বাংলাদেশে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্ট প্রকাশ বন্ধে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ।
এই কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেটের পূর্ণাঙ্গ ওয়েব তালিকা প্রস্তুত করে এগুলো বন্ধের তিন স্তরের কারিগরি প্রস্তাবনা তৈরি করবে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে অনলাইন আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সভা শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এতথ্য জানান।
ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেট বন্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে এই কমিটিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা থাকছেন।
শুধু তালিকা ধরে নয়, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি বন্ধের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান তারানা হালিম।
এই পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্টের সহজলভ্যতা অপ্রাপ্তবয়স্কসহ সকল নাগরিকের উপর বিরুপ সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি করছে।
সূত্র:kalerkantho
এই কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেটের পূর্ণাঙ্গ ওয়েব তালিকা প্রস্তুত করে এগুলো বন্ধের তিন স্তরের কারিগরি প্রস্তাবনা তৈরি করবে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে অনলাইন আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সভা শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এতথ্য জানান।
ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেট বন্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে এই কমিটিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা থাকছেন।
শুধু তালিকা ধরে নয়, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি বন্ধের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান তারানা হালিম।
এই পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্টের সহজলভ্যতা অপ্রাপ্তবয়স্কসহ সকল নাগরিকের উপর বিরুপ সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি করছে।
সূত্র:kalerkantho
