ছয় দিন ধরে চেষ্টা চালিয়েও ভারতের আসাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে আসা বুনোহাতিটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
জুন মাসের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে আসার পর নানা জায়গা ঘুরে এটি এখন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে অবস্থান করছে।
সেখানেই বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বুনোহাতির দেহে ট্রাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ড্রাগ প্রয়োগের পর থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক চেষ্টার পরও তাকে অচেতন করা যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ বলছে, দেহে ড্রাগ ফায়ারের পর থেকেই হাতিটি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উদ্মাদের মত ছুটাছুটি করতে শুরু করেছে।
দীর্ঘদিনেও হাতিটি উদ্ধার না হওয়া ও হাতির দেহে ড্রাগ ফায়ারের পরও হাতিটি অবচেতন না হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা পুরোনো যন্ত্রপাতি আর মান্ধাতার আমলের প্রযুক্তিকেই দায়ী করলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করায় বুধবার বুনোহাতিটি সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায় মাঠে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
খবর পেয়ে দুটি ট্রাঙ্কুলাইজার গান নিয়ে সেখানে হাজির হন কক্সবাজার বন্যপ্রাণী বিভাগের সহকারী ভেটেরিনারী সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক ও গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেনারী সার্জন সাঈদ হোসেনসহ দলের অন্য সদস্যরা।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান হাতিটির মাত্র ২৫ গজ দূর থেকে পিছন দিকে চেতনা নাশক ওষুধ সম্বলিত ট্রাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ফায়ার করেন। কিন্তু হাতির দেহে আঘাতের পর প্লাসট্রিক ড্রার্ট আর সুইটি বাঁকা হয়ে যাওয়ায় ওষুধ হাতির দেহে পুশ হয়নি। এ কারণেই হাতি উদ্ধারে ষষ্ঠ দিনের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
হাতি উদ্ধারকারী দলের ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক বলেছেন, হাতিটিকে অচেতন করতে প্লাসট্রিক ড্রার্টের পরিবর্তে মেটাল ড্রার্ট (যেটি গণ্ডারের চামরা ভেদ করার কাজে ব্যবহৃত হয়) ব্যবহার ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে অভিযানে সফল হওয়া যাবে।
বিষয়টি নিয়ে তারা বন বিভাগের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পুনরায় অভিযানে নামবেন বলেও জানান তিনি।
গত ২৮ জুন ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বানের পানিতে ভেসে আসা বুনো হাতিটি কুড়িগ্রামের রৌমারী, গাইবান্ধা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের মুনসুর নগর ইউনিয়নের ছিন্নার চর হয়ে ২৭ জুলাই জামালপুরের সরিষাবাড়ীর কামরাবাদ ইউনিয়নে আসে।
হাতিটি উদ্ধারে বেশ কয়েকদিন ধরেই সরিষাবাড়ীতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ দল। এর মধ্যে গত বুধবার ভারত থেকে তিনি সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ এসে হাতি উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় মঙ্গলবার তাদের হাতি ছাড়াই দেশে ফিরতে হয়।
সূত্র: সমকাল
জুন মাসের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে আসার পর নানা জায়গা ঘুরে এটি এখন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে অবস্থান করছে।
সেখানেই বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বুনোহাতির দেহে ট্রাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ড্রাগ প্রয়োগের পর থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক চেষ্টার পরও তাকে অচেতন করা যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ বলছে, দেহে ড্রাগ ফায়ারের পর থেকেই হাতিটি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উদ্মাদের মত ছুটাছুটি করতে শুরু করেছে।
দীর্ঘদিনেও হাতিটি উদ্ধার না হওয়া ও হাতির দেহে ড্রাগ ফায়ারের পরও হাতিটি অবচেতন না হওয়ায় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা পুরোনো যন্ত্রপাতি আর মান্ধাতার আমলের প্রযুক্তিকেই দায়ী করলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করায় বুধবার বুনোহাতিটি সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায় মাঠে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
খবর পেয়ে দুটি ট্রাঙ্কুলাইজার গান নিয়ে সেখানে হাজির হন কক্সবাজার বন্যপ্রাণী বিভাগের সহকারী ভেটেরিনারী সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক ও গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেনারী সার্জন সাঈদ হোসেনসহ দলের অন্য সদস্যরা।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান হাতিটির মাত্র ২৫ গজ দূর থেকে পিছন দিকে চেতনা নাশক ওষুধ সম্বলিত ট্রাঙ্কুলাইজার গান দিয়ে ফায়ার করেন। কিন্তু হাতির দেহে আঘাতের পর প্লাসট্রিক ড্রার্ট আর সুইটি বাঁকা হয়ে যাওয়ায় ওষুধ হাতির দেহে পুশ হয়নি। এ কারণেই হাতি উদ্ধারে ষষ্ঠ দিনের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
হাতি উদ্ধারকারী দলের ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক বলেছেন, হাতিটিকে অচেতন করতে প্লাসট্রিক ড্রার্টের পরিবর্তে মেটাল ড্রার্ট (যেটি গণ্ডারের চামরা ভেদ করার কাজে ব্যবহৃত হয়) ব্যবহার ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে অভিযানে সফল হওয়া যাবে।
বিষয়টি নিয়ে তারা বন বিভাগের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পুনরায় অভিযানে নামবেন বলেও জানান তিনি।
গত ২৮ জুন ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বানের পানিতে ভেসে আসা বুনো হাতিটি কুড়িগ্রামের রৌমারী, গাইবান্ধা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের মুনসুর নগর ইউনিয়নের ছিন্নার চর হয়ে ২৭ জুলাই জামালপুরের সরিষাবাড়ীর কামরাবাদ ইউনিয়নে আসে।
হাতিটি উদ্ধারে বেশ কয়েকদিন ধরেই সরিষাবাড়ীতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ দল। এর মধ্যে গত বুধবার ভারত থেকে তিনি সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ এসে হাতি উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় মঙ্গলবার তাদের হাতি ছাড়াই দেশে ফিরতে হয়।
সূত্র: সমকাল
