রাজশাহীর বাঘায় পরপর তিন দিনের কালবৈশাখী ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা।
বাঘা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় আট হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে উৎপাদন ধরা হয়েছে হেক্টর প্রতি ৫ মেট্রিক টন।
উপজেলার মনিগ্রামের জিল্লুর রহমান বলেন, লিজ নেওয়া বাগানে যে পরিমাণ গাছ থেকে আম পড়েছে, সঠিক সময়ে তা সংরক্ষণ করা গেলে প্রায় ৫ লাখ টাকা বিক্রি হতো।
আড়পাড়া গ্রামের বাগান মালিক আনোয়ার হোসেন পলাশ বলেন, আম বিক্রির টাকা দিয়েই সারা বছরের সংসার চলে। কিন্তু গাছ থেকে আম ঝড়ে যাওয়ায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আম ব্যবসায়ী মনা হোসেন বলেন, এক টাকা থেকে দেড় টাকা কেজিতে ক্রয় করে চার ট্রাক আম ঢাকায় চালান করেছি। প্রতি ট্রাকে ৩০০ মণ পাঠানো হয়েছে। শুধু মনা হোসেন নয়, তার মতো অনেক ব্যবসায়ী ঝড়ে পড়া আম ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জেলায় চালান করেছেন।
১১ বছর বয়সের শান্ত বলেন, দাদির সাথে ঝড়ে পড়া আম কুড়িয়ে সাড়ে তিন মণ আম বিক্রি করেছি এক টাকা কেজি দরে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা বেগম বলেন, আমের ক্ষতি হয়েছে ৫ শতাংশ। এই ঝড়ে যে পরিমাণ আম ঝড়ে পড়েছে, তা নির্ধারিত সময়ে বিক্রি করলে সাড়ে ২৩ কোটি টাকায় বিক্রি হতো। তবে গাছে এখনো যে পরিমাণ আম আছে, আর যদি ঝড় না হয়- তাহলে বাগান মালিক ও আম উৎপানকারীদের পুষিয়ে যাবে।
গত রোববার ও সোমবার এবং মঙ্গলবার এর কালবৈশাখী ঝড়ে পাঁচ শতাংশ আম ঝড়ে পড়েছে। ফলে টাকার অংকে আমের ক্ষতি হয়েছে সাড়ে ২৩ কোটি টাকা।
সূত্র:dainikamadershomoy
বাঘা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় আট হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে উৎপাদন ধরা হয়েছে হেক্টর প্রতি ৫ মেট্রিক টন।
উপজেলার মনিগ্রামের জিল্লুর রহমান বলেন, লিজ নেওয়া বাগানে যে পরিমাণ গাছ থেকে আম পড়েছে, সঠিক সময়ে তা সংরক্ষণ করা গেলে প্রায় ৫ লাখ টাকা বিক্রি হতো।
আড়পাড়া গ্রামের বাগান মালিক আনোয়ার হোসেন পলাশ বলেন, আম বিক্রির টাকা দিয়েই সারা বছরের সংসার চলে। কিন্তু গাছ থেকে আম ঝড়ে যাওয়ায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আম ব্যবসায়ী মনা হোসেন বলেন, এক টাকা থেকে দেড় টাকা কেজিতে ক্রয় করে চার ট্রাক আম ঢাকায় চালান করেছি। প্রতি ট্রাকে ৩০০ মণ পাঠানো হয়েছে। শুধু মনা হোসেন নয়, তার মতো অনেক ব্যবসায়ী ঝড়ে পড়া আম ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জেলায় চালান করেছেন।
১১ বছর বয়সের শান্ত বলেন, দাদির সাথে ঝড়ে পড়া আম কুড়িয়ে সাড়ে তিন মণ আম বিক্রি করেছি এক টাকা কেজি দরে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা বেগম বলেন, আমের ক্ষতি হয়েছে ৫ শতাংশ। এই ঝড়ে যে পরিমাণ আম ঝড়ে পড়েছে, তা নির্ধারিত সময়ে বিক্রি করলে সাড়ে ২৩ কোটি টাকায় বিক্রি হতো। তবে গাছে এখনো যে পরিমাণ আম আছে, আর যদি ঝড় না হয়- তাহলে বাগান মালিক ও আম উৎপানকারীদের পুষিয়ে যাবে।
গত রোববার ও সোমবার এবং মঙ্গলবার এর কালবৈশাখী ঝড়ে পাঁচ শতাংশ আম ঝড়ে পড়েছে। ফলে টাকার অংকে আমের ক্ষতি হয়েছে সাড়ে ২৩ কোটি টাকা।
সূত্র:dainikamadershomoy
