নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার দুটি জায়গায় অবৈধভাবে পশুর হাট বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরেক জায়গায় নির্ধারিত সময়ের আগেই হাট বসানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রথমে ১০টি হাটের ইজারা দেয় উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মহাসড়কের পাশে হাট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গত এক সপ্তাহে আরও সাতটি পশুর হাটের অনুমোদন নেওয়া হয়। উপজেলায় দুটি স্থায়ী পশুর হাট থাকার পরও এ বছর দুই ধাপে ১৭টি পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে।
পশুর হাট ইজারা দেওয়ার শর্তাবলির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ঈদের সর্বোচ্চ তিন দিন আগে থেকে হাট বসানো যাবে।
গতকাল মঙ্গলবার নয়াপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মদনপুর-জয়দেবপুর (ঢাকা বাইপাস) সড়কের পাশে ঈদের এক সপ্তাহ আগেই ওই বাজারের পাশে হাট বসানো হয়েছে। অবৈধ এ হাটকে কেন্দ্র করে ওই সড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে তালতলা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট ছিল। চট্টগ্রাম থেকে আসা মালবাহী ট্রাকের একজন চালক বলেন, সড়কের পাশে অবৈধ এ হাটের কারণে দীর্ঘ যানজটে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ওই হাটের ইজারাদার স্থানীয় সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ বলেন, ‘ঈদের এক সপ্তাহ আগে হাট বসানো হয়েছে এ কথা সত্য। মানুষের চাহিদা বিবেচনা করে এ হাট বসানো হয়েছে। আমি হাটের বৈধ ইজারাদার। সড়কে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখব।’
এদিকে সরকারের কোনো অনুমতি ছাড়াই হোসেনপুর এসপি ইউনিয়ন কলেজ মাঠে গতকাল সকাল থেকে অবৈধভাবে হাট বসানো হয়েছে। কলেজের মাঠে পশুর হাটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হয়েছে বলে একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে। কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শিরিন সুলতানা বলেন, কলেজ মাঠে পশুর হাট বসানোর জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো অনুমতি দেয়নি। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হবে।
এ ছাড়া সনমান্দি ইউনিয়নের অলিপুরা বাজারের অস্থায়ী পশুর হাটও গতকাল থেকে বসানো হয়েছে। হাটের ইজারাদার উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের তিন দিন আগে হাট বসানোর অনুমতি থাকলেও মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আগেভাগেই আমরা হাট বসাতে বাধ্য হয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু নাছের ভূঁঞা প্রথম আলোকে বলেন, যেসব স্থানে অবৈধভাবে পশুর হাট বসানো হয়েছে, সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে উচ্ছেদ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রথমে ১০টি হাটের ইজারা দেয় উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মহাসড়কের পাশে হাট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গত এক সপ্তাহে আরও সাতটি পশুর হাটের অনুমোদন নেওয়া হয়। উপজেলায় দুটি স্থায়ী পশুর হাট থাকার পরও এ বছর দুই ধাপে ১৭টি পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে।
পশুর হাট ইজারা দেওয়ার শর্তাবলির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ঈদের সর্বোচ্চ তিন দিন আগে থেকে হাট বসানো যাবে।
গতকাল মঙ্গলবার নয়াপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মদনপুর-জয়দেবপুর (ঢাকা বাইপাস) সড়কের পাশে ঈদের এক সপ্তাহ আগেই ওই বাজারের পাশে হাট বসানো হয়েছে। অবৈধ এ হাটকে কেন্দ্র করে ওই সড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে তালতলা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট ছিল। চট্টগ্রাম থেকে আসা মালবাহী ট্রাকের একজন চালক বলেন, সড়কের পাশে অবৈধ এ হাটের কারণে দীর্ঘ যানজটে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ওই হাটের ইজারাদার স্থানীয় সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ বলেন, ‘ঈদের এক সপ্তাহ আগে হাট বসানো হয়েছে এ কথা সত্য। মানুষের চাহিদা বিবেচনা করে এ হাট বসানো হয়েছে। আমি হাটের বৈধ ইজারাদার। সড়কে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখব।’
এদিকে সরকারের কোনো অনুমতি ছাড়াই হোসেনপুর এসপি ইউনিয়ন কলেজ মাঠে গতকাল সকাল থেকে অবৈধভাবে হাট বসানো হয়েছে। কলেজের মাঠে পশুর হাটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হয়েছে বলে একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে। কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শিরিন সুলতানা বলেন, কলেজ মাঠে পশুর হাট বসানোর জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো অনুমতি দেয়নি। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হবে।
এ ছাড়া সনমান্দি ইউনিয়নের অলিপুরা বাজারের অস্থায়ী পশুর হাটও গতকাল থেকে বসানো হয়েছে। হাটের ইজারাদার উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের তিন দিন আগে হাট বসানোর অনুমতি থাকলেও মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আগেভাগেই আমরা হাট বসাতে বাধ্য হয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু নাছের ভূঁঞা প্রথম আলোকে বলেন, যেসব স্থানে অবৈধভাবে পশুর হাট বসানো হয়েছে, সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে উচ্ছেদ করা হবে।
