ রানে অপরাজিত সাকিব। অনেক দায়িত্ব। দলের সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের নেতৃত্বটা মূলত তাঁরই কাঁধে। কিন্তু নেতাই যেখানে ভুল পথে হাঁটলেন, সেখানে তিনি বাকিদের পথ দেখাবেন কীভাবে!
    সাকিবের আউটের পর রীতিমতো হুড়মুড় করেই ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের টেল এন্ড। সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসানের ওপর ভরসা ছিল কিন্তু ব্যর্থ হলেন তাঁরাও। সাব্বিরের ফেরাটা অবশ্য দুর্ভাগ্যজনক। স্টোকসের বলে স্লিপে তাঁর ক্যাচটি অধিনায়ক কুক ধরেছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে। টেলিভিশন রিপ্লে দেখেই অবশ্য তৃতীয় আম্পায়ার আউট ঘোষণা করেছেন। তৃতীয় দিনের সকালে বাংলাদেশ খেলল মাত্র ১২ ওভার। তাতে মাত্র ২৭ রান যোগ করে ২৪৮ রানে অলআউট হয়ে তুলে ৪৫ রানে পিছিয়ে থাকতে হলো দলকে।

    বাংলাদেশের শেষ ৬ উইকেটও পড়েছে ওই ২৭ রানে। এর দায়টা কাল কিছুটা ছিল মুশফিকের কাঁধে। কিন্তু আজ সাকিবের ওই মুহূর্তের ভুলটা এত বড়, হয়তো ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারানোর সুযোগ, হয়তো টেস্টেও নতুন এক যাত্রা শুরুর সম্ভাবনাও শেষ হয়ে গেল। ম্যাচ এখনো ঢের বাকি। বাংলাদেশ পারবেই না ধরে নেওয়া হয়তো চরম হতাশাবাদীর লক্ষণ। কিন্তু ইংল্যান্ড ৩০০-র মতো লক্ষ্য বেঁধে দিলে, চতুর্থ ও পঞ্চম দিনের ভাঙা উইকেট আর শরীরের চ্যালেঞ্জ সামলে সেটি পার করে ফেলবে বাংলাদেশ—এতটা ভাবতেও সাহসী আর আশাবাদী হতেই হয়।
    সাকিব পাপমোচনের চেষ্টা করলেন বোলিংয়ে। বাংলাদেশ কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে আরও কাঁপিয়ে দিল। ৬২ রানেই তুলে নিল ৫ উইকেট। ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ব্যাটিংয়ের ওই মুহূর্তটিকে পেছনে ফেলে সাকিব করলেন দুর্দান্ত বোলিং। এই ৫ উইকেটের তিনটি নিয়ে তিনিই হানলেন মূল আঘাত। বেন ডাকেট, জো রুট ও মঈন আলী—উইকেটগুলোও দামি। পাশাপাশি কুককে মেহেদী ও গ্যারি ব্যালান্সকে তাইজুল ফিরিয়ে দিলে আবারও আশা জেগেছিল।
    কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন বেন স্টোকস ও জনি বেয়ারস্টো। খুব ধীরে-সুস্থে টেস্টের লাগামটা টেনে নিলেন নিজেদের দিকে। ১২৭ রানের জুটি গড়লেন চাপের মুখে। স্টোকস ১৫১ বলে ৮৫ করলেন, বেয়ারস্টো করলেন ৪৭।
    বাংলাদেশের জন্য মানসিক যন্ত্রণা হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙলেন কামরুল ইসলাম রাব্বী। রাব্বীর বলে প্লেড অন বেয়ারস্টো। স্টোকসকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেললেন সাকিব। তবে এই দুজন সাজঘরে ফেরার আগে যা সর্বনাশ করার করেই গেছেন।
    টেস্টের এখনো দুই দিন বাকি। কিন্তু বাংলাদেশ তরফে এই মুহূর্তে এই টেস্টের একটাই হাইলাইটস—ইশ্‌, সাকিব যদি ওই শটটা না খেলতেন...!

    সূত্র:.prothom-alo.

  • 'বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার কমলেও গরীব মানুষের সামাজিক অবস্থা বদলায়নি'

    অক্টোবর ১৮, ২০১৬
    Bangladesh humanity
    সরকারি এবং বেসরকারি পরিসংখ্যানে বাংলাদেশে দারিদ্রের হার ১৮দশমিক পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হতদরিদ্র এবং নগরে দরিদ্র্র জনগোষ্ঠীর সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে না।

    ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকায় রেললাইনের পাশে পলিথিন টানিয়ে অন্য অনেক পরিবারের সাথে বসবাস করেন জামালপুরের মঞ্জুরি বেগম। যমুনা নদীর ভাঙ্গনে চাষের জমি-ভিটে হারিয়ে বিধবা এই নারী

    দুই কন্যা নিয়ে ঢাকায় এসেছেন গত বছর।এখন মানুষের বাড়িতে কাজ করে তাদের নিয়মিত খাবার জোটে।কিন্তু সামাজিক অধিকারগুলো তারা পাচ্ছেন না।

    ছয় মাস হলো ঢাকার রাস্তায় রিক্সা চালিয়ে আয় করছেন মাদারীপুরের হায়দার আলী।পরিবারের সদস্যদের গ্রামেই রেখেছেন।পেটে ভাতে চলতে পারছেন—তাঁরও এটুকুই সান্তনা।

    বিশ্ব্যব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দুই দশকে বাংলাদেশে দুই কোটি মানুসকে দারিদ্র অবস্থা থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।

    দেড় দশক আগের তুলনায় কর্মজীবী নারীর সংখ্যা এখন দ্বিগুন হয়েছে।মাতৃমৃত্যু এবং শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

    তবে অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান মনে করেন, হতদরিদ্র বা দরিদ্র মানুষ নগরগুলোতে জড়ো হয়ে আয়ের সুযোগ পাচ্ছে।কিন্তু তারা পড়ছে ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে।

    "অতিদরিদ্র বা দরিদ্র কেউ ঢাকা বা বড় শহরে এসে রিক্সা চালানোসহ অনেক কাজের সুযোগ পাচ্ছে।এতে তাদের প্রতিদিনে খাবার যোগাড়ের অর্থ হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষা,চিকিৎসা,বাসস্থানসহ সামাজিক অধিকারগুলো তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তারা একটা ভিন্ন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।"

    চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন পকেট এলাকায় এখনো প্রায় দুই কোটি হতদরিদ্র রয়েছে। এই সংখ্যাটা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয় এবং এ ব্যাপারে সরকারি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সকলের নজর বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ ।

    হতদরিদ্র এবং দরিদ্র, সকলের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
    সরকারের পরিকল্পনা কমিশনে সদস্য শামসুল আলম দাবি করেছেন,তাদের এসব ব্যবস্থা সফল হচ্ছে।

    সূত্র: বিবিসিবাংলা
  • পাকিস্তানের হাতে আটক ভারতীয় সেনাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় দিল্লি

    অক্টোবর ০২, ২০১৬
    ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক সদস্য কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে গিয়ে পাকিস্তানের হাতে ধরা পড়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য দিল্লি সামরিক পর্যায়ে তৎপরতা শুরু করেছে।
    ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই উদ্যোগের কথা জানালেও ওই সেনাকে ফিরিয়ে আনতে যে সময় লাগতে পারে, সেটাও স্বীকার করেছেন।
    অন্য দিকে পাকিস্তান ওই সৈনিক তাদের হাতে ধরা পড়েছে বলে জানানোর পর সরকারিভাবে এ ব্যাপারে আর কোনও প্রতিক্রিয়া জানায় নি।
    পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, অন্য সময়ে এই ঘটনা ঘটলে ওই সৈনিককে হয়তো সহজেই ফিরিয়ে আনা যেত - কিন্তু দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আবহে চন্দু বাবুলাল চওহানের ভারতে ফেরা সম্ভবত বেশ জটিল হয়ে পড়বে।
    উরির সেনাঘাঁটিতে হামলায় ১৮ জন ভারতীয় সেনা নিহত হবার পর গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালানোর কথা জানায় ভারতীয় বাহিনী । আর সেদিন ভোরের দিকেই মানকোটের কাছে পাকিস্তানি সেনার হাতে ধরা পড়েন চন্দু বাবুলাল চওহান।
    তবে ভারতীয় সেনার বক্তব্য, ৩৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের এই জওয়ান ওই হামলার অংশ ছিলেন না - সীমান্তে রুটিন টহল দিতে গিয়ে তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে গিয়েছিলেন।
    আজ ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিক্কর জানিয়েছেন, ওই সেনা জওয়ানকে ফেরানোর জন্য আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
    তিনি জানান, "এই ধরনের ক্ষেত্রে একটা স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি আছে - যারা ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে যায় আমরা তদন্তের শেষে তাদের একে অন্যের হাতে তুলে দিই। আর এই পদ্ধতিটা তদারক করেন দুদেশের ডিরেক্টর জেনারেল মিলিটারি অপারেশনস বা ডিজিএমও, তাদের পর্যায়েই ব্যাপারটা দেখা হয় - এবং সেই প্রক্রিয়া আমরা শুরু করে দিয়েছি।"
    ভারত , পাকিস্তান, কাশ্মীর
    তবে ভারতের ওই জওয়ান নেহাত ভুল করে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েছিলেন, পাকিস্তান সে কথা বিশ্বাস করছে বলে মনে হয় না।
    বরং জাতিসংঘে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মালিহা লোধির গতকাল আল জাজিরা চ্যানেলকে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তাতে অন্যরকম ইঙ্গিতই ছিল।
    তিনি সেখানে বলেন, "বৃহস্পতিবার ভোররাতে আমরা দেখি ভারত সীমান্ত পেরিয়ে শেলিং ও মর্টার ফায়ার শুরু করেছে। আমরা একজন ভারতীয় সেনাকে আটক করেছি যে সীমান্ত পেরোনোর চেষ্টা করছিল। আমাদেরও দুজন সৈনিক ওই ঘটনায় শহীদ হয়েছে।"
    মালিহা লোধির ওই সাক্ষাৎকারের পর ধৃত ভারতীয় সেনাকে নিয়ে পাকিস্তানের কাছ থেকে আর কোনও বক্তব্য আসেনি।
    অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে চন্দু বাবুলাল চওহানের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতন - নাতির পাকিস্তানের হাতে ধরা পড়ার খবর পেয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার নানি।
    শৈশবেই বাবা-মা হারানো চন্দুকে মানুষ করেছেন যে নানা, তিনি জানান এই খবরের ধাক্কা সামলাতে পারেননি তার স্ত্রী, চন্দুর নানি। খবর শুনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, মারা যান গতকাল শনিবার।
    ইতিমধ্যে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এই পরিবারটিকে নিজে ফোন করে আশ্বাস দিয়েছেন চন্দুকে ফেরানোর জন্য ভারত কোনও চেষ্টার ক্রটি রাখবে না।
    বস্তুত বছরদুয়েক আগে পাকিস্তানে ভেসে যাওয়া ভারতের এক বিএসএফ জওয়ানকে ফেরানো সম্ভব হয়েছিল বেশ সহজেই।
    তৎকালীন বিএসএফ প্রধান ডি কে পাঠক জানিয়েছিলেন, "চেনাব নদীতে ভেসে যাওয়া সত্যশীল যাদব নামে ওই জওয়ানের সঙ্গে পাকিস্তানে সবাই খুব ভাল ব্যবহার করেছিল, কোনও কর্মকর্তা বা সেনা তার সঙ্গে কোনও অসদাচারণ করেনি। এমন কী নদীতে দীর্ঘক্ষণ ভেসে অসুস্থ হয়ে পড়া ওই জওয়ানের উপযুক্ত চিকিৎসারও ব্যবস্থা করে তারা।"
    কিন্তু ২০১৪ সালে সেই সময় দুই দেশের মধ্যে বড় কোনও উত্তেজনা ছিল না - যা এখন আছে পুরো মাত্রায়।
    পাশাপাশি এমন দৃষ্টান্তও আছে, ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের দিকে ধরা পড়া ভারতীয় সেনা ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়ার দেহ সম্পূর্ণ ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় ফেরত এসেছিল।
    এখন চন্দু বাবুলাল চওহানের পরিণতি সত্যশীল যাদবের মতো হবে না কি সৌরভ কালিয়ার মতো, দেখার বিষয় সেটাই।

    সূত্র:.bbc


  • গাজীপুরে স্পিনিং মিলে অগ্নিকাণ্ড

    ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, রোববার ভোর সোয়া ৫টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ওই কারখানার ডেনিম রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

    কালিয়াকৈর, জয়দেবপুর, ধামরাই ও সাভারের ইপিজেড ফায়ারস্টেশনের ১৪ ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান জানান।
    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, কারখানার রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে পরে তা উইভিং ও ফিনিশিং সেকশনসহ তুলার গুদামে ছড়িয়ে পড়ে।

    এক পর্যায়ে রিসাইক্লিং প্ল্যান্টের দীর্ঘ টিনশেড কাঠামো ধসে পড়ে বলে প্রত‌্যক্ষদর্শীরা জানান।

    তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। সকাল ১০টার পর আগুনের ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো গেলেও পুরাপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
    ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত যমুনা স্পিনিং মিলস লিমিটেডে প্রতিদিন ২৪ হাজার কেজি সুতা উৎপাদন করা যায়। এ কারখানার মোট কর্মী সংখ‌্যা ১২০০ বলে কোম্পানির ওয়েবসাইটের তথ‌্য।

    কারখানার ডিজিএম মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, একজন কর্মকর্তাসহ আনুমানিক ১৩ জন রাতের পালায় সেখানে কাজ করছিলেন। আগুন লাগার পরপরই তারা সবাই নিরাপদে বেরিয়ে আসেন।

    সূত্র: BDNEWS24
  • আইফোন ৭ কিনলে হারাতে হবে চাকরি

    চীনের হেনান প্রদেশের একটি ঔষধ প্রস্তুত প্রতিষ্ঠান তার কর্মীদের এই বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে, কেউ যদি আইফোন ৭ ক্রয় করে তাহলে তাকে চাকরি হারাতে হবে।
    নানিয়াং ইয়ংক্যাং মেডিসিন কোম্পানি নামে এই প্রতিষ্ঠানটি একটি নোটিশ জারি করে কর্মীদেরকে আইফোনের নতুন মডেলটি কিনতে নিষেধ করে বলছে, "আপনি যদি এই আইন ভঙ্গ করেন তাহলে আপনি অফিসে আসতে পারেন শুধুমাত্র আপনার অব্যাহতি পত্র জমা দিতে"।
    অবশ্য এই নোটিশে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিদেশী পণ্য বর্জনের কথাও বলা হয়।
    নোটিশটি চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ওয়েইবোতে ব্যাপক হারে শেয়ার হচ্ছে যেখানে অনেকেই হ্যাশট্যাগ হিসেবে লিখছেন 'আইফোন ৭ কিনে চাকরি হারাচ্ছেন কর্মীরা'।
    কোন কোন ওয়েইবো ব্যবহারকারী অবশ্য লিখছেন, আইফোন ৭ না কেনার সিদ্ধান্তও চীনের জন্য ক্ষতির কারণও হতে পারে, কারণ অ্যাপলের পণ্যসমূহ চীনের ফক্সকন নামের প্রতিষ্ঠানের কারখানাতেই তৈরি হয়।
    বিবিবিদু নামে এই ওয়েইবো ব্যবহারকারী লিখেছেন, "এই সিদ্ধান্তের ফলে ফক্সকনের হাজার হাজার শ্রমিক চাকরি হারাতে পারেন"।
    চীনা ভাষায় লেখা সেই নোটিশের একটি কপিImage copyrightWEIBO
    ওয়েইবোতে ছড়িয়ে পড়া চীনা ভাষায় লেখা সেই নোটিশের একটি কপি।
    আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, এই নোটিশের ফলে শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।
    "দেশপ্রেমের নাম করে কিভাবে আপনি এটা করতে পারেন?" প্রশ্ন তুলেছেন আয়াক্স নিউয়িসি নামের এই ব্যবহারকারী।
    অবশ্য এই নোটিশের সমর্থকেরাও আছেন।
    কিংটং হু লিখেছেন, "সব সরকারী কর্মচারীদের বেলায় যদি এমন এক নিষেধাজ্ঞা জারি করা যেত তাহলে আমাদের দেশীয় ফোনের বিক্রি বেড়ে যেত"।
    এদিকে, নানিয়াং ইয়ংক্যাং মেডিসিন কোম্পানির এই সিদ্ধান্ত এখন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও অনুসরণ করছে বলে যানা যাচ্ছে।
    এগুলোর মধ্যে হেনান প্রদেশেরই আরো একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেটির নাম এখনো জানা যায়নি।
    স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানটিও নোটিশ দিয়ে বলেছে, 'যার কাছেই আইফোন ৭ পাওয়া যাবে তাকে চাকরি হারাতে হবে'।


    সূত্র:bbc
  • আইসিসিকে ভারতের অনুরোধ, ভারত–পাকিস্তান এক গ্রুপে নয়!

    অক্টোবর ০১, ২০১৬
    কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের টানাপোড়েন নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি উরি সীমান্তে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১৮ জন ভারতীয় সৈনিক মারা যাওয়ার পর দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা পৌঁছে গেছে তুঙ্গে। দুই দেশের সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজ হয়েছিল চার বছর আগে। সেটি দূরে থাক, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। আগামী বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। সেটিকে সামনে রেখে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) এরই মধ্যে আইসিসিকে অনুরোধ করেছে, দুই দেশকে যেন কোনো টুর্নামেন্টের একই গ্রুপে রাখা না হয়।
    উরি হামলার পর বিসিসিআই একটা বিশেষ সাধারণ সভায় বসেছিল। সেই সভার পর সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর নিশ্চিত করেছেন, আপাতত পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো ধরনের টুর্নামেন্টেই খেলতে খেলতে চান না তাঁরা, ‘আমরা জানি, আমাদের সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের নতুন একটা নীতি নিয়েছে। আর সাধারণ মানুষের মানসিকতা আঁচ করে আমরা আইসিসিকে অনুরোধ করছি, আন্তর্জাতিক কোনো টুর্নামেন্টে যেন ভারত-পাকিস্তানকে এক গ্রুপে রাখা না হয়।’ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ না হলেও অন্য আসরে নিয়মিতই দেখা হয়েছে দুই দেশের। গত বছর বিশ্বকাপের পর এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দেখা হয়েছে দুই দলের। দর্শক চাহিদার কথা ভেবে আইসিসিও বড় আসরে দুই দলকে এক গ্রুপে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এই অনুরোধের পর এখন সেটি আর হবে কি না সন্দেহ। তবে গ্রুপ পর্বে না হলেও পরে দুই দেশের দেখা হয়ে যেতেই পারে। সেটার ওপর আইসিসিরও হাত থাকবে না। সেটি মেনে নিয়েও আইসিসির কাছে একই গ্রুপে দুই দলকে না রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বিসিসিআই। আর সাত মাস পরেই শুরু চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ইংল্যান্ডের ওই টুর্নামেন্টেই হয়তো দুই দলকে মুখোমুখি হতে হবে।

    সূত্র:prothom-alo
  • দেশের মাটিতে টানা ষষ্ঠ সিরিজ জয় বাংলাদেশের

    দেশের মাটিতে টানা ষষ্ঠ সিরিজ ও ওয়ানডেতে নিজেদের শততম জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানকে ১৪১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এ কৃর্তি অর্জন করেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। তামিম ইকবালের শতক ও সাব্বির রহমানের অর্ধশতকসহ ১৪০ রানের চমৎকার জুটির উপর ভর করে বাংলাদেশের করা ২৮০ রানের টার্গেট ব্যাট করতে নেমে ৩৩ ওভার ৫ বলে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায় আফগানিস্তান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ২৭৯ রান করে বাংলাদেশ। বড় লক্ষ্য তাড়া করে জয়ে স্বপ্ন দেখা আফগানিস্তানের ইনিংসের শুরুতেই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদকে সরাসরি বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তার করা গুড লেন্থের বলটি জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে যান শাহজাদ। বলটি ব্যাট ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। আফগানদের দলীয় ৫ রানেই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। শাহজাদ ৭ বল খেলে ফেরেন শূন্য রানে। এরপর অবশ্য নওরোজ মোঙ্গল আর রহমত শাহ মিলে ৪৭ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় কাটানোর ইঙ্গিত দেন। এরপরই আট বছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া মোশাররফ হোসেন রুবেলের ঘূর্ণিতে সাজ ঘরে ফেরেন নওরোজ মোঙ্গল। এরপর তার বলেই তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ তুলে দেন হাশমতুল্লাহ শহিদি। এরপর আফগান দর্শকরা যখন দলীয় অধিনায়ক আসগর স্টানিকজায়ের দিকে তাকিয়ে ফিলেন তখন ১৭তম ওভারে রহমত শাহের সঙ্গে একটি দ্রুত রান তুলতে গিয়ে সাকিব আল হাসানের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফিরে যান তিনি। আসগর স্টানিকজায়ের বিদায়ের পর রহমত শাহ আর সামিউল্লাহ সেনওয়ারি ২৮ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় কাটানোর চেষ্টা করলে তাসকিন আহমেদকে আক্রমণে আনেন মাশরাফি। জুটিটা ভাঙেন তিনিই। তাসকিনের একটি বাউন্সার খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগলে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ধরা পড়ে বিদায় নেন সেনওয়ারি (১৩)। পরবর্তীতে রহমত শাহকেও ফেরান তাসকিন। ৭৩ বলে ৩৬ রান করে আউট হন রহমত শাহ। আফগানদের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ নবীকে রিটার্ন ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান মোশাররফ রুবেল। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি। এরপর মোসাদ্দেক হোসেন বোলিংয়ে এসেই প্রথম দুই বলেই সেট হওয়া দুই ব্যাটসম্যান রশিদ খান (১৭) ও নজিবুল্লাহ জাদরানকে (২৬) তুলে নিয়ে আফগানিস্তানকে খাদের কিনারে পৌঁছে দেন। দৌলত জাদরান ০ রানে ফিরেয়ে দিয়ে আফগানদের কফিনে শেষ পেরেক মারেন শফিউল ইসলাম। মিরওয়াই আশরাফ ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এই সিরিজ জিততে হলে রান তাড়ায় নিজেদের রেকর্ড ভাঙতে হতো আফগানদের। ২০১৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ২৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে সেরা জয় পেয়েছিল তারা। কিন্তু সেই সুযোগ তাদের দেয়নি মাশরাফির দল। ৮ ওভারে ১ মেডেনসহ ২৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার মোশাররফ হোসেন রুবেল। এর আগে তামিম ইকবাল ও সাব্বির রহমানের ১৪০ রানের চমৎকার জুটির উপর ভর করে আফগানিস্তানকে ২৮০ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। আজ শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ২৭৯ রান করে বাংলাদেশ। মিরপুরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের সপ্তম ওডিআই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। শুরুতেই সৌম্য সরকারের (১১) বিদায়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে রেখে সাব্বির রহমান (৬৫) সাজঘরে ফিরে গেলে দলকে দৃঢ় ভিত্তি গড়ে দেন তামিম ইকবাল (১১৮)। দলীয় ২১২ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায় নেন তিনি। তামিমের বিদায়ের সময়ও মনে হচ্ছিল দলীয় তিনশ’ রান হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার। কিন্তু তামিম ও সাব্বির এই সম্ভাবনা জাগালেও শেষের ব্যাটিং ব্যর্থতায় পারেনি মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। প্রথম ম্যাচে মাত্র ২০ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আজ শনিবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে সেই ভুল করেননি তামিম ইকবাল। ১১৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে মোহাম্মদ নবির বলে আউট হন তিনি। ১১টি চার ও দুই ছক্কার সাহায্যে এই রান করেন তিনি। এর আগে তিন নম্বরে নামা সাব্বির রহমানের সঙ্গে ১৪০ রানের চমৎকার একটি জুটি উপহার দেন তামিম ইকবাল। আফগানদের বিপক্ষে বেশ সাবলিল ব্যাটিং করে তিনটি ছয় ও ছয়টি বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ার সেরা ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন সাব্বির রহমান। রহমত শাহর বল উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে আউট হওয়া এই ব্যাটসম্যানের ওয়ানডেতে আগের সেরা ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫৭। আজও ব্যর্থ ওপেনার সৌম্য সরকার (১১ বলে ১১)। মিরওয়াইস আশরাফের বলে উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। তবে তামিম আউট হওয়ার পরই শুরু মূলত শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের বেহাল দশা। একের পর এক উইকেট হারাতে শুরু করে টাইগাররা। তামিম আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন মুশফিকুর রহীম। জুটি বাধেন সাকিবের সঙ্গে। তবে জুটিটা খুব বেশি বড় হলো না।  উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যাওয়ার আগে সাকিব ৩৫ বল খেলে ১৭ রান করেন। এরপর আউট হন মুশফিকুর রহীম। ১৩ বল খেলে ১২ রান করার পর লেগ স্পিনার রশিদ খানের বলে লেগবিফোর আউট হয়ে গেলেন তিনি। পরে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোসাদ্দেক হোসেরের উপর আশা করেছিল দর্শকরা। কিন্তু দুর্ভাগ্য। ৪ বলে ৪ রান করার পর রশিদ খানের বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে গেলেন মোসাদ্দেক। তবে মাহমুদুউল্লাহ শেষের দিকে ২২ বলে ৩২ রান করায় রানের চাকা কিছুটা সচল ছিল

    সূত্র:bd-pratidin

  • খেলা চলাকালে মাঠে মাশরাফি-ভক্তের কাণ্ড

    মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজব কাণ্ড ঘটালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার এক ভক্ত।
     
    খেলা চলাকালে নিরাপত্তারক্ষীদের চোখে ফাঁকি দিয়ে হঠাৎ দৌঁড়ে মাঠে ঢুকে পড়েন তিনি। দৌঁড়ে মাশরাফির কাছে যান ওই ভক্ত।
     
    তখন ২৮ দশমিক ২ ওভারের খেলা চলছিল। বল করছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ঠিক সেসময় মাঠে ঢোকেন ওই ভক্ত।
     
    নিরাপত্তকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ঢুকে ভক্তকে আটক করার চেষ্টা করেন। তবে মাশরাফি তাকে জড়িয়ে ধরে নিরাপত্তাকর্মীদের হাত থেকে রক্ষা করেন। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই ভক্তকে মাঠ থেকে বাইরে নিয়ে যান।
     
    এসময় খেলা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ ছিল।


    সূত্র:jugantor

  • ভারতের সংবাদ মাধ্যমকে পাক জামায়াত নেতার হুমকি

    জামায়াত নেতা হাফিজ সৈয়দের নিশানায় এবার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে জামায়াত নেতা হাফিজ সৈয়দ বলেছেন, 'ভারতের এক সংবাদ মাধ্যম ভুয়া ছবি দেখিয়ে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের গল্প বানাচ্ছে। যা আদৌ সত্য নয়।' এছাড়া খুব অল্পদিনের মধ্যেই প্রত্যেক ভারতীয়কে ‘আসল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলেও তিনি হুমকি দিয়েছেন। খবর কলকাতা ২৪x৭ নিউজের।

    খবরে বলা হয়, গত বুধবার গভীর রাতে অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে হামলা চালায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিশেষ সেনারা। সেখানে গুড়িয়ে দেয় একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি। এরপরেই ভারতের একাধিক সংবাদ মাধ্যমে এই সংক্রান্ত খবর সম্প্রচারিত হতে থাকে। পাশাপাশি জি নিউজও এই সংবাদ দেখায়। কোন পথে ভারতীয় সেনারা অধিকৃত কাশ্মীরে পৌঁছায় এবং কি করে হামলা চালিয়ে প্রায় সাতটি জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেয় তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

    আর এতেই ‘আঁতে ঘা লাগে’ পাকিস্তানসহ জামায়াত নেতা হাফিজ সৈয়দের। তার দাবি মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেছে জি নিউজ। এর মূল্য সকল ভারতীয়কে দিতে হবে। তবে এখানেই থেমে থাকেনি ২৬/১১ মুম্বাই হামলার মূল চক্রী। এক ধাপ এগিয়ে তার হুশিয়ারি, খুব শীঘ্রই নাকি ‘আসল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ কাকে বলে তা তিনি ভারতকে বুঝিয়ে দেবেন।

    তবে সূত্রের খবর, হাফিজ সৈয়দের এই হুঁশিয়ারিকে মোটেই আমল দিচ্ছেনা নয়া দিল্লি। উল্টো ফের কি করে আরও একবার পাকিস্তানকে ‘সবক শেখানো’ যায় সেই ছক আঁকা হচ্ছে।

    ২৬/১১ মুম্বাই হামলার পর হাফিজ সৈয়দকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বারবার পাকিস্তানের কাছে দাবি জানিয়ে এসেছে ভারত। তবে সেই দাবিকে খুব একটা আমলে নেয়নি নওয়াজ শরিফ সরকার। উল্টো তার দলের একাধিক নেতা থেকে মন্ত্রীরা জামাত ওই নেতার পাশেই দাঁড়িয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো অসন্তুষ্ট ভারত। জাতিসংঘে সেই অসন্তোষের কথাও ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    সূত্র:dailyjanakantha