আবারও বাংলাদেশীদের জন্য শ্রম বাজার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুয়েত।
বুধবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড পাসপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি শেখ মাজেন আল-জারা আল-সাবাহের বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে কুয়েত টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে শেখ মাজেন বলেন, তার দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীর সংখ্যা গত সপ্তাহেই দু্ই লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, চাকরিদাতার নিজের বাড়ি থাকার বাধ্যবাধকতাসহ বেশ কিছু শর্তে কয়েক মাস আগে কুয়েতের শ্রমবাজার বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
জনশক্তি রফতানি প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশী শ্রমিকরা প্রথমবারের মতো কুয়েত যাওয়ার সুযোগ পায় ১৯৭৬ সালে। এরপর থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট চার লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক চাকরি নিয়ে সেখানে যায়।
২০০৭ সালে বাংলাদেশী শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কিছু 'অনিয়মের' অভিযোগ এনে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করে দেয় কুয়েত।
সরকারি পর্যায়ে দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর ২০১৪ সালে কুয়েত আবারও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে রাজি হয়। ওই বছরই সে দেশের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫৯৩ জন শ্রমিকের চাহিদা পাঠায়।
jugantor
বুধবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড পাসপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি শেখ মাজেন আল-জারা আল-সাবাহের বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে কুয়েত টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে শেখ মাজেন বলেন, তার দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীর সংখ্যা গত সপ্তাহেই দু্ই লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, চাকরিদাতার নিজের বাড়ি থাকার বাধ্যবাধকতাসহ বেশ কিছু শর্তে কয়েক মাস আগে কুয়েতের শ্রমবাজার বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
জনশক্তি রফতানি প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশী শ্রমিকরা প্রথমবারের মতো কুয়েত যাওয়ার সুযোগ পায় ১৯৭৬ সালে। এরপর থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট চার লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক চাকরি নিয়ে সেখানে যায়।
২০০৭ সালে বাংলাদেশী শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কিছু 'অনিয়মের' অভিযোগ এনে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করে দেয় কুয়েত।
সরকারি পর্যায়ে দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর ২০১৪ সালে কুয়েত আবারও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে রাজি হয়। ওই বছরই সে দেশের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫৯৩ জন শ্রমিকের চাহিদা পাঠায়।
jugantor
