তোমাকে বিয়ে করাই ভুল
মেয়েরা তাদের বিয়ের প্রথম ছয় বছর তাদের স্বামীকে যেভাবে ডাকে-
প্রথম বছর : জানু।
দ্বিতীয় বছর : ওগো শুনছ!
তৃতীয় বছর : কই গো তুমি?
চতুর্থ বছর : বল্টুর বাপ একটু এখানে আসো তো।
পঞ্চম বছর : কোথায় মরছো?
ষষ্ঠ বছর : আজকে বাসায় আসো তোমার একদিন কী আমার একদিন! তোমাকে বিয়ে করে আমার জীবনটা তেজপাতা হয়ে গেছে! তোমাকে বিয়ে করে কী পাইছি আমি? আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল তোমাকে বিয়ে করা!
****
আমাদের মারিস কেন
শিক্ষক : ভাষা কাকে বলে?
ছাত্র: মনের ভাব প্রকাশ করাকে ভাষা বলে।
শিক্ষক : যেমন।
ছাত্র : প্রতিদিন আমাদের মারিস কেন? ব্যথা লাগে না?
শিক্ষক : কী?
****
শ্বশুর খুশি হয়ে গিফট করেছে
শাশুড়ি একবার ঠিক করলেন তার দুই জামাইয়ের কে তাকে বেশি ভালোবাসে সেটা পরীক্ষা করবে-
প্রথম দিন সে প্রথম জামাইয়ের সামনে নদীতে লাফ দিলো, আর ডুবে যেতে লাগলো। তিনি দেখতে চাইলেন, জামাই তাকে বাঁচায় কিনা?
জামাই নদীতে লাফ দিয়ে তাকে বাঁচালো। শাশুড়ি তাকে খুশি হয়ে বাইক গিফট করলো।
পরদিন সে দ্বিতীয় জামাইয়ের সামনে নদীতে লাফ দিলো, একই পরীক্ষা করার জন্য। কিন্তু এই জামাই তাকে দেখতে পারতো না, তাই সে বাঁচালো না। শাশুড়ি মারা গেলো। কিন্তু পরদিন দেখা গেলো দ্বিতীয় জামাই মার্সিডিজ নিয়ে ঘুরছে। প্রথম জামাই অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো-
প্রথম জামাই : এটা কোথায় পেলে?
দ্বিতীয় জামাই : আমার শ্বশুর খুশি হয়ে এটা গিফট করেছে!
সূত্র:jagonews24
মেয়েরা তাদের বিয়ের প্রথম ছয় বছর তাদের স্বামীকে যেভাবে ডাকে-
প্রথম বছর : জানু।
দ্বিতীয় বছর : ওগো শুনছ!
তৃতীয় বছর : কই গো তুমি?
চতুর্থ বছর : বল্টুর বাপ একটু এখানে আসো তো।
পঞ্চম বছর : কোথায় মরছো?
ষষ্ঠ বছর : আজকে বাসায় আসো তোমার একদিন কী আমার একদিন! তোমাকে বিয়ে করে আমার জীবনটা তেজপাতা হয়ে গেছে! তোমাকে বিয়ে করে কী পাইছি আমি? আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল তোমাকে বিয়ে করা!
****
আমাদের মারিস কেন
শিক্ষক : ভাষা কাকে বলে?
ছাত্র: মনের ভাব প্রকাশ করাকে ভাষা বলে।
শিক্ষক : যেমন।
ছাত্র : প্রতিদিন আমাদের মারিস কেন? ব্যথা লাগে না?
শিক্ষক : কী?
****
শ্বশুর খুশি হয়ে গিফট করেছে
শাশুড়ি একবার ঠিক করলেন তার দুই জামাইয়ের কে তাকে বেশি ভালোবাসে সেটা পরীক্ষা করবে-
প্রথম দিন সে প্রথম জামাইয়ের সামনে নদীতে লাফ দিলো, আর ডুবে যেতে লাগলো। তিনি দেখতে চাইলেন, জামাই তাকে বাঁচায় কিনা?
জামাই নদীতে লাফ দিয়ে তাকে বাঁচালো। শাশুড়ি তাকে খুশি হয়ে বাইক গিফট করলো।
পরদিন সে দ্বিতীয় জামাইয়ের সামনে নদীতে লাফ দিলো, একই পরীক্ষা করার জন্য। কিন্তু এই জামাই তাকে দেখতে পারতো না, তাই সে বাঁচালো না। শাশুড়ি মারা গেলো। কিন্তু পরদিন দেখা গেলো দ্বিতীয় জামাই মার্সিডিজ নিয়ে ঘুরছে। প্রথম জামাই অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো-
প্রথম জামাই : এটা কোথায় পেলে?
দ্বিতীয় জামাই : আমার শ্বশুর খুশি হয়ে এটা গিফট করেছে!
সূত্র:jagonews24
