Browsing "Older Posts"

  • দশম সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনে ৫টি বিল পাস

    ডিসেম্বর ০৯, ২০১৬
    দশম জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে মোট ৫টি বিল পাস হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের অধিবেশন সমাপ্তি সম্পর্কিত ঘোষণা পাঠ করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    এর আগে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ সমাপনী ভাষণ দেন।

    এই অধিবেশন ৪ ডিসেম্বর শুরু হয়। মোট ৫টি কার্যদিবসের এ অধিবেশনে ৫টি বিল পাস হয়।

    আইনপ্রণয়ন সম্পর্কিত কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে ১৩৯টি নোটিশ পাওয়া যায়। নোটিশগুলো থেকে ৬টি গৃহীত হয়।

    এ ছাড়া ৭১ (ক) বিধিতে দুই মিনিটের আলোচিত নোটিশের সংখ্যা ছিল ৩০টি। এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সর্বমোট ৯২টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। এর মধ্যে তিনি ৬৮টি প্রশ্নের উত্তর দেন। মন্ত্রীদের জন্য আনা এক হাজার ৫২৭টি প্রশ্নের মধ্যে ৬৯২টি প্রশ্নের জবাব দেন।

    স্পিকার সংসদ অধিবেশন পরিচালনায় সহযোগিতা করায় সংসদ নেতা, সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপসহ হুইপগণ, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, সকল সংসদ সদস্য, ডেপুটি স্পিকার ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, মিডিয়ার কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।


    সর্বশেষ খবর
    আলোকবর্তিকা
    চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ১৫
    দশম সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনে ৫টি বিল পাস
    নাসিরনগরে হামলা: জাহাঙ্গীরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

    প্রধানমন্ত্রীর ২শ’ বছর আয়ু চাইলেন রওশন
    পায়রা বন্দর উন্নয়নে ৩টি সমঝোতা স্মারক সই
    ১০ অতিরিক্ত সচিব পদে রদবদল
    রোহিঙ্গা সমস্যা মিলিটারি পন্থায় সমাধান সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী
    জানুয়ারিতে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা যাচাই-বাছাই শুরু
    প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর স্থগিত


    জাতীয় বিভাগের অারও খবর
    দশম জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশন সমাপ্ত
    দশম সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনে ৫টি বিল পাস
    লুই কানের নকশা বিন্যাস শুরু

    জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করানোয় মোহসিন-উল হাকিমকে সংবর্ধনা
    জামায়াত সঙ্গত্যাগ করে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিন
    পায়রা বন্দর উন্নয়নে ৩টি সমঝোতা স্মারক সই

    জলবায়ু পরিবর্তনে কৃষি উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে
    ১০ অতিরিক্ত সচিব পদে রদবদল
    বাল্যবিবাহ নিরোধ বিল সংসদে উত্থাপন
    রোহিঙ্গা সমস্যা মিলিটারি পন্থায় সমাধান সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

    অবস্থার প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধ করেন জিয়াউর রহমান
    জানুয়ারিতে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা যাচাই-বাছাই শুরু
    ৮টি যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা সরকারের
    প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর স্থগিত
    নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব কামাল উদ্দিন

    সূত্র:jugantor

  • নাতির জন্ম দিলেন দাদি!

    মেয়ের বয়স ২১। সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত ১৮ বছর বয়স থেকে।

    কোনোদিনই মা হতে পারবে না মেয়ে। তাঁর বয়স ৪৫। কিন্তু তিনি তো এখনও সন্তানধারণে সক্ষম। মেয়ের সন্তানকে নিজের গর্ভে ধারণ করলেন মা। তৈরি হল সারোগেসির নতুন সংজ্ঞা।
    ৪৫ বছর বয়সে নাতির জন্ম দিলেন দিদা জুলি ব্র্যাডফোর্ড। মেয়ে জেসিকা জেনকিন্স মারণরোগে আক্রান্ত। কিন্তু তাই বলে মাতৃত্বের স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকবে! এটা মেনে নিতে পারছিলেন না মা জুলি। শেষমেশ সিদ্ধান্ত নিলেন মেয়েকে মাতৃত্বের স্বাদ দেবেন তিনি নিজে হাতেই। অন্য কারোর গর্ভ ভাড়া করা নয়। মেয়ের ভ্রূণকে নিজের গর্ভে ধারণ করেন জুলি।

    জেনকিন্সের কেমোথেরাপি শুরুর আগেই সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল ২১টি ডিম্বাণু। তারপর যথাসময়ে IVF পদ্ধতিতে নিষেকের পর তা স্থাপন করা হয় জুলির গর্ভে। ছেলেকে পেয়ে খুশি জেসিকা। আর মেয়ে জেসিকার খুশিতে, খুশি মা জুলি। তাদের কাছে এটাই ক্রিসমাসের সবচেয়ে বড় উপহার।

    সূত্র: আজকাল
  • প্রেম করে বিয়ে না করতে চাওয়ায় প্রেমিককে পেটাল তরুণী

    দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু, সেই সম্পর্ক ভেঙে প্রেমিক অন্য কাউকে বিয়ে করতে চাই।

    আর এই কথা শোনা মাত্রই সবার সামনেই প্রেমিককে মারধর শুরু করেন এক তরুণী। ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের রাঁচিতে এ ঘটনা ঘটে। সেখানকার জয়পাল সিং স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে সবার সামনে এক প্রেমিক যুগল ঝগড়া শুরু করে। আচমকাই, সেই ঝগড়া থেকে শুরু হয় হাতাহাতি। আর তারপরই ওই তরুণী সবার সামনেই প্রেমিককে ধরে মারধর শুরু করেন। একের পর এক কিল, চড় পড়তে শুরু করে ওই যুবকের গালে, পিঠে।

    এমনকী, স্টেডিয়ামের সবার সামনে দাঁড়িয়েই ওই যুবকের কলার ধরে তাকে পেটাতে শুরু করেন ওই তরুণী। যা দেখে আশপাশের মানুষ সেই দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করেন।    ইন্টারনেটে আপলোড হতেই, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।

    সূত্র:kalerkantho
  • ইসলামিক গল্প সত্যি এটি একটি সত্য ঘটনা যখন রাশিয়া ও আফগানস্থান যুদ্ধ নিয়ে

    ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬
    সত্যি এটি একটি সত্য ঘটনা
    যখন রাশিয়া ও আফগানস্থান যুদ্ধ চলছিল।তখন
    একটি ছোট্ট শিশু বয়স ৮ বছর নাম তার আব্দুর রহমান।
      সে ছিল কোরআন এর হাফেয শুনুন  তাহলে তার ঘটনা।

    ছেলেটির নাম আব্দুর রহমান বাড়ি আফগানস্থানে,
    আব্দুর রহমানকে তার মা কোরআন শিক্ষা দেয়।
    অতপর আব্দুর রহমান আস্তে আস্তে সম্পুর্ন কোরআন
    হেফয করে নেয় এবং কোরআন এর হাফেয হয়ে যায়।
     আফগানস্থান ও রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হয়

    তার বাবা জিহাদের ময়দানে বা যুদ্ধে যান।
    তখন তার মায়ের হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠেছে বাচ্চা হবে।
     আব্দুর রহমান,তখন ডাক্তারকে
    ডাকতে যাচ্ছে এমত অবস্থায় রাশিয়া সৈন্য বাহিনি
    আব্দুর রহমান  কে আটক করে এবং আস্থানায় নিয়ে যায়
    আব্দুর রহমান এর পরনে ছিল পান্জাবি,টুপি ও পায়জামা
    রাশিয়া সন্য বাহিনি আব্দুর রহমানকে তালেবান আলকায়দা
     সৈন্যবাহিনি বলে মনে করে আটক করে ।

    আব্দুর রহমান,
    বলে আমি কোরআনের  হাফেয আমি তালেবান সন্য নই।
    তাদেরকে বেঝাতে চেষ্টা করে আরও বলে আমি ডাক্তারকে
    ডাকতে যাচ্ছি তখন রাশিয়া সন্য বাহিনি বলে তুই
    কোরআনের হাফেয ত তোকে আজ পরিক্ষা করব
    আব্দুর রহমান  বল্লো কি পরিক্ষা করবেন।
    রাশিয়া কাফির সন্যৈরা সাজোয়া ট্যংক
    পাহারা দিচ্ছিল  তাই রাশিয়ার কাফের সৈন্যরা
    বল্লো তুই যদি তোর কোরআন দিয়ে এই

     সাজোয়া ট্যাংক গুলোতে আগুন ধরাতে
    পারিস তাহলে কোরআন সত্য বলে মানব যদি
     না পারিস তাহলে তোর কোরআন মিথ্যা
    ছোট্ট ছেলে ত নাছড় বান্দা আমাকে ছেড়ে দিন
    এদিকে কাফের সৈন্যরাও নাছড় বান্দা তখন

    আব্দুর রহমান আল্লাহর কাছে নিরাশ না হয়ে
    বল্লো আমাকে পানি দেন আমি অজু করব।
     আব্দুর রহমান দুই রাকাত নামাজ পড়ে
    এক মুঠ বালু নিয়ে কোরআন এর একটি
    আয়াত (ইযরমা ইসরমা ইন্নাত তহা রমা---)
    এই আয়াতটি পড়ে বালু গুলো ছুড়ে মারে
    এভাবে তখন একে একে ২৩টি  সাজোয়া ট্যাংক
    ধংস হয়ে যায় এবং কয়েকজন সৈন্য ছাড়া সবাই মারা যায়
    এবং যারা বেচে ছিল তারা সবাই মুসলমান হয়।

    আল্লাহ তার কোরআন এর র্মযাদা দিয়েছেন।

    সূত্র:muslimjahan24

  • যে কারণে প্রেমিককে ছেড়ে চলে যেতে চায় মেয়েরা!

    পুরুষের জীবনে নারীর প্রেমে পড়া মোটেই নেতিবাচক কিছু নয়। প্রেমই পারে পুরুষের জীবনকে সার্থক করতে।

    তবে নানা কারণে অনেক সময় সেই প্রেমের আয়ু খুব একটা দীর্ঘ হয় না। অনেকে আবার প্রেমজীবনে ব্যর্থতার সম্মুখীন হন। কিন্তু এই ব্যর্থতার কারণ কী? সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রধানত এই চার কারণে প্রেমিককে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় যে কোন মেয়ের কাছে-

    * যখন তিনি আপনার চেয়ে ভাল প্রেমিক পেয়ে যাবেন, তখন এমনটা হতে পারে। তার জীবনে এসে গেছে দ্বিতীয় পুরুষ। আপনার সঙ্গিনী যে পরিকল্পনা করে নিজের জীবনে তাকে ডেকে এনেছেন, এমনটা হয়তো নয়, কিন্তু ঘটনাচক্রে তিনি এসে পড়েছেন। আর সেই নতুন প্রেমিককে আপনার চেয়ে অনেক বেশি অ্যাটট্রাক্টিভ বলে মনে হচ্ছে তার। তেমনটা হলে আপনার প্রেমিকা আপনাকে ছেড়ে চলে তো যাবেনই।

    *অধিকাংশ মেয়ে প্রেমের ক্ষেত্রে অভ্যাসকে অপছন্দ করে। একই মেসেজ রোজ রাত্রে প্রেমিকাকে পাঠানো, প্রতি বছর তার জন্মদিনে একই ধরনের উপহার দেওয়া এগুলো মন ভেঙে দেয় মেয়েদের। অভ্যাসের দাসত্ব করার অর্থ, রোম্যান্টিকতাকে বিদায় দেওয়া। এটাই অভিমত অধিকাংশ মেয়ের। আসলে নিত্যনতুন উপায়ে আকর্ষণ করতে হয় মেয়েদের মন। কোন বাঁধাগতে হাঁটতে গেলেই তারা হাঁপিয়ে উঠে।

    * প্রতিটি মেয়েই প্রেমের ক্ষেত্রে একটা স্পষ্টতা চায়, একটা নিশ্চয়তা চায়। কারণ এই প্রেমই হয়ে উঠতে পারে তার ভবিষ্যত জীবনের আশ্রয়। সেক্ষেত্রে কোন মেয়েকে যদি আপনি আপনার ভালবাসার কথা জানাতে অতিরিক্ত সময় নেন, দীর্ঘদিন ধরে তাকে অপেক্ষায় রাখেন, তাহলে সে ক্লান্ত হয়ে বিদায় নিতে পারে। কাজেই কোন মেয়েকে ভাল লাগলে, বিষয়টি তাকে দ্রুত এবং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

    * আপনি প্রেমিক হিসেবে অতি সক্রিয় হতে হবে। আপনি কেয়ারিং হবেন, রোম্যান্টিক হবেন- এটা আপনার প্রেমিকা নিশ্চয়ই চান, কিন্তু আপনার প্রেমের বাড়াবাড়ি যদি তার স্বাধীনতায় বা স্বাচ্ছন্দ্যে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে তা পছন্দ করেন না অধিকাংশ মেয়ে। তার চাকরির ইন্টারভিউয়ের সময়ে আপনি তার সঙ্গে গেলেন, এতে আপনার বান্ধবী নিশ্চয়ই আপ্লুত হবেন, কিন্তু আপনি যদি রোজ তাকে অফিস থেকে পিক আপ করা শুরু করেন, তাহলে হয়তো অফিসের শেষে তিনি নিজের বন্ধুদের সঙ্গে একটু আড্ডা মারতে চাইলেও, সেই কাজে বাধা পড়ে। কাজেই প্রেমের ক্ষেত্রে এই জাতীয় বাড়াবাড়িগুলো এড়িয়ে চলুন। তাতেই মিলবে প্রেমিকার প্রেম।

    সূত্র:bd-pratidin
  • 'জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করে রাষ্ট্রপ্রতির সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিন'

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জামায়াতের সঙ্গত্যাগ করে রাষ্ট্রপ্রতির সঙ্গে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে বিএনপির প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
    আজ বৃহষ্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনের এ্যালামনাই হলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহবান জানান।

    বগুড়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান এই আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
    মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব না দিয়ে জামায়াতের সঙ্গত্যাগ করে রাষ্ট্রপ্রতির সঙ্গে আলোচনা করে, আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করুন। শুধু শুধু প্রস্তাব দিয়ে লাভ নেই। প্রস্তাব দিয়ে কি হবে। সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপ্রতির।

    বগুড়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশানের সভাপতি নাজিব বেগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স, বগুড়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশানের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই নির্ধারিত সময়ে হবে। সেইসঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। এটা মীমাংসিত বিষয়। এটা নিয়ে কথা বলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পাঁয়তারা করছেন খালেদা জিয়া।
    তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। সেজন্য নিশ্চয়ই তিনি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন। আলোচনার মাধ্যমে সার্চ কমিটি গঠন করবেন।

     এটা নিয়ে খালেদা জিয়া যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা নতুন ষড়যন্ত্রেরই অংশ।
    খলনায়ককে মহানায়ক বানানোর চেষ্টা থেকে বিরোত থাকতে বিএনপি নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, যে ক্ষেত্রে যার অবদান যত টুকু তাকে ততটুকুই দিতে হবে। আপনারা অহেতুক খল নায়ককে মহানায়ক বানানোর চেষ্টা করবেন না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়েই ৭১ সালে সমস্ত বাঙ্গালী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। আওয়ামী লীগের সমালোচান করতে পারেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিয়ে অহেতুক সমালোচনা করবেন না।

    সূত্র:kalerkantho
  • শাহরুখের ওপর কেন রেগে গেলেন রাকেশ রোশন!

    ঘোষণা হয়েছিল আগেই। আর সেই মতো ৭ ডিসেম্বর, সকাল ১১টায় ৯টি শহরের মোট ৩৫০০ স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে ‘রইস’-এর ট্রেলার।

    শাহরুখ এই ছবিতে দাউদ ঘনিষ্ট ডন আবদুল লতিফের চরিত্রে অভিনয় করছেন। যদিও ছবির চিত্রনাট্যে তাঁর নাম পাল্টে হয়ে গিয়েছে রইস আলম।
    ছবির ট্রেলার মুক্তির অভিনব কায়দা, ভিডিও কনফারেন্সে ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা— ট্রেলার লঞ্চেই রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বলিউড বাদশা। সেই সঙ্গে আর একটা চমকও দিয়েছেন তিনি। ‘রইস’-এর মুক্তির দিন এগিয়ে এসে ২৬ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৫ জানুয়ারি হয়ে গেছে।

    এটা তাঁর অসংখ্য ভক্তদের কাছে উপরি পাওনা। তাই তাঁরা বেজায় খুশি। ‘রইস’-এর মুক্তির দিন এগিয়ে দেওয়ায় ভক্তেরা খুশি হলেও শাহরুখের ওপর বেজায় চটেছেন রাকেশ রোশন। কারণ, ওই একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর প্রযোজিত হৃতিকের ছবি ‘কাবিল’।

    এই দু’টি ছবি একদিন আগে-পরে মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে জোর টক্কর হতোই। তবে তা-ও এক দিন বিনা লড়াইয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল হৃতিক রোশনের ‘কাবিল’-এর। কিন্তু শাহরুখ ‘রইস’-এর কিন্তু মুক্তির দিন এগিয়ে এনে সেই সম্ভাবনাটুকুও শেষ করে দিলেন।

    বলিউডের একটি মিডিয়াকে দেওয়া বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ রাকেশ বলেন, “যে তারিখ আমরা ঠিক করছি সেটাই ওরা ফলো করছে। আমি কখনওই এমন কাজ করতাম না। আমি আমার জীবনের ৫০ বছর এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে দিয়েছি। আমি ‘কৃষ ৪’-এর মুক্তির দিন ২০১৮-র বড়দিন থেকে সরিয়ে দিয়েছি কারণ আমি জানতে পারি ওই একই দিনে শাহরুখের একটি ছবিও মুক্তি পাবে।

    এরই সঙ্গে ক্ষুব্ধ রাকেশ রোশন যোগ করেন, “আমি অনায়াসেই আমার ছবিটা ‘বেফিকরে’ বা ‘দঙ্গল’-এর মুক্তির দিনেই রিলিজ করাতে পারতাম যদি বক্স অফিসের লড়াইয়ের ইচ্ছে থাকত। আমি এ সবের কোনও অর্থ খুঁজে পাচ্ছি না!” ছবির প্রযোজক, বাবা রাকেশ রোশন প্রকাশ্যে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেও হৃতিক সে পথে হাঁটেননি। একই দিনে তাঁর ‘কাবিল’ আর শাহরুখের ‘রইস’ মুক্তি নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে হৃতিক দাবি করেন, “আমি ‘কাবিল’ নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। আমার এ সবে কিছু যায় আসে না। ”

    কিন্তু বাস্তবে ছবির বক্স অফিস কালেকশনে এর প্রভাব পড়বেই বলে মত ফিল্ম সমালোচক ও বলিউড বাজার বিশেষজ্ঞ তরণ আদর্শের মতো অনেকেরই। আর ‘রইস’-এর পোস্টার রিলিজ করে বলিউড বাদশাও তো টুইট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘অব আপনা টাউম শুরু...’। তাই ২৫ জানুয়ারি বড়সড় লড়াইয়ের জন্যই প্রমাদ গুনছে বলিউড। আনন্দবাজার
  • পিছিয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

    চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভারত সফর পিছিয়ে গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, অনিবার্য কারণবশত সফরটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, শেষ মুহুর্তের কিছু পরিবর্তনের জন্য এই সফর পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে সূত্র সফর পেছানোর কারণ ব্যাখ্যা করেনি।

    প্রধানমন্ত্রীর ১৮ ডিসেম্বর ভারতের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার কথা ছিল। সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। নতুন এই সফর ভারত ও বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ-ভারত সাম্প্রতিক সব উচ্চ পর্যায়ের সফরে গুরুত্বপুর্ণ ইস্যু তিস্তা নদীর পানি ভাগাভাগির চুক্তি। এই বিষয়ে দিল্লি ও ঢাকার কোনো কর্মকর্তাই কোনো অগ্রগতির কথা নিশ্চিত করতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে তিনি এখনো আশাবাদী। তিনি শনিবার বলেছিলেন, আমি ভারত সফরে যাচ্ছি। তবে তিস্তা চুক্তির শর্তে যাচ্ছি না, তবে আমরা এই বিষয়ে আশাবাদী।

     গত অক্টোবরের ১৬ তারিখ ভারতের গোয়ায় একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে আশ্বাস দেয়া হয়, উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গেই থাকবে।

    ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিমন্ত্রণে জুন মাসের ৬-৭ তারিখে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন মোদী। সেই সফরে দুই দেশ ‘নতুন প্রজন্ম-নায়ি দিশা’ নামে যৌথ ঘোষণা করে। সেই সফরে মোদীকে ২০১১ সালে দুই সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত পানি ভাগাভাগি চুক্তি কার্যকরের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    মোদী তখন বলেছিলেন, তিস্তা ও ফেনী নদীর পানি ভাগাভাগির চুক্তি চূড়ান্ত করার বিষয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা চলছে। দুই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে মানু, মুহুরি, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি ভাগাভাগির চুক্তির টেকনিক্যাল দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূত্র:ittefaq
  • অবৈধভাবে বসবাসকারী ৩৮ জন বাংলাদেশি ফিরলেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে

    যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী ৩৮ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির সরকার।

    বুধবার মধ্যরাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তারা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে গেছেন বলে ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে।

    বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের বিশেষ সুপার মাহবুবুর রহমান বৃহস্পতিবার বলেন, এই ৩৮ জন বাংলাদেশি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন মেয়াদে ছিলেন।

    অন্যান্য দেশ থেকেও অবৈধ অভিবাসী বাংলাদেশিরা এভাবে মাঝে-মধ্যে ফেরত আসছেন বলে জানান ইমিগ্রেশন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

    তিনি বলেন, এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা, রুটিন ওয়ার্ক। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধভাবে বসবাস করা বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠায় সে দেশের সরকার।

    ফেরত আসা ব্যক্তিদের কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কি না জানতে চাইলে মাহবুবুর বলেন, এ রকম কিছু আমাদের জানা নেই। সবাই নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে গেছে।

    ফেরত আসা এক ব্যক্তি নিজের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তারা কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে বন্দি ছিলেন। অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে সেদেশের সরকারের একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্রের খরচে দেশে এসেছেন।

    তিনি আরও বলেন, সমুদ্র পথে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের হাতে পড়ে দুই বছর কারাগারে কাটিয়েছি। অনেক কষ্ট হয়েছে। আমাদের বৈধতা/অবৈধতার প্রশ্নে দীর্ঘ শুনানি চললেও কোনো সমাধান আসছিল না।

    সূত্র:protidinersangbad
  • 'রোহিঙ্গা সমস্যাটি রাজনৈতিক, মিলিটারি পন্থায় সমাধান সম্ভব নয়'

    রোহিঙ্গা সমস্যাটি রাজনৈতিক, মিলিটারি পন্থায় এর সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে ডেনমার্কের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মিখাইল হেমনিদ উইনটার আজ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

    ডেনিসের রাষ্ট্রদূততের সাথে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যাটি রাজনৈতিক সমস্যা এবং মিলিটারি পন্থায় এর সমাধান সম্ভব নয়। ' বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ কথা জানান।

     তিনি জানান, এ সময় বাংলাদেশে ডেনমার্কের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মিখাইল হেমনিদ উইনটার বলেন- তার দেশ বাংলাদেশের ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবার ইস্পিত লক্ষ্য অর্জনে অংশীদার হতে চায়। বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতে পারায় ডেনমার্ক গর্বিত বলেও এ সময় রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন।

    সূত্র:bd-pratidin
  • এই ৪ লক্ষণে বুঝবেন শরীর বিষে ভরে গেছে

    প্রতিদিনই নিজেদের অজান্তে খাদ্যের সঙ্গে গ্রহণ করে চলেছি নানা ধরনের বিষ। যার প্রভাব পড়ছে শরীরে।

    টরন্টো মেডিকাল অ্যাসোসিয়েশনের সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জার্নালের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এবেলা। তাতে বলা হয়েছে, মোটামুটিভাবে চারটি লক্ষণ দেখে বোঝা যেতে পারে যে শরীরে বিষের মাত্রা অত্যধিক বেড়ে গিয়েছে।

     কী ধরনের লক্ষণ সেগুলি জেনে নেয়া যাক-
    বার বার টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করা : শরীরে বিষাক্ত উপাদান বা টক্সিনের মাত্রাধিক্য ঘটলে মানবদেহ তা মলের মাধ্যমে বের করার চেষ্টা করে। হঠাৎ করে ঘন ঘন টয়লেট যাওয়ার প্রয়োজন অনুভব করলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বেশি করে পানি ও তরল পানীয় গ্রহণ করুন। খাদ্যতালিকায় প্রোবায়োটিক খাবারের পরিমাণ বাড়ান। শরীর সুস্থ থাকবে।

    নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ : পাকস্থলী এবং লিভার টক্সিনের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পারলে মুখের ভিতর দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া জমবে এবং মুখে দুর্গন্ধের কারণ ঘটাবে। নানা কৌশল নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে সাময়িক মুক্তি দেবে ঠিকই। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়াই যুক্তিযুক্ত।

    যে কোনও রকম গন্ধে অস্বস্তি বোধ করা : পারফিউম, ধোঁয়া কিংবা কোনও কড়া গন্ধে কি আপনি অস্বস্তি বোধ করছেন? মাথা ভার লাগছে গন্ধের চোটে? শরীরে টক্সিনের মাত্রাধিক্যের কারণে এটা হতে পারে। শরীরে বিষাক্ত উপাদান বেড়ে গেলে শ্বাসনালীর পরিধি হ্রাস পায় এবং তা অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। ফলে যে কোনও রকম কড়া গন্ধেই অস্বস্তি বোধ হয়। এমনটা ঘটলে অবিলম্বে ডাক্তারের দ্বারস্থ হন।

    কিছুতেই ওজন কমাতে না পারা: ডায়েটিং কিংবা এক্সারসাইজ সত্ত্বেও  কমছে না ওজন? শরীরে টক্সিনের মাত্রাধিক্যের লক্ষণ হতে পারে এটি। মানবদেহে বিষাক্ত উপাদানের পরিমাণ বেড়ে গেলে হরমোনগ্রন্থিগুলি যথাযথ কাজ করে না। স্বাস্থ্যকর খাবারদাবারও চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। কাজেই অনেক চেষ্টা করেও যদি না কমে ওজন, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

    সূত্র:bd-pratidin
  • ‘লাখ ট্যাকার কারবার অনেকেই সামলাইতে পারে না

    বিপিএলকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বসছে জমজমাট জুয়ার আসর। জাগো নিউজের সরেজমিন অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এমনই চিত্র। পুরান ঢাকার চকবাজারে দেবীদাসঘাট এলাকায় এ বিষয়ে কথা হয় কয়েকজনের সঙ্গে। জুয়াড়িদের বিষয়ে জানতে চাইলে কাকতালীয়ভাবে তিনজনই শাহীন নামে একই ব্যক্তির নাম বলেন।

    খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে পাওয়া যায় শাহীনকে। তবে ব্যক্তিগত পরিচয় দিতে চাননি তিনি। বাবার সঙ্গে ব্যবসা করেন। নিজেরও টুকটাক ব্যবসা আছে। তবে তার বর্তমান পরিচয় আইপিএল, বিপিএলে জুয়া খেলে সব হারানো প্রায় নি:স্ব একজন ঋণগ্রস্ত মধ্যবয়স্ক পুরুষ।

    কথা প্রসঙ্গে জানা যায় ভালো ভাবেই ব্যবসা চলছিল তার। তবে ক্রিকেট খেলা শুরু হলেই জুয়ার ভূত ঘাড়ে চেপে বসে শাহীনের। টেস্ট ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, ওয়ার্ল্ড কাপ, সিপিএল, পিএসএল কিছুই বাদ যায় না। সবই ঠিক ছিল, ছিল সংসারে সচ্ছলতা। তবে কেন এই জুয়ার মোহ?

    প্রশ্ন শেষ করার আগেই শাহীনের উত্তর শুরু, আপনি রাস্তা দিয়া চলার সময় চায়ের দোকানে, সেলুনে বা কোনো আড্ডায় যেখানেই যান, দেখতে পাবেন কেউ না কেউ বাজি ধরছে। কেউ টাকা দিয়ে, কেউ খাবারের বিনিময়ে। এটা একটা মজা।

    স্থানীয় ভাষায় তিনি আরো বলেন, ‘কহন কহনও এ নিয়ে মারামারি-গ্যাঞ্জাম হয়। আমার মতো পরিচিত কয়েকজন অনেক ট্যাকা লস খাইয়া ব্যবসা-বাণিজ্য লাটে উঠাইছে। এইগুলা থিক্যা ফিরা আহন দরকার। কিন্তু যেহেতু লাখ লাখ ট্যাকার কারবার তাই নিজেগোরে অনেকেই সামলাইতে পারে না। আমিও পারি নাই।’

    সব হারিয়েছে কিন্তু এখনো অনুতপ্ত নয় শাহীন। জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভাই, সব খেলায় হারজিত আছে। এ রকম বাজি খেলাতেও হারজিত হয়। এমন সময় গ্যাছে এক মৌসুমে ৩-৪ লাখ কামাইছি। কিন্তু এই মৌসুমে এহন পর্যন্ত পৌনে ২ লাখ লসে আছি। সবই কপাল। আর বাজি খেললে খেলা দেখার আলাদা মজা।’

    ওদিকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে চলছে খুলনা টাইটান্স ও বরিশাল বুলসের খেলা। ঠিক তখনই চকবাজারের একটি সেলুনে চলছিল বলে বলে বাজি খেলা। এই বলে চার অথবা ছয়, এই বলে উইকেট অথবা অন্য কিছু। শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে মোবাইলে আপডেট জানাচ্ছেন দর্শক গ্যালারিতে থাকা কোনো এক দর্শক। যাকে জানাচ্ছেন তিনিই বাজি জয়ী হচ্ছেন একের পর এক।

    সরাসরি সম্প্রচারে যখন বোলিংয়ের যে বলটি দেখাচ্ছে তখন স্টেডিয়ামে ওই বলটি খেলা শেষ হয়ে গেছে। প্রযুক্তির এই সময়ের হের-ফেরকে কাজে লাগিয়ে পুরো ঢাকায় চলে জুয়ার উৎসব। অথচ সেলুনটির বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই ভেতরে কি চলছে।

    বেগমবাজারের বাসিন্দা রাকিবুল জানান, পুরান ঢাকার প্রায় সব অলিগলিতেই এ রকম বাজি চলে। তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, বংশাল  সব  এলাকায়ই দোকানে দোকানে অনেক লোক একসঙ্গে বসে টিভিতে খেলা দেখে। আসলে সবই জুয়ার আসর।

    বিপিএলকে কেন্দ্র করে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের ইস্টার্ন মল্লিকা মার্কেটেও জমে উঠেছে জুয়ার আসর। এখানে প্রতি ম্যাচে বাজি ধরা হয় সর্বনিম্ন দেড় হাজার, সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। প্রতিদিন প্রায় ৮-১০টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এখানে বাজি ধরেন তারা। আর পয়েন্ট টেবিলে থাকা নিচের সারির দলগুলোর পক্ষে বাজি ধরে জিতলে টাকার অঙ্কটা একটু বেশি পাওয়া যায়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কেটের এক দোকানি বলেন, শুধু বিপিএল নয় আইপিএল, বিগব্যাশসহ বিশ্বের সব ধনের লিগের বাজি ধরা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য কোনো দেশের খেলা হলে সেখানে বাজি ধরা হয়।

    সূত্র:jagonews24
  • 'তিন তালাক' অসাংবিধানিক, এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়

    'তিন তালাক' অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কোনো পার্সোনাল ল বোর্ডই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয় বলেও জানিয়েছেন ভারতের এ আদালত।

    বৃহস্পতিবার এই রায়ে বলা হয়, ‘তিন তালাক’ প্রথা মুসলিম নারীদের অধিকার খর্ব করে। তাই এই প্রথা অসাংবিধানিক। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

    মুসলিমদের বিবাহ বিচ্ছেদের এই পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। এতদিন পর্যন্ত বিবাহ-বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির মামলার জন্য মুসলিমরা আলাদা আদালতে যেতেন। কিন্তু ‘ভারতীয় মুসলিম মহিলা আন্দোলন’ নামে এক সংগঠন দাবি করে, তিন তালাক কোরান-বিরোধী।

    এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি তিন তালাক নিষিদ্ধ করা নিয়ে একটি আবেদন পত্রে সই করেন প্রায় ৫০ হাজার মুসলিম। যাদের মধ্যে মহিলা ও পুরুষ উভয়ই রয়েছেন। এ নিয়ে আদালতে একাধিক আবেদনও জমা পড়ে। তিন তালাক প্রথা বন্ধের দাবিতে মুসলিম মহিলাদেরই একটি অংশ সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন।

    সূত্র:bd-pratidin



  • দুই কোটি শিশু শনিবার পাবে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল

    দেশের দুই কোটি ১০ লাখ শিশুকে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আগামী শনিবার ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

    এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, 'স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান আগামী ১০ ডিসেম্বর শনিবার জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করতে যাচ্ছে। এ দিনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোসহ অন্যান্য পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।'

    'আমরা ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুদের রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করতে চাই' যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।

    জাহিদ মালেক বলেন, বর্তমানে ভিটামিন-এ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগের হার শতকরা এক ভাগের নিচে রয়েছে।

    ক্যাম্পেইনের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান কেন্দ্র খোলা থাকবে। শিশুদের ভরা পেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।

    কাঁচি দিয়ে ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের মুখ কেটে ভেতরে থাকা তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হবে। জোর করে বা শিশুরা যখন কান্নাকাটি করে তখন যে ক্যাপসুল খাওয়ানো না হয়।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    এছাড়া বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, ব্রিজের টোল প্লাজা, বিমানবন্দর, রেল স্টেশন, খেয়াঘাট ইত্যাদি স্থানে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো অবস্থান করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে তিনজন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, 'দুর্গম এলাকায় ক্যাম্পেইন সফল করার জন্য পরবর্তী চারদিন বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।'

    সূত্র:juganto
  • যে কোনো এয়ারলাইন্সে হজে যেতে পারবেন যাত্রীরা

    বাংলাদেশ বিমান ও সৌদি এয়ারলাইন্সে হজ্জে যাওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে নিজেদের পছন্দমতো যে কোনো এয়ারলাইন্সে করে যাত্রীরা হজ্জে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

    বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই এই আদেশ দেন।

    আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।

    এর আগে ২০১৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সহ-সভাপতি আব্দুল কবির খান (জামাল), মহাসচিব শেখ আব্দুল্লাহ ও হজযাত্রী রেজাউল ইসলামের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সরকারি সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে।

    ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সিদ্ধান্তে ৫০ শতাংশ হজযাত্রী বিমান বাংলাদেশের এবং বাকি ৫০ শতাংশ এয়ারলাইনসের বিমানে যাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এর বাইরে অন্য কোন এয়ারলাইন্সে হজ্জ যাত্রীরা যেতে পারবেন না বলে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়।

    মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন হাব এর দুই নেতা ও এক হজযাত্রী। এ রিটের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ২৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারি করে ও পছন্দমতো বিমানে হজে যাওয়ার অনুমতি অন্তর্বতীকালীন আদেশ দেন।

    হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করে সরকার। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ স্থগিত করে দেন।

     পরে আবেদনকারীরা আপিল করলে তিন মাসের মধ্যে হাইকোর্টের এই মামলার নিষ্পত্তি করতে আদেশ দেয় আপিল বিভাগ। ২০১৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সরকারি সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। আজ হাইকোর্টের সেই রায়ই বহাল রাখল আপিল বিভাগ।

    সূত্র:ittefaq
  • হিন্দি ছবি মিস করছেন প্রিয়াঙ্কা

    চলতি বছরের মার্চে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত 'জয় গঙ্গাজল' মুক্তি পায়। বলিউডে প্রিয়াঙ্কার আর কোনো ছবি নেই।

    এ বছরের প্রায় শেষ। নতুন কোনো ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চুক্তিবদ্ধও হননি। সুতরাং আগামী বছরেও প্রিয়াঙ্কার কোনো ছবি বলিউডে মুক্তি পাবে, সে সম্ভাবনা নেই। হলিউডে পুরোপুরি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন টিভি সিরিজ নিয়ে।
    পাশাপাশি পাঞ্জাবি, ভোজপুরি এবং মারাঠি ভাষার তিনটি ছবির কাজ শুরু করেছেন প্রিয়াঙ্কা। ছবি তিনটিই প্রযোজনা করছেন তিনি। 'ভেন্টিলেটর' নামের মারাঠি ওই ছবিতে নিজেই অভিনয় করবেন। কিন্তু পাঞ্জাবি ও ভোজপুরি ছবিতে কে অভিনয় করবেন, তা এখনো ঠিক হয়নি। পাঞ্জাবি, ভোজপুরি এবং মারাঠি ছবি নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও প্রিয়াঙ্কা হিন্দি ছবির সঙ্গে একেবারেই দূরত্ব তৈরি করে ফেলেছেন।

    সম্প্রতি তার এক ভক্ত জানতে চান 'প্রিয়াঙ্কা বলিউডকে মিস করেন কী না?' জবাবে প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, 'হিন্দি ছবি মিস করেন খুব। নতুন ছবিতে কাজ করার ব্যাপারেও মুখিয়ে আছেন তিনি। '

    প্রিয়াঙ্কা মুখিয়ে থাকলেও তার সময় নেই। হলিউডে ধারাবাহিক টিভি সিরিজটির কাজ শেষ করে কবে নাগাদ হিন্দি ছবি করার সময় পাবেন, তা হয়তো নিজেই জানেন না।

    সূত্র:bd-pratidin
  • ৩৫ হাজার ফুট উপরে রহস্যময় আগুনের গোলা, হতভম্ব পাইলট


    সময় তখন মধ্যরাত। আচমকা বিমানের পাইলট দেখতে পেলেন শূন্যে ভাসছে আগুনের গোলা।

    কলকাতা থেকে উত্তর-পশ্চিমে বারাণসীর আকাশে জেট এয়ারওয়েজের পাইলট তখন ৩৬ হাজার ফুট উপরে। দিল্লি থেকে ব্যাংকক যাচ্ছিল বিমান। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
    ঘটনাটা তিন দিন আগের। রাত ১টা তখন। আগুনের গোলা দেখেই কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এ জানালেন পাইলট।

     চোখের ভুলও তো হতে পারে! কিন্তু জেটের ওই পাইলটের কাছ থেকে বার্তা পাওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যে পরপর দু’টি বিদেশি বিমানের পাইলটও একই বার্তা পাঠান। তারাও তখন বারাণসীর আকাশেই এবং তাদেরও অবস্থান তখন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার ফুট উঁচুতে। একটি বিমান পশ্চিম এশিয়া থেকে উড়ে যাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার দিকে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ইউরোপের দিকে যাচ্ছিল অন্য বিমানটি।

    এক এটিসি অফিসার জানান, ‘‘প্রথমেই আমাদের মনে হয়েছিল, আকাশে কোনও বিমানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ হলে আগুনের এ-রকম গোলা দেখা যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় খোঁজ। ’’ ওই সময়ে বারাণসীর আকাশ দিয়ে উড়ে যাওয়া সব বিমানের খোঁজ নিতে শুরু করেন এটিসি অফিসারেরা। কিন্তু তেমন কোনো দুর্ঘটনার খবর মেলেনি।

    এদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই তিন পাইলট ঠিক কী দেখেছিলেন, ছবি না দেখে সেই সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা কঠিন। অনেক সময় আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যায়। উল্কা একটু বড় মাপের হলে তা বায়ুমণ্ডলে ঢোকার পরে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে। তখন সেটিকে আগুনের গোলার মতোই দেখায়। আর উল্কাপিণ্ড যত বড় হবে, আগুনের গোলার আকারও তত বড় হবে। এবং সে-ক্ষেত্রে তার অবশিষ্ট অংশ এসে পড়বে মাটিতে। ২০১৩-র ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে জানাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এ বার বারাণসী বা তার আশপাশের আকাশে তেমন কোনও উল্কাপাতের কথা জানা যায়নি। ‘‘তবে সব ক্ষেত্রেই যে উল্কার অবশেষ মাটি পর্যন্ত এসে পৌঁছবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। উল্কাখণ্ডের আকার ছোট হলে তা আকাশেই পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে,’’ বলছেন এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

    সাধারণত উল্কাবৃষ্টি হলে তার কথা আগেভাগে অঙ্ক কষে বার করে নিতে পারেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু কোনও ছোট উল্কাখণ্ড আচমকা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসবে কি না, তা জানা যায় না। বারাণসীর ঘটনা নিয়ে কলকাতা থেকে দিল্লিতে বিমান মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, ওই ঘটনার ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি।

    সূত্র:bd-pratidin
  • ডিজিটাল যুগে সাংবাদিক হয়ে ওঠা

    সংবাদপত্রের কাটতির অব্যাহত পতন, চাকরিচ্যুতি, নতুন কাজের সুযোগ কমে যাওয়া এসব এখন গোটা বিশ্বের চিত্র। এ থেকে বিশ্বাস জন্মাতেই পারে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ আগ বাড়িয়ে এটাও ভেবে বসে আছেন- সাংবাদিকতাই মরে যাচ্ছে।

    কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সাংবাদিকতা বেঁচে আছে, ভালোভাবেই বেঁচে আছে। আর বেঁচে থাকবে। আসলে যা ঘটেছে তা হচ্ছে- সংবাদকর্মীর কাজের ধরনটি পাল্টে গেছে, কিংবা যাচ্ছে।

    ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের মতো সনাতনি মিডিয়াগুলো বিপাকে পড়েছে সে কথা বলাই বাহুল্য। সন্ধ্যার বুলেটিনে সব খবর জানা যাবে কিংবা কাল সকালে দরজার নিচে ঠেলে দেওয়া হবে আজ কি ঘটেছে তার সব ছাপা কপি এই ধারনা থেকে বের হয়ে যেতে শুরু করেছেন পাঠক। কারণ এখন প্রায় সব সংবাদমাধ্যমই তাদের ওয়েব সাইটে ব্রেকিং নিউজ দিচ্ছে। ফলে সংবাদচক্রটি আজ হয়ে উঠেছে ২৪ ঘণ্টার আর সাত দিনের (২৪/৭)।

    মিডিয়ার ধরন যখন পাল্টাচ্ছে- সাংবাদিকদের পাল্টে যেতে হবে এর সাথে সাথে। নিদেজের মুদ্রণ সাংবাদিক বা সম্প্রচার সাংবাদিক করে না রেখে তাদের হয়ে উঠতে হচ্ছে- সময়ের সাংবাদিক। তাদের এখন একসাথে মুদ্রণের জন্য খবর, অনলাইনের খবর আর মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সম্প্রচার মাধ্যমের খবর পরিবেশনায় সমান দক্ষ হয়ে উঠতে হচ্ছে।

    তবে সাংবাদিকের কাজের এই ধরনটি যখন পাল্টাচ্ছে, তখন মৌলিক বিষয়গুলো কিন্তু সেই আগের মতোই থেকে যাচ্ছে। সাংবাদিককে আজও তথ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে, তুলে ধরতে হচ্ছে তা খবরের আদলে। আর তাদের যে চিন্তার যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন, তা আগেও ছিলো এখনো আছে।

    সাংবাদিকের কাজের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো হচ্ছে তাদের নোটপ্যাড, টেপ রেকর্ডার, ডিজিটাল ক্যামকোর্ডার, কম্পিউটার আর সর্বোপরি লেখার হাত। আরেকটি অন্যতম উপাদান মেধা। আমরা সবাই জানি, সর্বসাধারনের জন্য লেখেন একজন সাংবাদিক, এ অবস্থায় তাকে তথ্যের রাজ্য থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে এনে গল্প সাজাতে হয়।

    এ জন্য তাদের তিনটি কাজই করতে হয়, প্রশ্ন করা, প্রশ্ন করা আর প্রশ্ন করা।

    ওই যে বলা হয়- সাংবাদিকতা হচ্ছে প্রশ্নের পেশা। তাই কী ঘটেছে? কে ঘটিয়েছে? কেনোটি গুরুত্বপূর্ণ? কেনো গুরুত্বপূর্ণ? এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করে আনাই একটি ভালো স্টোরি লেখার সেরা পথ। সুতরাং চিন্তা করতে শেখাই সাংবাদিকের বড় কাজ।

    পাশাপাশি তাদের আরেকটি কাজ শিখতে হয়, তা হচ্ছে- ঠিক কিভাবে আরও বেশি বেশি শেখা যায়।

    কেবল যে গণমাধ্যই পাল্টে যাচ্ছে তা নয়। গোটা কাজের বিশ্বেই আসছে পরিবর্তন। মানুষ ক্রমেই আরও বেশি বেশি হারে বহুকাজের ‍কাজি হয়ে উঠছে। তাদের অনেক প্রকল্প, অনেক অগ্রাধিকার, অনেক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করতে হয়। আর সে কাজে সদাই দেখাতে হয় যথার্থ দক্ষতা।

    আজ যারা কাজের জগতে ঢুকছেন তাদের ২০৫০ সাল অবদি এই জগতে টিকে থাকতে হবে। আজকের তরুণ সাংবাদিককে একটি বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে হবে, আগামী দিনগুলোতে তাদের এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যা এখন চিন্তাও করা হয়নি। তাদের নতুন করে শিখতে হবে।

    এ অবস্থায় সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিতে আর পেশায় টিকে থাকতে আরও কতিপয় বিষয় জানা জরুরি।

    সূত্র:banglanews24
  • মাইকেলকে চুমু

    দীর্ঘ পথচলায় অনেকের সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন ম্যাডোনা। এর মধ্যে আছেন সংগীত-চলচ্চিত্রজগতের তারকারাও।

    তালিকায় আছে প্রয়াত পপস্টার মাইকেল জ্যাকসনের নামও। মাইকেলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তেমন বিস্তারিত কখনো বলেননি ‘ফ্রোজেন’ গায়িকা। জেমস কর্ডেনের জনপ্রিয় টক শো ‘দ্য লেট লেট শো’তে হাজির হয়েছিলেন ৫৮ বছর বয়সী শিল্পী। প্রচারের আগে সেটারই টিজার দেখানো হচ্ছে,

    যেখানে মাইকেলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জেমসের প্রশ্নের উত্তরে ম্যাডোনা বলেন, ‘তোমাকে চুমু খাই আর তারপর বলি—এটাই তো চাও?’ মাইকেলকে চুমু খাওয়ার স্বীকারোক্তির ইঙ্গিতই অনুষ্ঠান নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দুজনের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা বিশ্লেষণ। তবে সম্পর্ক নিয়ে ম্যাডোনা কতটা কী বলেছেন, সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে টক শোটির প্রচার পর্যন্ত।

    সূত্র:kalerkantho
  • চট্টগ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে র‌্যাবের অভিযান

    চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার সকালে মুকিম তালুকাদার পাড়ার ঐ বাড়িতে অভিযান শুরু করা হয়।

    র‌্যাব জানিয়েছে, পাহাড়তলীর এ কে খান মোড় থেকে অস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মুকিম তালকুদার পাড়ার একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

    র‌্যাবের সিনিয়র এএসপি সোহেল মাহমুদ জানান, সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

    সূত্র:ittefaq
  • ক্যান্সার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে গাজরে!

    ডিসেম্বর ০৭, ২০১৬
     গাজর ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ পুষ্টিগুণে ভরা একটি ‘শক্তিশালী’ সবজি। এতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন । গাজরে বেশি এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

    এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও শক্তি জোগায়।

    বিশেষজ্ঞের মতে, ক্যারোটিনের ব্যবহার এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে, বিটা ক্যারোটিন এক ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট। এ এন্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেশনকে প্রতিরোধ করে এবং শরীরকে ফ্রি রেডিকেলের হাত থেকে রক্ষা করে।

    ফ্রি রেডিকেল অক্সিডেশনের মাধ্যমে কোষের ক্ষতি করে। এটা ফ্রি রেডিকেল কোষের ক্ষতির মাধ্যমে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে।

    গবেষণায় দেখা যায়, এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফ্রি রেডিকেল প্রতিরোধ করে এবং হার্টে সমস্যা ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

    ক্যান্সার প্রতিরোধ : 

    যারা বেশি পরিমাণ ক্যারোটিনয়েড খায় তাদের স্তন, কোলন এবং ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। এন্টিঅক্সিডেন্টের কার্যকারিতার জন্য ক্যারোটিনয়েড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। বিটা ক্যারোটিন ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতে বাধা দেয়।

    হৃদরোগ :

     যারা খাবারে প্রতিদিন বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খায় তাদের হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন ই (ঊ) এর মতো কাজ করে যা ক্ষতিকর খউখ কোলেস্টেরল বের করে দেয় যা থারোস্কেলোরোসিস এবং স্ট্রোক ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

    বয়স জনিত চোখের ত্রুটি :

     প্রতিদিন বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে অগউ ঝুঁকি কমে যায়। বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে, চোখের ফাংশন ঠিক রাখে এবং অগউ ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

    শ্বাসতন্ত্র :

     বেশি পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ করে তার পাশাপাশি শ্বাস-প্রশ্বাসের বিভিন্ন সমস্যা যেমন- অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস এবং এমফিসেমা প্রতিরোধ করে।

    মুখের ক্ষত :

     যেসব লোকদের মুখে ক্ষত রয়েছে তারা বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে তাদের মুখে ক্ষত হওয়ার আশংকা কমে যায়।

    বাত ব্যথায় :

     বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি বাত ব্যথার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে : 

    বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    সূত্র:bhorerkagoj
  • মুশফিকরা অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন বৃহস্পতিবার

     বিপিএল শেষ হয়নি এখনও। তবে নিউ জিল্যান্ড সফরের দামামা বেজে গেছে এর মধ্যেই। অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তুতি ক্যাম্পের জন্য বাংলাদেশ দলের প্রথম ভাগটি দেশ ছাড়ছে বৃহস্পতিবার রাতে।


    বিপিএলের ফাইনালের দুই প্রতিপক্ষ ঢাকা ডায়নামাইটস ও রাজশাহী কিংস দলের যে কজন অস্ট্রেলিয়ার ক্যাম্পে জায়গা পেয়েছেন, তারা যাবেন আগামী শনিবার। ফাইনাল না খেললেও ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও টেস্ট সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবালও যাবেন শনিবার। টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমসহ বাকিরা সিডনির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন বৃহস্পতিবারই।

    সিডনিতে প্রস্তুতি ক্যাম্পের সময় দুটি প্রস্ততি ম্যাচও খেলবে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দুটিতে প্রতিপক্ষ থাকবে বিগ ব্যাশের দল সিডনি থান্ডার্স ও সিডনি সিক্সার্স। সেখান থেকে ১৮ ডিসেম্বর দল যাবে নিউ জিল্যান্ড।

    মূল সিরিজ শুরু ২৬ ডিসেম্বর ওয়ানডে দিয়ে। এর আগে ২২ ডিসেম্বর একটি প্রস্তুতি ম্যাচ। প্রস্তুতি ম্যাচের আগে ১৫ জনের চূড়ান্ত দল দেওয়া হবে ওয়ানডের জন্য। দ্বিতীয় ওয়ানডে শেষে টি-টোয়েন্টির দল দেওয়া হবে। আর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শেষে টেস্টের দল ঘোষণা করা হবে। টি-টোয়েন্টি শেষ করার পর ওখান থেকে ৫ জন চলে আসবে, থেকে যাবে ১৭ জন।

    প্রস্তুতি ক্যাম্পের দল:

    তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, শুভাগত হোম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাইজুল ইসলাম, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, কামরুল ইসলাম রাব্বি, শুভাশীষ রায়, রুবেল হোসেন, এবাদত হোসেন, তানভির হায়দার।

    স্ট্যান্ড বাই:

    শাহরিয়ার নাফীস, আব্দুল মজিদ, লিটন কুমার দাস, মোশাররফ হোসেন, আল আমিন হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, নাসির হোসেন।


    সূত্র:bhorerkagoj
  • এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর আইসক্রিম?

    এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: ডিসেম্বরের পার্টি টাইম শুরু হয়ে গিয়েছে। আর পার্টিতে কি আর আইসক্রিম না হলে চলে? ভালমন্দ খাওয়ার পর ডেজার্ট না হলে কি মন ভরে? আর ডেজার্টের রাজা তো বরাবরই আইসক্রিম। আবার আইসক্রিম মানেই হয় ঠান্ডা লেগে যাওয়া, নয়তো মোটা হয়ে যাওয়ার চিন্তা। তবে নিজের বাড়িতে পার্টি হলে বানিয়ে ফেলতেই পারেন সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর এই আইসক্রিম। লাগবে শুধু হলুদ, আদা আর নারকেল।

    আইসক্রিমে হলুদ, নারকেল, আদা? পড়েই অদ্ভুত লাগছে, তাই না? ভাবছেন একি চিংড়ি মাছের মালাইকারি নাকি! হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট
     
    রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা কারকিউমিন শরীরের জন্য দারুণ উপকারী হওয়ায় প্রতি দিনের ডায়েটে হলুদ রাখার পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। জ্বর, সর্দি-কাশির সমস্যায় তো হলুদ দেওয়া দুধ, আদা খাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরনো। তাহলে আইসক্রিমেই বা বাদ দেবেন কেন?

    অন্য দিকে নারকেলের মধ্যে থাকে ইলেকট্রোলাইট ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হলুদের মতো নারকেল তেলেরও রয়েছে অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ।

    কী কী লাগবে:

    ১ কাপ নারকেলের দুধ

    আধ কাপ কোকোনাট ক্রিম

    ১ কাপ কাজু

    ১/৪ কাপ মধু

    ২ চা চামচ গুঁড়ো হলুদ

    ১ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো

    ১ টেবল চামচ আদা বাটা

    ১/৪ চা চামচ এলাচ

    কী ভাবে বানাবেন

    কাজু অন্তত ২ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখুন। একটি ফ্রিজিং প্যানে পার্চমেন্ট পেপার দিয়ে লেয়ার করে ফ্রিজারে রাখুন। কাজু জল থেকে তুলে বাকি সব উপকরণের সঙ্গে ব্লেন্ডারে মিশিয় নিন। এই মিশ্রণ ফ্রোজেন প্যানে ঢেলে সারা রাত ফ্রিজারে রাখুন।-আনন্দবাজার

  • টেকনাফের বাঙারীরা নিজের বাড়িতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে!

    ফারহানা পারভীন : টেকনাফের কুতুপালং এলাকার একটি গ্রাম। এই গ্রামে কয়েটি বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা কয়েকটি রোহিঙ্গা পরিবার। পরিবারের একটি পুরুষ সদস্য বলছিলেন কেন তাদের তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।

    "এখান থেকে দেখছি হেলিকপ্টার উঠছে ওখানে, ঘরবাড়ি জালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মানুষজন না খেতে পেয়ে পাগলের মত হয়ে গেছে। তাই থাকতে দিয়েছি, ওরা ওখানে গেলে নাসাকা বাহিনী মেরে ফেলবে, এপারে বিজিবি ধরে ফেলবে"।

    এই পরিবারটি মত টেকনাফের স্থানীয় বাঙালিদের অনেকেই আশ্রয় দিয়েছেন রোহিঙ্গাদের। প্রশাসন জানতে পারলে ঝামেলা হতে পারে, তা জেনেও তারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কুতুপালংয়ের পাশের একটি গ্রামে এক বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছেন তিনজন রোহিঙ্গা মুসলমান।

    টেকনাফের স্থানীয় এই আশ্রয়দাতা মহিলা বলছিলেন, তার কাছে মনে
     
    হয়েছে জীবন বাঁচানো ফরজ। "পরেরটা পরে দেখা যাবে"। শুধু মানবিকতার কারণেই তিনি ঐ তিনজনকে আশ্রয় দিয়েছেন বলে জানাচ্ছিলেন।

    মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশে এসে বসবাস করার ইতিহাস দীর্ঘ। সহিংসতার জেরে তারা বিভিন্ন সময়ে পালিয়ে আসে টেকনাফে। আর বসবাস করে সেখানকার স্থায়ী-অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতে।

    তবে এখানে এসে নানা ধরণের অপরাধমূলক কাজে জরিয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তাই তাদের ব্যাপারে স্থানীয়দের রয়েছেন কিছুটা নেতিবাচক মনোভাব।

    কিন্তু গত দেড় মাস ধরে যে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান নতুন করে এসেছে তাদের ব্যাপারে কেন তাদের এই ইতিবাচক সাড়া ?

    যে মহিলা তার বাড়ীতে পাঁচ সদস্যের গোটা পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছেন, তিনি বলছিলেন- "ওরা এসে নির্যাতনের যে বর্ণনা দিয়েছে তাতে তার শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠেছে"। তিনি বলছিলেন বাচ্চারা দিনের পর দিন না খেয়ে থাকছে, তাই তাদের আশ্রয় দিয়েছেন।

    আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বলছে নতুন করে সহিংসতায় বাংলাদেশে ২১ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে। বরাবরাই তাদের প্রবেশের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কঠিন অবস্থান ছিল। টেকনাফের স্থানীয় প্রশাসন থেকেও নিষেধ করা হয়েছে তাদের আশ্রয় না দেয়ার জন্য। তবে কেন এই নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও স্থানীয় বাংলাদেশিরা তাদের সাহায্য করছেন ?

    কুতুপালং গ্রামের আশ্রয়দাতা ব্যক্তিটি (নাম বলতে চাননি তিনি) বলেন, প্রশাসন জানতে তারা বিপদে পড়তে পারেনই আশঙ্কায় কয়েকজনকে আশ্রয় দেয়ার কথা তিনি গোপন রেখেছেন। এ ব্যক্তি যে পরিবারটিকে আশ্রয় দিয়েছেন তাদের মধ্যে দুইজন গুরুত্বর অসুস্থ ছিল। তিনি তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছেন। তবে এসব সাহায্য সই গোপনে। বিবিসি
  • কড়াইল বস্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্র্যাকে ডোনেশন ক্যাম্পিং

    স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নগদ সহায়তা প্রদানে বুধবার থেকে সাত দিন ব্যাপী বিশেষ ডোনেশন ক্যাম্পিং শুরু করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক।

     এ ক্যাম্পিং এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করার প্রত্যাশা রয়েছে। ইতমধ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ৬৫ লাখ টাকা নিজস্ব তহবিল থেকে ব্র্যাককে প্রদান করেছে।

    বাকি টাকা বিভিন্ন সংস্থা, ব্যাক্তি ও অন্যান্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা হবে। এই টাকা ৪৯৫ টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়া হবে। প্রতি পরিবার পাবে ২৫ হাজার টাকা। সহায়তায় প্রদানে আগ্রহীরা উল্লিখিত ব্যাংক একাউন্টে বা বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন। একাউন্ট নাম: ব্র্যাক, একাউন্ট নম্বর: ১৫০১২০-২৩১৬৪৭৪০০১ (ব্র্যাক ব্যাংক), বিকাশ নম্বর: ০১৭৩০৩২১৭৬৫।

    এদিকে বুধবার রাজধানীর মহাখালীস্থ কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে ব্র্যাক। দুুপুর ২টা থেকে ব্র্যাকের উদ্যোগে পাঁচশত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে বিভিন্ন গৃহস্থালী

    উপকরণ, পাঁচশত কম্বল ও পরিচ্ছন্নতার জন্য পাঁচশত গোসল করার সাবান বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, আগুন লাগার পর থেকে গত রবিবার থেকে ব্র্যাক কড়াইল বস্তিতে অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্পে আহত ও অসুস্থ ক্ষতিগ্রস্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদানের কাজ চালু রেখেছে।


    সূত্র:dailyjanakantha
  • ট্রাম্পের পেছন থেকে আমেরিকা চালাবেন মেয়ের জামাই!

    ‘‘যম, জামাই, ভাগনা
    তিন নয় আপনা’’।
    বাংলার প্রাচীন প্রবাদটি শুনলে তোড়ের মুখে উড়িয়ে দিতে পারেন সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ, জেরার্ড কুশনারের মতো ‘সোনার টুকরো’ জামাই রয়েছে তার। যে জামাই-এর চালে মাত হলেন হিলারি ক্লিন্টন। লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে আগামী চার বছর ওভাল অফিসে ‘জামাইরাজ’ হতে চলেছে।

    কূটনীতির জগতে প্রবাদপ্রতিম হেনরি কিসিঙ্গারও মনে করেন, আগামী চার বছর ট্রাম্পের অন্যতম ভরসার পাত্র হয়ে থাকবেন কুশনার।
    ভরসার কিছু নমুনা ইতিমধ্যেই পাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রেসিডেন্ট পরিবর্তনের এই অধ্যায়ে দায়িত্বে ছিল ক্রিস ক্রিস্টি। নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস্টি রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে নেমেছিলেন। পরে সরে যান। জয়ের পরে ক্রিস্টিকে পরিবর্তনের সময়ে কাণ্ডারী হিসেবে রাখবেন বলেছিলেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে সরিয়ে দিয়ে ভাইস-প্রেসিডেন্ট পেনসকে দায়িত্ব দিলেন ট্রাম্প।

     এমনিতে ট্রাম্পের মেজাজের সঙ্গে এই হুটহাট পরিবর্তন ভালো মতোই যায়। কিন্তু বিষয়টি বোধহয় আর একটু গভীর। তা হলে একটু ফিরে তাকাতে হয়। ২০০৫-এ মার্কিন অ্যাটর্নি থাকার সময়ে চার্লস কুশনারকে কর ফাঁকির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন ক্রিস্টি। চালর্স হলেন জেরার্ডের বাবা। জেরার্ড অবশ্য ক্রিস্টিকে সরিয়ে দেয়ার দায় নিতে চাননি।

    কিন্তু জেরার্ড কুশনার কে? ৩৫ বছর বয়সী কুশনার শুধু ইভাঙ্কার স্বামী নন, ট্রাম্পের মতো রিয়েল এস্টেট ব্যবসাও রয়েছে তার। আড়ে-বহরে ট্রাম্পের সমান না হলেও সেই ব্যবসায়ই থেমে থাকেননি কুশনার। ২০০৬-এ নিউ ইয়র্ক অবজারভার পত্রিকা কিনে নেন। এ ছাড়াও ডিজিট্যাল ব্যবসাও বিনিয়োগ করেছেন। আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা, থিইয়েল-এর সঙ্গে মিলে ক্যাডরে-তে বিনিয়োগ করেন। কুশনারের বিস্তৃত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য আছে। সঙ্গে আছে আমেরিকার এলিট বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার তকমাও।

    দুর্জনে বলে, ধনী বাবার দৌলতে হাভার্ডে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন কুশনার। সেই সূত্রে মার্কিন দেশের ক্ষমতাবানদের সঙ্গেও কুশনারের সখ্যতা রয়েছে আগে থেকেই। কুশনারের পরিবার বরাবর ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট নির্বাচন তহবিলে বড় অঙ্কের চাঁদা দেয়। ফলে ডেমোক্র্যাট মহলেও কুশনারের যাতায়াত আছে।

    নীরবে সক্রিয় থাকতে পচ্ছন্দ করেন কুশনার। নিজের ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্টটি বেশ কয়েক বছর আগে খোলা হলেও সে ভাবে টুইট করেন না কুশনার। তবে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে তার সতর্ক নজর রয়েছে। নজরটি কেমন তার প্রমাণ ট্রাম্পের জয়। কী ভাবে? উত্তর দিচ্ছেন এরিক স্কিমিড। গুগ‌্ল-এর প্রাক্তন সিইও এরিক স্কিমিডের মতে, এ বারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় বিস্ময় কুশনার। প্রায় কপর্দকশূন্য অবস্থায় নির্বাচনী প্রাচর চালিয়ে জয় নিয়ে এলেন কুশনার। আর এ কাজে নিবিড়ভাবে ব্যবহার করা হয় সোশ্যাল মিডিয়াকে।

    কিন্তু শ্বশুরের এ লড়াই-এ প্রথম থেকে কিন্তু জড়িয়ে ছিলেন না কুশনার। খানিকটা বাইরে থেকেই লক্ষ রাখছিলেন। করব্যবস্থা এবং ব্যবসা-সংক্রান্ত বিষয়ে শ্বশুরকে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। কিছুটা গবেষণার কাজে সাহায্য করছিলেন।

    কিন্তু ক্রমেই কুশনার শ্বশুরের সঙ্গে আগ্রহীদের যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে উঠছিলেন। রিপাবলিকান প্রাইমারির লড়াই-এ যতই এগিয়ে যাচ্ছিলেন ট্রাম্প ততই তার সঙ্গে রিপাবলিকান দলের হত্তাকর্তাদের বিরোধ বাড়ছিল। রিপাবলিকানদের মধ্যে অনেকে এমন ছিলেন যাদের পক্ষে সরাসরি ট্রাম্পকে সমর্থন করা সম্ভব ছিল না। তা হলে দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যেত।

    কুশনার বুঝেছিলেন ট্রাম্প নির্মাণ শিল্পের মহারাজ হলেও ট্যাঁকের জোরে হিলারির সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা নেই। তার ভিন্ন পথ। তবে একটা বিষয়ে ট্রাম্প প্রথম থেকে জোর দিয়েছিলেন। নির্বাচনী তহবিলে যা চাঁদা উঠছে তার প্রত্যেকটি ডলারের যেন উপযুক্ত ব্যবহার হয়। কিন্তু কোন পথে? ভাবনার দরজা খুলে যায় আগের বছর নভেম্বরে ট্রাম্পের প্রাইভেট জেটে ফিস স্যান্ডুইচ খেতে খেতে আড্ডায়।

     নির্বাচনী প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়াকে কম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে শ্বশুরের কাছে অনুযোগ করছিলেন কুশনার। বদলে ট্রাম্প কুশনারকেই তার ফেসবুকে প্রচারের দায়িত্ব নিতে বলেন।
    কুশনার বুঝেছিলেন মার্কিন এলিট সমাজে ট্রাম্প ব্রাত্য হলেও অন্য অংশে ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন’-এর আবেদন রয়েছে তা সে যতই বিতর্কিত হোক না কেন। সেটাকে সুকৌশলে আরো চাগিয়ে দিতে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করতে শুরু করেন।

     ট্রাম্পের প্রথাগত নির্বাচনী প্রচারের ভোল বদলে দেন। তথ্যপ্রযুক্তি জগতের বিশেষজ্ঞদের ব্যবহার করতে থাকেন। ধীরে ধীরে ট্রাম্পের প্রচারের সিইও হয়ে ওঠেন কুশনার। অন্য দিকে, হিলারি তার বিপুল তহবিল এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে অনেকটা ২০০৮-এ ওমাবার ধাঁচে প্রচার চালাতে থাকেন। কিন্তু গত আট বছরে অনেক কিছু বদলেছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার যে বিপুল উত্থান হয়েছে সে দিকে বিশেষ নজর দেননি। সেই খামতির পূর্ণ সুযোগ নিয়েছেন কু‌শনার।

    ট্রাম্পের প্রতিটি বিতর্কিত মন্তব্যকে মার্কিন জনতার ঠিক অংশের কাছে পৌঁছে গেছে কুশনারের কৌশলে। জেরার্ড যে ভাবে অন-লাইনে প্রচারকে বুঝেছেন তা প্রথাগত মিডিয়ার পণ্ডিতদের পুরো বোকা বানিয়েছে বলে মনে করেন এরিক স্কিমিড। একটা উদাহরণ। ফেসবুকের মাইক্রো-টার্গেটিং-কে ব্যবহার করে কুশনারের দল ট্রাম্পের প্রচারের লাল টুপি বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ দিনে আট হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে দিনে ৮০ হাজার ডলারে নিয়ে গিয়েছিল। মাত্র এক লাখ ৬০ হাজার ডলার ব্যবহার করে ট্রাম্পের ছোট ছোট ভিডিও অন-লাইনে প্রচার করা হয়েছিল। প্রায় সাত কোটি ৪০ লাখ মানুষ সেই ভিডিও দেখেছেন।

    ট্রাম্প রিপাবলিকান দলের প্রার্থী পদ পাওয়ার পর থেকে পুরোদস্তুর তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের মতো ডেটা হাব বানিয়ে ফেলেছিলেন কুশনার। সেই হাবে প্রায় ১০০ জন কর্মী ছিলেন। অর্থ সংগ্রহ, প্রচারের জায়গা স্থির করা, কোন অংশের কাছে কোন বার্তা পাঠানো হবে— সবই হাবে স্থির হতো। প্রতিটি পয়সা যাতে ঠিকঠাক ব্যয় হয় তার দিকে কুশনারের কড়া নজর ছিল।

    কী ভাবে সব চেয়ে কম খরচে ভোটারদের কাছে পৌঁছন যায় সে দিকেও নজর রাখা হত। প্রতিটি বিজ্ঞাপনের দিকে নজর দেওয়া হত। যে বিজ্ঞাপন সাড়া ফেলতে পারত না তৎক্ষণাৎ তা সরিয়ে দেওয়া হত। জনতার কোন অংশে ট্রাম্পের বার্তা কী ভাবে পৌঁছে দেওয়া যায় তা নিয়েও নানা সমীক্ষার সাহায্য নেওয়া হত। প্রকাশিত হিসেবে দেখা যাচ্ছে এর ফলে হিলারির তুলনায় ট্রাম্পের নির্বাচনী ব্যয় প্রায় অর্ধেক। আর সেই খরচেই কিস্তি মাত করে গেলেন ট্রাম্প।

    স্বজনপোষণবিরোধী আইনে কুশনারকে কোনো পদে বসাতে পারবেন না ট্রাম্প। কিন্তু তার প্রেসিডেন্টের আসনের পিছনে, পর্দার আড়ালে, নীরবে দাঁড়িয়ে থাকতে চলেছেন কুশনার, এই বিষয়ে প্রায় সবাই একমত।

    সূত্র:dailynayadiganta
  • জঙ্গিবাদ দমনে বিশ্বে বাংলাদেশ আজ রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ ‘রোল মডেল’ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নে জঙ্গিবাদ অন্যতম অন্তরায়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গিবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে কার্যকর পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত।’

    প্রধানমন্ত্রীর বুধবার তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মমতাজ বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ফলে বাংলাদেশ আজ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে। সমগ্র বিশ্ব বাংলাদেশকে পরবর্তী শীর্ষ এগারো অর্থনীতির দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ঠিক এসময় একটি অপশক্তি বাংলাদেশের উপর জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ছায়া বিস্তার করে চলেছে। তিনি বলেন, ‘সরকারের আন্তরিকতা এবং নানামুখী পদক্ষেপ নেয়ার ফলে জঙ্গিবাদ যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জঙ্গিবাদ নির্মূলে সব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ দমনে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষ সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তার নজির পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। তিনি বলেন, সময় এসেছে জঙ্গিবাদ-মৌলবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার। সন্ত্রাসী হামলাকারীদের শেকড় খুঁজে বের করার ব্যাপারে সরকার যে দৃঢ়তা প্রদর্শন করে চলেছে তাতে দেশ ও বহির্বিশ্বে সরকারের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি সরকারের একটি অন্যতম সফলতা হিসেবে বিবেচনা করে।

    শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত ৬টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জঙ্গিবাদ নির্মূলের লক্ষ্যে পুলিশ বাহিনীতে ডিএমপি’র অধীনে ‘কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম’ নামক পুলিশের নতুন একটি জঙ্গি দমন ইউনিটের কার্যক্রম চালু হয়েছে, যার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    সূত্র:protidinersangbad
  • আত্মপক্ষ সমর্থনে কালও আদালতে যাবেন খালেদা

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনে বৃহস্পতিবারও আদালতে যাবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা দেবেন তিনি।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলা দু’টির বিচারিক কার্যক্রম চলছে রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে। মামলা দুটির প্রধান আসামি খালেদা জিয়া।

    এর আগে, জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গত ১ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হন। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য পাঠ শুরু করেন তিনি। অন্যদিকে অরফানেজ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদকে আসামিপক্ষের জেরার কথা রয়েছে।

    অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনে বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার আদালতে যাওয়ার তথ্য বুধবার বিকালে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।

    ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

     মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

    অপরদিকে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার দু'বছর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক।

     এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

    সূত্র:bd-pratidin
  • জেনে নিন কাপড়ের দাগ তোলার পদ্ধতি

    অনেক সময় দাগ লেগে পছন্দের কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে কাপড়াটা বাতিলই করে দিতে হয়। তবে দাগ তোলার পদ্ধতি জানা থাকলে অনেকে ক্ষেত্রে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন বিভিন্ন ধরনের দাগ তোলার ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি।

    * কালির দাগ:

     কর্নফ্লাওয়ারের সাথে কিছু দুধ মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এটি দায়ের ওপর লাগিয়ে শুকাতে দিন। তারপর একটি ব্রাশ দিয়ে আলতো ঘষে প্রলেপটি তুলে নিন। দাগ চলে যাবে।

    * চা-কফির দাগ: 

    চা, কফি, সফট ড্রিংকস ও জুসের দাগ সহজে উঠতে চায় না। এই ধরনের দাগ লাগলে কাপড়টি পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর কাপড় ধোয়ার সাবান কিংবা লিকুইড ডিটারজেন্ট কিংবা ডিটারজেন্টের পেস্ট তৈরি করে দাগের পর লাগান। হালকা শুকিয়ে আসলে কাপড়টি গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    * তেলের দাগ:

     কাপড়ে তেল পড়ে গেলে সাথে সাথে একটি টিস্যু পেপার চেপে ধরুন। এরপর এটি পানি দিয়ে ভিজিয়ে পানি ও ডিটারজেন্ট দিয়ে পেস্ট তৈরি করে দাগের ওপর লাগান। ১৫-২- মিনিট অপেক্ষা করে গরম পানিতে কাপড়টি ধুয়ে ফেলুন। গ্রিজের দাগ তুলতেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

    * চকলেটের দাগ: 

    কাপড়ে চকলেট লেগে গেলে যতটা সম্ভব দ্রুত তুলে ফেলার চেষ্টা করুন।  এরপর ডিটারজেন্ট মেশানো গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। বাদামী দাগ থেকে গেলে পানিতে সামান্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার মিশিয়ে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর গরম পানি দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলুন।

    * ঘামের দাগ:

     দাগ তুলতে একটি মগের চার ভাগের এক ভাগ পানিতে চার টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এটি দাগের অংশে লাঘিয়ে টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। ঘণ্টাখানেক এভাবে রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    * মেকআপের দাগ:

     মেকাআপের দাগ তুলতে সামান্য পানিতে ডিটারজেন্টের পেস্ট তৈরি করে দাগে লাগিয়ে নিন। শুকি েগেলে আলতো করে ঘেষ তুলে ফেলুন।

    * মেহেদি দাগ:

     পানি ও বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে দাগেরও ওপর লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ঘষে তুলে ফেরুন। এতে দাগ অনেকাংশে চলে যাবে।

    সূত্র:ittefaq
  • শিশুদের স্কুলব্যাগ বহনে নিষেধাজ্ঞা

    শিশুর শরীরের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের স্কুলব্যাগ বহন করানো যাবে না বলে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে তদারকির নির্দেশও দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও আশিস রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত বিরতি শেষে বাকি রায় ঘোষণা করবেন।

    গত আগস্টে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে আইন প্রণয়নে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে প্রাক-প্রাথমিকে পড়ুয়া শিশুদের স্কুলব্যাগ বহন না করতেও রুল দেন আদালত।
    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে জনস্বার্থে আবেদন করেন তিনজন আইনজীবী

    এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মো. জিয়াউল হক ও আনোয়ারুল করিম।
    এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবীরা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, শিশুদের স্কুলে যাওয়ার সময় তাদের বেশি ওজনের ব্যাগের ওজন তার বহন অযোগ্য থাকে। এরই মধ্যে ভারতের মহারাষ্ট্র সরকার শিশুদের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ বহন না করার একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। আমাদের দেশেও একটি আইন করতে আমরা আবেদন করেছিলাম।

    সূত্র:manobkantha

  • মালয়েশিয়ায় বৈধ হচ্ছেন ২ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী

    বণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রায় ২ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির সরকার। খুব শিগগির তারা বৈধ অভিবাসীতে পরিণত হবে।

    বুধবার সচিবালয়ে তার দফতরে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত ওয়ানজা ক্যাম্পোস নবরেগার সঙ্গে বৈঠক শেষে মালয়েশিয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

    তোফায়েল আহমেদ বলেন, `মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০১৬-এর উদ্বোধনে সেদেশে গিয়েছিলাম। সেখানে দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ হামিদির সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। তিনি আমাদের মানব সম্পদ বেশি বেশি আমদানি করার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। একইসঙ্গে সে দেশে প্রায় দুই লাখ অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছেন তাদের বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়ান সরকার।’

    তিনি বলেন, এবার সামিটে আমাদের বেশিকিছু রফতানিযোগ্য পণ্য প্রদর্শন করেছি। সেখানে আমদের পণ্যের সাড়া বেশ ভালো। ওই সামিটে মালয়েশিয়ার বড় বড় ২০০ কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছিল। তাদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বানও করা হয়েছে।

    তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন,  বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাসী বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে। গত বছর বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৫১ ভাগ জিডিপি অর্জন করেছে। গত ১০ বছরে গড়

    জিডিপি অর্জন ছিল ৬ ভাগ। চলতি বছর ৭ দশমিক ২ ভাগ অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশের রফতানি এখন ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে রফতানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

    সূত্র:jagonews24
  • কিয়ামতের আগে হজরত ইসরাফিলের অপেক্ষা

    কিয়ামাত বা মহাপ্রলয় অবধারিত। যা আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নির্ধারিত। তবে কখন এ মহাপ্রলয় সংঘটিত হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখের কোনো বর্ণনা নেই। কুরআনের অনেক সুরায় কিয়ামাত বা মহাপ্রলয় সম্পর্কিত অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে। তাছাড়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে হাদিসে বর্ণনা করেছেন।

    হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় শিঙ্গার মালিক (ইসরাফিল আলাইহিস সালাম)-এর দৃষ্টি অনবরত আরশের দিকে তাকিয়ে আছে; যে দিন থেকে তাঁকে এ কাজের দায়িত্বভার দেয়া হয়েছে।

    এ ভয়ে যে, তাকে শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়ার নির্দেশ করা হবে তাঁর দৃষ্টি নিক্ষেপের আগেই। আর তাঁর চোখ দুটি হবে তারকার মতো উজ্জ্বল। (মুসতাদরেকে হাকেম; সিলসিলা)

    অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের দিন নিদ্দিষ্ট করে উল্লেখ করেছেন-

    হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সর্বোত্তম দিন; যার প্রতি সূর্যোদ্বয় হয়েছে শুক্রবার।

    সে দিন (হজরত) আদমকে (আলাইহিস সালাম) সৃষ্টি করা হয়েছে। সেদিনই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। আবার সেদিনই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। আর শুক্রবারই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।’ (মুসলিম)

    কুরআন এবং হাদিসে কিয়ামতের বর্ণনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই। আর তা হলো আল্লাহ তাআলার পথ থেকে বিমুখ হওয়া মানুষকে সত্যের পথে ফিরে আসার তাগিদ দেয়া। অন্যায় পথ পরিহার করা। কিয়ামতের ভয়াবহতা উল্লেখ করে মৃত্যু পরকালীন জীবনে আল্লাহ তাআলার কাছে জবাবদিহিতার মানসিকতা তৈরি করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত হাদিস থেকে কিয়ামতের কথা স্মরণপূর্বক দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ ঈমান লাভ এবং পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের সফলতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

    সূত্র:jagonews24

  • 'গ্যাস সিলিন্ডারের একটি বড় অংশ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, যেকোনসময় বিস্ফোরিত হতে পারে'

    বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এবং বিভিন্ন যানবাহনে যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তার একটি বড় অংশই খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । যেকোনও সময় এগুলো বিস্ফোরিত হতে পারে বলে আশংকার কথা বলা হচ্ছে সেফ সিলিন্ডার ক্যাম্পেইন নামে অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।
    এমন প্রেক্ষাপটে আজ থেকে নতুন একটি প্রচারণা কার্যক্রমও শুরু করছে তারা। সরকারের বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সাথে এই প্রচারণা চালাবে সেফ সিলিন্ডার ক্যাম্পেইন ।

    বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এবং বিভিন্ন যানবাহনে যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তা কতটা নিরাপদ জানতে চাইলে এই ক্যাম্পেইনের একজন কর্মকর্তা মশিউল খন্দকার বলেন, "নির্দিষ্টভাবে গবেষণা নেই। বিস্ফোরক অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে একটা সিলিন্ডারের নির্দিষ্ট লাইফটাইম থাকে। দশ বছর ১৫ বছর। এর পর সেগুলো ধ্বংস করে ফেলতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে গাড়িতে যেটা ১০ বছর বা ১৫ বছর আগে লাগানো হয় সেটা এখনো চলছে। সেগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং যেকোনও সময় বিস্ফোরিত হতে পারে"।

    উল্লেখ্য, গত অক্টোবরেই বিস্ফোরক অধিদপ্তর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ১১ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষা করে সেগুলোর মধ্য থেকে আট হাজার সিলিন্ডার বাতিল করে।
    গ্যাস, সিলিন্ডার, বাংলাদেশ, বিবিসি

    বাংলাদেশে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামেও এখন বাসায় বাসায় ব্যবহার হচ্ছে গ্যাসের সিলিন্ডার।
    মি. খন্দকার বলেন, সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হচ্ছে, বাংলাদেশে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যারা ব্যবসা করছেন তারাই আবার টেস্টের সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন।
    বিভিন্ন বাসাবাড়ি এবং অটো রিকশায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় গ্যাস সিলিন্ডার। কিন্তু অনেক সময়ই সেসবের বিস্ফোরণের কথা শোনা যায়।
    "বিভিন্ন সময় যেসব দুর্ঘটনার খবর আসছে সেগুলো এসব কারণেই হচ্ছে" বলেও উল্লেখ করেন মি. খন্দকার।

    এজন্য নিরাপদে গ্যাস সিলিন্ডার কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, কিভাবে এগুলোর ব্যবস্থাপনা করতে হয় সেটাই তুলে ধরা হবে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে।
    সিলিন্ডার পরিবহনও সঠিকভাবে করা হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, বলে অন্যান্য পণ্যসামগ্রীর মত খোলা ট্রাকে করে রোদের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। এগুলো পরিবহনের নিয়মের বিষয়ে বিআরটিএকে সচেতন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

    সূত্র:bbc
  • সন্ধ্যায় ড্যারেন স্যামির মুখোমুখি মাহমুদ উল্লাহ

    ড্যারেন স্যামির গতকালের ব্যাটিংকে অতিমানবীয় কিংবা এর চাইতেও বেশি কিছু বলা যেতে পারে। অন্যদিকে প্লে-অফ পর্যন্ত চলে আসা মাহমুদ  উল্লাহ রিয়াদের সাদামাটা দল খুলনা টাইটান্সও কিন্তু কম বিস্ময় জাগায়নি।

    মাহমুদ উল্লাহর যোগ্য নেতৃত্ব পেয়েছে যে! আজ যে জিতবে সেই ঢাকার সাথে ফাইনাল খেলবে আগামী শুক্রবার।
    এই সমীকরণ নিয়েই আজ সন্ধ্য পৌনে ৬টায় মাঠে নামছে রাজশাহী কিংস আর খুলনা টাইটান্স। গতকালের ম্যাচে ফেবারিট ঢাকার বিপক্ষে হেরে বসেছিল খুলনা। তাই রিয়াদের দল আজ শেষ আঘাত হানতে চাইবে। অন্যদিকে তামিমের চিটাগংকে বিদায় করে দেওয়া রাজশাহী আরও বিপুল উৎসহে মাঠে নামবে তা বলাই বাহুল্য।

    খেলাটি সরাসরি দেখা যাবে চ্যানেল নাইন এবং সনি সিক্স এ।

    সূত্র:kalerkantho
  • ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৮

    ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের বান্দা নামের একটি অঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে কয়েক ডজন ভবন ধসে গেছে এবং নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৮ জন ব্যক্তি।

    বুধবার আচমকাই কেঁপে ওঠে বান্দা। স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৩ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। ৬ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী কম্পনে সুমাত্রা দ্বীপ কেঁপে উঠলেও কোনো সুনামি সতর্কতা দেওয়া হয়নি।

    ভূমিকম্পের আঁচ পেতেই সিগলি শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে শুরু করে। তবে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে প্রবল আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

    ৬ দশমিক ৪ মাত্রার কম্পনের ফলে যে কোনো সময় সুনামি আছড়ে পড়তে পারে বলে আতঙ্কে মানুষ ঘর বাড়ি ছেড়ে ছুটতে শুরু করে।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই কম্পনে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে।

    চলতি বছরের জুন মাসেই ৬ দশমিক ৫ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্প হয় সুমাত্রা দ্বীপের বেশ কিছু অঞ্চলে। ওই সময় কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছিলেন। বেশ কিছু বাড়িঘরও ভেঙে পড়েছিল।

    'প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার'-এর মধ্যেই রয়েছে সুমাত্রা দ্বীপ। ফলে মাঝে মধ্যেই জোর কম্পনে ঝটকা লাগছে ওই দ্বীপের বেশ কিছু অংশে।

    সূত্র:ittefaq
  • মুরগি ধুয়ে রান্না করেন? সাবধান!

    আমাদের সাধারণ জ্ঞ্যানবুদ্ধি থেকে আমরা বুঝি যে, কোন কিছু রান্না করার আগে সেটি ভাল করে ধুয়ে নেয়া উচিত। বিশেষ করে মুরগি রান্না করার আগে আমরা সেই মুরগিকে আরও ভাল করে ধুয়ে নেই।

    কারণ, কাঁচা মুরগির মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। খবর আনন্দবাজার এর।
    তবে ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির গবেষকরা বলছেন সম্পুর্ন অন্য কথা। তারা জানাচ্ছেন, ধোয়ার ফলে এই ব্যাকটেরিয়া আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে। যা শরীরের জন্য হতে পারে আরও বেশি মারাত্মক ক্ষতিকারক।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ক্যাম্পিলোব্যাকটর ও সালমোনেল্লা নামক এই দুইটি ব্যাকটেরিয়া এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুড পয়জনিং-এর অন্যতম কারণ। কাঁচা মুরগিতে এই দু’প্রকার ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিই লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের খাদ্যনালীতে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া থাকে।

    এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে গেলে ডায়রিয়া, জ্বর, পেট ব্যথা, বমির মতো সমস্যা হতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রুখে দেয়া সহজ হলেও ক্যাম্পিলোব্যাকটর অনেক বেশি ক্ষতিকারক। শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে এই ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। বরং মুরগির মধ্যে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির পরামর্শ অনুযায়ী, চিকেন জীবাণুমুক্ত করার একমাত্র উপায় হল ভাল করে রান্না করা। পরিষ্কার সুসিদ্ধ চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং-এর ঝুঁকি থাকে না। রান্না করার সময় চিকেনের সবচেয়ে মোটা টুকরো কেটে দেখুন ভিতর থেকে ভাল করে গরম হয়ে সুসিদ্ধ হয়েছে কিনা। কোনোভাবেই যেন লালচে ভাব না থাকে।

    সূত্র:d-pratidin
  • হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ

    ডিসেম্বর ০৬, ২০১৬
    ডাক্তার, নার্স, আয়া, নাইট গার্ড সবাই মিলে ১২/১৩জন দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। চার সন্ত্রাসী দ্বিতীয় তলায় উঠে অস্ত্রের মুখে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে বেডে ভর্তিরত মায়ের সঙ্গে থাকা ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় অপহরণের কিছুক্ষণের মধ্যে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে ঐ স্কুল ছাত্রীকে সন্ত্রাসীরা গণধর্ষন করে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এ ঘটনায় সর্বত্র নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    সোমবার দুপুর ১২টা দিকে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ১নং বেডে কথা হয় ডায়রিয়া আক্রান্ত সেই মায়ের সঙ্গে। সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত আমার মেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তার পিতার সঙ্গে অসুস্থ মাকে দেখতে আসে হাসপাতালে। ঘরে কেউ না থাকার কারণে স্বামী সোমবার রাতে জালিয়াপালং ইউনিয়নের নিজ গ্রামের বাড়ি চলে যায় হাসপাতালে মেয়েকে রেখে। তিনি আরো বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওয়ার্ড থেকে পার্শ্ববর্তী বাথরুমে যাওয়ার সময় হাসপাতাল করিডোর থেকে তার মেয়েকে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও হাসপাতালের রোগীরা চেঁচামেচি শুরু করলে স্থানীয় লোকজন ও নাইট গার্ডরা হাসপাতালের উত্তর পাশের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন কবরস্থান থেকে রাত ১টার দিকে বিবস্ত্র অবস্থায় ঐ কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে বলে স্থানীয় উদ্ধারকারী নজরুল সহ কয়েকজন জানায়।

    ঐ কিশোরীর পিতা বলেন, একটি সরকারি হাসপাতালে সব কিছু থাকার পরও কি করে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের ২ তলা উঠে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে সর্বনাশ ঘটাল এবং এর এর সুষ্ঠু বিচার পাব কিনা জানিনা। সোমবার সকালে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের বেডে এসে আমার স্ত্রীকে এই ঘটনায় কোন ধরনের বাড়াবাড়ি করলে শেষ করে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়। এ কারণে মেয়েকে দ্রুত বাড়িতে নিয়ে আসি। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরে ঘরে চলে আসি।

    রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য শ্রমিক লীগ নেতা সরওয়ার কামাল পাশা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের জঘন্য ঘটনার সাথে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে এ ধরনের ঘটনা আরো ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    তিনি বলেন উক্ত হাসপাতালে রোগী, সংশ্লিষ্ট আত্মীয় স্বজন বিশেষ করে মহিলাদের কোন নিরাপত্তা নেই। সন্ত্রাসীরা সর্বদা তাদের উত্যক্ত করে বিরক্ত করে থাকে। উদ্ধারে সহায়তাকারী স্থানীয় নজরুল কাশেম, আক্কাস, খাইরু, মুজিব সহ আরো কয়েকজন বলেন, আমরা দ্রুত খোঁজা খুঁজি করে মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পেরেছি। অন্যথায় আরো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা ছিল।

    উখিয়া হাসপাতালের প্রধান সহকারী ফরিদুল আলম এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সোমবার রাতে হাসপাতাল এলাকায় সরকারি দুইজন, আইওএম এর দুইজন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দুইজন ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের একজন আনসার ও ভিডিপি সদস্য সহ মোট সাত জন নাইট গার্ড কর্মরত ছিল। এত নিরাপত্তার পরও কিভাবে সন্ত্রাসীরা হাসপাতাল থেকে রোগীর মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করলো এবং ঘটনার সম্পর্কে নাইট গার্ডরা কাউকে কিছু জানালো না তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    উখিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী উখিয়া হাসপাতালের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানান।

    ঐ রাতে উখিয়া হাসপাতালে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত ডাক্তার আরিফা মেহের রুমী হাসপাতাল থেকে কিশোরী উঠে নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন থাকায় হাসপাতালের কোয়াটার ছেড়ে কক্সবাজার আসা যাওয়া করতে হচ্ছে।

    উখিয়া থানার ওসি মো. আবুল খায়ের বলেন, ঘটনার সম্পর্কে জানতে পেরে কয়েক দফা পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে কোন অভিযোগ না আসলেও অতি দ্রুত সন্ত্রাসীদের আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার মিজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কিশোরী পরিবারকে যাবতীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

    সূত্র:ittefaq
  • দেশের এক কোটি ৪২ লাখ ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষাবৃত্তি দেয়া হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের এক কোটি ৪২ লাখ ছাত্রছাত্রীকে উপবৃত্তি এবং অন্যান্য বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের শতকরা ৪০ ভাগ এ ধরনের বৃত্তি পাচ্ছে।

    মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ)-এর আওতায় এসিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

    নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল ছাত্রছাত্রীকে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে, যা বিশ্বে এক অতুলনীয় উদাহরণ। আমাদের সকল শিশুরাই এখন স্কুলে যায়। সংখ্যাগত বিবেচনায় আমরা সাফল্য অর্জন করেছি। এখন শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে।

    মন্ত্রী বলেন, যেসব পশ্চাদপদ এলাকার স্কুলগুলোতে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানে ছাত্রছাত্রীরা বেশি ফেল করত তাদের অবস্থার উন্নয়নে সেকায়েপ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ক্লাস টিচার (এসিটি) নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এর ফলে স্কুলগুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিক্ষার মানের উন্নয়ন হয়েছে এবং স্কুলগুলোতে এই তিনটি বিষয়ে ফেলের হার কমে এসেছে। এসিটি কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত শিক্ষকদের দিয়ে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ লাখ অতিরিক্ত ক্লাস নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ আরো বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।

    মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। সহজপাঠ্য বই, ক্লাসরুম আনন্দময় করা এবং পরীক্ষায় বিষয়ের সংখ্যা কমানোর মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হবে।

    তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে। আমরা সবার জন্য মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।

    সেকায়েপ প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহামুদ-উল-হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব মো.সোহরাব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সেকায়েপ প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক আ. হামিদ জমাদ্দার বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় নকলা ও হালুয়াঘাট উপজেলার প্রতিষ্ঠান প্রধান, স্কুল ও মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে অতিরিক্ত ক্লাস টিচারগণ অংশগ্রহণ করেন।

    উল্লেখ্য, দেশের প্রতিটি জেলার দু‘টি করে উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

    সূত্র:protidinersangbad