প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহাবুবুল হক শাকিল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর গুলশান-২-এর সামদাদো জাপানিজ কুইজিন নামের রেস্তোরাঁয় মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আসিফ কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে মাহবুবুল হক শাকিল স্ত্রী, এক মেয়ে সন্তান এবং অসংখ্য বন্ধু শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
১৯৬৮ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন মাহবুবুল হক শাকিল। তার বাবা আইনজীবী ও মা শিক্ষক। সাবেক এই ছাত্রনেতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) পদে অতিরিক্ত সচিব মর্যাদায় কর্মরত ছিলেন।
২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। তাদের মধ্যে শাকিল অন্যতম ছিলেন। এর আগেও তিনি শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। এছাড়া ছাত্রলীগের
সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
কবি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। গত বইমেলায় ‘মন খারাপের গাড়ি’ নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছিল।
সূত্র:manobkantha
তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আসিফ কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে মাহবুবুল হক শাকিল স্ত্রী, এক মেয়ে সন্তান এবং অসংখ্য বন্ধু শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
১৯৬৮ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন মাহবুবুল হক শাকিল। তার বাবা আইনজীবী ও মা শিক্ষক। সাবেক এই ছাত্রনেতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) পদে অতিরিক্ত সচিব মর্যাদায় কর্মরত ছিলেন।
২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। তাদের মধ্যে শাকিল অন্যতম ছিলেন। এর আগেও তিনি শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। এছাড়া ছাত্রলীগের
সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
কবি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। গত বইমেলায় ‘মন খারাপের গাড়ি’ নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছিল।
সূত্র:manobkantha
