যেখানে বাংলাদেশে সঠিক সময়ের মধ্যে কোন প্রকল্পের কাজ শেষ হয় না, উল্টো সময়ের পাশাপাশি বাড়াতে হয় বাজেট, সেখানে এক বিরল নজির স্থাপন করল 'শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব'।
তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৪ সালে শুরু হয় 'শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব' প্রকল্প। এর অধীনে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের আগে ২০০১টি কম্পিউটার ল্যাব এবং ৬৫টি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করার কথা ছিল। এই প্রকল্পে বাজেট ধরা হয়েছিল ২৯৮.৯৮ কোটি টাকা। কিন্তু ২০১৬ সালের জুলাই মাসের মধ্যে প্রকল্পটি তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে। উল্টো ৯৬ কোটি টাকা বাড়তি রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক ইমদাদুল হক বেশ খুশি মনে গণমাধ্যমকে জানান, বিচক্ষণ ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক পর্যবেক্ষণের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। এ সময় তিনি আরো জানান, বেঁচে যাওয়া ৯৬ কোটি টাকা দিয়ে আরো ৮০০ নতুন কম্পিউটার ল্যাব এবং ১০০ ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।
এত পরিমাণ অর্থ বেঁচে যাওয়ার কারণে প্রকল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির মানের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মান সম্মত কাজ করতে চেয়েছি। তাই সবার আগে আমরা লক্ষ্য রেখেছি মানের দিকে।
এ সময় তিনি আরো বলেন, প্রজেক্টটি আমরা চালু করেছি। কিন্তু এটির ব্যবস্থাপনা করতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।
Source: ittefaq
তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৪ সালে শুরু হয় 'শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব' প্রকল্প। এর অধীনে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের আগে ২০০১টি কম্পিউটার ল্যাব এবং ৬৫টি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করার কথা ছিল। এই প্রকল্পে বাজেট ধরা হয়েছিল ২৯৮.৯৮ কোটি টাকা। কিন্তু ২০১৬ সালের জুলাই মাসের মধ্যে প্রকল্পটি তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে। উল্টো ৯৬ কোটি টাকা বাড়তি রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক ইমদাদুল হক বেশ খুশি মনে গণমাধ্যমকে জানান, বিচক্ষণ ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক পর্যবেক্ষণের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। এ সময় তিনি আরো জানান, বেঁচে যাওয়া ৯৬ কোটি টাকা দিয়ে আরো ৮০০ নতুন কম্পিউটার ল্যাব এবং ১০০ ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।
এত পরিমাণ অর্থ বেঁচে যাওয়ার কারণে প্রকল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির মানের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মান সম্মত কাজ করতে চেয়েছি। তাই সবার আগে আমরা লক্ষ্য রেখেছি মানের দিকে।
এ সময় তিনি আরো বলেন, প্রজেক্টটি আমরা চালু করেছি। কিন্তু এটির ব্যবস্থাপনা করতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।
Source: ittefaq
