মিয়ানমারে অব্যাহত রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে দীর্ঘদিন চুপ থাকার পর অতীত ভুলে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সুচি। তিনি বলেছেন, দেশে আমাদের নানারকম চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মিয়ানমার এমন একটি দেশ যেখানে নানাধরনের সম্প্রদায়ের বসবাস। বৈচিত্র্যপূর্ণ এদেশে সিঙ্গাপুরের মত স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসন আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। বৃহস্পতিবার সিংগাপুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই আহ্বান জানান।
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (ন্যাম)'র সংবাদমাধ্যম এনএনএন জানিয়েছে, সুচি তিনদিনের সফরে ৩০ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে আসেন। রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিষয়ে সুচি'র নীরবতা নানামুখি সমালোচনার জন্ম দিলেও "গণতন্ত্রের" নেত্রী বলে পরিচিত সুচি নীরব ছিলেন এতদিন। বৈঠকে সুচি বলেছেন,ব্যবসায়ীরা এমন কোন দেশে বিনিয়োগ করতে চান না যেখানে স্থিতিশীলতা নেই। অস্থিতিশীল মায়ানমার আমরা চাই না। কিন্তু রাষ্ট্রীয় অনৈক্যের ইতিহাস এখানে অনেক পুরনো। জাতীয় সংহতি এবং শান্তি স্থাপন আমাদের জন্য অবধারিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠীদের হামলার পর রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর ব্যাপক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। শতাধিক মানুষকে হত্যার পাশাপাশি এক হাজারেরও বেশি বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় তারা।
রোহিঙ্গারা শত বছর ধরে রাখাইন রাজ্যে বসবাস করলেও মিয়ানমার তাদেরকে নিজ নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। নানা সময় নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে তারা পালিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে এসেছে। এরই মধ্যে পাঁচ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বৈধ অথবা অবৈধভাবে বাংলাদেশে বাস করছে। রোহিঙ্গাদের ওপর সাম্প্রতিক নির্যাতনের ঘটনায় মুসলিম দেশগুলোতে এদিকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে সুচির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে গণবিক্ষোভের মুখে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং মুসলিমপ্রধান রাষ্ট্র মালয়েশিয়ায় অং সান সুচির পূর্ব নির্ধারিত সফর বাতিল করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের তিনদিনের সফর শেষে ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া সফরে যাওয়ার কথা ছিল সুচির।
মালয়েশিয়ার সিনিয়র ক্যাবিনেট মিনিস্টার খায়েরি জামালউদ্দিন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতামূলক সংগঠন আসিয়ানে মিয়ানমারের সদস্যপদ পুনঃবিবেচনার আহবান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, মিয়ানমারে বড় ধরনের জাতিগত নিধন চলছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদে সপ্তাহান্তে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এক মহাসমাবেশে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নজীব রাজাক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা।
সূত্র:dainikamadershomoy
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (ন্যাম)'র সংবাদমাধ্যম এনএনএন জানিয়েছে, সুচি তিনদিনের সফরে ৩০ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে আসেন। রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিষয়ে সুচি'র নীরবতা নানামুখি সমালোচনার জন্ম দিলেও "গণতন্ত্রের" নেত্রী বলে পরিচিত সুচি নীরব ছিলেন এতদিন। বৈঠকে সুচি বলেছেন,ব্যবসায়ীরা এমন কোন দেশে বিনিয়োগ করতে চান না যেখানে স্থিতিশীলতা নেই। অস্থিতিশীল মায়ানমার আমরা চাই না। কিন্তু রাষ্ট্রীয় অনৈক্যের ইতিহাস এখানে অনেক পুরনো। জাতীয় সংহতি এবং শান্তি স্থাপন আমাদের জন্য অবধারিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠীদের হামলার পর রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর ব্যাপক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। শতাধিক মানুষকে হত্যার পাশাপাশি এক হাজারেরও বেশি বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় তারা।
রোহিঙ্গারা শত বছর ধরে রাখাইন রাজ্যে বসবাস করলেও মিয়ানমার তাদেরকে নিজ নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। নানা সময় নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে তারা পালিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে এসেছে। এরই মধ্যে পাঁচ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বৈধ অথবা অবৈধভাবে বাংলাদেশে বাস করছে। রোহিঙ্গাদের ওপর সাম্প্রতিক নির্যাতনের ঘটনায় মুসলিম দেশগুলোতে এদিকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে সুচির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে গণবিক্ষোভের মুখে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং মুসলিমপ্রধান রাষ্ট্র মালয়েশিয়ায় অং সান সুচির পূর্ব নির্ধারিত সফর বাতিল করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের তিনদিনের সফর শেষে ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া সফরে যাওয়ার কথা ছিল সুচির।
মালয়েশিয়ার সিনিয়র ক্যাবিনেট মিনিস্টার খায়েরি জামালউদ্দিন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতামূলক সংগঠন আসিয়ানে মিয়ানমারের সদস্যপদ পুনঃবিবেচনার আহবান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, মিয়ানমারে বড় ধরনের জাতিগত নিধন চলছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদে সপ্তাহান্তে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এক মহাসমাবেশে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নজীব রাজাক অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা।
সূত্র:dainikamadershomoy
