বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল। সরকারের পাওনা শোধ করতে না পারায় এ কোম্পানিটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি। সেক্ষেত্রে ১৬ অগাস্টের মধ্যে এই অপারেটরের গ্রাহকদের বিকল্প সেবা বা ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ রোববার গণমাধ্যমকে বলেন, সিটিসেলের কাছে আমাদের পাওনা রয়েছে প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকা। তাদের বারবার তাগিদ দেয়া হলেও তারা এ পাওনা মেটানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী পাওনা না দেয়ায় যে কোনো সময় আমরা সিটিসেল বন্ধ করে দিতে পারি।
সিটিসেল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গ্রাহকদের উদ্দেশে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, ১৬ আগস্টের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা বা সেবা নেয়ার জন্য সময় দেয়া হলো। সিটিসেলের টেলিযোগাযোগ সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে সিটিসেল বাংলাদেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর হিসেবে টেলিযোগাযোগ সেবার লাইসেন্স পায়। তবে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিতে শুরু করে ১৯৯৩ সাল থেকে। প্রথম থেকেই সিটিসেল বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যাত্রার সময় এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মুঠোফোন অপারেটর।
মানবকণ্ঠ/জেডএইচ
বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ রোববার গণমাধ্যমকে বলেন, সিটিসেলের কাছে আমাদের পাওনা রয়েছে প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকা। তাদের বারবার তাগিদ দেয়া হলেও তারা এ পাওনা মেটানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী পাওনা না দেয়ায় যে কোনো সময় আমরা সিটিসেল বন্ধ করে দিতে পারি।
সিটিসেল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গ্রাহকদের উদ্দেশে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, ১৬ আগস্টের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা বা সেবা নেয়ার জন্য সময় দেয়া হলো। সিটিসেলের টেলিযোগাযোগ সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে সিটিসেল বাংলাদেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর হিসেবে টেলিযোগাযোগ সেবার লাইসেন্স পায়। তবে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিতে শুরু করে ১৯৯৩ সাল থেকে। প্রথম থেকেই সিটিসেল বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যাত্রার সময় এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মুঠোফোন অপারেটর।
মানবকণ্ঠ/জেডএইচ
